content stringlengths 0 129k |
|---|
যারা দরিদ্র, কেয়ামতের দিনে তাদের হিসাব নিকাসে কম সময় লাগার কারনে ধনীদের চাইতে ৫০০ বৎসর পুর্ধে বেহেস্তে যাইতে পারিবেন |
2 |
আমি একবার এক মাদ্রাসার নামকরা একজন মোহাদ্দেছ ( যারা হাদিছে বিশেষজ্ঞ) কে এক ওয়াজ মাহফিলে বর্ণণা করিতে শূনিয়াছি 'যার ইহজগতে বাড়ী আছে সে পরজগতে বাড়ী পাইবেনা |
৩ |
নবী বলিয়াছেনঃ"আল্লাহ আমাকে দরিদ্র রাখুন,দরিদ্রদের সংগে হাসর করানও দরিদ্রদের সংগে বেহেস্ত নছিব করান |
" |
তাহলে দেখা যাচ্ছে হাদিছ আমাদেরকে দরিদ্র বা অনূন্নত জীধন যাপনে উৎসাহিত করছে |
৪ |
আমাকে আমার একটা ছেলে একদিন বল্ল যে(সে আন্তর্জালে কোথাও দেখেছে)"আব্বা জানেন? ইউরোপে যখন প্রথম প্রিন্টার ব্যবহার শূরু হল তখন সৌদি শাসক গন ও আরব দেশে ণ্রিন্টার ব্যবহার করতে চাইলেন |
কিন্তূ সাথে সাথে সেখানকার মসজিদের তৎকালীন কোরান হাদিছে অভিজ্ঞ ইমাম সাহেবরা এই বলিয়া ফতোয়া দিয়া এটা বন্দ্ধ করাইলেন যে,যেহেতূ আমাদের নবী এটা ব্যবহার করেন নাই তাই আমাদের জন্য ও এটা ব্যবহার করাও জায়েজ (বৈধ)হইবেনা |
ফলে আরধ জগত আধূনিক জ্ঞান বিজ্ঞান হতে দীর্ঘকালের জন্য পিছিয়ে পড়ে রইল |
" |
তাহলে কি এই ভাবে যূগে যূগে হাদিছের দোহাই দিয়ে দিয়ে মূসলমানদেরকে সভ্য জগৎ হইতে পিছিয়ে রাখা হইবে? |
থন্যবাদান্তে, |
আঃ হাকিম চাকলাদার |
নিউ ইয়র্ক |
তামান্না ঝুমু আগস্ট 7, 2011 8:53 অপরাহ্ন - |
এমন চমৎকার একটি সিরিজ এত তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেল! অনেক ধন্যবাদ শ্রমসাধ্য এ সুন্দর লেখাটির জন্য () |
যাযাবর আগস্ট 7, 2011 8:30 অপরাহ্ন - |
নবীকে ঘিরে মুসলীমদের যে মিথা সেই মিথ ভঞ্জনের জন্য অকাট্য যুক্তি আছে এই লেখায় |
ভবঘুরে এক শক্তিশালী মিথ ভঞ্জক কোন সন্দেহ নাই |
ভবঘুরে যয়নাবের সাথে নবীর বিয়ের খানাপিনার দাওয়াতে কিছু লোকের খাওয়াদাওয়া শেষ হবার পরেও চলে না যাওয়াতে নবীর অসুবিধার কথা নিয়ে একটা হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে নবী যে যয়ানবের সঙ্গে মিলিত হবার জন্য কতটা ব্যাকুল ছিলেন সেটা বোঝাতে চেয়েছেন |
আরেকটা ব্যাপার এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করতে হয় |
সেটা হল "কিইইইইই সুবিধাজনক" জাতীয় এক আয়াত নাজিলের কথা |
দাওয়াত শেষে কিছু লোকের প্রস্থান না করাতে নবী এতই বিরক্ত হন যে ভবিষ্যতে যাতে এর পুনরাবৃত্তি না হয় তার জন্য একটা আয়াতও নাজিল করিয়ে নেন |
আয়াত ৩৩:৫৩ : "হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য আহার্য রন্ধনের অপেক্ষা না করে নবীর গৃহে প্রবেশ করো না |
তবে তোমরা আহুত হলে প্রবেশ করো, তবে অতঃপর খাওয়া শেষে আপনা আপনি চলে যেয়ো, কথাবার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না |
নিশ্চয় এটা নবীর জন্য কষ্টদায়ক |
তিনি তোমাদের কাছে সংকোচ বোধ করেন; কিন্তু আল্লাহ সত্যকথা বলতে সংকোচ করেন না... |
" |
নিজের সঙ্কোচ হলে সমস্যা কি, আল্লাহর মুখ দিয়েই তো তা বলান যায় |
"কিইইইই সুবিধাজনক" ! সাধে কি আর আয়েশা একবার টিপ্পনী কেটে নবীকে বলেছিলেন, আপনার তো দেখি যখন যে সমস্যায় পড়েন তার থেকে উদ্ধারের জন্য সঠিক আয়াত নাজিল হয়ে যায়! |
বড় কথা হল, এটাই টি কুরাণের উদ্দেশ্য? নবীর কিসে সুবিধা অসুবিধে সেটা নিয়ে মাইক্রো ম্যানেজ করে ডিক্রী জারী করা? না কি মানব সমাজের জন্য শ্বাশ্বত বাণী প্রচার/প্রেরণ করা? আর যদি দাওয়াত শেষে চটপট উঠে চলে যাওয়া সেরকম শ্বাশ্বত বাণী হয়েই থাকে, তাহলে সেটা বলার জন্য নবীর অসুবিধা ঘটার জন্য অপেক্ষা করতে হবে কেন? এ সবই তো পরিস্ক... |
ভবঘুরে নবীযে নবীর সমালোচককে হত্যার জন্য প্রয়োজনে মিথ্যা বলার জন্য অনুমোদন দিয়েছিলেন সেই হাদীস উল্লেখ করেছেন |
প্রয়োজনে মি্থ্যা কথা বলার প্রসঙ্গে সিরাত থেকে আরে একটা ঘটনার উল্লেখ করতে হয় |
এর উল্লেখ পাওয়া যাবে ইবনে ইশাকের (হিশাম কর্তৃক সংকলিত) সিরাতের ইংরেজী অনুবাদ (গিলোমের) এর ২৯৪ পৃষ্ঠায় |
আর বাংলায় পাওয়া যাবে আব্দুস সালাম হারুন কর্তৃক সংকলিত হিশামের সিরাতের (মিসররুল জাদিদাহ থেকে আরবীতে প্রকাশিত) বাংলা অনুবাদের (বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার থেকে প্রকাশিত) ১৫৮ পৃষ্ঠায় |
এতে লেখা আছেঃ |
বদরের যুদ্ধের সময় বদরের প্রান্তরে তাঁবু স্থাপনের পর নবী এক সাহাবীকে নিয়ে টহলে বেরিয়েছেন |
কিছু দূর যাবার পর এক বৃদ্ধকে দেখতে পেলেন |
নবী বৃদ্ধকে জিজ্ঞেস করলেন সে কুরায়েশদের কথা কিছু জানে কিনা আর মুহম্মদ আর তাঁর সহচরদের কোন খবর শুনেছে কি না |
বৃদ্ধ বলল আগে তোমরা কোন দলের লোক সেটা জানাও, না জানালে বলব না |
নবী বৃদ্ধকে বললেন আগে আমরা জা জানতে চাচ্ছি সেটা বল, তারপর আমাদের পরিচয় দেব |
বৃদ্ধ বলল "খবরের বিনিময়ে পরিচয়?" |
নবী বললেন হ্যাঁ |
তখন বৃদ্ধ বলল, "শুনেছি মুহম্ম্দ ও তাঁর সহচররেরা অমুক দিন যাত্রা শুরু করেছেন |
সেটা যদি সত্য হয় তাহলে তাদের এখন অমুক জায়গায় থাকার কথা |
আর কুরায়েশদের সম্পর্কে শুনেছি তারা অমুক দিন রওয়ানা দিয়েছে |
সেটা সত্যি হলে তাদের অমুক জায়গায় থাকার কথা |
বৃদ্ধ সঠিকভাবেই উভয় জায়গার নির্দেশ করল |
অতঃপর বৃদ্ধ নবীকে তাঁর পরিচয় দিতে বললে নবী বললেন "আমরা পানি থেকে এসেছি" |
বৃদ্ধ বলল "পানি মানে? ইরাকের পানি থেকে নাকি?" অতঃপর নবী সাহাবীদের কাছে ফিরে গেলেন |
পাঠক কেমন বুঝতাছেন ? |
ভবঘুরে আগস্ট 9, 2011 11:52 অপরাহ্ন - |
@যাযাবর, |
আয়াত ৩৩:৫৩ : "হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য আহার্য রন্ধনের অপেক্ষা না করে নবীর গৃহে প্রবেশ করো না |
তবে তোমরা আহুত হলে প্রবেশ করো, তবে অতঃপর খাওয়া শেষে আপনা আপনি চলে যেয়ো, কথাবার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না |
নিশ্চয় এটা নবীর জন্য কষ্টদায়ক |
তিনি তোমাদের কাছে সংকোচ বোধ করেন; কিন্তু আল্লাহ সত্যকথা বলতে সংকোচ করেন না... |
" |
আপনার পর্যবেক্ষনের তারিফ না করে পারছি না |
উক্ত আয়াত কিন্তু সত্যি সত্যি সে উদ্দেশ্যেই নাজিল হয়েছিল |
কারন আল্লাহ চাইত না যে তার পেয়ারা নবী প্রিয় দোস্ত নব বিবাহিতা স্ত্রীর সাথে সহবতের জন্য বেশী দেরী করেন |
সে কারনেই তো আল্লাহ পরম করুনাময়, অসীম দয়ালু |
বিপ্লব পাল আগস্ট 7, 2011 7:21 অপরাহ্ন - |
খুব ভাল সিরিজ হয়েছে, তবে এই লেখাটার মান আরেকটু উন্নত করা যেত যদি লেখক আরো কিছু ঐতিহাসি সমান্তরাল বা বিশ্লেষণ দিতেন |
কোটিল্য মহম্মদের জন্মের ৪০০ বছর আগে, রাজন্য বর্গকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, কোন রাজনীতি নিজের আদেশ বলে চালাতে নেই-তা ঈশ্বের স্বপ্নাদেশ বা ঈশ্বরের প্রেরিত বাণী বলে চালাতে হয় |
মহম্মদ ইতিহাসে কৌটিল্যের এবং কৌটিল্যনীতির সেরা ছাত্র |
আস্তরিন আগস্ট 7, 2011 8:49 অপরাহ্ন - |
@বিপ্লব পাল, একটা নতুন তথ্য জানলাম, চমৎকার এবং ধন্যবাদ |
ভবঘুরে আগস্ট 7, 2011 10:03 অপরাহ্ন - |
@বিপ্লব পাল, |
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য |
আমি দেখেছি ইসলাম যে একটা তথাকথিত অসত্য ধর্ম তা কোরান ও হাদিস দিয়েই খুব ভালভাবে প্রমান করা যায় |
ইতিহাসের দরকার তেমন পড়ে না |
এমনিতেই এখন একদল আছে যারা হাদিসটাই অস্বীকার করতে চায়, ইসহাক, তাবারী, সাদ এদের ইতিহাস থেকে উদ্ধৃতি দিলে তো ওরা বলেই বসবে- কোথাকার কে বানান ইতিহাস লিখেছে সেটা কেন তারা বিশ্বাস করবে? একারনেই আমি ইতিহাসকে একেবারেই ব্যবহার করতে চাই না |
খোদ কোরান হাদিস যেখানে যথেষ্ট , ইতিহাসের দরকারটা কি ? |
আবুল কাশেম আগস্ট 8, 2011 5:10 পূর্বাহ্ন - |
@ভবঘুরে, |
কিছু মন্তব্য না করে পারলাম না- |
আমি দেখেছি ইসলাম যে একটা তথাকথিত অসত্য ধর্ম তা কোরান ও হাদিস দিয়েই খুব ভালভাবে প্রমান করা যায় |
ইতিহাসের দরকার তেমন পড়ে না |
আপনি সম্পূর্ণ সঠিক |
ইসলামকে মোকাবেলার জন্য আমাদের কাছে রয়েছে অমোঘ অস্ত্র-আর সেগুলো হচ্ছে |
আল-কোরান |
সাহী হাদিস |
শারিয়া আইন |
সীরা-তথা ্নবীজির জীবনী |
আমাদের হাতে যখন ঐ দূর্দান্ত অস্ত্রগুলো রয়েছে-তখন অন্য কোন অস্ত্রএর দরকার তেমন নাই |
দেখুন না আপনার ব্যবহৃত ঐ সব অস্ত্রএর আঘাতে ্নব মোল্লারা দিশেহারা হয়ে ছুটাছুটি করছে |
কিন্তু তাদের পালাবার কোন পথ নেই |
আপনি সুদক্ষ ভাবে তাদের পালাবার পথ বন্ধ করে দিয়েছেন |
তাই আবার লিখছি-যাঁরা ইসলামকে মুখোমুখি লড়তে চান তাঁদের সর্বপ্রথম দায়িত্ব হবে ঐ সব কিতাবগুলি পূর্ণ রপ্ত করা |
তা না করে কাগজে কলম দিবেন না |
হয়ত কয়েক বছর লাগতে পারে |
কিন্তু ইস'লামকে মোকাবিলার জন্য এর কোন বিকল্প নাই |
কাজী রহমান আগস্ট 8, 2011 6:03 পূর্বাহ্ন - |
:)) @আবুল কাশেম, |
অস্ত্র হিসেবে কোরানই তো যথেষ্ট |
নব্য মোল্লারা শুধু তাদের সর্বশ্রেষ্ঠ অস্ত্র কোরান নিয়েই মাঠে নামুক |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.