content
stringlengths
0
129k
'তুমি যে গত মাসে আমার কার্যের আভাস বঙ্গদর্শনে লিখিয়াছিলে তাহা অতি সুন্দর হইয়াছে
তুমি যে এত সহজে বৈজ্ঞানিক সত্য স্থির রাখিয়া লিখিতে পার, ইহাতে আমি আশ্চর্য হইয়াছি
'
১৯১৭ সালের ৩০ এ নভেম্বর জগদীশ্চন্দ্রের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন 'বসু বিজ্ঞান মন্দির' প্রতিষ্ঠিত হয়
রবীন্দ্রনাথ এর মধ্যে দিয়ে সমস্ত দেশের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন দেখতে পেয়েছিলেন
তাই তিনি জগদীশচন্দ্রকে বলেছেন, 'এ তো তোমার একার সঙ্কল্প নয়, এ আমাদের সমস্ত দেশের সঙ্কল্প, তোমার জীবনের মধ্যে দিয়ে এর বিকাশ হতে চলল
' বসু বিজ্ঞান মন্দিরের প্রতিষ্ঠার সময় কবিগুরু ছিলেন আমেরিকায়
তারপরেও শত ব্যস্ততার মাঝে উদ্বোধনী সঙ্গীত লিখে পাঠিয়েছিলেন
সেই বিখ্যাত সঙ্গীতটিই হল- 'মাতৃমন্দির পুণ্য অঙ্গন কর মহোজ্জ্বল আজ হে'
রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান
পুরস্কার ঘোষিত হয় ১৯১৩ সালের ১৩ ই নভেম্বর
রবীন্দ্রনাথ খবর পান ১৬ ই নভেম্বর
এর ঠিক তিনদিন পরে জগদীশ চন্দ্র তাঁকে অভিনন্দন জানালেন এভাবে :
'বন্ধু ,
পৃথিবীতে তোমাকে এতদিন জয়মাল্যভূষিত না দেখিয়া বেদনা অনুভব করিয়াছি
আজ সেই দুঃখ দূর হইল
...'
রবীন্দ্রনাথের জীবনে এভাবে কথা বলার অধিকার যদি কেউ রেখে থাকেন, তবে নিঃ সন্দেহে তা জগদীশ চন্দ্র বসু
জগদীশ চন্দ্র কিন্তু বলেন নি যে কবির পুরষ্কার পাবার ঘটনায় তিনি 'আনন্দিত'
তিনি বলেছেন - তাঁর 'দুঃখ দূর হল'
এ যেন যথার্থ বন্ধুর চাপা আনন্দের এক নির্মোহ স্বর!
::
কৃতজ্ঞতাঃ , যিনি দৈনিক সমকালে (৭ মে, ২০১১) প্রকাশিত লেখাটি নিজে থেকেই স্ক্যান করে ফেসবুকে আমার ওয়ালে শেয়ার করেছেন
এই ছবিটি তাঁর বদান্যতায় প্রাপ্ত -
পোস্ট শেয়ার করুন
: অভিজিৎ
অভিজিৎ রায়
লেখক এবং প্রকৌশলী
মুক্তমনার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক
আগ্রহ বিজ্ঞান এবং দর্শন বিষয়ে
নিউটনীয় মহাবিশ্ব ও জড়তার উৎস
নিউটনীয় মহাবিশ্ব ও জড়তার উৎস
নভেম্বর 27, 2021 | 0
এক মানবিক পৃথিবীর পথ
এক মানবিক পৃথিবীর পথ
সেপ্টেম্বর 23, 2021 | 1
শুভ জন্মদিন অভিজিৎ রায়
শুভ জন্মদিন অভিজিৎ রায়
সেপ্টেম্বর 11, 2021 | 2
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিচারণ: প্লেটোনিক ভালোবাসার দীর্ঘনিঃশ্বাস
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিচারণ: প্লেটোনিক ভালোবাসার দীর্ঘনিঃশ্বাস
আগস্ট 23, 2021 | 0
মানব প্রজনন ও যৌনতাঃ পাঠ্যবইয়ে কী পড়ছি?
মানব প্রজনন ও যৌনতাঃ পাঠ্যবইয়ে কী পড়ছি?
জুলাই 29, 2021 | 3
56
বিপ্লব রহমান মে 11, 2011 8:09 অপরাহ্ন -
মুগ্ধ হয়ে পড়লাম
শাব্বাশ অভিজিৎ দা! ::
সেন্টু টিকাদার মে 10, 2011 8:48 পূর্বাহ্ন -
://-.///1.
://-.///2.
://-.///3.
://-.///4.
://-.///5.
আমার বিনীত অনু্রোধ যদি এই লিঙ্কের প্রতিটি লেখা আবার পুনঃ প্রকাশিত হয় কারন মক্তমনার অনেক নতুন সদস্যরা এই লেখাগুলি পড়তে পারেননি
অভিজিৎ মে 12, 2011 8:28 অপরাহ্ন -
@সেন্টু টিকাদার,
সেন্টুদা, আপাততঃ থাকুক এখানে লিঙ্ক হিসবেই
নিজের পুরোন লেখা বার বার দিতে ভাল লাগে না
কেউ চাইলে তো খুঁজে পড়ে নিতে পারেই
আর আমার এবারের বই, অবিশ্বাসের দর্শন (যেটা রায়হান আবীরের সাথে লেখা)-এও এ নিয়ে বৃহৎ পরিসরে আলোচনা করেছি
আমার ধারণা আমার বইয়ের পাঠকদের অনেকেই সেটা পড়েছে
আপনার কেমন লাগল, কী ধারণা হল জানাতে পারেন কিন্তু
আন্দালিব মে 9, 2011 3:31 অপরাহ্ন -
দাগ থেকে যদি ভালো কিছু হয়, তবে দাগ খারাপ কী!
হুমায়ুন আহমেদের লেখা পড়ে একটু বিরক্ত হয়েছিলাম, ফেসবুক ঘুরে এই লেখায় এসে বিরক্তি কেটে গেলো
এই মহান মানুষদের কথোপকথন বা সম্পর্ক দেখলে কেমন অকিঞ্চিৎকর মনে হয় নিজেকে! যে ব্যাকুলতা নিয়ে তাঁরা সত্য, সুন্দর আর জ্ঞানের সন্ধান করতেন, তা অভিভূত করলো!
লেখাটা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ অভিজিৎ'দা! 🙂
মে 10, 2011 4:19 পূর্বাহ্ন -
@আন্দালিব, হুমায়ুন আহমেদের কোন লেখাটা পড়ে বিরক্ত হয়েছিলেন?
আন্দালিব মে 10, 2011 12:28 অপরাহ্ন -
@, হুমায়ুন আহমেদের লেখাটা* ... হবে
খবরের কাগজে হুমায়ুন আহমেদ একটা লেখা ছাপিয়েছেন, রবীন্দ্রনাথ আইনস্টাইনের সাথে আলাপের সময় সত্যেন বোসের নাম শুনে চিনতে পারেন নি
সেই লজ্জা কাটাতে দেশে ফিরে বিজ্ঞান নিয়ে বই লিখেছেন
হুমায়ুন সেই গল্পে এমনকি বইয়ের নামটাও ভুল লিখেছেন (সেই নামে রবীন্দ্রনাথের কোন বই নাই)
মে 29, 2011 2:58 পূর্বাহ্ন -
@আন্দালিব, আপনি দয়া করে কোন রেফারেন্স দেন
আন্দালিব জুন 1, 2011 1:24 অপরাহ্ন -
@, এই লিংকে দেখুন
নীল রোদ্দুর মে 9, 2011 2:54 অপরাহ্ন -
রবীন্দ্র সৃষ্টির ভক্ত আমরা অনেকেই
কিন্তু রবীন্দ্রনাথকে যেভাবে বাঙ্গালীরা দেবতার আসনে বসিয়ে দিচ্ছে, তাতে আমার তো ভয় ভয় লাগছে
রবিঠাকুরের সৃষ্টির মাঝে নেশায় মাতাল হয়েছি বটে, কিন্তু তাকে পূজো করার মত নির্বোধ এখনো হতে পারিনি
আইনষ্টাইনে সাথে যে কথপোকথন, তাকে কি আসলেই বিজ্ঞানপ্রসূত বলা চলে? দর্শন এবং বিজ্ঞানের মাঝে একটা বিশাল দূরত্ব আছে
আমরা যেভাবে রবীন্দ্রে বিজ্ঞান খুঁজছি, সেভাবে আইনষ্টাইনে কাব্য কেন খুঁজছি না? রবীন্দ্রনাথকে যদি কবি বা সাহিত্যিক ছাড়া আর কিছু বলতে হয়, তাহলে আমি কেবলই একজন ভাববাদী দার্শনিক বলতে রাজি
উনার কিছু ধারণায় বিজ্ঞানের প্রভাব ছিল বটে, উপমহাদেশ এবং বিশ্বের অনেক প্রতিভাবান সমসাময়িকের সাথে পরিচয়ও ছিল
তাদের সাথে মতবিনিময় তার চিন্তাকে প্রভাবিত যেমন করেছে, তেমনি তিনি তাদের চিন্তাকেও তিনি বুঝেছেন, অন্তত বোঝার চেষ্টা করেছেন
কিন্তু আমরা যে অর্থে বিজ্ঞানকে বিজ্ঞান বলি, সেই অর্থে তিনি বিজ্ঞানকে বুঝেছেন বলে মনে হয় না
উনার কাছে বিজ্ঞান ছিল একটা রহস্যের দুয়ার, যে রহস্যটার স্বরূপ কেমন, তাই উনি জানতে চেয়েছিলেন
বিজ্ঞান উনার কাছে পরীক্ষালব্ধ জ্ঞান বা পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রমানিত কিছু ছিল না বা তার করতে তিনি আগ্রহীও ছিলেন না
পান্নার যে রংটা, তার একটা নাম দিয়েছি আমরা, সবুজ
আমার যদি ইমেজ প্রসেসিং এ গন্ডগোল থাকে আর পান্নার রঙ যদি আমি লাল দেখি (মানে অন্যরা যেটাকে লাল বলে জানে) তাহলে আমি কিন্তু আমার চোখে দেখা পান্নার (লাল)রংটাকেই সবুজ বলে জানব
চেতনায় আসলে অনেক কিছুই সৃষ্টি করা যায়... সেটাকে সৃজনশীলতা বলে, কিন্তু চেতনায় যা সৃষ্টি করা যায়, তাকে বিজ্ঞান নাম দেয়া যায় কি?