content stringlengths 0 129k |
|---|
চমৎকার লেখা দয়া করে হুট করে বন্ধ করে দেবেননা |
না ভাই এটা একটা মেগা সিরিয়াল হিন্দি সিরিয়ালের মত |
মোহাম্মদ ও ইসলাম সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য ও ব্যখ্যা বিশ্লেষণ এ সিরিজে তুলে ধরতে চাই |
আঃ হাকিম চাকলাদার আগস্ট 22, 2012 6:30 পূর্বাহ্ন - |
যে লোক রসূলের হুকুম মান্য করবে সে আল্লাহরই হুকুম মান্য করল |
সূরা নিসা, ০৪: ৮০ |
এর দ্বারা এটাও প্রমাণিত হয় "যে রসুলের হুকুম অমান্য করবে সে আল্লাহর হুকুম ও অমান্য করবে |
নীচের হাদিছ গুলী প্রমান করে ফটো তোলা নবীর কঠোর নিষেধ তথা আল্লাহর কঠোর নিষেধ |
কোন হাদিছই কোন করণেই ফটো তোলা বা সংগে রাখার অনুমোদন দেয় নাই |
বরং ফটো সংগে রাখলে রহমতের ফেরেশ্তা ও কাছে আসবেনা |
এই পরিপ্রক্ষিতে যারা আরব দেশের বাহির হতে ফটো পাসপোর্টে ফটো তুলে লাগাচ্ছেন এবং ফটো পাসপোর্ট সংগেও রাখিয়া সমগ্র হজ্জ আদায় করতেছেন তারা এই হাদিছকে তথা আল্লাহর নির্দেশ কে চরম ভাবে অবমাননা করতেছেন |
কেহ কী একটি হাদিছ ও দেখাতে পারবেন যেখানে হজ্জের জন্য ফটো বৈধ রাখা হয়েছে |
তাহলে হাদিছ গুলী নীচে দেখুন- |
আয়শা বর্ণিত- আল্লাহর নবী বলেছেন- যারা প্রানীর ছবি আকে তাদের শেষ বিচারের দিন আল্লাহ বলবেন- যে সব প্রানীর ছবি আকতে তাদেরকে জীবন দান কর |
যে ঘরে কোন প্রানীর ছবি থাকে সে ঘরে ফেরেস্তারা প্রবেশ করে না |
সহি বুখারি, বই-৩৪, হাদিস-৩১৮ |
সাইদ বিন আবু হাসান বর্ণিত- যখন আমি ইবনে আব্বাস এর সাথে ছিলাম , এক লোক এসে বলল- হে আব্বাসের পিতা , আমি ছবি একেঁ জীবিকা নির্বাহ করি |
ইবনে আব্বাস বললেন- আমি শুধুমাত্র নবীর কথা থেকে বলতে পারি তিনি বলেছেন- যে ব্যক্তি ছবি আকেঁ তাকে সেই পর্যন্ত শাস্তি দেয়া হবে যে পর্যন্ত না সে তাতে জীবন দান করতে পারে ও সেটা কখনই সম্ভব হবে না |
এটা শুনে লোকটার মুখ শুকিয়ে গেল |
ইবনে আব্বাস বলল- তবে যদি তুমি ছবি আকতেই চাও তাহলে গাছ পালা ও নির্জীব বস্তু এসবের ছবি আকঁতে পার |
সহি বুখারি, বই-৩৪, হাদিস-৪২৮ |
আবু তালহা বর্ণিত- আমি নবীকে বলতে শুনেছি তিনি বলেছেন যে ঘরে কোন প্রানীর ছবি থাকে সে ঘরে ফেরেস্তারা প্রবেশ করে না |
সহি হাদিস, বই- ৫৪, হাদিস- ৪৪৮ |
ভবঘুরে আগস্ট 22, 2012 2:16 অপরাহ্ন - |
@আঃ হাকিম চাকলাদার, |
তবে ভাইজান একটা সমস্যা আছে নিচের হাদিসে- |
সাইদ বিন আবু হাসান বর্ণিত- যখন আমি ইবনে আব্বাস এর সাথে ছিলাম , এক লোক এসে বলল- হে আব্বাসের পিতা , আমি ছবি একেঁ জীবিকা নির্বাহ করি |
ইবনে আব্বাস বললেন- আমি শুধুমাত্র নবীর কথা থেকে বলতে পারি তিনি বলেছেন- যে ব্যক্তি ছবি আকেঁ তাকে সেই পর্যন্ত শাস্তি দেয়া হবে যে পর্যন্ত না সে তাতে জীবন দান করতে পারে ও সেটা কখনই সম্ভব হবে না |
এটা শুনে লোকটার মুখ শুকিয়ে গেল |
ইবনে আব্বাস বলল- তবে যদি তুমি ছবি আকতেই চাও তাহলে গাছ পালা ও নির্জীব বস্তু এসবের ছবি আকঁতে পার |
সহি বুখারি, বই-৩৪, হাদিস-৪২৮ |
এখানে বলা আছে গাছপালা এসবের ছবি আঁকা যাবে |
বস্তুত জীবন্ত প্রানীর ছবি আঁকা যাবে না কারন তাদের জীবন আছে আর যেহেতু মানুষের কোন জীবন দেয়ার ক্ষমতা নেই তাই তাদের ছবি আঁকা যাবে না |
এটাই ছিল ভিত্তি |
কিন্তু সমস্যা হলো গাছ পালারও তো জীবন আছে |
তাহলে তাদের ছবি আঁকবে কিভাবে ? ১৪০০ বছর আগে মানুষ বা মোহাম্মদ জানতো না যে গাছেরও জীবন আছে |
কিন্তু এখন তো মানুষ জানে |
তাহলে উপায় ? |
আগস্ট 22, 2012 3:07 অপরাহ্ন - |
কিন্তু এখন তো মানুষ জানে |
তাহলে উপায় ? |
উপায় ১ টা আছে, তা হল গাছের জীবন আছে কিন্তু চলাফেরা করতে পারে না, তাছাড়া মুখ নাই তাই ভাত খাইতে পারে না এমনকি মাংস ও খাইতে পারে না |
১৪০০ বছর আগে মানুষ বা মোহাম্মদ জানতো না যে গাছেরও জীবন আছে |
কে বলেছে জানতেন না , আপনি ১ টুঁ কষ্ট করে ১১৫ নাম্বার সুরার ১১৫ নাম্বার আয়াতে যান সেখানেই পাবেন(যদি না পান ভাববেন, কেটে দিয়েছে) |
আশা করি উত্তর পেয়ে গেছেন |
আফেসোস সেপ্টেম্বর 11, 2012 12:23 অপরাহ্ন - |
তুমি কি দেখনি যে, আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু আছে নভোমন্ডলে, যা কিছু আছে ভুমন্ডলে, সূর্য, চন্দ্র, তারকারাজি পর্বতরাজি বৃক্ষলতা, জীবজন্তু এবং অনেক মানুষ |
আবার অনেকের উপর অবধারিত হয়েছে শাস্তি |
আল্লাহ যাকে ইচ্ছা লাঞ্ছিত করেন, তাকে কেউ সম্মান দিতে পারে না |
আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করেন |
সূরা আল-মুমিনুন: আয়াত-১৮ |
এখানে বৃক্ষলতা আল্লাহকে সিজদা করে |
তার মানে মোহাম্মদ (স.) জানতেন গাছপালার প্রাণ আছে |
গাছপালার প্রাণআছে বলে কেউ গাছপালাকে প্রাণী বলে না |
সকল বই পুস্তকে গাছপালাকে উদ্ভিদ বলা হয়েছে |
এখানে প্রাণীর ছবি আঁকার কথা বলা হয়েছে গাছপলাতো প্রাণীনয় |
সেপ্টেম্বর 13, 2012 1:55 অপরাহ্ন - |
আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু আছে নভোমন্ডলে, যা কিছু আছে ভুমন্ডলে, সূর্য, চন্দ্র, তারকারাজি পর্বতরাজি বৃক্ষলতা, জীবজন্তু এবং অনেক মানুষ |
নভোমন্ডলে, যা কিছু আছে ভুমন্ডলে, সূর্য, চন্দ্র, তারকারাজি পর্বতরাজি এই গুলা আল্লাহকে সেজদা দেয় |
মজাদার কথা |
বৃক্ষলতা, জীবজন্তু কবে থেকে সেজদা দেয়া শুরু করল |
মজা পেতে চান তাহলে ধর্ম গ্রন্থ পড়ুন, অনেক কমেডি আছে, এই ধর্ম গ্রন্থ গুলোর মধ্য |
বৃক্ষলতা আল্লাহকে সিজদা করে |
তার মানে মোহাম্মদ (স.) জানতেন গাছপালার প্রাণ আছে |
কি ভাবে বুঝলেন, বৃক্ষলতা আল্লাহকে সেজদা দেয়? তাইলে তো বলতে হবে , ভুমন্ডলে, সূর্য, চন্দ্র, তারকারাজি পর্বতরাজি এই গুলার জীবন আছে |
কারন এগুলা ও ইবলিস আল্লাকে সেজদা দেয় |
(আপনার কথা মতে) |
সকল বই পুস্তকে গাছপালাকে উদ্ভিদ বলা হয়েছে |
এই কারনেই তো, মূর্খ নবি যদি বুঝতে পারতেন গাছের জীবন আছে তাহলে উনি গাছপালার ছবিও আঁকতে নিষেধ করতেন |
১৮) সূরা কাহফ ( মক্কায় অবতীর্ণ ) |
حَتَّى إِذَا بَلَغَ مَغْرِبَ الشَّمْسِ وَجَدَهَا تَغْرُبُ فِي عَيْنٍ حَمِئَةٍ وَوَجَدَ عِندَهَا قَوْمًا قُلْنَا يَا ذَا الْقَرْنَيْنِ إِمَّا أَن تُعَذِّبَ وَإِمَّا أَن تَتَّخِذَ فِيهِمْ حُسْنًا |
অবশেষে তিনি যখন সুর্যের অস্তাচলে পৌছলেন; তখন তিনি সুর্যকে এক পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে দেখলেন এবং তিনি সেখানে এক সম্প্রদায়কে দেখতে পেলেন |
আমি বললাম, হে যুলকারনাইন! আপনি তাদেরকে শাস্তি দিতে পারেন অথবা তাদেরকে সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পারেন |
আল্লার মূর্খ নবি কি উল্টা পাল্টা বলছেন? সূর্য না কি পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যায় |
যেই খানে সূর্য অস্ত যায়, সেই খানে না কি এক সম্প্রদায়কে দেখতে পেলেন(হা হা হা.........) |
সম্প্রদায়কে শাস্তি দিতে পারেন আবার ...... 😀 :: :: :: |
حَتَّى إِذَا بَلَغَ مَطْلِعَ الشَّمْسِ وَجَدَهَا تَطْلُعُ عَلَى قَوْمٍ لَّمْ نَجْعَل لَّهُم مِّن دُونِهَا سِتْرًا |
অবশেষে তিনি যখন সূর্যের উদয়াচলে পৌছলেন, তখন তিনি তাকে এমন এক সম্প্রদায়ের উপর উদয় হতে দেখলেন, যাদের জন্যে সূর্যতাপ থেকে আত্নরক্ষার কোন আড়াল আমি সৃষ্টি করিনি |
সম্প্রদায়ের উপর সূর্য উদয় হয়, কি হাস্যকর কথা |
মূর্খ নবি কি বলছে এসব? সেই সম্প্রদায়ের জন্য , সূর্যতাপ থেকে আত্নরক্ষার কোন আড়াল আল্লাহ(ছাগল) সৃষ্টি করেন নি |
😀 😀 😀 :: :: :: :: :: :: :: |
সত্য ধর্ম(কোরান হাদিস ) মতে পৃথিবী সমতলঃ |
আরও ১ টা হাদিস আছে সেটা পড়ে দেখাব |
আফসোস সেপ্টেম্বর 14, 2012 12:21 অপরাহ্ন - |
জনাব আপনি কোনদিন কক্সবাজার/ কুয়াকাটা গিয়েছেন? আপনি যদি কক্সবাজার যান তবে সানসেট দেখে আমাকে জানাবেন |
যখন আপনি সাগর পাড়ে বসে সানসেট দেখবেন, তখন আপনার মনে হবে যে, সূর্যটা বঙ্গোপসাগরের নিচে ডুব দিচ্ছে |
প্রত্যেক মানুষের দৃষ্টির একটা সীমারেখা আছে |
তাই আমরা দেখি সূর্যটা বঙ্গোপসাগরের নিচে ডুবে যাচ্ছে |
কিন্তু আসল ব্যাপারটতো হচ্ছে সূর্য কোনদিন সাগরের নিচে ডুব দেয় না |
এটা আমাদের মনের একটা ধারনা |
এখন আল্লাহ যদি বলেন, নেটওয়ার্ট কক্সবাজারে গিয়ে দেখলো সূর্যটা সাগরের নিচে ডুবে যাচ্ছে |
এটা কি আল্লাহর ভুল না আপনার ভুল |
আল্লাহ তাআলা কোরআনে আমাদের শিক্ষার জন্য পূর্বের অনেক নবী-রাসূল, বিভিন্ন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন |
জুলকারনাইন যখন সূর্যের অস্তাচলে পৌঁছলেন তখন উনার মনে হয়েছিল, সূর্যটা পঙ্কিল জলাশয়ে ডুবছে |
এটা জুলকারনাইনের মনে হয়েছে |
জুলকারনাইনের ভুল |
ঠিক নিচের আয়াতেও একই ধারনা |
আপনারা যদি বুঝতে না পারেন এটাতো আল্লাহর দোষ না |
আপনি সামান্য জ্ঞান নিয়ে আল্লাহর কালামের মূল্যায়ন করতে চান |
ভুলতো আপনার হবেই |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.