content
stringlengths
0
129k
চা বাগানের মালিক হিসেবেও সুপরিচিত ছিলেন তিনি
এ দেশের বাম গণতান্ত্রিক তথা প্রগতিশীল আন্দোলন ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা সম্প্রসারণে তিনি ছিলেন অগ্রণী ব্যক্তিত্ব
ছাত্রজীবনে যুক্ত হন বামপন্থি ছাত্র ফেডারেশনের সঙ্গে
পরবর্তী সময়েও সে সংযোগ অবিচ্ছিন্ন ছিল
গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্নে আপসহীন, সাধারণ মানুষের স্বার্থরক্ষার সংগ্রামে অবিচল
তার জীবনব্যাপী রাজনৈতিক সাধনায় ও সাধারণ মানুষের কল্যাণই প্রাধান্য বিস্তার করেছিল
মৃত্যুর কয়েকদিন আগেও রোগজর্জর শরীর নিয়ে উত্তরাঞ্চলের মঙ্গাপীড়িত মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন
তাঁর কমিটমেন্টে কোন খাদ ছিল না
তবু বলব, সংবাদপত্রের মালিক-সম্পাদক হিসেবেই যেন তাঁর ভূমিকাটি সবচেয়ে উজ্জ্বল
সে যুগটির চেহারা কেমন ছিল, একটু পেছন ফিরে দেখা যাক
ষাটের দশকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে সংবাদ-এ যখন যোগ দিই, তখন দেখেছি ঢাকার সংবাদপত্র জগৎ আলো করে আছেন তিনজন সম্পাদকN ইত্তেফাকে-এর তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, সংবাদ-এর জহুর হোসেন চৌধুরী ও অবজারভার-এর আবদুস সালাম
মওলানা আকরম খাঁ তখনও জীবিত; তবে কিছুটা বয়সের ভারে, অনেকটাই আইয়ুবঘেঁষা নতজানু নীতির দরুন ম্লান
ওই তিন সম্পাদকের পাশে চতুর্থ ব্যক্তি যিনি ছিলেন স্বমহিমায় উজ্জ্বল, তাঁর নাম আহমদুল কবির
বুদ্ধিদীপ্ত ঝকঝকে চেহারা, কথাবার্তায় দারুণ চৌকসN একনজরে দৃষ্টি কাড়ার মতো
অভিজাত পরিবারের সন্তান
উঁচু সরকারি চাকরি ছেড়ে ব্যবসায় ঢুকেছেন, রাজনীতিতে উৎসাহী
'৫৪ সালে 'সংবাদ'-এর মালিকানা কিনে নিয়ে এর খোলনলচে পাল্টে ফেলেছেন
মুসলিম লীগের অপচ্ছায়া থেকে বেরিয়ে এসে সংবাদ পরিণত হলো উদার, অসাম্প্রদায়িক বাম-গণতান্ত্রিক ধারার মুখপত্রে (কারও কারও মতে হয়তো বা সময়ের তুলনায় একটু বেশিই এগিয়ে থাকা)
যে কথা বলছিলাম, আইয়ুব শাহীর অন্ধকার দিনগুলোতে ইত্তেফাক, সংবাদ ও অবজারভারের সেই দুর্দান্ত জোট পূর্ববাংলায় আশার প্রদীপ জ্বালিয়ে রেখেছিল
রাজনৈতিক দলগুলো নিষিদ্ধ থাকলেও রাজনৈতিক শূন্যতা অনেকখানিই পূরণ করে রেখেছিল এ তিনটি জনপ্রিয় পত্রিকা
ঢাকার তিন সংবাদপত্রের এ ব্যতিক্রমী ভূমিকার পেছনে কবির সাহেবেরও ছিল বড় ভূমিকাN কখনও প্রত্যক্ষ, কখনও বা নেপথ্যে
ষাটের দশকে রাজনীতিবিদ, সংবাদকর্মী, সুশীল সমাজ সব যেন মিলেমিশে এক হয়ে গিয়েছিল
'৬২-এর আইয়ুববিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এর উদ্বোধন
রেহমান সোবহানের 'দুই অর্থনীতি' তত্ত্ব, আওয়ামী লীগের ছয় দফা, ছাত্র সমাজের এগারো দফা, তথাকথিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, '৭০-এর ঐতিহাসিক নির্বাচনN এ দীর্ঘ পথপরিক্রমা শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধে উত্তরণ
সে এক উন্মাদনাময় কাল ছিল বটে
গণতন্ত্র ও স্বাধিকারের সংগ্রাম পটভূমি রচনা করল স্বাধীনতা সংগ্রামের
'৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে অভিষেক হয়েছিল যে বাঙালি জাতীয়তাবাদের তাই পরিণামে রূপ নিল ইতিহাসের নিয়ামক শক্তির
আজ সুশীল সমাজের নামে বিদেশি অর্থে এনজিও গড়ে ওঠে
কেউ কেউ একে রাজনীতির পুঁজিও করতে চান; কিন্তু সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমাদের বিবেক গর্জে ওঠে না
বিপরীতে দেখুন '৬৪-এর ছবি
দাঙ্গার বিরুদ্ধে কেমন সম্মিলিত প্রতিরোধ
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক, লেখক, শিল্পী, সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মী দাঙ্গাবিরোধী মিছিল নিয়ে পুরনো ঢাকায় বিপন্ন মানুষের পাশে, মানিক মিয়া কোমরে চাদর প্যাঁচিয়ে বন্দুক হাতে দাঙ্গাকারীদের রুখতে দাঁড়িয়ে গেছেন ইত্তেফাক ভবনের সদর দরজায়
কবির সাহেব তোপখানা রোডে তাঁর ব্যবসায়িক অফিস ছেড়ে দিয়েছেন প্রতিরোধ-কর্মীদের সর্বক্ষণিক ব্যবহারের জন্য
শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় নেতারা আসছেন সেখানে-মিটিং করছেন, কাজের পরিকল্পনা নিচ্ছেন
জাতীয় দৈনিকগুলোর প্রথম পৃষ্ঠায় সাড়া জাগানো অভিন্ন সম্পাদকীয় নিবন্ধ 'পূর্ববাংলা রুখিয়া দাঁড়াও'
পূর্ববাংলা সেদিন সত্যি রুখে দাঁড়িয়েছিল
গণপ্রতিরোধের মুখে শাসকগোষ্ঠীর দাঙ্গা-অস্ত্র ভোঁতা হয়ে গেল
আইয়ুবশাহীর সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের শবাধারেও যেন অলক্ষ্যে পোঁতা হয়ে গেল আরেকটি পেরেক
আগেই বলেছি, রাজনীতিতে কবির সাহেব বরাবর ছিলেন বাম-সুহৃদ
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা ওয়ালী খান-গাউস বখশ বেজেঞ্জো-মাহমুদ আলী কাসুরির বন্ধু ও সহকর্মী
কৃষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ, শেষ জীবনে গণতন্ত্রী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা
'৬৪ সালে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ ও স্বাধীনতার পর দু'দফা জাতীয় সংসদের সদস্য
তার চেয়েও বড় কথা বোধহয় তিনি ছিলেন রাজনীতিক ও সিভিল সোসাইটির মধ্যে যোগসূত্র
সংকট মুহূর্তে তিনি এই দু'শক্তিকে মেলাতেন, উভয়ের কাছেই তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ছিল প্রশ্নাতীত
আহমদুল কবির সাহেব সংবাদ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন '৭২ সালের জানুয়ারিতে; স্বাধীনতার পর 'সংবাদ' যখন পুনঃপ্রকাশিত হয় বংশাল রোডের সাবেক ভবনের ভস্মস্তূপের ওপর রূপকথার ফিনিক্স পাখির মতো
সংবাদ চিরকালই ছিল শাসকগোষ্ঠীর রোষানলে; বিজ্ঞাপন বন্ধ, কালো তালিকাভুক্তি, প্রকাশনা নিষিদ্ধ- কিনা করেছে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী
সবশেষে মুক্তিযুদ্ধের সূচনায় হানাদার বাহিনী পুড়িয়ে ছাই করে দিল 'সংবাদ' কার্যালয়
মুক্তিযুদ্ধে সংবাদ'-এর দুই শহীদN শহীদুল্লা কায়সার ও শহীদ সাবের
'সংবাদ'-এর মালিক হিসেবে কবির সাহেবও নিগ্রহ-নির্যাতন ভোগ করেছেন বিস্তর
দুর্দান্ত সাহসী ও দৃঢ়চেতা ছিলেন তিনি, মাথা নত করেননি কখনও
মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে বন্দী ছিলেন
জেলের ভেতরে-বাইরে কারও জীবন তখন নিরাপদ ছিল না
তথাপি তিনি আপস করেননি
ভয়-ভীতি ও প্রলোভন সত্ত্বেও সংবাদ বের করতে রাজি হননি হানাদারদের সঙ্গিনের নিচে
তৎকালীন পরিবেশে ক'জন মানুষ এ সাহস দেখাতে পারতেন? (পরিমার্জিত ও পুনঃপ্রকাশিত)
[লেখক : বজলুর রহমান দীর্ঘকাল সংবাদ-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন
২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সংবাদ-এর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ]
খুলনা বিভাগ---সিলেট বিভাগঢাকা বিভাগচট্রগ্রাম বিভাগরাজশাহী বিভাগময়মনসিংহ বিভাগরংপুর বিভাগবরিশাল বিভাগখুলনা বিভাগ
, . '' , .
বুধবার, ১৩ আগস্ট ২০১৪, ২৯ শ্রাবণ ১৪২১, ১৬ শাওয়াল ১৪৩৫
হোমবিনোদন প্রতিদিনখেলার খবরবিশ্ব সংবাদরাজধানীশিল্প বাণিজ্যসারাদেশপ্রথম পাতাশেষ পাতাঅন্যান্যদ্বিতীয় সংস্করণদৃষ্টিকোনতারুণ্যের সমকালীন চিন্তাউপ-সম্পাদকীয়সম্পাদকীয়আইটি কর্ণারআয়োজনঅনুশীলনম্যাগাজিনঈদ বিনোদনবিশেষ সংখ্যাস্বাধীনতা দিবসবিজয় দিবসবর্ষশেষ সংখ্যাবিশ্ব ইজতেমা বিশেষ আয়োজনপরীক্ষার্থীদের শেষ সময়ের প্রস্তুতিভালবাসা দিবসের বিশেষ আয়োজনআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসবিশেষ কভারনববর্ষ সংখ্যাস্মরণ সংখ্যাআমার জেলাঈদ বিনোদনঈদ সংখ্যা ২০১৩শারদীয় দুর্গোত্সব ১৪২০বড়দিনজয়িতাক্রিকেটের মহামিলনতথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশস্মরণ সংখ্যা : তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়াফুটবল বিশ্বকাপঈদ সংখ্যা ২০১৪ইত্তেফাক স্পেশালআজকের ফিচারক্যাম্পাসকচি কাঁচার আসরই-পেপারবিজ্ঞাপন দর
সর্বশেষ সংবাদ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৭৮.৩৩ শতাংশ | প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রভাব ফলাফলে পড়েনি: শিক্ষামন্ত্রী | পাসের হারে মেয়েরা, জিপিএ-৫-এ ছেলেরা এগিয়ে
" পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ "
ভারতীয় চায়ে ক্ষতিকর কীটনাশকের দাবি গ্রিনপিসের
অনলাইন ডেস্ক
পৃথিবীর অন্য যে কোন দেশের লোকদের চাইতে ভারতীয়রা বেশি চা পান করেন
কিন্তু আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিনপিস বলছে, ভারতের উৎপাদিত এবং সেখানকার বাজারে বিক্রি হয় এমন চায়ের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ওপর পরীা চালিয়ে তারা এর মধ্যে 'অগ্রহণযোগ্য মাত্রায়' বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ পেয়েছে
মঙ্গলবার বিবিসির অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়
গ্রিনপিসের ভারতীয় শাখা সোমবার এক রিপোর্টে অভিযোগ করেছে, যে সমস্ত কীটনাশক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উচ্চ এবং মধ্যমমাত্রার তিকর বলে চিহ্নিত করেছে, তার উপস্থিতি পাওয়া গেছে ভারতের বিভিন্ন প্রথম সারির ব্রান্ডের চায়ে
এর মধ্যে আছে হিন্দুস্তান ইউনিলেভার এবং টাটা গ্লোবাল বেভারেজ লিমিটেড - যারা লিপটন এবং টেটলি চা তৈরি করে
কোন কোন েেত্র এতে এমন কীটনাশক পাওয়া গেছে যা চা চাষে ব্যবহারের অনুমোদন নেই
প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ২০১৩ সালের জুন থেকে এই বছর মে মাস পর্যন্ত সময়কালের মধ্যে তারা ভারতের প্রধান ১১টি কোম্পানির মধ্যে আটটি কোম্পানির উৎপাদিত চায়ের নমুনা পরীা করেছে
গ্রিনপিস ইন্ডিয়া বলছে, তাদের পরীা করা ৬০ শতাংশ নমুনাতে ডিডিটি পাওয়া গেছে - যা ১৯৮৯ সালেই ভারতে কৃষিকাজে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করা হয়েছিল
রিপোর্টে অবশ্য এটা উল্লেখ করা হয় নি যে, ঠিক কোন কোম্পানি এটা ব্যবহার করেছে
গ্রিনপিসের নেহা সায়গল বলছেন, তাদের প্রতিষ্ঠান এটা স্বীকার করে যে ভারতীয় চা অত্যন্ত উচ্চমানের এবং তা জাতীয় গর্বের বিষয়
কিন্তু কীটনাশক ব্যবহারের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিক্রিয়া নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন
গ্রিনপিস ইন্ডিয়া বলছে, তারা ভোক্তাদের ভয় পাইয়ে দিতে চান না বা লোককে চা পান না করার পরামর্শও দিতে চান না
তারা উৎপাদনকারীদের সাথে কাজ করছে যেন চা চাষে তিকর কীটনাশক ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধ করে দেয়া হয়
গ্রিনপিসের জরিপে যে চা নমুনা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে তা ভারতের বাজার থেকেই নেয়া এবং তাদের এটা জানা নেই যে এই একই চা বিদেশে রফতানি করা হয় কিনা
ভারতের চা উৎপাদনকারীরা বলছেন, তারা কীটনাশক ব্যবহার করেন
তবে তা অবৈধ নয়
সাউদার্ন টি প্যান্টার্স এসোসিয়েশনের মি. রাধাকৃষ্ণানের ভাষ্যে, চা প্রক্রিয়াজাত করার ফলে তা পানের জন্য নিরাপদই থাকে
গ্রিনপিস বলছে, তারা তাদের জরিপে যেসব কোম্পানির নাম বলেছেন, তাদের মধ্যে ইউনিলেভার এবং টাটা গ্লোবালসহ অধিকাংশ কোম্পানিই এই জরিপের ব্যাপারে তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে
তারা বলছে, ইউনিলেভার জানিয়েছে তারা কীটনাশকমুক্ত ব্যবস্থাপনার লে বড় আকারো বৈজ্ঞানিক গবেষণা হাতে নিতে যাচ্ছে
তবে টাটা এখনও সনাতনী পদ্ধতিই অনুসরণ করছে যাতে জৈব এবং রাসায়নিক উভয়ধরণের নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিরই সমন্বয় করা হয়েছে
চা উৎপাদন ও রফতানি সংক্রান্ত ভারতের সরকারি প্রতিষ্ঠান টি বোর্ড অব ইন্ডিয়া এক বিবৃতিতে গ্রিনপিসের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে
তারা বলেছে, আমরা গ্রিনপিসের এই রিপোর্ট পর্যালোচনা করেছি এবং নিশ্চিত করছি যে সবধরণের নমুনা পরীাই ভারতের আইন ও বিধির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ - যার ল্য হচ্ছে ভোক্তাদের সুরা
টি বোর্ড অব ইন্ডিয়ার বিবৃতিতে বলা হয়, কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে তৈরি ভারতের চা সারা বিশ্বেই সম্পূর্ণ নিরাপদ বলে বিবেচনা করা হয়
" পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ "
সর্বশেষ আরো খবর -
প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রভাব ফলাফলে পড়েনি: শিক্ষামন্ত্রী
পাসের হারে মেয়েরা, জিপিএ-৫-এ ছেলেরা এগিয়ে
চকরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩
এইচএসসির ফলে দেশসেরা রাজউক