content stringlengths 0 129k |
|---|
শিক্ষা |
বিনোদন |
পর্যটন |
গণমাধ্যম |
প্রবাসের খবর |
সম্পাদকীয় |
ফিচার |
মতামত |
সংস্কৃতি |
ধর্ম |
স্বাস্থ্য |
কবি ও সাহিত্য |
অন্যান্য |
কৃষি |
উন্নয়ন |
চাকরির খবর |
সংবাদ শিরোনাম : |
বম সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী উৎসব ফাতার বুহ্ তেহ রাত পোহালে শুরু হচ্ছে তৃতীয় ধাপে রুমা ও আলীকদম ইউপি নির্বাচন উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে বান্দরবানে দুই উপজেলায় পর্যটকদের নিষেধাজ্ঞা লামায় পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের উদ্যোগে অভিষেক ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বান্দরবানে ভূমিকম্পের সময় বারান্দা থেকে লাফ দিয়ে পা ভাঙ্গল যুবকের বাইশারীতে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান, মেম্বারদের গণসংবর্ধনা ও সমাবেশ মোমবাতি প্রজ্বলন করে নারীর প্রতি সহিংসতা নির্মুল দিবস পালন বরইতলী দাখিল মাদ্রাসা কমিটি নির্বাচনে নাসির উদ্দীন নির্বাচিত রোয়াংছড়ি তালুকদার পাড়ায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক জন নিহত, আহত ১ মহেশখালী কালারমারছড়াতে র্যাবের অভিযানে অস্ত্রসহ ৩ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার |
প্রচ্ছদ |
বান্দরবান সদর, ব্রেকিং নিউজ |
রোয়াংছড়িতে আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভিজিএফ চাউল বিতরণ |
রোয়াংছড়িতে আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভিজিএফ চাউল বিতরণ |
প্রকাশ সময় : সোমবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৮ |
মংক্যাইনু মারমা, রোয়াংছড়ি প্রতিনিধি: |
বান্দরবানে রোয়াংছড়ি উপজেলা ২নং তারাছা ইউনিয়নে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে হত দরিদ্রদের মাঝে ইউনিয়ন পরিষদের সাব অফিসের ভিজিএফ চাউল বিতরণ করা হয়েছে |
আজ সোমবার ১৩ আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টায় রোয়াংছড়ি উপজেলায় ২নং তারাছা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান, উথোয়াইচিং মারমা ও উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা ও ট্যাগ অফিসার আক্তার উদ্দিন এর উপস্থিতিত্বে ১ হাজার ৭শত পরিবারকে ২০ কেজি হারে ভিজিএফ চাউল বিতরণ করা হয় |
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন তারাছা ইউনিয়নে স্বস্ব ওয়ার্ডে সংশ্লিষ্ট ইউপি মেম্বার, ইউপি সচিব মংচাই চাক, উপজেলা ত্রাণ অফিসের স্টাফ সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গগণ |
এসময় চেয়ারম্যান উথোয়াইচিং মারমা বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা এর উপলক্ষে দু:স্থ পরিবারকে সরকারি বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চাউলগুলো যথা সময়ে বিতরণে চেষ্টা করছি |
তবে এবারের মধ্যে ঈদুল আযাহা উপলক্ষে তারাছা ইউনিয়নে ৩৫ মিট্রিকটন চাউল বরাদ্দ পেয়েছি |
এলাকায় ২০ কেজি পরিমাণে চাউল পেয়ে আনন্দ বিরাজ করছে |
অভিজিৎ|2016-12-2722:55:43+06:00মে 7, 2011|: উদযাপন, বিজ্ঞান, ব্যক্তিত্ব, সমাজ, সংস্কৃতি, সাহিত্য আলোচনা, স্মৃতিচারণ|: অভিজিৎ বিজ্ঞান, অভিজিৎ সাহিত্য, পঁচিশে বৈশাখ, রবীন্দ্রনাথ ও বিজ্ঞান, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশততম জন্মবার্ষিকী, রবীন্দ্রে বিজ্ঞান, সার্ধশত রবীন্দ্র জয়ন্তী ১৪১৮|56 |
আমার এ লেখাটি অনেক আগের |
যতদূর মনে পড়ে এটি সাপ্তাহিক বিচিত্রায় এবং দৈনিক ভোরের কাগজে ৫ ই মে, ২০০৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছিল |
২০০৮ সালে এটি অন্য একটি ব্লগে প্রকাশিত হয় |
আজ দৈনিক সমকালের কালস্রোত খুলে দেখি লেখাটি একটু ছোট করে 'রবীন্দ্রনাথ ও বিজ্ঞান' শিরোনামে সেখানে প্রকাশিত হয়েছে |
পঁচিশে বৈশাখ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশততম জন্মবার্ষিকী (সার্ধশত রবীন্দ্র জয়ন্তী ১৪১৮) উপলক্ষে আজ লেখাটি মুক্তমনায় প্রকাশিত হল |
:: |
১ |
রবীন্দ্রনাথের গানের একটি কলি শিরোনাম হিসেবে গ্রহণ করে আমি যখন 'আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী' নামের বিজ্ঞানভিত্তিক সিরিজটি ধারাবাহিকভাবে মুক্ত-মনার জন্য লেখা শুরু করলাম, তখন অনেকেই খুব অবাক হয়েছিলেন |
কেউ কেউ এটিকে দেখেছিলেন 'সাহিত্য ও বিজ্ঞানের মেলবন্ধন' হিসেবে |
আমার এই সিরিজটি অঙ্কুর প্রকাশনী থেকে বই আকারে বেরোয়, ২০০৫ সালের এপ্রিল মাসে |
সেই বইয়ের মুখবন্ধে আমি প্রকাশ করেছিলাম কি করে হঠাৎ করেই রবিঠাকুরের গানের লাইনটি আমি শিরোনাম হিসেবে পেয়ে গেলাম: |
...বইটির নাম 'আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী' হল কেন এ নিয়ে কিছু বলা উচিৎ |
সিরিজটি লেখার সময় আমি আসলে ভেবে পাচ্ছিলাম না এমন একটি বিজ্ঞান ভিত্তিক সিরিজের নাম কি হতে পারে |
কাব্যিক ধাঁচের নামের প্রতি আমার আকর্ষণ সব সময়ই প্রবল |
চিন্তার বেড়াজালে আমি যখন কেবলি ঘুরপাক খাচ্ছিলাম, সে সময়েরই এক আলস দুপুরে ঘরে পায়চারী করতে করতে বুক শেলফে রাখা আমার প্রিয় কার্ল স্যাগানের বইটি অবচেতন মনেই হাতে তুলে নিলাম |
মলাটে ' - ' শিরোনামের নীচেই সুন্দর একটা উক্তি - ' ' চমৎকার! এ ধরনের একটি নামই আমি মনে মনে খুঁজছিলাম |
এমনি একটি সুন্দর পংক্তির যুৎসই বাংলা কোথায় খুঁজে পাব, যার মাধ্যমে ধ্বনিত হতে থাকবে আঁধার ঘুচিয়ে আলোকিত পথে যাত্রার ইঙ্গিত? স্যাগানের বইটি বুকের উপরে রেখে বিছানায় গা এলিয়ে দিয়েছিলাম মনের অজান্তেই - তন্দ্রার মধ্যে শুনলাম ক্যাসেটে বেজে চলেছে প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গিতটি : |
তুমি কি কেবলি ছবি, শুধু পটে লিখা? |
ওই যে সুদূর নিহারীকা - |
যারা করে আছে ভিড়, |
আকাশের নীড় |
ওই যারা দিন-রাত্রি |
আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী, |
গ্রহ তারা রবি ... |
আর এখানে এসেই আমি থমকে গেলাম |
'আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী'- এই শব্দক'টি মনের গহীনে কোথায় যেন একটি অনুরণন তুলল |
ভাবলাম এর চাইতে কাব্যিক আর মনোহর শিরোনাম আর কি হতে পারে? তখনই সিদ্ধান্ত নিলাম আমার প্রথম বইটির শিরোনাম হবে আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী' |
যে গানটি কবিগুরু দুঃখভারাক্রান্ত মনে কাদম্বরী দেবীকে স্মরণ করে শত বছর আগে লিখেছিলেন, কখনও কি ঘূর্ণাক্ষরেও ভেবেছিলেন, এর একটি পংক্তি ব্যবহৃত হতে পারে বাংলাদেশের এক অখ্যাত লেখকের প্রথম বইয়ের শিরোনাম হিসেবে?... |
বইটি প্রকাশ হবার পর বেশ কিছু ভাল পর্যালোচনা হয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় পত্রপত্রিকায় |
এরপর 'প্রাণের প্রাণ জাগিছে তোমারি প্রাণে' নামে আমি আরেকটা সিরিজ শুরু করেছিলাম |
সিরিজটি ডঃ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী সম্পাদিত ত্রৈমাসিক নতুন দিগন্ত পত্রিকাটিতে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে, আর ২০০৭ এর বইমেলাতে 'মহাবিশ্বে প্রাণ ও বুদ্ধিমত্তার খোঁজে' শিরোনামে অবসর (প্রতীক) থেকে বই আকারে প্রকাশিত হয়েছে |
এই বইটার আদি শিরোনাম -'প্রাণের প্রাণ জাগিছে তোমারি প্রাণে' টিও কিন্তু রবীন্দ্রনাথের আরেকটা গান থেকে চুরি করা! 'আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী' মুলতঃ ছিলো মহাবিশ্ব সৃষ্টির একটি বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ |
আর 'প্রাণের প্রাণ জাগিছে তোমারি প্রাণে' লেখা হয়েছিলো এই পৃথিবীতে প্রাণ সৃষ্টির পেছনে আজকের বৈজ্ঞানিক ধ্যান-ধারণাগুলোকে সমন্বিত করে |
আমি চাইছিলাম এই সিরিজ দুটি একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে, ঠিক যেমন আরজ আলী মাতুব্বরের 'সত্যের সন্ধান' আর 'অনুমান' |
সে সময় বহু পাঠক আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন - 'আপনার অনেক প্রবন্ধই দেখছি শুরু হয় রবীন্দ্রনাথের গানের লাইন দিয়ে! কেন বলুন তো?' আবার কেউ আবার একটু খোঁচা মেরে বলতেন - 'আপনি তো দেখছি রবীন্দ্রনাথকে বিজ্ঞানীই বানিয়ে দিলেন' |
আমি হেসে এড়িয়ে যেতাম |
আমার মনে হয় ্রবি বুড়োর আজকের এই শুভ জন্মদিনে এর ব্যাখ্যাটাও সেরে ফেলি |
কাব্যিক ধাঁচের নামের প্রতি আমার আকর্ষণ আছে বলে কিংবা রবীন্দ্রসঙ্গিত আমার প্রিয় সেজন্যে শুধু নয়, রবীন্দ্রনাথের সাথে মানে তার সাহিত্যের সাথে যে বিজ্ঞানের একটা ছোট্ট হলেও গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে তা বোধ হয় আমরা অনেকেই জানি না |
রবীন্দ্রনাথের বাল্যকাল থেকেই শুরু করা যাক |
মাত্র সাড়ে বারো বয়সে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথ একটি অস্বাক্ষরিত বিজ্ঞানভিত্তিক প্রবন্ধ লেখেন; শিরোনাম-'গ্রহগণ জীবের আবাসভূমি' |
এটি কিন্তু এখন স্বীকৃত যে, 'গ্রহগণ জীবের আবাসভূমি'ই রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত গদ্য রচনা |
পরবর্তী জীবনে রবীন্দ্রনাথ অন্ততঃ দু'জায়গায় সেই কিশোর বয়সে লেখা রচনাটির উল্লেখ করেছিলেন |
এই লেখার অনেক অনেক বছর পার করে শেষ বয়সে এসে কবিগুরু একশো পনের পৃষ্ঠার আরেকটি বিজ্ঞানভিত্তিক বই লিখলেন, নাম - 'বিশ্বপরিচয়' |
শুধু তাই নয়, তিনি বইখানি উৎসর্গ করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সময়কার কৃতি শিক্ষক, উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্র নাথ বসুকে |
রবীন্দ্রনাথ তার উৎসর্গপত্রে লিখলেন : |
'বয়স তখন হয়তো বারো হবে, পিতৃদেবের সঙ্গে গিয়েছিলুম ডালহৌসি পাহাড়ে |
সমস্ত দিন ঝাঁপানে করে গিয়ে সন্ধ্যাবেলায় পৌঁছতুম ডাকবাংলোয় |
তিনি চৌকি আনিয়ে আঙিনায় বসতেন |
দেখতে দেখতে গিরিশৃঙ্গের বেড়া দেওয়া নিবিড় নীল আকাশের স্বচ্ছ অন্ধকারে তারাগুলি যেন কাছে নেমে আসত |
তিনি আমাকে নক্ষত্র চিনিয়ে দিতেন, গ্রহ চিনিয়ে দিতেন |
শুধু চিনিয়ে দেওয়া নয়, সূর্য থেকে তাদের কক্ষচক্রের দূরত্বমাত্রা, প্রদক্ষিণের সময় এবং অন্যান্য বিবরণ আমাকে শুনিয়ে যেতেন |
তিনি যা বলে যেতেন তাই মনে করে তখনকার কাঁচা হাতে আমি একটা বড় প্রবন্ধ লিখেছি |
স্বাদ পেয়েছিলুম বলেই লিখেছিলুম |
জীবনে এই আমার প্রথম ধারাবাহিক রচনা, আর সেটা বৈজ্ঞানিক সংবাদ নিয়ে |
' |
আমি যেমনি ভাবে 'আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী' আর 'প্রাণের প্রাণ জাগিছে তোমারি প্রাণে' - দুটি সিরিজ একে অপরের পরিপূরক হবে বলে ভাবছিলাম, রবীন্দ্রনাথও কি বিশ্বপরিচয় লিখবার আগে ঠিক তেমন করেই ভাবছিলেন? নয়ত তিনি বলবেন কেন - |
'জ্যোতির্বিজ্ঞান আর প্রাণবিজ্ঞান - কেবলি এই দুই বিষয় নিয়ে আমার মন নাড়াচাড়া করছে' |
কিংবা আইনস্টাইনের মত একাকিত্বের যন্ত্রণা হয়ত রবীন্দ্রনাথও পেয়েছিলেন বিজ্ঞানের নান্দনিক সৌন্দর্যে আবিষ্ট হয়ে, তাই লিখেছিলেন : |
মহাবিশ্বে মহাকাশে মহাকাল-মাঝে |
আমি মানব একাকী ভ্রমি বিস্ময়ে, ভ্রমি বিস্ময়ে |
২ |
আইস্টাইনের সাথে রবীন্দ্রনাথের সাক্ষাৎ হয় ১৯২৬ সালে, কবিগুরুর দ্বিতীয়বার জার্মানী ভ্রমণের সময় |
এই প্রথম সাক্ষাৎকারের অবশ্য কোন লিখিত বিবরণ পাওয়া যায় না |
তবে এটি নিশ্চিত যে, রবিঠাকুরের সান্নিধ্য আইনস্টাইনের মনে যথেষ্ট শ্রদ্ধাবোধের জন্ম দিয়েছিলো |
সেজন্যই আইনস্টাইন পরে চিঠি লিখে কবিগুরুকে জানিয়েছেন : |
'জার্মানীতে যদি এমন কিছু থাকে যা কিছু থাকে যা আমি আপনার জন্য করতে পারি, তবে যখন খুশি দয়া করে আমাকে আদেশ করবেন |
' |
আইনস্টাইনের মত জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানীর কাছ থেকে প্রথম সাক্ষাতেই এমন চিঠি পাওয়া চাট্টিখানি ঘটনা নয় |
তবে আইস্টাইনের সাথে কবির 'সত্যিকারের' যোগাযোগ হয় এর বছর চারেক পরে - ১৯৩০ সালে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.