content stringlengths 0 129k |
|---|
১৯৫৫ ঢাকা জেলার ৩০% এলাকা প্লাবিত |
বুড়িগঙ্গা ১৯৫৪ সালের সর্বোচ্চ সীমা ছাড়িয়ে যায় |
১৯৬২ দুইবার বন্যার পদধ্বনি |
একবার জুলাই ও আরেকবার আগষ্ট-সেপ্টেম্বর |
বহুলোক আক্রান্ত ও মূল্যবান সম্পত্তি বিনষ্ট |
১৯৬৬ ঢাকা জেলার অন্যতম প্রলয়ংকরী বন্যাটি হয় ৮ জুন ১৯৬৬ |
এ বছর সিলেট জেলাতেও বড় ধরনের বন্যা দেখা দেয় |
বন্যা ছাড়াও ১৯৬৬ সালের ১২ জুন সকালে এক প্রচন্ড ঝড়ে জেলার পরিস্থিতি আরও মারাত্মক হয়ে ওঠে |
এতে প্রায় ২৫% ঘরবাড়ি দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ৩৯ ব্যক্তি ও ১০০০০ গবাদি পশু মারা যায় এবং প্রায় ১২ লাখ লোক ক্ষতিগ্রস্থ হয় |
১৫ সেপ্টেম্বর ৫২ ঘণ্টা একনাগাড়ে বৃষ্টির ফলে ঢাকা শহর প্রায় ১২ ঘণ্টা ১.৮৩ মিটার পানির তলে নিমজ্জিত ছিল |
১৯৬৮ সিলেটে ভয়াবহ বন্যা এবং প্রায় ৭ লক্ষ লোক দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত |
১৯৬৯ চট্টগ্রাম জেলা বন্যার কবলে |
শস্য এবং মূল্যবান সম্পদের ক্ষতি |
১৯৭৪ ময়মনসিংহে প্রায় ১০,৩৬০ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল বন্যা কবলিত |
মানুষ ও গবাদি সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি ও লক্ষলক্ষ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত |
১৯৮৭ জুলাই-আগস্ট মাসে বন্যায় বড় ধরনের বিপর্যয় |
প্রায় ৫৭,৩০০ বর্গ কিমি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত (সমগ্র দেশের ৪০% এরও অধিক এলাকা) |
এ ধরনের বন্যা ৩০-৭০ বছরে একবার ঘটে |
দেশের ভিতরে এবং বাইরে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতই বন্যার প্রধান কারণ ছিল |
ব্রহ্মপুত্রের পশ্চিমাঞ্চল, গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র একীভূত হওয়ার নিচের অঞ্চল, খুলনার উল্টরাংশ এবং মেঘালয় পাহাড়ের সংলগ্ন অঞ্চল বন্যা কবলিত হয় |
১৯৮৮ আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে বন্যায় ভয়ংকর বিপর্যয় |
প্রায় ৮২,০০০ বর্গ কিমি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত (সমগ্র দেশের ৬০% এরও অধিক এলাকা) |
এ ধরনের বন্যা ৫০-১০০ বছরে একবার ঘটে |
বৃষ্টিপাত এবং একই সময়ে (তিন দিনের মধ্যে) দেশের তিনটি প্রধান নদীর প্রবাহ একই সময় ঘটার (ংুহপযৎড়হরুব) ফলে বন্যার আরও ব্যাপ্তি ঘটে |
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরও প্লাবিত হয় |
বন্যা স্থায়িত্ব ছিল ১৫ থেকে ২০ দিন |
১৯৮৯ সিলেট, সিরাজগঞ্জ ও মৌলভীবাজার এলাকায় বন্যায় ৬ লক্ষ লোক পানিবন্দী |
১৯৯৩ সারা দেশে প্রচন্ড বৃষ্টিতে হাজার হাজার হেক্টর জমির শস্য পানিতে তলিয়ে যায় |
মোট ২৮ জেলা বন্যা কবলিত হয় |
১৯৯৮ সমগ্র দেশের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি এলাকা দুই মাসের অধিক সময় বন্যা কবলিত হয় |
বন্যার ব্যাপ্তি অনুযায়ী এটি ১৯৮৮ সালের বন্যার সাথে তুলনীয় |
ব্যাপক বৃষ্টিপাত, একই সময়ে দেশের তিনটি প্রধান নদীর প্রবাহ ঘটার ফলে ও ব্যাক ওয়াটার এ্যাফেক্টের কারণে এই বন্যা ঘটে |
২০০০ ভারতের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের ৫টি দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা বন্যায় বিধ্বস্ত |
প্রায় ৩০ লক্ষ লোক গৃহহ্লীন |
বন্যাটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মাটির বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে ঘটে |
বন্যা-ব্যবস্থাপনা বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নির্গমন প্রকল্পগুলি বাঁধ, পোল্ডার ও অভিকর্ষিক পরিবাহীর ওপর দারুণভাবে নির্ভরশীল |
বন্যা ব্যবস্থাপনায় কাঠামোগত পদ্ধতির ওপর অতি নির্ভরশীলতা এবং একই সঙ্গে সড়ক, মহাসড়ক ও রেলপথের মতো অন্যান্য স্থাপনা সমূহ যা পানির প্রবাহে বাধার সৃষ্টি করে, এদের প্রভাব অনেক ক্ষেত্রে দেশে বন্যা পরিস্থিতিকে আরও সঙ্গিন করেছে |
বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নির্গমন প্রকল্পসমূহে প্রচুর পরিমাণ বিনিয়োগ সত্ত্বেও এ ক্ষেত্রে ফলাফল সন্তোষজনক নয় |
১৯৮৭ ও ১৯৮৮ সালের প্রলয়ংকরী বন্যা ব্যাপক ধ্বংসের দুর্ভোগ ও প্রাণহানির কারণ হয় |
পর পর দুই বছর এই বন্যার ফলে সরকার পুনঃপুনঃ বন্যা সমস্যার একটি দীর্ঘ মেয়াদী ব্যাপক ও স্থায়ী সমাধান খুঁজে পাওয়ার লক্ষ্যে পরিকল্পনা প্রণয়নে ব্রতী হয় |
এ লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ জরিপ চালানো হয়, যার ফলশ্রুতিতে ১৯৮৯ সালে বন্যা প্রতিরোধ পরিকল্পনা () প্রণীত হয় |
বাংলাদেশে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বা বন্যার ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করার ব্যাপারে কয়েকটি প্রস্তাব করা হয় |
অবশ্য এইসব প্রস্তাবের অধিকাংশই গঙ্গানদী কেন্দ্রিক, যদিও বন্যা মৌসুমে ব্রহ্মপুত্র নদের নির্গমনের মাত্রা গঙ্গা নদীর চেয়ে বেশি |
বর্তমানে বাংলাদেশ বন্যার হাত থেকে জনবসতি ও ফসলি জমি রক্ষার জন্য প্রতিবছর ১,৩০,০০০ হেক্টর হারে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ (অধিকাংশই পোল্ডার) নির্মাণের কৌশল অনুসরণ করছে |
মুনাফা ও নিরাপত্তার দিক থেকে এর উপকারিতা ভালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে |
যদিও দীর্ঘমেয়াদে এর পরিবেশগত প্রভাব যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয় নি |
বন্যার ক্ষতি ও প্রতিকূল প্রভাব হ্রাস করতে ও অতিরিক্ত পানি সেচকার্যের ব্যবহারের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন র্বোড কিছু সংখ্যক বাঁধ তৈরি করেছে ও খাল খনন করেছে |
এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: জি-কে (গঙ্গা-কপোতাক্ষ) প্রজেক্ট, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) প্রজেক্ট, কর্ণফুলী বহুমুখী প্রকল্প, উপকূলীয় বাঁধ প্রকল্প, উত্তরবঙ্গের নলকূপ প্রকল্প, ব্রহ্মপুত্র বাঁধ, চাঁদপুর সেচ-প্রকল্প, মেঘনা-ধনাগোদা প্রকল্প, মনু নদী প্রকল্প, খোয়াই নদী প্রকল্প, পাবনা সেচ প্রকল্প, গোমতী প্রকল্প, মহুরী... |
উপরোল্লিখিত কাঠামোগত পদক্ষেপসমূহ ছাড়াও বন্যা প্রশমন প্রক্রিয়া ও ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসের একটি বিকল্প কৌশল হিসেবে অ-কাঠামোগত পদক্ষেপের কথা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন |
অ-কাঠামোগত পদক্ষেপ বলতে বন্যা মোকাবিলায় সামাজিক অভিযোজনকে বোঝানো হচ্ছে |
এর মধ্যে রয়েছে: (১) জনগণ যাতে দ্রুত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় গ্রহণ করতে পারে সে লক্ষ্যে বন্যার পানির উচ্চতা বৃদ্ধির যথেষ্ট সময় পূর্বে জনগণের কাছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ প্রক্রিয়া ব্যাপকভাবে জোরদার করা; (২) নদনদীর উপচে পড়া পানি হ্রাসের লক্ষ্যে ভূমি ব্যবস্থাপনা সাধন |
এ উদ্দেশ্যে বনায়ন এবং পুনর্বনায়নের সমন্বিত কর্মসূচী গ্রহণ ও তার যথাযথ সংরক্ষণ যাতে পরিশোষণ প্রক্রিয়া বৃদ্ধির মাধ্যমে বন্যার পানির উচ্চতা হ্রাস ঘটতে পারে; (৩) ভূমি ব্যবহার পরিবর্তন এবং বিল্ডিং কোডের যথাযথ প্রয়োগ, শস্য উৎপাদন বহুমুখীকরণ তথা, বন্যা প্রতিরোধী বা বন্যা সহনক্ষম শস্য চিহ্নিতকরণ ও রোপণ করা এবং শস্য রোপণ ম... |
অ-কাঠামোগত পদক্ষেপসমূহ স্বল্প ব্যয়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব |
যেহেতু বন্যা ব্যবস্থাপনা সার্বিক পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, সেহেতু আঞ্চলিক সহযোগিতা পানি প্রতিবেশ ব্যবস্থার স্থায়ী সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অতি প্রয়োজনীয় যৌথ কলাকৌশলের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে সাহায্য করবে |
[সিফাতুল কাদের চৌধুরী এবং মোঃ সাজ্জাদ হোসেন] |
এই ব্যবহারকারী একটি বট যার পরিচালনায় আছেন . (আলাপ) |
এটি কোনো সক পাপেট নয়, বরং একটি স্বয়ংক্রিয় বা আধা-স্বয়ংক্রিয় অ্যাকাউন্ট যার উদ্দেশ্য এমন সব পুনরাবৃত্তিমূলক সম্পাদনা করা যেগুলি হাতে হাতে করা অত্যন্ত দুরূহ ও সময় সাপেক্ষ |
এই বটটি চালনার জন্য সম্প্রদায়ের অনুমোদন নেই, বা অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে, বা উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে, তাই এই বটটি এর ও এর পরিচালকের ব্যবহারকারী পাতা, আলাপ পাতা বা উপপাতা ব্যতীত অন্য কোনো পাতায় সম্পাদনার জন্য প্রযোজ্য নয় |
প্রশাসকবৃন্দ: যদি এই বটটি এর নিজের বা পরিচালকের ব্যবহারকারী পাতা ও উপপাতা ব্যতীত কোনো পাতায় সম্পাদনা করে, অনুগ্রহপূর্বক একে বাধা দিন |
: |
জরুরী বট বন্ধকরণ বোতাম |
প্রশাসক: যদি এই বট গন্ডগোল শুরু করে, তাহলে উপরের বোতাম ব্যবহার করুন |
(সরাসরি লিঙ্ক) |
অ-প্রশাসকরা বটের গন্ডগোল সম্পর্কে প্রশাসকদের আলোচনাসভায় রিপোর্ট করুন |
[সম্পাদনা] |
! |
: ::. |
: |
: |
: (), (), () |
: . , . |
: " " - . - ::'_/#. . : . . --192.163.20.231 ১৭:৪৮, ৭ অক্টোবর ২০০৭ () |
. . --অর্ণব (আলাপ | অবদান) ১৯:১৪, ৭ অক্টোবর ২০০৭ () |
. . --রাগিব (আলাপ | অবদান) ১৯:৩২, ৭ অক্টোবর ২০০৭ () |
'://..//.?=ব্যবহারকারী:&=1538187' থেকে আনীত |
বিষয়শ্রেণীসমূহ: |
অননুমোদিত উইকিপিডিয়া বট |
নাম অনুসারে উইকিপিডিয়া বট |
এ পৃষ্ঠায় শেষ পরিবর্তন হয়েছিল ১৫:২০টার সময়, ১২ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে |
লেখাগুলো ক্রিয়েটিভ কমন্স অ্যাট্রিবিউশন/শেয়ার-আলাইক লাইসেন্সের আওতাভুক্ত; এর সাথে বাড়তি শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে |
এই সাইট ব্যবহার করার মাধ্যমে, আপনি এটি ব্যবহারের শর্তাবলী ও এর গোপনীয়তা নীতির সাথে সম্মত হচ্ছেন |
উইকিপিডিয়া®, অলাভজনক সংস্থা উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের একটি নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক |
আজ সকাল ১০.০০ ঘটিকায় রাজশাহী-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের জ্যেষ্ঠ ভাইস-চেয়ারম্যান জনাব ফজলে হোসেন বাদশা রাজশাহী রেশম কারখানার ৫টি পাওয়ার লুমের কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে উদ্বোধন করেন |
রাজশাহী রেশম কারখানা চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, রাজশাহী রেশম কারখানা চালু হওয়া তাঁর এবং রাজশাহীবাসীর স্বপ্ন |
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এই স্বপ্ন আজ সফল হওয়ার পথে |
তিনি রেশম কারখানার ৫টি পাওয়ার লুমের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন |
তিনি রেশম শিল্পকে রেশম কারখানার শিল্প না ভেবে এটিকে সামাজিক শিল্প হিসেবে বাস্তবায়নের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান |
প্রথমত ট্রায়াল বেসিসে ৫টি লুমের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে এর পরিধি ক্রমান্বয়ে আরও বাড়ানোর কথা বলেন |
২০০২ সালে রেশম কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার ফলে রাজশাহী তথা বাংলাদেশকে পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন |
অন্যদিকে তিনি অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি বর্তমানে কারখানায় গ্যাস সংযোগ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন |
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট সমাজ সেবক জনাব শাহীন আক্তার রেনী বলেন, রাজশাহী সিল্কের ব্রান্ডিং পেয়েছে |
রাজশাহী এখন সিল্ক হেভেন |
তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাওয়ার কথা বলেন |
সভাপতির বক্তব্যে রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বলেন, আমাদের গর্বের এবং আত্মসম্মানের প্রতীক হলো এই রেশম কারখানা |
তৎকালীন সময়ে কারখানার লোকসান থাকলেও তা চালু রাখা যু্ক্তিযু্ক্ত ছিল বলে তিনি বলেন |
তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য চীন, ভারত থেকে উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার বিষয়টি উল্লেখ করেন |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.