content
stringlengths
0
129k
এই কথাটা অবশ্যই একটা চিন্তার বিষয় যে পরকাল বলে যদি কিছু থাকে
এখন কথা হলো কার পরকাল সত্য? হিন্দুর, খ্রিষ্টান এর নাকি মুসলমানের
এমন যদি হয় আপনি হিন্দু তাই পরকালের সুখের জন্য হিন্দুধর্ম পালন করেন কিন্তু পরকালে গিয়ে দেখলেন যে হিন্দুধর্মের ভগবান বলে কিছু নেই, আল্লাহ বলে একজন আছে, এখন সেই আল্লাহর কাছে আপনি যতই মাফ চান না কেন আল্লাহ কিন্তু আপনারে দোযখে ছুড়ে মারবে
কারণ দুনিয়াতে ভগবানকে বিশ্বাস করা মানে আল্লাহর সাথে শিরক করা
আর আল্লাহর সাথে যে শিরক করে তার কোন ক্ষমা নেই
তাই কে ঠিক আর কে ঠিকনা এইটা কোন প্রাণীর পক্ষে জানা বা যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করা সম্ভব না
যেহেতু বিজ্ঞান আমাদের সব দিয়েছে তাই আসুন সবরকম অপবিশ্বাসকে ফেলে দিয়ে আমরা বিজ্ঞান এর আলোই আলোকিত হই
নভেম্বর 30, 2011 11:17 অপরাহ্ন -
@মুক্তাদীর,
যদি পরকাল থেকে থাকে তাহলে আমাদের কি উপায় হবে.........???
খুব সোজা বেপার
খঁটি মুসলমান হিসেবে আমি যানি আল্লার হুকুম ছাড়া গাছের একটি পাতারও নড়ার সাধ্য নাই
তো আমি যদি আল্লাহ এবং পরকালে ‍বিশ্বাস না করি তা তো আল্লার হুকুমের বাইরে হওয়া সম্ভব নয়
এখন যে কাজটি আমি আল্লার হুকুমেই করেছি তাতে যে শুধু দোষের কিছু নাই তাই নয় বরং আল্লাহ্র হুকুম তামিল করায় ৭০ টি হুরও আমার পাওনা হবে
:))
আবুল কাশেম আগস্ট 7, 2011 2:09 অপরাহ্ন -
ভাই ভবঘুরে;
সময়ের অভাবে মন্তব্য করতে পারি না
তবে আপনার এই ধারাবাহিক রচনাটি আমি বিস্তৃত পড়েছি এবং অভিভূত হয়েছি
আপনার অসাধারণ বিশ্লেষণ ক্ষমতা, রচনাশৈলী, একাগ্রতা, সর্বোপরি অগাধ জ্ঞান সত্যিই উচ্চ প্রশংসার দাবী রাখে
আমি সবচাইতে আনন্দ পাচ্ছি এই জেনে দীর্ঘ ১২ বছর যাবত আমরা যার বিরুদ্ধে কলম ধরেছিলাম-আজ তার কিছু সুফল পাচ্ছি
১২ বছর আগে আমরা দুই তিন জন ইসলামের মুখোমুখি হয়েছিলাম, তখন বাঙালি সমাজে আমাদের কোন সমর্থনই ছিল না
আজ সেই অবস্থার বিরাট পরিবর্তন হয়েছে
আমরা চিন্তাই করতে পারি না যে আপনার মত এত মেধাবী, কুশলী এবং দক্ষ লেখক ইসলামের মুখোমুখি হবেন
আপনার মত সাহসী লেখক অতি বিরল
ভবঘুরে আগস্ট 7, 2011 5:27 অপরাহ্ন -
@আবুল কাশেম,
আপনাকেও ধন্যবাদ
আপনাদের মত বর্ষীয়াণ ব্যক্তিত্ব আমাদেরকে অণুপ্রানিত করলে আমরা সত্যি বিশেষ উৎসাহিত হই
পরিবর্তন এমন একটা বিষয় যা ঘটবেই , তাকে আটকে রাখা যায় না
হয়ত অনেক সময় একটু দেরী হয়ে যায়
যেমন হচ্ছে আমাদের ইসলামের ব্যপারে
আর তার কারন আমি আগেই বলেছি- সত্যিকার অর্থে ইসলাম নিয়ে চুল চেরা বিশ্লেষণ আগে কখনও হয়নি , তার দরকারও পড়েনি
আমি আপনার লেখার একজন একনিষ্ট ভক্ত
সত্যি বলতে কি , আপনার লেখা পড়েই সর্বপ্রথম আমি ইসলামের অন্ধকার জগত সম্পর্কে অবগত হই ও পরে নিজেই গভীরভাবে কোরান হাদিস পড়া শুরু করি ও আশ্চর্য হয়ে লক্ষ্য করি আপনার বক্তব্য অমূলক নয়
অত:পর দায়ীত্ববোধ থেকেই লেখা শুরু করি
আপনার মত সাহসী লেখক অতি বিরল
সাহসী আর হতে পারলাম কই
আমি যে লেখা লেখি করি তা আমার পারিপার্শ্বিক কেউ জানে না
আফটার অল, কল্লা কাটা যাক এত তাড়াতাড়ি সেটা তো হতে দিতে পারি না
🙁
মাহফুজ আগস্ট 7, 2011 1:47 অপরাহ্ন -
কাতাদা বর্নিত: আনাস ইবনে মালিক বলেন, " নবী দিনে রাতে পালাক্রমে তার স্ত্রীদের সাথে মিলিত হতেন,আর তার স্ত্রীর সংখ্যা ছিল এগার
আমি আনাসকে জিজ্ঞেস করলাম- " নবীর কি এত শক্তি ছিল ?" আনাস উত্তর দিলেন-" আমরা শুনেছি নবীর শক্তি ছিল ত্রিশজন মানুষের সমান"
বুখারি, বই-০৫, হাদিস-২৬৮
কিন্তু আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছ থেকে শুনেছি- আল্লাহ পাক নবীজীকে এক হাজার পুরুষের সমান সেক্স পাওয়ার দিয়েছিলেন
প্রশ্ন হচ্ছে- হাদিস সত্য নাকি আমাদের মসজিদের ইমাম সত্য?
ভবঘুরে আগস্ট 7, 2011 6:51 অপরাহ্ন -
@মাহফুজ,
আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছ থেকে শুনেছি- আল্লাহ পাক নবীজীকে এক হাজার পুরুষের সমান সেক্স পাওয়ার দিয়েছিলেন
আপনাদের মসজিদের ইমাম কতটা খবিশ হলে আল্লাহর নবী সর্বশ্রেষ্ট মানুষ সম্পর্কে এ ধরনের উক্তি করতে পারে , তা আপনার বোঝা উচিত
রনবীর সরকার আগস্ট 7, 2011 1:05 অপরাহ্ন -
ধন্যবাদ ভবঘুরেকে
এমন চমৎকার একটি সিরিজ লেখার জন্য
স্বঘোষিত অতিথি আগস্ট 7, 2011 12:27 অপরাহ্ন -
ভবঘুরে, আপনার সিরিজটা অসাধারন ভাল হয়েছে
আগেই এক মন্তব্যে বলেছিলাম আমি আপনার সব সিরিজ লেখা গুলো পড়েছি এবং সব গুলোই ভাল লেগেছে
তবে খুশী লাগেনি
কারণ, এই পৃথিবী টা আমার কাছে একটা হিসেবেই জানতাম এবং আশা ছিল যে পরকালে গিয়ে যারা আমার সাথে অবিচার করল, আল্লাহ তার বিচার করবেন... এবং বেহেশতে অসীম সময়ের একটা স্নিগ্ধ শান্তিময় জায়গার কথা ভাবতেই মন জুড়িয়ে যেত... কিন্তু এসব লেখা পড়ার পর কোন মতেই আমার আগের ঈমান ফিরে আসবে না,.. আপনি যেভাবে শক্ত হাদীস কুরআন রেফারেন্স ...
ত এখন নিজেকে আমি ধর্ম থেকে মুক্ত করে নিলাম... কিন্তু দিন শেষে নিজেকে খুবই অসহায় মনে হয়
আগে ভাবতাম মাথার উপর আল্লাহ আছে,... রোজা নামাজ পড়ে নিজের মনটা ফুরফুরে লাগত.. এখন ত এসব থেকে আর আনন্দ পাব না.. কিভাবে নিজেকে শান্তনা দিব বলুন ? এ জীবনটা তাহলে এখানেই শেষ ? 🙁 🙁 🙁 ;-(
ভবঘুরে আগস্ট 7, 2011 7:01 অপরাহ্ন -
@স্বঘোষিত অতিথি,
এ জীবনটা তাহলে এখানেই শেষ ?
না ভাই, আসলে এখানেই শুরু
এখন আপনি নিজেকে আর একা একা চিন্তা করতে পারবেন না , আপনাকে ভাবতে হবে মানব জাতির একটা অংশ হিসাবে যেখানে আপনারও কিছু করনীয় আছে
আর সেটা হলো - এ জগতটাকে এমন সুন্দরভাবে গড়ে তোলায় অবদান রাখা, যেখানে আমরা সবাই সুন্দরভাবে সুখে শান্তিতে বেঁচে থাকতে পারি
ধর্ম আপনাকে ব্যপকভাবে স্বার্থপর বানিয়েছিল, তাই আপনি নিজের চিন্তা ছাড়া আর কিছুই ভাবতেন না- যা পরিশেষে আমাদের সমাজকে পিছিয়ে দিয়েছিল
আপনি যদি নিজেকে একা না ভেবে সমাজের একজন সত্যিকার অংশ ভাবেন দেখবেন আপনি নিজেই টের পাবেন না আপনার জীবন কত কর্মময় ও আনোন্দচ্ছল হয়ে উঠেছে
তখন অলীক বেহেস্তের সেক্সি হুরদের ফালতু চিন্তায় অযথা মন খারাপ হবে না
ডারউইন এর ভুত আগস্ট 7, 2011 11:58 পূর্বাহ্ন -
কাতাদা বর্নিত: আনাস ইবনে মালিক বলেন, " নবী দিনে রাতে পালাক্রমে তার স্ত্রীদের সাথে মিলিত হতেন,আর তার স্ত্রীর সংখ্যা ছিল এগার
আমি আনাসকে জিজ্ঞেস করলাম- " নবীর কি এত শক্তি ছিল ?" আনাস উত্তর দিলেন-" আমরা শুনেছি নবীর শক্তি ছিল ত্রিশজন মানুষের সমান"
বুখারি, বই-০৫, হাদিস-২৬৮
:- মরুভুমির গরম থেকে রেহাই পাওয়ার জন্যই বোধহয় তিনি নারী দের মরুদ্দ্যানে ডুব মারতেন! ::
ভবঘুরে আগস্ট 7, 2011 5:29 অপরাহ্ন -
@ডারউইন এর ভুত,
মরুভুমির গরম থেকে রেহাই পাওয়ার জন্যই বোধহয় তিনি নারী দের মরুদ্দ্যানে ডুব মারতেন!
:-
ফুয়াদ আগস্ট 7, 2011 9:10 পূর্বাহ্ন -
আপনার লেখাকে মিস রিপ্রেজেন্টেশ্ন ছাড়া আমার কিছু বলার নেই
এগুলো যুগে যুগেই ঘটছে
তাই আপনার সব পয়েন্ট নিয়ে আর্গুমেন্টে যাবার ইচ্ছা আমার নেই
আপনার নিচের কথাগুলি মনগড়াঃ (অবশ্যই আমার দৃষ্টিতে)
তেমনি ভাবে মোহাম্মদের কার্যাবলী লিখে রেখে গেছে তার নিবেদিত প্রান শিষ্যরা যেমন- ইমাম বোখারী, মুসলিম , আবু দাউদ এরা
এরা নিশ্চয়ই তাদের রচনায় এমন কিছু লিখবে না যা তাদের গুরুর চরিত্রকে হনন করে বা কালিমালিপ্ত করে
যে সময় তারা এসব বিবরন লিখে রেখে গেছে সেই তখনকার সময়ে মোহাম্মদের কার্যাবলী নিয়ে কোন প্রশ্ন উঠত না, সে সময়ের ঐতিহ্য অনুযায়ী সেসব ছিল সিদ্ধ ও ন্যয় সম্মত
যেমন তার অসংখ্য বিয়ে, দাসি বাদি দের সাথে যৌন সংসর্গ, শত্রুদের বিরুদ্ধে হিংসাত্মক হুংকার ইত্যাদি এসব
তখন এসব কিছুই ছিল ন্যয় সঙ্গত
আর তাই তারা বিনা দ্বিধায় সেসব সরল মনে লিপিবদ্ধ করে গেছে
যদি তারা ঘুনাক্ষরেও বুঝতে পারত হাজার বছর পরে মহানবীর এসব কর্মকান্ডই তাকে নৈতিক মানদন্ডের কাঠগড়ায় দাড় করাবে তাহলে এসব ঘটনাবলী তারা কস্মিনকালেও লিপিবদ্ধ করত না
কারন হচ্ছে ভাল মন্দের মান দন্ড নিজের বিবেক দ্বারা তৈরি করি না
রাসূল সাঃ জীবনি এবং আল কুরানের দ্বারা তৈরি করি
রাসূল সাঃ এর জীবনির ক্ষেত্রে চেইন অব নেরেশন অত্যান্ত গুরুত্বের সাথে নেই
এবং আমরা মনে করি রাসূল সাঃ কোন কাজ কেন করেছেন ? এটা ভাল না মন্দ সেটা বিবেচনা করার চেয়ে তিনি কি করেছেন সেটা জানানোই আমাদের দ্বায়িত্ব
হতে পারে সব থেকে শেষের ব্যাক্তিই আমাদের সবার থেকে ভাল বুঝবে
://../?=3198
; . , , - বিদায় হজ্ব
তাই ইমাম বুখারি কিংবা মুসলিমের কাছে যে সব হাদিসএর রেফারেন্স শক্ত এবং নির্ভর যোগ্য মনে হয়েছে সেগুলো বিচার বিশ্লেষন, বর্ননাকারীর বক্তব্যের সত্যতার উপর ভিত্তি করে তাদের গ্রন্থগুলি লিখেছেন
মধ্যযুগে এমন বিচার বিশ্লেষন কোন ইতিহাস নিয়ে করা হয়েছে কিনা আমার জানা নেই