content
stringlengths
0
129k
বিশেষ করে বাংলাদেশে বেশীরভাগ নারীই গর্ভধারণ করার অনেক আগে থেকেই রক্তশূন্যতায় ভোগেন
যেহেতু এখন ক্রমাগত বড় হতে থাকা জরায়ুকে জায়গা করে দেয়ার জন্য আপনার পেশী এবং লিগামেন্টগুলোতে টান বাড়বে, আপনি সামান্য ব্যথা অনুভব করতে পারেন
যদি আপনি এখনো ব্যায়াম শুরু না করেন, তাহলে এ পর্যায়ে নিয়মিত গর্ভাবস্থার উপযোগী কিছু ব্যায়াম করতে পারেন
এতে করে আপনার পেশী সবল থাকবে
এই সময় থেকে পেলভিক ফ্লোর এক্সারসাইজ শুরু করতে পারেন
এসব ব্যায়ামগুলো প্রসবের সময় বেশ সাহায্য করে
সেই সাথে প্রসবের পর দ্রুত সেরে উঠতে এবং প্রস্রাব নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার মত সমস্যা রোধে বেশ কার্যকর
এই সময় মায়ের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতিও বিশেষ নজর রাখতে হবে
গর্ভকালীন সময়ের মানসিক চাপ ও উদ্বেগের পরিমান যদি স্বাভাবিকের থেকে বেশী হয়, তবে তা গর্ভাবস্থায় বিষণ্ণতা ও অন্যান্য মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার সূচনা করতে পারে
আমাদের সমাজে গর্ভধারণ ও মায়েদের সুস্থতা, সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে কথা বলার চর্চা খুবই কম
এক্ষেত্রে আপনার কাছের বা বিশ্বস্ত কারো কাছে যেমন আপনার স্বামী, শাশুরি, মা, বোন, বন্ধু, অন্য কেউ, এমন কি ডাক্তারের কাছেও আপনার যাবতীয় কথা শেয়ার করতে পারেন
এটি আপনাকে বিষণ্ণতা ও উদ্বেগ নিয়ন্ত্রন করতে সাহায্য করবে
সবশেষে মনে রাখা উচিত, গর্ভবতী মাকে সব সময় হাসিখুশি ও দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকতে হবে
গর্ভাবস্থায় মায়ের মানসিক অবস্থা পরবর্তীকালে শিশুর বিকাশে প্রভাব ফেলে, যা গবেষণায় প্রমাণিত
নতুন মায়েরা অনেক কিছুই জানেন না এবং অনেক ব্যাপারে নার্ভাস থাকেন
হাজার হাজার উপদেশের ভিড়ে কোনটি সঠিক আর কোনটি ভুল সেটিও বুঝে উঠতে পারেন না
গর্ভকালীন সময়ে যুগোপযোগী বিভিন্ন লেখা পড়ে ও এক্সপার্টদের কাছ থেকে করণীয় কি ইত্যাদি জেনে নিতে হবে
এবং সামনের কঠিন পথ পাড়ি দেয়ার জন্য প্রস্তুত হতে হবে
সবার জন্য শুভকামনা
<<গর্ভাবস্থা সপ্তাহ ২৪
গর্ভাবস্থা সপ্তাহ ২৬>>
25 - ://..//--/-25.
25 - ://../25---4159047
25 - - ://../4//--/2-/-25/
25 - ://../---/25--
25 : , , - ://..///25--
25 - ://../-/25--
25 - ://..//304482
25 - ://./--/25--/
25 - ://../25--
শেয়ার করে অন্যদের জানাতে সাহায্য করুন
25 সপ্তাহ অনুযায়ী গর্ভাবস্থা
গর্ভাবস্থায় রোজা রাখা - কিছু পরামর্শ
২৬ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস
30, 2018 0
৪০ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস
শেয়ার করে অন্যদের জানাতে সাহায্য করুন গর্ভাবস্থার ৪০ তম সপ্তাহেই হতে পারে আপনার সাথে আপনার নবজাতকের...
40 সপ্তাহ অনুযায়ী গর্ভাবস্থা
17, 2017 0
৩৯ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস
শেয়ার করে অন্যদের জানাতে সাহায্য করুন গর্ভাবস্থার ৩৯ তম সপ্তাহে ভ্রূণটিকে "ফুল টার্ম" হিসেবে বিবেচনা করা...
39 সপ্তাহ অনুযায়ী গর্ভাবস্থা
26, 2017 0
৩৮ সপ্তাহের গর্ভাবস্থা | ভ্রূণের বৃদ্ধি, মায়ের শরীর এবং কিছু টিপস
শেয়ার করে অন্যদের জানাতে সাহায্য করুন গর্ভাবস্থার ৩৮ তম সপ্তাহে ভ্রূণের বিকাশের বিষয়গুলো খুব সূক্ষ হয়ে...
38 সপ্তাহ অনুযায়ী গর্ভাবস্থা
.
আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন
(..) এ প্রচারিত সকল তথ্য সমসাময়িক বিজ্ঞানসম্মত উৎস থেকে সংগৃহিত এবং এসকল তথ্য কোন অবস্থাতেই সরাসরি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত নয়
জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনা সৃষ্টি এর একমাত্র লক্ষ্য
, , , .
শিশু হাম আক্রান্ত ব্যাক্তির সংস্পর্শে এসে থাকলে, তাকে যাতে রোগ সংক্রমিত না করে, তার প্রতিরোধমূলক কোন ব্যাবস্থা কি আমি নিতে পারি?
কিভাবে হাম প্রতিরোধে ব্যাবস্থা নিতে পারি?
হামের ভ্যাকসিন কি জীবন্ত ভ্যাকসিন?
শেয়ার করে অন্যদের জানাতে সাহায্য করুন
এখনো কি শিশুদের হাম হওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কিছু আছে?
১৯৭৯ সাল থেকে বাংলাদেশে ১ বছরের নিচে সকল শিশুদের হামের ( ) টিকা দেওয়া হয়ে থাকে
হামের টিকা দেওয়া থাকলে এ নিয়ে দুশ্চিন্তা অনেকটা কমে যায় তবুও উন্নত দেশগুলোতে যে হারে হামের সংক্রমণ কমে গিয়েছে, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে কিন্তু হাম এখনও নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়নি বরং সারা বিশ্বজুড়ে এখনও হাম বেশ বড় একটি হুমকি বলা যায়
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা () এর মতে, সারা বিশ্বজুড়ে ৩০ মিলিয়নের বেশী মানুষ প্রতি বছর হামে আক্রান্ত হয়
২০০৬ সালে, দুই লাখ ৪২ হাজার মানুষ হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় যার অধিকাংশই ছিল শিশু
...
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০১৭ সালের জুলাই মাসের প্রতিবেদনে বলা হয়, হামের প্রকোপে আক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ষষ্ঠ
যদিও বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মতে বর্তমানে দেশের ৮২ শতাংশ শিশুকে টিকাদান কর্মসূচীর আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে, তবুও দেশের বিভিন্ন যায়গায় কয়েক বছর পর পরই হাম মহামারি রূপ ধারণ করে
তাই হামের মতো প্রাণঘাতী রোগ নিয়ে দুশ্চিন্তা করতেই হবে
শিশুর হাম কিভাবে হয়?
হাম একটি ভাইরাসজনিত রোগ
ভাইরাস আক্রান্ত কারো হাঁচি ও কাশি থেকে জীবাণুমিশ্রিত ছোট ছোট জলকণা বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে যা অন্তত ২ ঘন্টা সক্রিয় থাকে
এখন এই সময়ের মধ্যে এর সংস্পর্শে এসে কেউ নিঃশ্বাস নিলে, নিঃশ্বাসের মাধ্যমে জীবানু শরীরে প্রবেশ করে
আপনার শিশুকে যদি হামের টিকা না দিয়ে থাকেন, এবং তার পূর্বে কখনো হাম না হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে এই ভাইরাসে আক্রান্ত কারো সংস্পর্শে এলে আপনার শিশুর আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৯০%
ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সেটা অসুখে রূপ নিতে ৬ থেকে ২১ দিন (সাধারণত ১৪ দিন) পর্যন্ত লেগে যেতে পারে
ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে হামের ফুসকুড়ি উঠার ৫ দিন আগে থেকে ৪ দিন পর পর্যন্ত সে সংক্রামক হিসেবে কাজ করে
এই সময়ের মধ্যে সুস্থ কেউ তার সংস্পর্শে আসলে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে
হামের উপসর্গগুলো কি কি?
শিশুর হাম হলে, প্রথমে বেশ জ্বর দিয়ে শুরু হবে, নাক দিয়ে পানি পড়বে, কাশি থাকবে, চোখ লাল হয়ে ফুলে যাবে, কালশিটে দাগ দেখা যাবে
দু একদিনের মধ্যেই গালের ভিতরে শ্লেষ্মা ঝিল্লীতে সাদা সাদা দাগ (' ) পড়ে
জ্বর হওয়ার কয়েক দিন পর, শিশুর মুখে ও ঘাড়ে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয় যা ধীরে ধীরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে
র‍্যাশগুলো প্রথমে লাল ছোপ ছোপ থাকলে পরে ছোট দানাদার হয়ে দেখা দেয়
ফুসকুড়ি দেখা যাওয়ার পর, জ্বরও ধীরে ধীরে বেশ বাড়তে থাকে
কখনো কখনো সেটা ৪০.৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস/১০৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট পর্যন্তও পৌঁছে যেতে পারে
র‍্যাশে চুলকানিও হতে পারে
হাম হওয়ার কদিনের মধ্যেই আপনার শিশু বেশ রুগ্ন এবং শরীরের ব্যাথায় বেশ ক্লান্ত হয়ে পড়বে
কাশিটাও তাকে বেশ যন্ত্রণা দেবে
সর্বোপরি, শিশু করুণ অবস্থায় পড়ে যাবে
ফুসকুড়িগুলো প্রায় ৫ দিনের মতো স্থায়ী থাকে এবং পরে ত্বকের সাথে মিশে খয়েরি রঙ ধারণ করে নিঃশ্বেষ হয়ে যায় এবং ত্বক তখন বেশ শুকনো এবং খসখসে হয়ে যায়
[ আরও পড়ুনঃ শিশুর শরীরের তাপমাত্রা কিভাবে পরিমাপ করবেন ? ]
হাম হলে শিশু বড়সড় কি কি জটিলতায় পড়তে পারে?
অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিশু বড় কোন জটিলতা ছাড়াই হাম থেকে মুক্তি পেয়ে যেতে পারে
২০% থেকে ৩০% কেসের ক্ষেত্রে,শিশু কিছু জটিলতায় পড়তে পারে, যেমন - ডায়রিয়া কিংবা কানের ইনফেকশন ইত্যাদি
শিশুর টিকা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্যসমূহ
শিশুর নিউমোনিয়া এবং তার চিকিৎসা
শিশুর চিকেন পক্স : লক্ষণ, করণীয়, প্রতিরোধ