content
stringlengths
0
129k
মীরজাদী সেব্রিনা জানান, মারা যাওয়া ব্যক্তি গত ১৮ মার্চ আক্রান্ত হন
এরপর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন
ওই ব্যক্তির অবস্থার অবনতি হলে গত ২১ মার্চ তাঁকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল এ নিয়ে আসা হয়
আজ সকালে তাঁর মৃত্যু হয়
আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, মারা যাওয়া ব্যক্তির ডায়াবেটিস ছিল
হাইপারটেনশনও ছিল
মীরজাদী জানান, গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে দুজন বাড়ি ফিরেছেন
এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মোট সাতজন সুস্থ হয়েছেন
মীরজাদী সেব্রিনা বলেন, ২৪ ঘণ্টায় ৮২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল
এর মধ্যে কারও শরীরে ভাইরাস শনাক্ত হয়নি
আজ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৩৯
প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে ৫৭ জন
জাতীয় "
" খালেদা জিয়ার মুক্তির খবরে আনন্দিত শাহজামাল নূরুল হুদা ( )
( ) ভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উপদেশ মেনে চলতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী "
পরীক্ষামূলক যাত্রা ১২ ডিসেম্বর: আগারগাঁও পর্যন্ত যাবে মেট্রোরেল
উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে মেট্রোরেল চলাচল করবে আগামী ১২ ডিসেম্বর
এজন্য রেললাইন,
উন্নয়নশীল দেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ব্যবসায়ীদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার পর বাংলাদেশ যে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে যাচ্ছে তা মোকাবেলায় প্রস্তুত হওয়ার
. সমর একটা স্কচ এর গ্লাস নিয়ে চুমুক দিতে দিতে এদিক ওদিকে ঘুরছিলো | এই সব পার্টি তে আসার ইচ্ছা ওর একদম এ থাকে না | নেহাত বিনা পয়সায় বিলেতি দামি এ মদ আর স্ত্রী চন্দ্রা এর পীড়া পীরি তে আস্তে বাধ্য হয়েছে | কিন্তু পার্টি তে সে কাউকেই চেনে না | তাই নিজের মতোই ফোকোট এ মদ আর বিভিন্ন খাবার টেস্ট করছে আর ঘুরে ঘুরে এক্সিবিশন এ ছবি কিংবা এদিক ওদিকে ঘুরে বেরিয়েই সময় অতিবাহিত করতে লাগলো | আর্টিস্ট মোসাদ্দেক হোসাইন এর পেইন্টিং এর কিছু একটা এক্সহিবিশন ছিল আর তার জন্যই এই পার্টি হোটেল মুনলাইট এ |
যদিও মোসাদ্দেক হোসাইন এর সব আঁকা ছবি আর পাথর খোদাই সমর এর পুরো আতলামি এ লাগে কিন্তু হাজার হোক চন্দ্রার বস বলে কথা | চন্দ্রা মোসাদ্দেক হোসাইন এর বললেই চলে আর তাছাড়া হোসাইন এর পলিটিকাল কানেকশন ও অনেক এবং সে সমর কে ব্যবসার ক্ষেত্রে অনেক হবেই সাহায্য করেছে , তাই আতলামি লাগলেও কিছু বলা যায় না | এছাড়া চন্দ্রা মোসাদ্দেক হোসাইন এর তে ও অপারেশন এর দ্বায়িত্ত্ব তে আছেন | দূর এ তাকিয়ে দেখে চন্দ্রা হোসাইন এবং এক সাউথ ইন্ডিয়ান ভদ্রলোক ও একজন খুব বেশি হলে কুড়ি একুশ বছর এ একটা তরুণীর এর সাথে গল্পে মশগুল |
সাউথ ইন্ডিয়ান ভদ্রলোএ অবশ্য সমর আগে দু একবার দেখছে, কি না কি একটা নাম কিন্তু সাথে ওই সল্প পোশাকএর যুবতী কে সে কখন এ দেখে নি |
ছিপছিপে চেহারের এই মেয়ের তার গা এ বেশি কিছু নেই আর সেটা অবশ্য এই সব পার্টি তে খুব এ কমন ব্যাপার | পরনে বলতে একটা অফশোল্ডার থই অব্দি ফ্রক | তবে সত্যি আজ খুব এ সুন্দরী লাগছে চন্দ্রা কে | একটা ক্রিম পিঙ্ক কালোর এর শাড়ী আর ম্যাচিং করা স্লীভলেস ব্লউসে সত্যি বেশ মানিয়েছে তাকে |
অবশ্য আজকের পার্টি র জন্য দু তিন দিন ধরে তোর ঝড় চলছিল চন্দ্রা এর |
পার্লার এ গিয়ে আইব্রাও প্লাককিং, ফেসিয়াল , সব এ চলেছে | সকাল থেকে মুখে সিরাম লাগানো ,স্লীভলেস ব্লউসে পড়বে বলে পরিষ্কার করে বগল কামানো কোনোটাই বাকি রাখে নি সে | তবে যেটা তে অবশ্য সামার এর একটু দৃষ্টি কটু বা আপত্তিই ছিল সেটা এই যে - চন্দ্রা শাড়ির গিট্ তা পেট এর নাভির প্রায় ৩-৪ ইঞ্চি নিচে পড়েছিল আর স্বভবতোই শাড়ির অচল এর ফাক দিয়ে চন্দ্রা এর গভীর নাভি তা প্রায় এ উঁকি মারছিলো | কিন্তু মুখে কিছু বলতে পারি নি সে |
চন্দ্রা , হোসাইন এর রা সমর এর দিকে পিছনে ফিরে থাকায় তাদের নজর এ সমর পড়লো না | কিন্তু সমর এইটুকু বুঝতে পেরেছে যে কিছু একটা বিষয় এ খুব রসিকতা চলছে| হোসাইন মুখ বাড়িয়ে চন্দ্রা এর কান এ ফিস ফিস করে কিছু একটা বললো আর তার সাথে সাথে চন্দ্রা এর পাছায় আলতো করে একটা চাপড় মারলো আর সাথে দুজন এ খিল খিল করে হেসে উঠলো | সমর একটু স্তম্ভিত প্রায় হয়ে গেলো ,স্ত্রীর উত্তেজক এক জায়গায় এই হোসাইন এর মতো স্কউন্ড্রেল তা শুধু বেমালুম চাপড় মেরে গেলো না , চন্দ্রা ও সেটা তে কিছু রিএক্ট ও করলো না |
- " মাল তা কে দেখেছিস "
- কোনটা গুরু...ওই কচি মাল তা..
- না ওই স্বেতা নাকি, ও না..
- আচ্ছা গুরু, ওই চন্দ্রা এর কথা বলছো..তাই তো ?
দুটো মাঝ বয়সী লোক এর দৃষ্টি আকর্ষণ করলো সমর এর | বুঝতে বাকি রইলো না তাদের ডিসকাশন এর মধ্যমা তার স্ত্রী ও তার স্ত্রীর র কম জীবন আর স্বাভাবিক ভাবে সমর এর কৌতহল তা বেড়ে গেলো কথা শোনার|
- হুমম..অনেক কম সময় কেমন হুর হুর করে উপরে উঠে গেলো দেখলি | এই সেদিন মাল তা রিসেপশনশিট হয়ে ঢুকেছিলো আর এখন মোসাদক হোসাইন এর আর ঐদিকে তে কাজ দেখে |
- সেটা এ স্বাভাবিক...তাই নয় কি ?
- তা খারাপ বলিস নি ওয়ারা
- চন্দ্রা এর মতো গা দেখিয়ে জামা কাপড় পর...হোসাইন বাল তার সাথে টুর এ যাও...কেন মন এ নেই বিমল দা এর কথা তা যখন আমরা শিলিগুড়ি গেছিলাম
- কোন কথা তা বলতো ?
- আররে তুবাই বলেছিলো না..রাতে একটা কিসের প্যাকেট দিতে গেছিলো হোসাইন কে ওর হোটেল এর রুম এ ...চাবি দেবার সময় দরজার ফাক দিয়ে নজর এ পরে......
- এই সালা..তোরা এখানে বসে গেজাচ্ছিস আর আমি খুঁজে পাচ্ছিলাম না তোদের
- আরে এস এস ..তুবাই দা...তোমার কথা এ হচ্ছিলো
- চল খেতে খেতে গল্প হবে..খুব খিদে পেয়ে গেছে
সমর এর মধ্যে একটা বিরক্তি কৌতহল আর নার্ভসনেস মিশিয়ে একটা অদ্ভুত মিশ্রণ হতে লাগলো |
তার বৌ অর্থাৎ চন্দ্রা সত্যি অল্প সময় এ অনেক পদোন্নতি করেছে কিন্তু সেটা কেবল মাত্র চন্দ্রা এর কাজ এর প্রতি একমনোনিবেশ ও উচ্চ আকাঙ্খা |
ছেলে চার বছর হলেও , বয়স ৩১ ছুঁই ছুঁই চন্দ্রা বরাবরই বলাই চলে | সমর অবশ্য একটু উল্টো মেরুর, এত দৌড় ভাগ তার পোষায় না - এজন্য ব্যবসায় অনেকবারই তার খেসারদ দিতে হয়েছে |
তবে কেউ যদি একটু পদোন্নতি করে তাড়াতাড়ি করে আর সেটা যদি কোনো মহিলা হয়, স্বভাবটি কোনো পুরুষ তান্ত্রিক সমাজ সেটা কে মেনে নিতে পারবে না আর ফলস্বরূপ জন্ম নেবে ঈর্ষা আর বাড়বে গুজব |
যদিও এটা অনস্বীকার্য যে সমর এর মন এ একটা প্রশ্ন রয়েই গেলো - সেদিন দরজার ফাক দিয়ে কি দেখেছিলো ওই তুবাই না বুবাই |
মাথা ঘুরিয়ে নিয়ে দেখে - চন্দ্রা , হোসাইন কিংবা সেই সাউথ ইন্ডিয়ান ভদ্রলোক কেউ এ নেই |
ঘড়ির দিকে চোখ দিয়ে দেখে বেশ রাতে হয়েছে - প্রায় দশটা ৱাজতে চললো | ছেলে তুতান কে অবশ্য কাজের মাসি অমলা এর কাছে রেখে এসেছে - এবং বলা ও যাচাই তাকে যেন খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে দেয়া হয়| কিন্তু আর না, এবার আর একটু পেট পুজো করে চন্দ্রা কে নিয়ে বেরিয়ে পড়তে হবে |
- তো কি বলবেন - গোয়া এর এক্সিবিশন তা তো ..
এ দাঁড়িয়ে মদ এর গ্লাস এ চুমুক আর চিকেন ড্রামস্টিক খেতে খেতে প্রশ্ন করলেন . |
- হ্যা , একটা ঠান্ডা গলায় উত্তর দিলেন হোসাইন
- তা ডেট কবে দেবেন ?
- আপনি সে বিষয় না হয়ে চন্দ্রা এর সাথে কথা বলে নেবেন
- ওকে...আমি তাহলে আসি..গুড
- সেকি এখন এ কেন... মুচকি হেসে প্রশ্ন করলেন চন্দ্রা
- আরে বহুত লেট হো গায়ে...কুচ কম ভি হয়
হোসাইন এর দিকে একটা চোখ টিপে মিচকি হেসে শ্বেতা এ কাঁধে এ হাত দিয়ে চলে গেলেন .
- বাস্টার্ড বলে একটা মিচকি হাসি দিলো চন্দ্রা
- হুম..সেটা নাহয় বুঝলাম ..কিন্তু গোয়া তে এক্সিবিশন করবো কিনা সেটা কিন্তু ডিপেন্ড করছে সম্পূর্ণ তোমার উপর এ , গ্লাস একটা চুমুক দিয়ে মিচকি হেসে বললো হোসাইন
- আমার উপর ? ও রিয়েলি ... একটা অবাক মাখা চোখ এর ঠোঁট এর কোনায় একটা মিচকি হেসে উত্তর দিলো চন্দ্রা
-হুম..তোমার উপর..তুমি যদি রাজি হও, আমার পেইন্টিং এর সাবজেক্ট হতে তাহলেই আমি ওই এক্সহিবিটন এ যাবো.. ওই পেইন্টিং তাই হবে সেন্ট্রেপিএসে ওই এক্সহিবিটন এ
- হুমম...বুঝলাম.
-তো কি বোলো..রাজি
- আমাকে একটু টাইম দিন..গ্লাস এর দিকে তাকিয়ে চুমুক দিতে দিতে উত্তর দিলো চন্দ্রা
- কেন ? ভাববার কি আছে ..মুখ তা কাছে এনেই একটা রোমান্টিক গলায় প্রশ্ন তা করলো হোসাইন
চন্দ্রা হোসাইন এর কান এর পাশে মুখ নিয়ে আস্তে আস্তে একটা দুষ্টু ভরা গলা এই উত্তর দিলো...
"কারণ ছবি আকবার সময় , তোমার আবদার অনুযায়ী আমার গা এ কোনো কিছু থাকবে না "
- হুমম... উপরওয়ালা তোমাকে একটা পিএস অফ আর্ট বানিয়ে পাঠিয়েছে...আর আমি চাই তোমাকে একদম ন্যাচারাল ওয়ে তে ক্যানভাস বন্দি করতে
চন্দ্রা টেরাই এ রেলিং এর দিকে ফিরে হোসাইন এর দিকে না তাকিয়েই উত্তর দিলো,
- আচ্ছা ? আমাকে ন্যাংটো করতে আর্ট এর এক্সকিউসে তা একদম এ ক্রিয়েটিভ নয়...
একটা দুষ্টু মাখা গলায় চন্দ্রা এর ঠোঁট এর কোনায় হাসি ভরা মুখের এই উত্তর হোসাইন এর বুক এ গিয়ে বাধলো..যেন পরোক্ষে চন্দ্রা তার পুরুষত্ত্ব কে সোজা সুজি প্রশ্ন করছে |
হোসাইন চন্দ্রা এর পিছনে তার গা ঘেসে দাঁড়ালো...বা হাত তা চন্দ্রা র খোলা পেট এর উপর রেখে চন্দ্রা র নাভি তা কে খাবলে ধরলো ..হোসাইন এর গরম নিঃশ্বাস চন্দ্রা এর কাঁধে অনুভব করতে পারলো.
না চাইতেও মুখ থেকে একটা অস্ফুট "আঃ" স্বীৎকার তে বেরিয়ে এলো
হোসাইন মৃদু অথচ কঠিন গলায় চন্দ্রা এর কান এ বললো - তোমাকে ন্যাংটো করতে হলে আমার কোনো অজুহাত লাগবে বলে তোমার মনে হয় ?
কথা শেষ হলেও কয়েক মুহূর্ত মোসাদ্দেক হোসাইন চন্দ্রা এর নাভি তা কে চটকাতে লাগলো | চন্দ্রা চোখ বাঁধ্য করে যেন পাথর হয়ে গেলো | সে দুষতে লাগলো নিজেকে..কেন এই নির্জন টেরাসে এ হোসাইন এর মতো লোক কে চ্যালেঞ্জ ছুড়তে গেছে |
এই নিস্তব্ধতার পতন ঘটলো চন্দ্রা র ফোন এ |
একটা হ্যাচকা মেরে সরে গিয়ে টেবেল এর উপর রাখা হ্যান্ড ব্যাগ থেকে বের করে ফোন করে দেখলো সমর এর |
- ও তুমি এইখানে ,
ঘর ঘুরিয়ে দেখলো সমর চলেও এসেছে | একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললো চন্দ্রা |
- ভালো আছো ?
সেই ঠান্ডা অথচ ক্রুর গলায় প্রশ্ন করলো হোসাইন সমর কে
- হ্যা , আর আপনি ?
-চলে যাচ্চে.
অনেক রাতে হলো ,এ বার চলো - চন্দ্রা র দিকে ফিরে প্রশ্ন করলো হোসাইন |
- হ্যা,বেরোচ্ছিলাম এ
-গুদনাইট , হোসাইন স্যার , গলা ঘুরিয়ে বললো হোসাইন
- গুদনাইট, তবে আমার প্রপোসাল তা দেখো
-ওকে স্যার, একটা মিষ্টি হাসি দিয়ে সামার এর সাথে বেরিয়ে গেলো চন্দ্রা
ঘড়ির কাটা প্রায় রাত একটা ছুঁই ছুঁই ....হোটেল এর সুইটের মৃদু আলো আর বাইরের বিদ্যুৎ ঝলকানি তে এক মায়াবী পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল, আর তার এ মধ্যে জল জল করছিলো দুটো তীক্ষ্ণ দৃষ্টি |কৃষ্ণাপ্পা আইয়ার পেয়ার ওরফে এর চোখ দুটো ঠিক স্বীকার সন্ধানী একটা হিংশ্র বাঘ এর অনুরূপ | এক দৃষ্টি তে টেবিল এর দিকে তাকিয়ে পাথরের মতো সোফাএ বসে রয়েছে কোনো একটা মূর্তিমান পাথর এর মতো |শুধু মাঝে মাঝে মদ এর গ্লাস তা মুখে নেবার জন্য যদি হাত না নারাতো তাহলে সত্যি হয়তো বোঝা যেত না এটি কোনো মূর্তি না রক্ত মাংসের মানুষ |
ঘরের সেই অস্বাভাবিক নিস্তব্ধতা ভঙ্গ হলো ফোন এর আওয়াজ এ |
বিছনার পাশে রাখা সংলগ্ন টেবিল এ হাত বাড়িয়ে না তাকিয়ে হাতাতে হাতাতে ফোন তা শেষ অব্দি পেলো শ্বেত |
উবু হয়ে সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে বিছানার উপরে আয়েশে ঘুমাচ্ছিলো শ্বেতা তাই স্বভাভতেই ফোন এ তার নিদ্রা এ যে একটা বিঘ্ন ঘটিয়েছে সেটা পরিষ্কার | নিদ্রা আচ্ছন্ন চোখ এ একটা বিরক্তি ভরা মুখ এ ফোন ধরলো সে |
- হ্যালো
- হ্যালো বাবে, হয়ের আর ইউ ?
-এই তো আলিশা এর বাড়িতে...দেরি হয়ে গেছে বলে আর বাড়ি ফিরি নি
- তোমাকে অনেক বার ট্রি করেছিলাম, তোমার ফল্ট এ ও গেছিলাম পাই নি...জানাবে তো.
- ওঃ ঋষভ, তুমি আমার বাবা নয়,তুমি আমার বয়ফ্রেইন্ড..
একটু গলা খাকিয়েই উত্তর দিলো শ্বেতা