content
stringlengths
0
129k
- আরে চটছ কেন...কাল কের লাঞ্চ এর কথা তা মনে আছে তো ?
-হুম..কাল দেখা হবে
ঋষভ কিছু বলবার আগেই ফোন তা কেটে দিলো শ্বেতা |
- ভালো মুখোশ পড়তে পারো তো তুমি , একটা গুরুগম্ভীর গলা ভেসে আসলো সোফা থেকে |
পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই এর এই কথার তাৎপর্য তা বুঝতে শ্বেতা র বুঝতে বাকি রইলো না |
- আচ্ছা মুখোশ তা কি শুধু আমি পড়ি ?
প্রতুত্যতরে একটা মুচকি হেসে গ্লাস এ একটা চুমুক দিলো শুধু |
শ্বেতা বিছানা থেকে উঠে ইতিমধ্যে এর সামনে এসে উপস্থিত |
সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে খাজুরাহো এর ভাস্কর্য শোভিত মূর্তির মতো এসে দাঁড়ালো সে এর সামনে |
অবশ্য মদ এ চুমুক দিতে দিতে সোফায় পীঠ এলিয়ে শ্বেতার আপদমস্তক ভালো করে একবার অণুবীক্ষণ করলো আস্তে আস্তে |
শ্বেতা এর মেদ হীন শরীরএর গঠন, পাক্কা ন্যাংড়া আম এর মতো সুগঠিত স্তন যুগল, আব্দেনময়ী নিতম্ব, ঈষৎ ত্রিভুজাকার আকৃতির কেশে আচ্ছন্ন তার যোনিদ্বার , গভীর নাভি এবং বিশেষ করে ঠিক কুঁচকির উপরে এ একটা প্রজাপিতর মুহূর্তের মধ্যে কে কামুক পিপাসী করে তুললো |
-এমন ভাবে দেখছো,যেন আগে কখনো আমাকে এইভাবে দেখো নি ?
একটা দুষ্টু মাখা গলায় প্রশ্ন করলো শ্বেতা.
সে ইশারায় তাকে তার কোলে এসে বসবার ইঙ্গিত দিলো |
শ্বেতা ও আজ্ঞা করি দাসীর মতো গিয়ে এর কোলে গিয়ে বসলো |
- তুমি কিন্তু উত্তর দিলে না ,মুখুশ কি শুধু আমি পড়ি ?
তার বা হাত তা শ্বেতা র বা দিকের বগল এর তোলা দিয়ে ঢুকিয়ে শ্বেতা র বা দিকের স্তন তা কে চটকা লাগলো
-আহঃ... ...ছাড়ো...আর কত কষ্ট দেবে |
একটা হিংশ্র ভরা চোখ এ শুধু উত্তর দিলো - কি মুখোশ আমি পড়েছি ?
-আঃ...এই যে তুমি.... ...আহ্হ্হঃ...উমমম..হোসাইন আর চন্দ্রা এর কত শুভান্কি ...আহঃ...আস্তে করো..উমমমমম....কিন্তু তুমি ওদের সহ্য করতে পারো না , সেটা কি মুখোশ নয়.
শ্বেতা কে পাশে ঠেলে দিয়ে উঠে দাঁড়ালো...ধীরেধীরে সুইটের লাগোয়া ব্যালকনি এর দিকে প্রস্থান করলো | শ্বেতা ও তার পিছনে পিছনে ব্যালকনি তে এসে দাঁড়ালো| ব্যালকনি তে পৌঁছে একটা ঘেন্যা ভরা চোখ এ নাক সিটকিয়ে , বলে উঠলো
"হোসাইন কে না যতদিন শেষ করবো , ততদিন আমার শান্তি নেই ....আর ওই চন্দ্রা...ওই শালীর আমি গাঁড় মেরেই ছাড়বো...হোসাইন এর অস্করায় খুব উড়ছে.."
-তাহলে তো আমাকে চন্দ্রা কে আগে থেকে সাবধান করে দিতে হয়
চন্দ্রা র দিকে ভুরু কুঁচকে বিস্ময় ভরা ইঙ্গিত এ প্রশ্ন করলো কপি
- না মানে , চন্দ্রা কে সাবধান করতে হবে না ,যদি তোমার গাঁড় মারে...তাহলে দুদিন চলতে ফিরতে পাবে না তাই আগে থেকে সেই মতো ব্যবস্থা করে নিও ..নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি.
একটা ন্যাকামো গলায় চোখ তাতিয়ে উত্তর দিলো শ্বেতা
- তবে রে শালী
শ্বেতা কে একঝটকায় চ্যাংদোলা করে তুলে নিও...আর প্রস্থান করলো সুইটে এর ভিতরে..
সেই রাত এ দ্বিতীয়বার এর মতো সঙ্গম এ এর সাথে লিপ্ত হলো শ্বেতা | শ্বেতা আর বয়স বাইশ আর এর পঞ্চাশ উর্ধে হলেও সম্পর্ক তা প্রায় এক বছর এর বেশি | কলেজ পড়া কালীন মডেলিং,গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড আর পয়সার লোভ তাকে নিয়ে আসে এর ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি তে| তবে মডেলিং এ খুব একটা নাম করতে পারলেও , ইভেন্ট কোম্পানি এর সাথে যুক্ত হয়ে পসিয়া তা ভালো কামিয়েছে সে | তবে তার বদল এ তার বাবার বয়স এ এই লোকটার সে শয্যাসঙ্গিনী গত এক বছর ধরে |
ঋষভ এর মতো একটা ভালো স্ট্যাডি বয়ফ্রেইন্ড থাকা সত্ত্বেও এই কমপিচাশ তার সাথে সে জড়িয়ে পড়েছে নিজের মহৎ আখাঙ্কার জন্য| ও কোনো সুযোগ ছারে নি,যখন এ পেরেছে শ্বেতা কে বিছানায় নিয়ে গিয়ে ভোগ করেছে |
তবে একটা বিষয় ঠিক এ বলেঃসিলো, শ্বেতা এর মুখোশ এর নিচে আসল চেহারা তা ভয়ঙ্কর |
কুড়ি মিনিট শ্বেতা কে ঠাপানোর পর জল খসিয়ে পাশে নির্জীব এর মতো পরে মুহূর্তে ঘুমিয়ে পর এ |
কিছু খান সিলিং এর দিকে তাকিয়ে থাকে শ্বেতা, তার চোখ এর গভীর এ যে কি খেলা চলছে স্বয়ং বিধাতার পক্ষেও বোঝা অসম্ভব | একটা সিগারেটে জ্বালিয়ে পাশে ফিরে এর দিকে ফিরে শুধু বলে , তুই হোসাইন কে শেষ করবি...আর তোকে আমি
পাশে থাকা মোবাইল তা তুলে গ্যালারি থেকে , ঋষভ আর তার একসাথে এর সেলফি আর ছবি দেখতে লাগলো |
একটু ইমোশনাল হয়ে চোখের পাতা ও ভিজে এলো শ্বেতা র | সিগারেটে তা আষ্ট্রে তে ঝেড়ে ,ফোন তাকে বুকের ভিতরে নিয়ে উল্টো দিকে পাশ ফিরে ঘুমিয়ে পড়লো সে |
...প্রচ্ছদখবর ও বিশ্লেষণ - উপকূল - সমতল ও জলাভূমি - সমতল প্লাবণ ভূমি - বরেন্দ্র - অন্যান্যবিশ্ব-প্রকৃতিজীবনের পাঠশালা - সাক্ষাৎকারফিচারপ্রাণ ও প্রকৃতিসংস্কৃতিআমার শহরশিল্প ও সাহিত্যসংলাপছবির গল্প - ফটো গ্যালারীউন্নয়ন দক্ষতাশিশু-কিশোরঅডিও ভিডিও
সাম্প্রতিক পোস্ট
করোনা মোকাবেলায় বারসিক নেত্রকোনা রিসোর্স সেন্টারে গৃহীত উদ্যোগ
করোনা দুর্যোগ কালে যুবদের ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা
ডিজিটাল যুগে সরকারি সেবা গোপন করার সুযোগ নেই
আমরা আর কেউ সুন্দরবনের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নই
নাগরিকের স্বাস্থ্য সেবার মান বৃদ্ধি করাই হাসপাতালগুলোর লক্ষ্য হওয়া উচিত
সন্তানদের বয়োঃসন্ধিকালের সংকোচ ভুলে সহযোগী হই
ধলেশ্বরীসহ সকল নদী সচল হোক
হাজল ব্যবহারে নারীদের আগ্রহ ও উদ্যোগ বেড়েছে
বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস: সুরক্ষিত হোক ভোক্তার অধিকার
কৃষকের বীজ কৃষকের অধিকার
নারী নির্যাতন প্রতিরোধে প্রয়োজন আয়বর্ধনমূলক কাজে নারীর অংশগ্রহণ
এদেরও মানুষের মত প্রাণ আছে
প্রাণ ও প্রকৃতি
নার্সারি আমার জীবিকা নির্বাহের অন্যতম মাধ্যম
নার্সারি আমার জীবিকা নির্বাহের অন্যতম মাধ্যম
2, 2021, 3:26
24
গাছ, নার্সারি, প্রাণবৈচিত্র্য
রাজশাহী থেকে আয়েশা তাবাসসুম
বরেন্দ্র অঞ্চল একটি খরাপ্রবণ এলাকা
এই এলকায় এক সময় নানা জাতের এলাকা উপযোগী গাছ গাছালি ছিলো
কালের বিবর্তনে সে সকল অনেক গাছ এখন কমে গেছে বা কিছু গাছ বিলুপ্ত হয়ে গেছে
একসময় প্রচুর ঝোপ জঙ্গল ছিলো এই এলাকায়
কিন্তু এখন কমে গেছে
গাছ কমে যাবার কারণে নানা ধরনের পাখি বৈচিত্র্যও কমে গেছে
নানা কারণেই গাছ আমাদের খুবই উপকারী বন্ধু
গাছ আছে বলেই আমরা স্ন্দুর সবুজ এই পৃথিবীতে টিকে আছি
জীবনধারণে গাছের উপর আমরা নির্ভরশীল কিন্তু গাছ আমাদের উপর নির্ভর করে না
আমাদের মাঝে এমন কিছু ব্যক্তি বিশেষ আছে যারা নির্বিচারে গাছ ধ্বংস করেন আবার কিছু ব্যক্তি আছে যারা পরম মমতায় ও যতেœ গাছ লাগান ও গাছের দেখাশুনা করেন
গাছকে ভালোবাসেন, যতœ করেন তেমনই এমন একজন উদ্যোগী মানুষ মোঃ আবুল বাসার
ছোটোবেলা থেকেই তিনি সৌখিন প্রকৃতির মানুষ
খানিকটা শখের বসে নিজ বাড়ির উঠানে তিনি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো শুরু করেন
পরবর্তীতে গাছের প্রজাতি বাড়ানোর নেশা প্রবল হয়
আর সেই লক্ষ্যে তিনি এক বিঘা জমি লিজ নিয়ে ২০১০ সালে ছোট একটি নার্সারি করেন
শুরুর দিকে আবুল বাসারের এই নার্সারিতে ৩০-৪০ প্রজাতির গাছ ছিল
বর্তমানে তার এই নার্সারি বিভিন্ন ধরনের সবজি, ফল, ফুল ও ঔষধের চারাগাছে সমৃদ্ধ
তার এই নার্সারিতে প্রায় ৩০০-৩৫০ প্রজাতির চারা গাছ রয়েছে
তার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য চারা হচ্ছে আমলকি, হরতকি, শিকাকায়, বাসক, ড্রাগনফল, ইত্যাদি
তিনি বলেন, 'শখের বসে নার্সারি শুরু করলেও এই নার্সারি আমার জীবিকা নির্বাহের অন্যতম মাধ্যমে হয়ে দাঁড়িয়েছে
' তিনি আক্ষেপ করেই বলেন, 'আমাদের গ্রামের নার্সারির তুলনায় শহরের নার্সারিগুলোতে বিক্রি বেশি হয়
গ্রামের মানুষ সৌখিন বাগান চাষে অনেকটা পিছিয়ে
' তিনি আরও বলেন, 'আমার নার্সারি থেকে বিভিন্ন ধরনের ফুলের ও ঔষধের চারাগাছ বিক্রি হয় না বললেই চলে
হলেও খুব একটা বেশি না
তবে বিভিন্ন ধরনের ফলজ ও সবজির চারা আগের থেকে বেশি মানুষ কিনে এবং লাগায়
'
আবুল বাসার জানান, ফুল ও ঔষধি চারা গাছের গুনাগুণ বুঝলে হয়তো গ্রামের মানুষও বেশি বেশি এ সব উদ্ভিদ লাগাতে উৎসাহ পাবেন
গ্রামের লোকজন যদি ফুলসহ নানা ধরনের সৌখিন উদ্ভিদ যেমন, পাতাবাহার, ম্যানিপ্যন্ট, ক্যকটাস, বনসাই ইত্যাদি রোপণ করেন তাহলে জীববৈচিত্র্য টিকে থাকবে এবং এই গাছগুলো বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা পাবে
তাই আসুন বেশি বেশি গাছ লাগাই এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করি
:
( )
( )
:
...
2
গাছ52
নার্সারি6
প্রাণবৈচিত্র্য42