content
stringlengths
0
129k
বেচারার মুখ বেদনায় বিকৃত
আমার খালাতো ভাই বেশ কিছুটা পৃথুল ধরনের
বাকি ঘটনা আপনাদের সহজেই অনুনেয়
বাকি রাস্তা যাত্রীদের দোকানের চাল, মরার মতো ঘুম এবং ভারী ছুটন্ত বস্তুর বেগজনিত আলোচনা আমাকে ব্যাপক আনন্দ দিলেও খালাতো ভাইকে মনে করিয়ে দিয়েছেঃ "হে ধরনী দ্বিধা হও"
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান | : রম্য রচনা | গল্প
জুলাই 4, 2009
21
[_ =" " ="487706291′′ ="440879" ="400′′ ="300′′ =".."]
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান | গ্যাজেট
জুন 30, 2009
টি-টোয়েন্টির সাজে টেষ্ট দর্শণ
21
টেষ্ট ক্রিকেট অনেকটা ক্লাসিক ধ্রুপদী সংগীতের মতো
বুঝলে বিরাট সমঝদার
না বুঝলেও প্রকাশ না করা
পাছে আঁতলামীর সুযোগ যদি নষ্ট হয়ে যায়! টি-টোয়েন্টি টাইপ মানুষের সাথে টেষ্টকে গুলানো হলো কি হতে পারে এ সংক্রান্ত একটি গল্প মনে পরলো
ড্যানী ভাই আমাদের এক জিগরি দোস্তের বড় ভাই
আমাদের সাথেও কঠিন খাতির
অনেকটা বন্ধুর মতো
প্রচন্ড প্রাণ প্রাচুর্যে ভরপুর একজন মানুষ
কঠিন স্মার্ট এবং ফ্যাশেনবেল মানুষ
অলটাইম ফিট-ফাট
এ ব্যাপারে উনার থিউরী- কখন কোন মেয়ের চোখে পরে যান ঠিক নাই
তাই নো রিস্ক
একবার আমাদের ধানমুন্ডির ভারতীয় হাইকমিশনারের মিলনায়তনে এক ক্লাসিক সংগীত শিল্পীর পরিবেশনা হবে
ভারতীয় হাইকমিশনের এই সাংস্কৃতিক উইংএ আমাদের এক বড় ভাই চাকরী করেন
আমাদের বন্ধু-বান্ধবদের ডাক দিলেন, "চলে আসো ব্যাপক ললনার সমাগম হবে
"
ড্যানী ভাইও শুনে কঠিন মাঞ্জা মেরে মাথায় জেল দিয়ে চুল খাড়া, টাইট ফিটিং ঝকমকে কালো পার্টি শার্ট, কালো প্যান্ট, চকচকে লেদারের জুতো পরে হাজির
মানে পুরা ডিস্কো পার্টি সাজ
যেহেতু ক্লাসিক সংগীতের আমন্ত্রণ মূলক অনুষ্ঠান
সবাই পাঞ্জাবী-পায়জামা, মেয়েরা শাড়ি, মানে ধ্রুপদি অনুষ্ঠানের আবহ আর কি
বিপদ ঘটলো যখন ন্ড্যানী ভাই এই পোষাকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত
চরম বিব্রতকর অবস্থা
যেন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সাজে টেষ্ট ক্রিকেট খেলতে উপস্থিত
অবস্থা প্রাথমিক চরমে গেলো যখন মিলনায়তন পুরা ভরে যাবার কারনে ড্যানী ভাইয়ের জন্য কোন সিট খালি পাওয়া গেলো না
পরবর্তী দৃশ্যঃ ড্যানী ভাই স্টেজের এক কোনায় বসে আছেন আমাদের আয়োজক বড় ভাইয়ের সাহায্যে
এ কেবল ড্যানী ভাই বলেই সম্ভব
সাড়া অঙ্গে চকচকে জামা-কাপড়
স্টেজে উনার উপস্থিতি সিরিয়াস দর্শকদের ব্যাপক ভ্রুকুটির জন্ম এবং আমাদের মতো ফিচেল দর্শকদের ব্যাপক আমোদ বিলাচ্ছে
"আআ-উউ-তেরে কেটে ধিননা" ইতাদি বোলে ক্লাসিক সংগীত চলছে
সমঝদাররা মাঝে মাঝে হাটুতে হাতের বাড়ি দিয়ে তাল ঠুকছেন
মুখে "বহত খুব, কেয়ামত" ইত্যাদি বোল চলছে
ড্যানী ভাই চকমকে সুরতে পুরা অডিয়েন্সকে নিজে দিকে ইতিমধ্যেই আকৃষ্ট করে রেখেছেন
উনি চিন্তা করলেন আমিও তো ক্লাসিক বুঝি এইটা বুঝানো দরকার
তাই ত্যাক্ত হয়ে এক পর্যায়ে উনিও তাল মেলালেন মুখে "বহত খুব, কেয়ামত" ইত্যাদি বোলের দ্বারা
ব্যাপারটার মধ্যে টাইমিঙ্গের ব্যাপার আছে
কখন বলার কথা এবং কখন চুপ থাকার কথা জানতে সত্যিকারের ক্লাসিক সংগীতের এলেম দরকার
পুরা হল চুপ এই অবস্থায় ড্যানী ভাইয়ের বে-টাইমের বোল মুখে "বহত খুব, কেয়ামত" ইত্যাদি শুনে মনে হলো হলে বোমা ফুটেছে
অবস্থা চুরান্ত বেগতিক
মনে হলো ধরিত্রী ফাক হয়ে যাক
কিন্তু ধরিত্রি অনড়
আমরা চিপা দিয়ে কেটে পরলাম
এক সন্ধ্যার জন্য যথেষ্ঠ হয়েছে
পিছনে ড্যানী ভাই তার চকমকে গেটাপ এক হল ভর্তি মানুষের রক্তচক্ষু নিয়ে বসে রইলেন
আমরা চলে আসার সময় শুনতে পাচ্ছিলাম গায়কেরঃ "পিয়া ঘার আয়ে...ও ও ও মেরে পিয়া ঘার আয়ে..." মনে হলো আসলেই ঘর আমাদের ডাকছে
6 টি মন্তব্য | : রম্য রচনা | গল্প
জুন 27, 2009
বেশ গনতন্ত্র চর্চা হচ্ছে
21
পশ্চিমা টাকায় ইরানের রাস্তায় বেশ গনতন্ত্র চর্চা হচ্ছে
ইরানী বিপ্লবের আগে যেরূপে সিআইএ, এমআইসিক্স এর অশরীরী গনতন্ত্রায়নের সুক্ষ কারুকার্য পত্রপল্লবিত হতো আজ সেই সুখের দিন নেই
তাই মুসাভি তুরুপের তাস
রাফসানজানীদের, সমাজের উচ্চস্তরের ধনকুবদের উচ্চলম্ফ
তাই কট্টর জাতীয়তাবাদী আহমেদিনিজাদ ঘৃণিত
ঢালো ডলার-পাউন্ড মাখো রক্ত
তরুনের আবাহন ফেসবুক-টুইটারে চলছে গনতন্ত্রায়নের শিক্ষা
মনে করিয়ে দেয় ইরাক আক্রমনের আগের দৃশ্যকল্প
অভিযোগ, গনতন্ত্রের গেলো গেলো রব
আজ ধর্ষিতা ইরাকের ধর্ষিতা নারী- কে শুনে কার চিৎকার ! আরেকটি গাড়ী বোমা
রক্তের সোদা গন্ধ আর মায়ের বুক বিদির্ণ চিৎকার ভারী বাতাস
ধুলোয় ধুসরিত রাস্তা
বেশ গনতন্ত্র চর্চা হচ্ছে
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান | : ভাবনার কথাগুলো |
জুন 6, 2009
শিরোনাম বিহীন
21
ভালোবাসা? সে তো খেল তামাশা
প্রেম? সে তো দ্রোহের কাল
রোদে ঝকমকে রাংতা কাগজ
আমার নির্লিপ্ত চিলেকোঠায়
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান | : কবিতা |
মে 14, 2009
21
//
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান | গ্যাজেট
এপ্রিল 15, 2009
নববর্ষের অনুষ্ঠানাদি ইসলামের দৃষ্টিকোন থেকে
21
আমাদের সমাজে নববর্ষ যারা পালন করে, তারা কি ধরনের অনুষ্ঠান সেখানে পালন করে, আর সেগুলো সম্পর্কে ইসলামের বক্তব্য কি? নববর্ষের অনুষ্ঠানাদির মধ্যে রয়েছে: বৈশাখী মেলা, যাত্রা, পালাগান, কবিগান, জারিগান, গম্ভীরা গান প্রভৃতি বিভিন্ন লোকসঙ্গীতের ব্যবস্থা, প্রভাতে উদীয়মান সূর্যকে স্বাগত জানান, নতুন সূর্যকে প্রত্যক্ষকরণ, নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে শিল্পীদের সংগীত, পান্তা-ইলিশ ভোজ, চারুশিল্পীদের শোভাযাত্রা, রমনার বটমূলে ছায়ানটের উদ্যোগে রবীন্দ্রনাথের আগমনী গান "এসো হে বৈশাখ...", এছাড়া রেডিও টিভিতে বিশেষ অনুষ্ঠান ও পত্রপত্রিকার বিশেষ ক্রোড়পত্র
এবারে এ সকল অনুষ্ঠানাদিতে অনুষ্ঠিত মূল কর্মকান্ড এবং ইসলামে এগুলোর অবস্থান সম্পর্কে পর্যালোচনা করা যাক:
সূর্যকে স্বাগত জানানো ও বৈশাখকে সম্বোধন করে স্বাগত জানানো: এ ধরনের কর্মকান্ড মূলত সূর্য-পূজারী ও প্রকৃতি-পূজারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অনুকরণ মাত্র, যা আধুনিক মানুষের দৃষ্টিতে পুনরায় শোভনীয় হয়ে উঠেছে
তথাকথিত বুদ্ধিজীবী সমাজের অনেকেরই ধর্মের নাম শোনামাত্র গাত্রদাহ সৃষ্টি হলেও প্রকৃতি-পূজারী আদিম ধর্মের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের নকল করতে তাদের অন্তরে অসাধারণ পুলক অনুভূত হয়
সূর্য ও প্রকৃতির পূজা বহু প্রাচীন কাল থেকেই বিভিন্ন জাতির লোকেরা করে এসেছে
যেমন খ্রীস্টপূর্ব ১৪ শতকে মিশরীয় "অ্যাটোনিসম" মতবাদে সূর্যের উপাসনা চলত
এমনি ভাবে ইন্দো-ইউরোপীয় এবং মেসো-আমেরিকান সংস্কৃতিতে সূর্য পূজারীদেরকে পাওয়া যাবে
খ্রীস্টান সম্প্রদায় কর্তৃক পালিত যীশু খ্রীস্টের তথাকথিত জন্মদিন ২৫শে ডিসেম্বরও মূলত এসেছে রোমক সৌর-পূজারীদের পৌত্তলিক ধর্ম থেকে, যীশু খ্রীস্টের প্রকৃত জন্মতারিখ থেকে নয়