content
stringlengths
0
129k
গর্ভাবস্থায় হেপাটাইটিস বি : সতর্ক থাকা জরুরী
হাম হলে শিশু আরো কিছু জটিলতায় পড়তে পারে, যেমন নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস, (মস্তিষ্কে প্রদাহ) প্রভৃতি
এছাড়া মস্তিষ্কের জটিল কোন সমস্যাও দেখা দিতে পারে, তবে সেটা সচরাচর খুব একটা দেখা যায় না
শিশুরই হোক বা বড়দের, ঠিকমতো চিকিৎসা না হলে এই রোগ ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে
হামে আক্রান্ত শিশুর চিকিৎসা কেমন হবে?
আপনি যদি সন্দেহ করেন যে হয়তো আপনার শিশুর হাম হয়েছে, সাথে সাথে তাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে চলে যান
যখন কোন ডাক্তারের কাছে হামের রোগী আসে, ডাক্তার অবশ্যই সরকারি নথিপত্রে তা টুকে রাখার ব্যাবস্থা করেন
তাই হাম নিয়ে সন্দেহ থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে
ডাক্তার যদি নিশ্চিত করে যে আপনার শিশুর হাম হয়েছে, তারপর আসলে আপনার খুব বেশী কিছু একটা করার সুযোগ নেই
শিশুকে যথাসম্ভব আরাম দেওয়ার চেষ্টা করুন
যখন তার শরীর ভাইরাসের সাথে যুদ্ধ করছে, এমন সময়ে তাকে অন্যান্য শিশুদের থেকে দূরে দূরে রাখুন
জ্বরের মধ্যে ডিহাইড্রেশন থেকে মুক্ত থাকতে সে যথেষ্ট বিশ্রাম ও পানি পাচ্ছে কিনা সেটা নিশ্চিত হোন
...
জ্বর ও ব্যাথা থেকে মুক্তি দিতে আপনার শিশুকে ইনফ্যান্ট প্যারাসিটামল (যদি তার বয়স এক মাসের বেশী হয়ে থাকে) কিংবা ইবোপ্রোফেন (যদি তার বয়স তিন মাসের বেশী হয়) খাওয়াতে পারেন
তবে অবশ্যই সঠিক ডোজটা ডাক্তারই ঠিক করে দেবেন
কখনোই শিশুকে এসপিরিন দেবেন না কারণ এটা '' ' নামক প্রানঘাতী মারাত্মক রোগের দিকে আপনার শিশুকে নিয়ে যেতে পারে
কাশির ঔষধ আসলে কাজ করে, এমন কোন প্রমাণ কেউ দিতে পারবে না, বরং ছয় বছরের নিচের শিশুদের জন্যে কাশির ঔষধ ক্ষতিকর হতে পারে
তার পরিবর্তে, বড় গামলায় গরম পানি এনে শিশুর রুমে রেখে দিন, এতে করে রুমের আদ্রতা বাড়বে, এটা বরং আপনার শিশুকে কাশি থেকে আরাম দিতে পারে
একটু বড় শিশুর ক্ষেত্রে এক টেবিল চামচ লেবুর জুস এবং দুই চা চামচ মধু এক গ্লাস গরম পানিতে মিশিয়ে খাইয়ে দিলে বেশ উপকার পাওয়া যায়
তবে এক বছরের নিচের শিশুদের কোনভাবেই মধু খাওয়ানো যাবে না
হামে আক্রান্ত রোগীকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে
আর একটু পরপর ভেজা তোয়ালে বা গামছা বা নরম কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দিতে হবে
হাম হলে রোগীকে পুরোপুরি বিশ্রামে থাকতে হয়
এ সময় বাসা থেকে বের না হওয়াই ভালো
হাম নিরাময়ে এন্টিবায়োটিক কোন কাজ করে না, তবে অন্যান্য কোন সমস্যা হলে যেমন কানের ইনফেকশন- সেক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক লাগতে পারে
শিশু হাম আক্রান্ত ব্যাক্তির সংস্পর্শে এসে থাকলে, তাকে যাতে রোগ সংক্রমিত না করে, তার প্রতিরোধমূলক কোন ব্যাবস্থা কি আমি নিতে পারি?
আপনার শিশুকে যদি এখনো এমএমআর ভ্যাকসিন দেওয়া না হয় এবং সে কোনভাবে ভাইরাস সংক্রমিত ব্যাক্তির সংস্পর্শে আসে, সেক্ষেত্রে তার মধ্যে যাতে হাম সংক্রমিত না হতে পারে, সেজন্যে শিশুর বয়সের উপর নির্ভর করে আপনার করণীয়গুলো ঠিক করতে হবে
আপনার শিশুর বয়স যদি ছয় মাসের কম হয়ে থাকে এবং আপনি যদি হামের টিকা দ্বারা সুরক্ষিত থাকেন, সেক্ষেত্রে আপনার শরীরের যে এন্টিবডি গর্ভাবস্থায় শিশুর শরীরেও গিয়েছে, সেগুলো দিয়েই সে সুরক্ষিত থাকবে
ছয় মাস বয়সের পর, আপনার শরীর থেকে পাওয়া এন্টিবডিগুলো খুব একটা শক্তিশালী থাকে না, তাই ৬ থেকে ৯ মাস বয়সী শিশু যদি হাম সংক্রমিত কারো সংস্পর্শে এসে পড়ে, সেক্ষেত্রে তাকে হাম প্রতিরোধের জন্যে ইমিউনোগ্লোবিউলিন ইনজেকশন দেওয়া হয়
শিশুর হাম সংক্রমিত ব্যাক্তির সংস্পর্শে আসার সাত দিনের মধ্যে এই ইনজেকশন দিতে হয়
আপনার শিশুর বয়স যদি ৯ থেকে ১২ মাস হয়, সেক্ষেত্রে তাকে এমএমআর ভ্যাকসিন দেওয়া যায়
যদি সম্ভব হয়, হাম সংক্রমিত কারো সংস্পর্শে আসার ৭২ ঘন্টার মধ্যে এই ভ্যাকসিন দিলে ভাল কাজ করে
এর পর ১২ মাসের সময়, সাধারণ নিয়ম মাফিক বুস্টার হিসেবে দ্বিতীয়বার শিশুকে এমএমআর ভ্যাকসিন দিতে হয়
কিভাবে হাম প্রতিরোধে ব্যাবস্থা নিতে পারি?
শিশুর বয়স ১২ মাস হলে, তাকে নিয়ম অনুযায়ী অবশ্যই এমএমআর () ভ্যাকসিন দিতে হবে
এর মাধ্যমে শিশুকে হাম-রুবেলা থেকে ৯০%-৯৫% পর্যন্ত সুরক্ষিত রাখা সম্ভব
শিশুর বয়স ১৮ মাস হলে, তাকে সেকেন্ড ডোজ (বুস্টার) দিতে হবে যা শিশুকে ৯৯% পর্যন্ত সুরক্ষিত রাখতে সক্ষম হবে
এই কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সকল দেশসহ উন্নত বিশ্বের অনেক দেশে দুই ডোজের এমএমআর ভ্যাকসিন দিতে বলা হয়ে থাকে
...
অনেক অভিভাবক শিশুদের হামের টিকার ক্ষেত্রে এক ডোজ দেওয়ান
দুই ডোজ দেওয়ান না
আবার টিকার কোনো গলদ বা দেওয়ার সময় পদ্ধতিগত ভুলের কারণেও এই টিকা কার্যকারিতা হারাতে পারে
টিকা দেওয়ার পদ্ধতিতে ভুল থাকলে কিংবা সরকারি অনুমোদনহীন কোনো হাসপাতাল থেকে টিকা দিলেও এর কার্যকারিতা নষ্ট হতে পারে
তবে টিকা দেওয়ার পরও হাম হয়ে গেলে এ নিয়ে খুব চিন্তিত হবেন না
এর চিকিৎসা বা জটিলতা সাধারণ হামের মতোই
[ আরও পড়ুনঃ শিশুর টিকা
প্রয়োজনীয় তথ্যসমূহ ]
হামের ভ্যাকসিন কি জীবন্ত ভ্যাকসিন?
এমএমআর() ভ্যাকসিনকে - ভ্যাকসিন বলা হয়
এটা এক ধরণের জীবন্ত ভাইরাস যাকে বেশ কিছুটা দুর্বল করে শরীরে প্রবেশ করানো হয় যাতে তা শরীরের কোন ক্ষতি করতে না পারে
কিন্তু এর উপস্থিতিতে শরীর এর প্রতিরোধী ইমিউন ব্যাবস্থা গড়ে তোলে
যখন শরীর কোন আসল হামের জীবানুর মুখোমুখি হয়, তা থেকে এটা শরীরকে সুরক্ষিত রাখে
হাম-রুবেলা থেকে সুরক্ষিত থাকতে এই ভ্যাকসিনই সর্বোত্তম ও একমাত্র প্রতিরোধক
সবার জন্য শুভকামনা
শেয়ার করে অন্যদের জানাতে সাহায্য করুন
টডলারের অসুখ ও সমস্যা শিশুর অসুখ ও সমস্যা
গর্ভাবস্থায় পর্যাপ্ত পানি পান করছেন তো?
শিশুদের জ্বরের পর র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি ওঠার কারণ কি?
10, 2020 0
শিশুর লার্নিং ডিসএবিলিটি | শেখার অক্ষমতা
শেয়ার করে অন্যদের জানাতে সাহায্য করুন বলা হয়ে থাকে, শিশুরা কোমলমতি ও ফুলের মতো নিষ্পাপ হয়
টডলারের অসুখ ও সমস্যা টডলারের বিকাশ প্যারেন্টিং
23, 2020 0
ডিসলেক্সিয়া () কি ? কারণ, লক্ষণ ও করনীয়
শেয়ার করে অন্যদের জানাতে সাহায্য করুন যুক্তরাষ্ট্রে প্রাইমারী ক্লাসের এক শিক্ষার্থী, যার নাম ছিলো বেনি ()
টডলারের অসুখ ও সমস্যা টডলারের বিকাশ প্যারেন্টিং
7, 2020 0
শিশুর সবুজ মল | কখন স্বাভাবিক, কখন নয়
শেয়ার করে অন্যদের জানাতে সাহায্য করুন নবজাতক শিশুদের মলত্যাগ মায়েদের জন্য বেশ উদ্বেগের, বিশেষ করে যদি...
শিশুর অসুখ ও সমস্যা
.
আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন
(..) এ প্রচারিত সকল তথ্য সমসাময়িক বিজ্ঞানসম্মত উৎস থেকে সংগৃহিত এবং এসকল তথ্য কোন অবস্থাতেই সরাসরি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত নয়
জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনা সৃষ্টি এর একমাত্র লক্ষ্য
, , , .
ঈদের আনন্দে মেতে উঠুন প্রিয়জনের সাথে
করোনা মহামারী থেকে রক্ষা পেতে কেনাকাটা করুন অনলাইনে, নিরাপদে নির্বিঘ্নে,
ঈদের আনন্দে মেতে উঠুন প্রিয়জনের সাথে
করোনা মহামারী থেকে রক্ষা পেতে কেনাকাটা করুন অনলাইনে, নিরাপদে নির্বিঘ্নে,
প্রথম টেস্টের দল ঘোষণা বাংলাদেশের: নতুন মুখ জয়-রাজা, আছেন লিটন - স্পোর্টস গসিপ প্রথম টেস্টের দল ঘোষণা বাংলাদেশের: নতুন মুখ জয়-রাজা, আছেন লিটন - স্পোর্টস গসিপ
.@. : :
@. : :
@. : :
@-. : :
মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন
সার্চ করুন
এক্সক্লুসিভ
ট্রান্সফার
বিশ্বকাপ মিশন
টিভিতে খেলা