content
stringlengths
0
129k
তবে আমি মনেকরি এই হার কিন্তু সিসিপাসকে ভবিষ্যতে শিক্ষা দেবে
' পরে তিনি সিসিপাসের দেশ গ্রিসের প্রশংসা‌ও করেন
কবে এমন পরিশীলিত প্রযোজক এবং পরিচালক থাকবেন যারা এই স্পিকুলার বইটি চিত্রায়িত করবেন? গ্যারান্টিযুক্ত: এলওটিআর অনুরাগীর সংখ্যা এই বইটি পছন্দ করবে এবং মনোনীত হবে !!
বন্যা () তুলনামূলকভাবে পানির উচ্চ প্রবাহ, যা কোন নদীর প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম তীর অতিক্রম করে ধাবিত হয়
তীর ছাড়িয়ে পানি আশপাশের সমভূমি প্লাবিত করলে সাধারণত জনগণের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়
প্লাবনভূমি যেহেতু মানুষের কাঙ্খিত ও কৃষিকাজের সহায়ক, তাই বন্যাকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা ও এর ক্ষয়ক্ষতি যাতে সীমা ছাড়িয়ে না যায় তা লক্ষ্য করা জরুরী
বন্যা কবলিত ঢাকা মহানগরী, ১৯৮৮
প্রতিবছর বাংলাদেশের প্রায় ২৬,০০০ বর্গ কিমি অঞ্চল অর্থাৎ ১৮ শতাংশ ভূখন্ড বন্যা কবলিত হয়
ব্যাপকভাবে বন্যা হলে সমগ্র দেশের ৫৫ শতাংশের অধিক ভূখন্ড বন্যার প্রকোপে পড়ে
প্রতিবছর গড়ে বাংলাদেশে তিনটি প্রধান নদীপথে মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত আর্দ্র মৌসুমে ৮৪৪,০০০ মিলিয়ন কিউবিক মিটার পানি প্রবাহিত হয়
বাৎসরিক মোট প্রবাহের এটি ৯৫ শতাংশ
তুলনায় একই সময় দেশের অভ্যন্তরে ১৮৭,০০০ মিলিয়ন কিউবিক মিটার নদী প্রবাহ সৃষ্টি হয় বৃষ্টিজনিত কারণে
বাংলাদেশে বন্যার সংজ্ঞা স্বতন্ত্র
বর্ষাকালে যখন নদী, খাল, বিল, হাওর ও নিচু এলাকা ছাড়িয়ে সমস্ত জনপদ পানিতে ভেসে যায় এবং ফসল, ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, সহায়-সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে, তখন তাকে বন্যা বলে আখ্যায়িত করা হয়
বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে বন্যার সঙ্গে ফসলের একটা সম্পর্ক রয়েছে
বন্যা কবলিত গ্রাম
বাংলাদেশে সংঘটিত বন্যাকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়: ক) মৌসুমি বন্যা ( ) - এই বন্যা ঋতুগত, নদনদীর পানি ধীরে ধীরে উঠানামা করে এবং বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত করে জানমালের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে; খ) আকস্মিক বন্যা ( ) - আকস্মিক পাহাড়ি ঢল অথবা স্বল্প সময়ে সংঘটিত প্রবল বৃষ্টিপাত থেকে কিংবা প্রাকৃতিক অথবা মানবসৃষ্ট বাঁধ ভেঙ...
গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর বাৎসরিক সম্মিলিত বন্যার প্রবাহ একটিই নির্গম পথ অর্থাৎ লোয়ার মেঘনা দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়ে
এ কারণে লোয়ার মেঘনার ঢাল ও নিষ্ক্রমণ ক্ষমতা হ্রাস পায়
নদীর পানির স্তরের এই উচ্চতার প্রতিকূল প্রভাব সারা দেশেই পড়ে
কারণ বন্যার পানি নিষ্ক্রমণের অবস্থা ও ক্ষমতা দুটোই এর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত
এতে ছোট ছোট নদীর প্রবাহ কমে যায় এবং ভূ-পৃষ্ঠের পানির আভিকর্ষিক নিষ্ক্রমণ শুধুমাত্র বন্যার উপরে জেগে থাকা ভূমিতেই সীমাবদ্ধ
নিষ্ক্রমণ প্রতিবন্ধকতার কারণে সৃষ্ট বন্যা দেশের উত্তরাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলের উঁচুভূমি ও পার্বত্য অঞ্চল ছাড়া প্রায় সর্বত্রই বিরাজমান
দেশের উত্তর পশ্চিম অঞ্চলে একটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের ডান দিকের প্লাবনভূমিগুলোকে রক্ষা করছে
উত্তর পূর্বাঞ্চলের প্লাবনভূমিসমূহকে ৩টি সুস্পষ্ট অঞ্চলে বিভক্ত করা যায়, যথা: ব্রহ্মপুত্র ও পদ্মার বাম প্লাবনভূমি; মধুপুর গড় দ্বারা ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে বিচ্ছিন্ন পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী উপত্যকা ও মেঘনা নদী অববাহিকা
মেঘনা অববাহিকা মহা-সিলেট-অবনমন ( ) দ্বারা দারুণভাবে প্রভাবিত যেখানে সুরমা ও কুশিয়ারা নদী মিলিত হয়ে মেঘনা নাম পরিগ্রহ করেছে
মেঘনা নদীর পানির উচ্চমাত্রা বন্যার মৌসুমে ভাটিতে পদ্মানদীর পানির মাত্রা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়
বর্ষাকালের প্রারম্ভেই মেঘনা নদী দ্রুত বন্যার পানিতে ভরে ওঠে এবং বর্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা পূর্ণাবস্থাতেই বিরাজ করে
এই অববাহিকায় নিষ্ক্রমণের হার কম
উত্তরপূর্ব ও দক্ষিণপূর্ব অঞ্চলে পার্বত্য পরিবাহ ( ) নিষ্ক্রমণ আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে
এই বন্যা স্বল্পকালীন হলেও এর সংঘটনের হার বা তীব্রতা সম্পর্কে আগে থেকে কিছু জানা যায় না
একই মৌসুমে এই ধরনের বন্যা বেশ কবার দেখা দিতে পারে
দক্ষিণ-মধ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের অধিকাংশ স্থানে বন্যা জোয়ারভাটা, ঝড়ঝঞ্ঝা, জলোচ্ছ্বাস ও অপর্যাপ্ত নিষ্ক্রমণ দ্বারা প্রভাবিত
দক্ষিণ মধ্যাঞ্চলের উত্তরাঞ্চলীয় অর্ধ পদ্মা ও লোয়ার মেঘনা নদীর মুখ্য প্লাবনভূমি আর দক্ষিণাঞ্চলীয় অর্ধ হচ্ছে জাল সদৃশ মোহনাস্থ খাঁড়ি যেগুলোর মাধ্যমে লোয়ার মেঘনার প্রবাহের প্রায় ৪০ শতাংশ সমুদ্রে গিয়ে পড়ছে
দক্ষিণপশ্চিম অঞ্চলের নিষ্ক্রমণ ব্যবস্থা গঙ্গার পলি আবৃত সাবেক শাখা নদীগুলোর মাধ্যমেই প্রধানত চালু আছে
প্রায় মজে যাওয়া একটা বদ্বীপের ( ) মাধ্যমে এই শাখা নদীগুলি সমুদ্রের সঙ্গে সংযুক্ত
ফলে অগভীর বন্যার প্রাদুর্ভাব এ অঞ্চলে খুব বেশি
বাংলাদেশের বন্যা সংঘটনের জন্য দায়ী কারণগুলি হচ্ছে: ১) সাধারণভাবে নিম্ন উচ্চতাবিশিষ্ট ভূসংস্থান যার উপর দিয়ে প্রধান প্রধান নদী প্রবাহিত হয়েছে
নদীগুলি তাদের শাখা-প্রশাখা এবং উপনদীর সমন্বয়ে ঘন বিন্যস্ত নিষ্কাশন জালিকা গড়ে তুলেছে ২) দেশের বাইরে নদনদীর উজান এলাকায় এবং দেশের অভ্যন্তরে ভারি বৃষ্টিপাত; ৩) হিমালয় পর্বতে তুষার গলন এবং প্রাকৃতিকভাবে হিমবাহের স্থানান্তর সংঘটন; ৪) পলি সঞ্চয়নের ফলে নদনদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়া/নদীর পার্শ্বদেশ দখল হয়ে যাওয়া/ভূমিধ...
বন্যার ইতিহাস বাংলাদেশে বন্যার ইতিহাস দেশটির ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত
প্রতি শতাব্দীতে বঙ্গীয় বদ্বীপ প্রায় অর্ধডজন বন্যার মুখে পড়েছে, ব্যাপকতায় যা ১৯৮৮ সালের প্রলয়ংকরী বন্যার প্রায় সমান
বাংলাদেশের এই মৌসুমি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথা মহাভারত, রামায়ণ ও অন্যান্য গ্রন্থে লিপিবদ্ধ আছে
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের (৩২১-২৯৬ খ্রি পূ) শাসনামলে তাঁর অর্থমন্ত্রী কৌটিল্য রচিত অর্থশাস্ত্রে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাতের পরিসংখ্যান উল্লেখ রয়েছে যাতে প্রমাণিত হয় যে, বৃষ্টিপাতের হিসাব সম্পর্কে তাঁদের ধারণা ছিল
জ্যোতির্বিদ বরাহমিহির (৫০৭-৫৮৭ খ্রি পূ) বৃষ্টির পূর্বাভাস দিতে পারতেন
জ্যোতির্বিদ আর্যভট্ট ও ব্রহ্মগুপ্তও বর্ষা মৌসুম নিয়ে গবেষণা করেছেন
বিখ্যাত সংস্কৃতকবি কালিদাস বিরচিত বর্ষার বিরহাভিসার মেঘদূত ও ঋতুসংহার কাব্য বিশ্ববিশ্রুত ধ্রপদী-মহাকাব্য
তবে প্রাচীনকালে খনা নাম্নী এক বিদুষী মহিলা আবহাওয়া ও কৃষিবার্তা সম্পর্কে অধিকাংশ পূর্বাভাস করে গেছেন
আজও বাংলাদেশের কৃষককুল তাঁর রচনাসমূহ স্মরণ করে
আরবরা ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য করতে গিয়ে ঋতুর সঙ্গে মৌসুমি বায়ুর পরিবর্তন জ্ঞানকে লাভজনকভাবে কাজে লাগিয়েছে
মৌসুম শব্দটি আরবী শব্দ মৌসিম থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ ঋতু
বাংলায় ১৮৭০ থেকে ১৯২২ সাল পর্যন্ত সংঘটিত বন্যার ওপর অধ্যাপক পিসি মহলানবীশ প্রণীত সর্বপ্রথম বিস্তারিত রিপোর্টটিতে দেখানো হয়েছে যে, মাঝারি আকারের বন্যা গড়ে প্রতি দুই বছরে একবার এবং ভয়াবহ বন্যা গড়ে ৬/৭ বছরে একবার সংঘটিত হয়েছে
বাংলাদেশে বন্যা একটি পুনঃপুনঃ সংঘটিত ঘটনা
১৭৮৭ থেকে ১৮৩০ পর্যন্ত সংঘটিত পুনরাবৃত্ত বন্যায় ব্রহ্মপুত্রের পুরানো গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে যায়
১৯২২ সালে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে প্রলয়ংকরী এক বন্যার পর একটি বন্যা কমিটি গঠিত হয়
এছাড়াও উত্তরবঙ্গে ১৮৭০ থেকে ১৯২২ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন বন্যার উপরে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে
প্রাপ্ত পরিসংখ্যানের উপাত্ত বিশ্লেষণে মত প্রকাশ করা হয় যে, ব্যাপক বন্যা প্রতি সাত বছরে একবার এবং মহাপ্রলয়ংকরী বন্যা প্রতি ৩৩-৫০ বছরে একবার এই জনপদে হানা দিতে পারে
অষ্টাদশ শতকের শেষপাদ থেকে এই অঞ্চলে বড় ধরনের মৌসুমি বন্যার ইতিহাস কালানুযায়ী নিচে দেখানো হলো:
বন্যার কালক্রম
১৭৮১ ব্যাপক বন্যা বিশেষ করে সিলেটের পশ্চিমাঞ্চলে
খাদ্যের অভাবে গবাদি পশুর ভোগান্তি ঘটে
১৭৮৬ মেঘনার বানে তীরবর্তী গ্রামের ফসল ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
এর প্রকোপে সৃষ্ট দুর্ভিক্ষে বাকেরগঞ্জে ব্যাপক প্রাণহানি
ত্রিপুরায় গোমতী নদীর বাঁধ ভেঙ্গে যায়
সিলেট পরগনা সম্পূর্ণ পানিতে তলিয়ে যায়
গবাদি পশু প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়
১৭৯৪ গোমতী বাঁধে আবার ভাঙ্গন ও ত্রিপুরার চারপাশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
১৮২২ বাকেরগঞ্জ বিভাগ ও পটুয়াখালি মহকুমা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত; ৩৯,৯৪০ ব্যক্তি ও ১৯০০০ গবাদিপশু মারা যায় এবং ১৩ কোটি টাকা মূল্যের সহায়সম্পদ ধ্বংস হয়
বরিশাল, ভোলা ও মনপুরা দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ
১৮২৫ বাকেরগঞ্জ ও এর আশপাশে বিধ্বংসী বন্যা
জেলাটিতে কোন গুরুত্বপূর্ণ বাঁধ বা অন্য কোন ধরনের বন্যা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ছিল না
১৮৩৮ ভারি বর্ষণে রাজশাহী ও আরও কিছু জেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত
গোসম্পদ খাদ্যের অভাবে বিপর্যস্ত, নিমজ্জিত অঞ্চল ছেড়ে উঁঁচু স্থানের খোঁজে জনগণের ব্যাপক দুর্ভোগ
পানি নেমে যাওয়ার পর মহামারী আকারে কলেরার বিস্তার
১৮৫৩ ভারি স্থানীয় বর্ষণ ও মেঘনা নদীর তীর ছাপানোর কারণে সিলেটের পশ্চিম অংশে প্রতিবছরের চেয়ে বেশি প্লাবন
১৮৬৪ বাঁধ ভেঙ্গে গঙ্গার পানিতে রাজশাহী শহরের বৃহত্তর অংশ গভীর পানির তলে
বহুলোকের দুর্ভোগ ও গোসম্পদের ক্ষতি
১৮৬৫ ব্যাপক প্লাবনে রাজশাহী শহর ক্ষতিগ্রস্ত
অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতে রাজশাহী শহর বিপর্যস্ত
১৮৬৭ বিধ্বংসী বন্যার কবলে বাকেরগঞ্জ
শস্যের ব্যাপক ক্ষতি
১৮৬৯ ১৮৬৭-র অবস্থা
১৮৭১ রাজশাহী ও আরও কিছু জেলায় ব্যাপক বন্যা
শস্য, গবাদি পশু ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিষপত্রের ক্ষতি
রাজশাহীতে রেকর্ডকৃত এ যাবৎকালের সবচেয়ে ভয়ংকর বন্যা
১৮৭৬ বরিশাল ও পটুয়াখালী দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত
মেঘনা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬.৭১ মিটার স্ফীত হয়ে গলাচিপা ও বাউফল ব্যাপক ক্ষতির মুখে
২,১৫০০০ লোকের জীবনহানি
বন্যার অব্যবহিত পরে কলেরার প্রাদুর্ভাব
১৮৭৯ ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ পরিবর্তন শুরুর সঙ্গে সঙ্গে তিস্তায় বান
১৮৮৫ ভাগীরথী নদী বরাবর বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় ভয়াবহ বন্যার কবলে খুলনার সাতক্ষীরা মহকুমা
১৮৯০ সাতক্ষীরা মহকুমায় আবার গুরুতর বন্যা এবং মানুষ ও গবাদিপশুর ব্যাপক ক্ষতি
১৯০০ ভাগীরথী নদীর বাঁধ ভেঙ্গে আবার সাতক্ষীরা মহকুমা ক্ষতিগ্রস্ত
১৯০২ সিলেটে নদীপৃষ্ঠ স্ফীত হয়ে প্রলয়ংকরী বন্যা
শস্য এবং মূল্যবান সম্পদের ক্ষতি
১৯০৪ অস্বাভাবিক উঁচু জোয়ারে কক্সবাজার মহকুমা ও কুতুবদিয়া দ্বীপের কিছু অংশে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত
১৯১৫ ময়মনসিংহে তীব্র বন্যা
১৮৫৯ সালে ব্রহ্মপুত্র নদীর গতিপথ পরিবর্তন হেতু তিস্তা নদীর যে বন্যা হয়েছিল তার সঙ্গে-এ বছরের বন্যার ক্ষয়ক্ষতির তুলনা চলে
১৯৫ ২ আগস্ট ঢাকা শহর পানির তলে নিমজ্জিত
১ আগস্ট সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানির উচ্চতা ছিল ১৪.২২ মি এবং ৩০ আগস্ট হা©র্র্ডঞ্জ ব্রিজের কাছে গঙ্গা নদীর পানির উচ্চতা ছিল ১৪.৯১ মি