content
stringlengths
0
129k
যেসব হাদিসের ব্যাপারে ইমাম বুখারি এবং মুসলিম দুজনই একমত হয়েছেন সেগুলো আরো অধিক গ্রহন যোগ্য বলা হয়
কিন্তু তাই বলে আপনি নিজে হাদিস নিয়ে গবেষনা করতে পারবেন না, তা ইসলামে বলা নেই
আপনি ও গবেষনা করে আপনার দৃষ্টিতে যেসব হাদিস সহী তা লিখতে পারেন, এবং এর পিছনে কারন এবং যুক্তি দিতে হবে কেন সহী
আপনি যদি কোন হাদিস নিতে না চান, তাহলে আপনার পিছনে আপনি নিজে যুক্তি দিতে পারেন, এই এই কারনে এই হাদিস আমার কাছে সহী মনে হয় না, ইত্যাদি
যাইহোক, নিচের ছবিটুকু দেখুনঃ (পাঠকদের প্রতি অনুরোধ, ছবিটা ভাল করে দেখে নিন)
[]://50../75.[/]
রাসূল সাঃ এর একটি হাদিস বহু ভিন্ন ব্যাক্তির বর্ননা ঘুরে স্থান পেয়েছে
হাদিসটিতে দেখুন চেইন অব নেরেশন একটি নয়, অনেক গুলি
বুঝতে বাকি থাকে না, তারা কত কষ্ট করে এগুলো সংগ্রহ করেছেন
ছবির ডান পাশে রাসূল সাঃ এবং তার থেকে শুনেছেন আরো আট জন সাহাবী এবং এই আঠ জন থেকে বহু মানুষ
লাল বক্স গুলো বর্ননাকারিদের থেকে হাদিস বিভিন্ন বইগুলিতে স্থান পেয়েছে
গোলাপ আগস্ট 7, 2011 12:06 অপরাহ্ন -
@ফুয়াদ,
আপনাকে এক অতি সাধারন প্রশ্ন করি
ইসলামী বিধানে 'মুহাম্মাদের' কোন কাজের সমালোচনাকারী শাস্তি কি?
ফুয়াদ আগস্ট 7, 2011 5:47 অপরাহ্ন -
@গোলাপ,
ইসলাম অনুষারে এক মাত্র আল্লাহ পাক বাদে কেউ ভুল ত্রুটির উর্ধ্বে নয়
পৃথিবীর সব মানুষের ভুল হয় এবং রাসুল সাঃ ও একজন আমাদের মত মানুষ কিন্তু আমাদের আহলে সুন্নাতুয়াল জামাতের মতে যেহেতু উনার উপর ওহী নাজিল হত, তাই তিনি ভুল করার সাথে সাথেই আল্লাহ পাক তা ঠিক করে দিতে্ন, যদিও তিনি ভুল ত্রুটির উর্ধ্বে নন
রাসুল সাঃ এর বিভিন্ন কাজের উপর বিতর্ক আপনি করতে পারবেন, তবে তা অবশ্যই সত্য বুঝার জন্য করতে হবে
সাহাবীগন আমাদের নিকট অতী সম্মানী
কিন্তু তারাও ভুলের বাহিরে নন
কিন্তু তাদের ভুল নিয়ে তাদের প্রতি অসম্মান দেখানো আমাদের পক্ষে অন্যায়
এ জন্য সাহাবীদের কাজও যে যেরূপ করেছিলেন ঠিক সেই রূপ লিপিবদ্ধ করা যায়, কিন্তু তাদের নিয়ে তুচ্ছ তামাশা করা আমাদের জন্য খুব অন্যায়
কারন তারা হয়ত লাখে একটা ভুল করেছেন, আমরা লাখের মধ্যে হয়ত নয়শত নিরানব্বইটা
এ জন্য আমরা সকল সাহাবীদের নামের শেষে রাঃ লাগাই, ঠিক তেমনি সকল নবীদের নামের শেষে আঃ এবং সকল ইসলামের শ্রেষ্ট ও সম্মানী ব্যাক্তিদের নামের শেষে রঃ লাগাই
আপনি নিশ্চই মিথ্যা অপবাদ কি জিনিস তাহা বুঝেন
আপনি সমালচনার নামে মিথ্যা অপবাদ দিবেন সেটা কিসের ভিত্তিতে ন্যায্য হল ? তা কি বুঝাতে পারবেন
তুচ্ছ তামাশা একটা জিনিস, মিথ্যা অপবাদ আরেকটা জিনিস, সত্যের বিকৃতি করা আরেকটা জিনিস, সমালোচনা করে একটা জিনিস, ভাল মন্দ বিচার করা ভিন্ন জিনিস
যেমন ধরুন আপনাদের ভবঘুরে সাহেব উপরের পোস্টে বলেছেনঃ
আল্লাহ তাকে ৩০ টা পুরুষের সমকক্ষ করে তৈরী করেছেন
তাই তার ১৩টা স্ত্রী আর সমসংখ্যক দাসী লাগে
-ভবঘুরে
এখানে উনি যে কাজটা করেছেন সেটা সমালোচনা নয়, একে বলা যাবে মিথ্যা অপবাদ
আরেকটি উদাহারন দেখুন উপরের প্রবন্ধেইঃ
তার মানে আমাদের দ্বীনের নবী ,আল্লাহর প্রিয় দোস্ত মোহাম্মদের নিকট স্ত্রী লোক হলো শয়তান- ভবঘুরে
উনার এই বক্তব্য হচ্ছে মিস রিপ্রেসেন্টেশন, কারন তিনি যে বক্তব্যের উপর এই উপসংহার টেনেছেন তা হলঃ স্ত্রীলোকটি আমার দিকে অগ্রসর হয়ে একটা শয়তানের রূপ ধারন করল
এই বাক্য কখনই প্রকাশ করে না, "স্ত্রী লোক হলো শয়তান"
এই অন্যায় উপস্থাপনা ১ ইচ্চাকৃত হতে পারে, ২ মুসলমানদের প্রতি ঘৃনায় অন্ধত্বের জন্য অনিচ্ছায় হতে পারে
এগুলো কি আপনার দৃষ্টিতে ঠিক সমালোচনা ? খোলা মনে উত্তর দিয়েন
উপরের লেখক সম্পর্কে যদি আমাদের বক্তব্য জানতে চান তাহলে বলব দেখতেঃ
যখন পৃথিবী তার কম্পনে প্রকম্পিত হবে, যখন সে তার বোঝা বের করে দেবে
এবং মানুষ বলবে, এর কি হল ? সেদিন সে তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে, কারণ, আপনার পালনকর্তা তাকে আদেশ করবেন
সেদিন মানুষ বিভিন্ন দলে প্রকাশ পাবে, যাতে তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম দেখানো হয়
অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পাবে, এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও দেখতে পাবে
-সূরা যিলযাল
লেখক যেসব অন্যায় করবেন তার প্রতিটিই তিনি নিজেই সে সময় দেখতে পারবেন
ধন্যবাদ
ভবঘুরে আগস্ট 7, 2011 6:48 অপরাহ্ন -
@ফুয়াদ,
অনুগ্রহ করে আমার লেখায় মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ
এখানে উনি যে কাজটা করেছেন সেটা সমালোচনা নয়, একে বলা যাবে মিথ্যা অপবাদ
ধরে নিলাম আপনার কথামত আমি অপবাদই দিয়েছি
কিন্তু যে হাদিস উল্লেখ করে বিষয়টি বলেছি , সেটা কি আপনার খেয়াল ছিল উক্ত মন্তব্য করার আগে ? সেটা হলো -
কাতাদা বর্নিত: আনাস ইবনে মালিক বলেন, " নবী দিনে রাতে পালাক্রমে তার স্ত্রীদের সাথে মিলিত হতেন,আর তার স্ত্রীর সংখ্যা ছিল এগার
আমি আনাসকে জিজ্ঞেস করলাম- " নবীর কি এত শক্তি ছিল ?" আনাস উত্তর দিলেন-" আমরা শুনেছি নবীর শক্তি ছিল ত্রিশজন মানুষের সমান"
বুখারি, বই-০৫, হাদিস-২৬৮
ওখানে দেখুন পরিস্কার ভাবে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে- নবীর কি এত শক্তি ছিল ?
কেন জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে? কারন আগেই বলা হয়েছে- নবী দিনে রাতে পালাক্রমে তার স্ত্রীদের সাথে মিলিত হতেন
এখন যে ব্যাক্তি পালাক্রমে দিন ও রাতে তার স্ত্রীদের সাথে সহবত করেন ও যার যৌনক্ষমতা ছিল ৩০ জন পুরুষের সমান, যদি তার সম্পর্কে বলা হয় যে সে কারনে তার ১৩ টা স্ত্রী ও সমসংখ্যক দাসি দরকার পড়ত, এতে অযৌক্তিক কি বলা হলো ভাই ? যদি দেখা যেত তার ৩০ জনের সমান যৌনক্ষমতা থাকার পরেও শুধুমাত্র নিজের সংযম সাধারন মানুষকে প্রদর্শনের স্বা...
সেটা হতো আমাদের মত সাধারন মানুষের জন্য অনুকরনীয়
অথচ আপনার নবী কি করছেন? ১১ জনের সাথে দিনে রাতে সহবত করার পরেও তিনি যখন রাস্তায় বের হন তখন তিনি নারী দেখলেই সাথে সাথে উত্তেজিত হয়ে পড়েন যা আবার লেখা আছে সহি হাদিসে
তার মানে তিনি কি সব সময়ই উত্তেজিত থাকতেন ? সুবহানআল্লাহ
আপনার কি বোধ বুদ্ধি কিছুই নেই? কিছুই কি বোঝেন না এসব হাদিসের বর্ননা পড়ে ও তার সমার্থক কোরানের আয়াত পড়ে ? যিনি কাম যাতনায় সর্বক্ষন উত্তেজিত থাকতেন বলেই হাদিসের বর্ননা থেকে পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে ও কোরান তা সমর্থন করেছে- সে লোককে আপনি কোন কান্ড জ্ঞানে আল্লাহর নবী ভাবতে পারেন ? আপনার পাশে জানা শোনা কেউ যদি হুবহু একই রক...
ফুয়াদ আগস্ট 7, 2011 8:02 অপরাহ্ন -
@ভবঘুরে,
আপনার কথাগুলিতে যুক্তির কিছুই পেলাম না, যা পেলাম তা কিছু ইমোশনাল বক্তব্য
তথাপি আপনি আমার দ্বিতীয় উদাহারন কে আমলে আনেনি
প্রথমেই বলে নেই, আমার প্রথম মন্তব্য হাদিস সংগ্রহকারী বাক্তিদের অক্লান্ত পরিশ্রমের প্রতি সাক্ষী দিয়েছে, যা আপনার প্রবন্ধের প্রথমাংশের জবাব
যাইহোক, চলুন আপনার লেখা হাদিসটি দেখে নেইঃ
কাতাদা বর্নিত: আনাস ইবনে মালিক বলেন, " নবী দিনে রাতে পালাক্রমে তার স্ত্রীদের সাথে মিলিত হতেন,আর তার স্ত্রীর সংখ্যা ছিল এগার
আমি আনাসকে জিজ্ঞেস করলাম- " নবীর কি এত শক্তি ছিল ?" আনাস উত্তর দিলেন-" আমরা শুনেছি নবীর শক্তি ছিল ত্রিশজন মানুষের সমান"
বুখারি, বই-০৫, হাদিস-২৬৮
আমি এই হাদিসের যে অনুবাদ পড়েছিলাম তা ছিল ভিন্ন
সে যাইহোক, আপনার দেওয়া হাদিসটি ইউনিভার্সিটি অব সাওদ্রান কেলিফোর্নিয়ার ডাটা বেইজে দেখি কি আছেঃ
:
, " , ." , " ?" , " ()." ' ( ).- 1, 5, 268
এখানে ভিজিট শব্দটাকে আপনার দেওয়া অনুবাদে মিলিত হওয়া হয়েছে
দেখা করাকেও মিলিত (সাক্ষাত) হওয়া বলা যায়
কিন্তু আপনি কি বলেন দেখিঃ
দিন ও রাতে এগারো জন স্ত্রীর সাথে পালাক্রমে মিলিত হয়ে সহবত ( যৌন ক্রিড়া ) করা , যা আবার আমাদের নিজেদের বানান কথা না, খোদ সহি(পরীক্ষিত) হাদিসের কথা-ভবঘুরে
তারমানে আপনি ধরে নিয়েছেন, মিলিত হওয়া মানে যৌন মিলিত হওয়া
আপনি কোন বাক্যের কোন অর্থ ধরবেন সেটা আপনার বিষয়, কিন্তু সাধারন মানুষ কেন ধরে নিবে যে অর্থ আপনি ধরে নিয়েছেন ? তারপরও আপনি যে অর্থ নিয়েছেন সেই অর্থ নিয়েই আমি কাজ করব
আসুন এবার যুক্তিতে চলে যাই, আপনার দেওয়া অনুবাদ দিয়েই
এখানে বলা হয়েছেঃ " নবী দিনে রাতে পালাক্রমে তার স্ত্রীদের সাথে মিলিত হতেন,আর তার স্ত্রীর সংখ্যা ছিল এগার"
ক) এই বাক্যে প্রকাশ করে না, রাসূল সাঃ এর ১৩ জন স্ত্রী লাগত
"কাউরো ১৩ জন স্ত্রী আছে", আর "কাউরো ১৩ জন স্ত্রী লাগে" কথার মাঝে বহুত তফাত
খ) এই বাক্যে এও প্রকাশ করে না যে তার ১৩ জন দাসী লাগত
এমন কি তার ১৩ জন দাসী আছ, এমন কিছুও প্রকাশ করে না
কিন্তু লেখক বলেছেনঃ "তাই তার ১৩টা স্ত্রী আর সমসংখ্যক দাসী লাগে"-ভবঘুরে
সেজন্য সমসংখ্যক দাসীর ব্যাপারটা সম্পূর্ন মিথ্যা-অপবাদ
তারপর দেখুন নিচের কথাটি, এটি রাসূল সাঃ এর নিজের কথা না, আনাস রাঃ রা বলতেন অথবা শুনেছেন " আমরা শুনেছি নবীর শক্তি ছিল ত্রিশজন মানুষের সমান"
নোটে রাখুন এটি রাসূল সাঃ এর কথাও নয়, এবং আল কুরানের কথাও নয়, এটি মানব নির্মিত শুনা কথা
মূল আলোচনায় ফিরে যাই
জনাব ভবঘুরে সাহেব, আমি তো প্রমান করলাম আপনি রাসূল সাঃ এর উপর মিথ্যা-অপবাদ(খ নম্বর আর্গুমেন্ট) দিয়েছেন
আমি জানি মানুষের ভুল হয়, আপনিও মানুষ তাই আপনার ও ভুল হয়েছে
তবুও আমার জানার ইচ্ছা এই ভুল আপনি ইচ্ছাকৃত করেছেন, নাকি অজান্তে করেছেন
যদি ইচ্ছাকৃত করে থাকেন, তাহলে কেন করেছেন ?
আপনার ইমোশনাল প্রশ্নগুলির ব্যাপারে বলি, আপনি (হযরত) মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ (আমরা মসুলমান রা সাঃ পড়ব) কে নবী হিসাবে বিশ্বাস করবেন, কি না করবেন তা আপনার একান্তই নিজস্ব ব্যাপার
এ জন্যই এটিকে বিশ্বাস বলা হয়