content
stringlengths
0
129k
আপনি কি তাহলে এটা বিশ্বাষ করেন যে স্বয়ং আল্লাহ নবীকে আল্লাহর পালন কর্তা বলে সম্বোধন করতেছেন ? নাউজু বিল্লাহ
এটা বিশ্বাষ করলে তো তাহলে আপনি কাফের হয়ে গেলেন
আর যদি বলেন এটা নবীর নিজস্ব উক্তি, তাহলেও আপনি কোরানকে আল্লাহর বানী বলে অবিশ্বাষ করলেন,তাতে ও আপনি কাফের হয়ে গেলেন
নাউজু বিল্লাহ
এখন তাহলে আপনি কোনটা বেছে নিতে চান? অনতঃ দুইটার একটা তো আপনাকে মেনে নিতে হবে? বলুন? নাকী দুইটাই মেনে নিবেন?
৩ নং ছুরা আল ইমরান ১৯৩-১৯৪ আয়াৎ
رَّبَّنَا إِنَّنَا سَمِعْنَا مُنَادِيًا يُنَادِي لِلإِيمَانِ أَنْ آمِنُواْ بِرَبِّكُمْ فَآمَنَّا رَبَّنَا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَكَفِّرْ عَنَّا سَيِّئَاتِنَا وَتَوَفَّنَا مَعَ الأبْرَارِ
হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা নিশ্চিতরূপে শুনেছি একজন আহবানকারীকে ঈমানের প্রতি আহবান করতে যে, তোমাদের পালনকর্তার প্রতি ঈমান আন; তাই আমরা ঈমান এনেছি
হে আমাদের পালনকর্তা! অতঃপর আমাদের সকল গোনাহ মাফ কর এবং আমাদের সকল দোষত্রুটি দুর করে দাও, আর আমাদের মৃত্যু দাও নেক লোকদের সাথে
رَبَّنَا وَآتِنَا مَا وَعَدتَّنَا عَلَى رُسُلِكَ وَلاَ تُخْزِنَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّكَ لاَ تُخْلِفُ الْمِيعَادَ
হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে দাও, যা তুমি ওয়াদা করেছ তোমার রসূলগণের মাধ্যমে এবং কিয়ামতের দিন আমাদিগকে তুমি অপমানিত করো না
নিশ্চয় তুমি ওয়াদা খেলাফ করো না
আফসোস সেপ্টেম্বর 14, 2012 11:53 পূর্বাহ্ন -
@আঃ হাকিম চাকলাদার,
কোরানের বাক্য গুলীর মধ্যেও তো আল্লাহর বাক্য এবং নবীর বাক্য একত্রে মিশ্রিত হয়ে গেছে
জনাব এটা আপনার ভুল ধারনা
কোরআনের প্রতি বিদ্বেশ বাদ দিয়ে নিরপেক্ষ মন নিয়ে দেখুন
আপনি যে আয়াত গুলো দেখিয়েছেন এগুলোর শুরু সূরা আল-ইমরানের ১৯০ আয়াত থেকে শুরু হয়েছে
নিশ্চয় আসমান ও যমীন সৃষ্টিতে এবং রাত্রি ও দিনের আবর্তনে নিদর্শন রয়েছে বোধ সম্পন্ন লোকদের জন্যে
এ আয়াতে আল্লাহ বোধ সম্পন্ন লোকদের কথা বলেছেন
এর পরের আয়াতে আল্লাহ বোধ সম্পন্নলোকদের পরিচয় দিয়েছেন
যাঁরা দাঁড়িয়ে, বসে, ও শায়িত অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করে এবং চিন্তা গবেষণা করে আসমান ও জমিন সৃষ্টির বিষযে, (তারা বলে) পরওয়ারদেগার! এসব তুমি অনর্থক সৃষ্টি করনি
সকল পবিত্রতা তোমারই, আমাদিগকে তুমি দোযখের শাস্তি থেকে বাঁচাও
এবার নিচের আয়াত গুলোতে আল্লাহ উপরোক্তলোকদের মনের চহিদার কথা অর্থাৎ দোয়ার কথা উল্লেখ করেছেন
হে আমাদের পালনকর্তা! নিশ্চয় তুমি যাকে দোযখে নিক্ষেপ করলে তাকে সবসময়ে অপমানিত করলে; আর জালেমদের জন্যে তো সাহায্যকারী নেই
হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা নিশ্চিতরূপে শুনেছি একজন আহবানকারীকে ঈমানের প্রতি আহবান করতে যে, তোমাদের পালনকর্তার প্রতি ঈমান আন; তাই আমরা ঈমান এনেছি
হে আমাদের পালনকর্তা! অতঃপর আমাদের সকল গোনাহ মাফ কর এবং আমাদের সকল দোষত্রুটি দুর করে দাও, আর আমাদের মৃত্যু দাও নেক লোকদের সাথে
হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে দাও, যা তুমি ওয়াদা করেছ তোমার রসূলগণের মাধ্যমে এবং কিয়ামতের দিন আমাদিগকে তুমি অপমানিত করো না
নিশ্চয় তুমি ওয়াদা খেলাফ করো না
এরপরের আয়াতে অর্থাৎ ১৯৫ নং আয়াতে বান্দাদের দোয়া কবুলের কথা বলেছেনঃ
অতঃপর তাদের পালনকর্তা তাদের দোয়া (এই বলে) কবুল করে নিলেন যে, আমি তোমাদের কোন পরিশ্রমকারীর পরিশ্রমই বিনষ্ট করি না, তা সে পুরুষ হোক কিংবা স্ত্রীলোক
তোমরা পরস্পর এক
তারপর সে সমস্ত লোক যারা হিজরত করেছে, তাদেরকে নিজেদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের প্রতি উৎপীড়ন করা হয়েছে আমার পথে এবং যারা লড়াই করেছে ও মৃত্যুবরণ করেছে, অবশ্যই আমি তাদের উপর থেকে অকল্যাণকে অপসারিত করব
এবং তাদেরকে প্রবিষ্ট করব জান্নাতে যার তলদেশে নহর সমূহ প্রবাহিত
এই হলো বিনিময় আল্লাহর পক্ষ থেকে
আর আল্লাহর নিকট রয়েছে উত্তম বিনিময়
এখানে আল্লাহ আর রাসূলের কথা মিশ্রিত হয়েছে কোথায় দেখলেন
আবারও বলছি জনাব বিদ্বেশ ত্যাগ করে নিরপেক্ষভাবে , ভুল ধরার উদ্দেশ্যে নয় জানার উদ্দ্যেশ্যে কোরআন পড়ুন
দেখবেন কোরআনের মধ্যে আপনি কোন ভুলই খুজে পাবেন না
শুভকামনা রইলো 🙂
আঃ হাকিম চাকলাদার আগস্ট 24, 2012 6:28 পূর্বাহ্ন -
@ মডারেটর,
আমিও একই অসুবিধায় ভুগছি
মডারেটরদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি,
আগে মন্তব্যের কেউ কোনো জবাব দিলে তা ইমেইল এ চলে আসতো
সেখানেই মন্তব্য পড়া যেতো এবং সেখান থেকে ক্লিক করে সোজা মন্তব্যে চলে এসে উত্তর দেয়া যেতো
এতে অনেক সুবিধার পাশাপশি যে সুবিধা হতো তা হলো, যার মন্তব্যের উত্তর দেয়া হতো সে অবশ্যই উত্তরটা পেতো
কিন্তু কিছু দিন হলো মন্তব্যের কোনো জবাব ইমেইলে আসছে না
এতে জানতে পারছি না কে কে জবাব দিচ্ছে
ফলে মন্তব্যের উত্তরও ঠিক মতো দিতে পারছি না
আরও অনিশ্চয়তায় ভুগছি এটা ভেবে যে, এরকম যদি সবারই হয় তাহলে আমিও যার মন্তব্যের উত্তর দিচ্ছি সে ও তো ঠিক মতো তা পাচ্ছে না
হৃদয়াকাশ আগস্ট 24, 2012 2:24 পূর্বাহ্ন -
মডারেটরদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি,
আগে মন্তব্যের কেউ কোনো জবাব দিলে তা ইমেইল এ চলে আসতো
সেখানেই মন্তব্য পড়া যেতো এবং সেখান থেকে ক্লিক করে সোজা মন্তব্যে চলে এসে উত্তর দেয়া যেতো
এতে অনেক সুবিধার পাশাপশি যে সুবিধা হতো তা হলো, যার মন্তব্যের উত্তর দেয়া হতো সে অবশ্যই উত্তরটা পেতো
কিন্তু কিছু দিন হলো মন্তব্যের কোনো জবাব ইমেইলে আসছে না
এতে জানতে পারছি না কে কে জবাব দিচ্ছে
ফলে মন্তব্যের উত্তরও ঠিক মতো দিতে পারছি না
আরও অনিশ্চয়তায় ভুগছি এটা ভেবে যে, এরকম যদি সবারই হয় তাহলে আমিও যার মন্তব্যের উত্তর দিচ্ছি সে ও তো ঠিক মতো তা পাচ্ছে না
এটা কি কোনো টেকনিক্যাল প্রব্লেম ? না এই সার্ভিস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ?
আঃ হাকিম চাকলাদার আগস্ট 23, 2012 6:20 অপরাহ্ন -
পৌত্তলিক ধর্মের পরিবর্তে একেশ্বরবাদী ইসলাম প্রচার করতে গিয়ে পৌত্তলিকদের বহু আচার অনুষ্ঠান ইসলামে আমদানী করেছেন
যেমন- কাবার ভিতরে অবস্থিত কাল পাথরের সামনে মাথা নত করে চুমু খাওয়া, হজ্জ করা, সাফা মারওয়ার পাহাড়ের মধ্যে সাতবার দৌড়া দৌড়ি করা, কাবা শরীফের চারপাশে সাতবার ঘোরা এসব
শরীয়তের নির্দেশ অনুসারে বাংলাদেশের মত দরিদ্র দেশ বাসীর উপর হজ্জ ফরজ হয়না
শরীয়তে বলা হয়েছে তারই উপর হজ ফরজ যে হজে আসতে সক্ষম
এই "সক্ষম" কথাটির অর্থ কী?
কেহ যদি দেনা থাকে, অথবা হজে যাতায়াত খরচা বাবদ নিজে অথবা তার জন্য অন্যকে দেনাদার হতে হয়,অথবা তার যাতায়াত খরচার বোঝাটা সরাসরি অথবা পরোক্ষ ভাবে অন্যের উপরে বর্তায়, আবার পরে আবার যদি সেইটা বর্তায় নিতান্ত দরিদ্রদের উপর-
তাহলে সেক্ষেত্রে হজ করাটা শরিয়তের নির্দেশ অনুসারে"ফরজ" হয়না বরং হয় চরম অপরাধ
নবী কখনই বলে যান যান নাই "তোমরা অন্যের কাধে ভর করে হলেও এখানে হজ করতে চলে এস"
কেহ কী এমন একটি হাদিছ ও দেখাইতে পারিবেন? তাহলে দেখান ?
যখন ধনাড্য ব্যক্তিরা হজে যাইতে চান তখন তারা প্লেনের টিকেট বাবদ সামান্য কিছু টিকেটের খরচা বাবদ টাকা প্রদান করেন
তারা যে টাকা প্রদান করেন তার চাইতে বহুগুন বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে সরকারকে হজ যাত্রীদের জন্য বিশেষ ভাব বিমান ভাড়া করতে হয়
এবার তাহলে বলুন, এই বিপুল পরিমান অতিরিক্ত টাকাটা হাজী সহেবের পকেট থেকে ব্যয় হল নাকী নিতান্ত হতভাগ্য দরিদ্র জন সাধারনের পকেট থেকে ব্যয় হল?
সরকার রাজকোষ থেকে টাকাটা ব্যয় করে
এই রাজ কোষের টাকাটা কখনোই হজ যাত্রীদের পকেট হইতে ব্যয় করতেছেন না, বরং সরকার রাজ কোষ বাংলা দেশের মত দরিতম দেশের জনসাধারনের সম্পদ ব্যয় করতেছেন
আর এই সব জন সাধারন তদের জীবন ধারনের ন্যূন তম বস্তু গুলীও হতে বঞ্চিত হচ্ছেন
নবী কোন দিন ও এভাবে দরিদ্রদের কাঁধে চড়ে ধনীদের হজ করতে যাইতে বলেন নাই
এটা মারাত্মক অপরাধ ও
বরং নবী ধনীদের কে আরো বেশী করে দরিদ্রদেরকে দান করতে বলেছেন
একমাত্র সেই সব হজ যাত্রীরা হজে যাইতে শরীয়ত অনুসারে "সক্ষম" যারা তাদের সম্পূর্ণ হজ যাতায়াতের খরচাটি নিজ পকেট হইতে বহন করিতে সক্ষম
সরকারী কোষাগারের টাকা ব্যয় করে নয়
অন্যথায় অন্যের উপর, তারপর আবার দরিদ্রদের উপর নির্ভর করিয়া কখনই হজ যাতায়াতে "সক্ষম" হওয়া যায়না
কেহ পারলে একটি হদিছ বা কোরানের আয়াৎ দেখাননা নবী এভাবে জনগনের সম্পদ ব্যয় করে হজ করতে বলেছেন কিনা?
এই সব হাজী সাহেবদের কী কেয়ামতের দিন আল্লাহ পাক জিজ্ঞাসা করবেননা,"তোমাদেকে কে গরীবের হক নষ্ট করতে বলেছে"?
কাজেই ইমান্দর বান্দাগন সাবধান!!!
আফসোস সেপ্টেম্বর 11, 2012 6:15 অপরাহ্ন -
@আঃ হাকিম চাকলাদার,
ইসলামতো বাংলাদেশ সরকারকে চাপ দেয়নি যে, দেশের জনগনকে কম খরচে হজ্জ করাতে
এটা সরকারের পন্ডিতি
এজন্য বাংলাদেশ সরকার দায়ী
ইসলামের কি দোষ
ইসলাম সবাইকে ব্যক্তিগত ভাবে বলেছে
সম্পদথাকলে যাকাত দিবা জীবনে একবার হজ্জ করবা
আঃ হাকিম চাকলাদার সেপ্টেম্বর 12, 2012 5:10 অপরাহ্ন -
ইসলামতো বাংলাদেশ সরকারকে চাপ দেয়নি যে, দেশের জনগনকে কম খরচে হজ্জ করাতে
এটা সরকারের পন্ডিতি
এজন্য বাংলাদেশ সরকার দায়ী
ইসলামের কি দোষ
ইসলাম সবাইকে ব্যক্তিগত ভাবে বলেছে