content
stringlengths 0
209k
|
|---|
তিনি প্রচার করেন, ২০২০ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশে হোটেল পার্ক অ্যাসেন্টে অনুষ্ঠিত জিআইএসআর ফাউন্ডেশনের দেওয়া ইন্টারন্যাশনাল ইন্সপাইরেশনাল উইমেন অ্যাওয়ার্ড (আইআইডব্লিউ ২০২০) পেয়েছেন, যা ৩৫ বছর বয়সী চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও গবেষকদের মধ্যে 'বছরের সেরা নারী বিজ্ঞানী' হিসেবে পুরস্কার
|
এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে 'রিসার্চ অ্যাচিভমেন্ট
|
অ্যাওয়ার্ড', ভারতের 'টেস্ট জেম অ্যাওয়ার্ড ২০২০', থাইল্যান্ডের 'আউটস্ট্যান্ডিং সায়েন্টিস্ট অ্যান্ড রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বলে প্রচার করতেন
|
যদিও এর সবই ভুয়া
|
শুধু তাই নয়, তিনি প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া নথি উপস্থাপন করে ২০১৮ সালে জার্মানিতে 'লিন্ডা ও নোবেল লরিয়েট মিট-মেডিসিনে' অংশগ্রহণ করেন বলে প্রচার করতেন
|
আরও প্রচার করতেন তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেন
|
এছাড়া তিনি অ্যাম্বাসেডর হিসেবে বিভিন্ন সংগঠন যথাক্রমে- আমেরিকান সেক্সুয়াল হেলথ অ্যাসোসিয়েশন, ন্যাশনাল সার্ভিকাল ক্যান্সার কোয়ালিশন এবং গ্লোবাল গুডউইল ইত্যাদির হয়ে বাংলাদেশে কাজ করছেন
|
কিন্তু র্যাবের অনুসন্ধানে জানা গেছে, তার এসব অ্যাওয়ার্ড ও অনুষ্ঠানে উপস্থিতির ছবি এডিটিং করে গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে এবং ভার্চুয়ালি প্রচারণা চালানো হয়েছে
|
করোনাকে পুঁজি করেও প্রতারণা করেছেন ঈশিতা
|
ঈশিতা করোনা মহামারিকে পুঁজি করেও ভার্চুয়াল জগতে প্রতারণায় সক্রিয় ছিলেন
|
আলোচক ও প্রশিক্ষকের ভূমিকায় তিনি অনলাইনে করোনা প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন ও সার্টিফিকেট প্রদান এবং প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন
|
তিন-চার হাজার টাকার বিনিময়ে তিনি দুই দফায় ৬০ চিকিৎসককে করোনা চিকিৎসার প্রশিক্ষণ ও সার্টিফিকেট দিয়েছেন
|
টাকার বিনিময়ে ভুয়া বিদেশি সনদ বিক্রি করে প্রতারণা
|
আগ্রহীদের কাছে অর্থের বিনিময়ে সার্টিফিকেট বিক্রি করতেন ঈশিতা
|
তিনি 'ইয়ং ওয়ার্ল্ড লিডারস ফর হিউমিনিটি' নামক একটি অনিবন্ধনকৃত ও অননুমোদিত সংগঠন পরিচালনা করতেন প্রতারণার জন্য
|
অনলাইন প্লাটফর্মে যার ফেসবুক পেজ ও লিঙ্কডইন আইডি রয়েছে
|
সংস্থাটির সদরদফতর নিউইয়র্কে বলেও প্রচার করতেন
|
এই ফেসবুক পেজের মাধ্যমে দেশ ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রতারণার নেটওয়ার্ক তৈরি করেন তিনি
|
প্রতারণার অংশ হিসেবে তিনি নেপাল, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ভারত, বুরুন্ডি, যুক্তরাষ্ট্র, নাইজেরিয়া, ওমান, সৌদি আরব ইত্যাদি দেশে অর্থের বিনিময়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করেছেন
|
এছাড়া দেশগুলোতে এই সংগঠনের ব্যানারে সেমিনার, অ্যাওয়ার্ড প্রদান ও প্রশিক্ষণ ইত্যাদি আয়োজন করা হয়ে থাকে বলে প্রচার করতেন তিনি
|
যেখানে মূলত অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন ব্যক্তিদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়
|
ভুয়া অ্যাওয়ার্ড বিতরণের মাধ্যমে অর্জিত অর্থের সিংহভাগ ঈশিতা ও তার প্রধান সহযোগী দিদার গ্রহণ করতেন
|
ইতোমধ্যে বুরুন্ডি ও আফগানিস্তানে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে
|
এছাড়া সংগঠনের ব্যানারে ২০১৯ সালের এপ্রিলে রাজধানীর একটি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৩০ জন বাংলাদেশিকেও 'ইয়ং ওয়ার্ল্ড লিডারস ফর হিউমিনিটি' সম্মাননা জানান তিনি
|
ওই অনুষ্ঠানটি ঈশিতা সঞ্চালনা করেন
|
এই সংগঠনে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ব্যক্তিদের বা জনমনে গ্রহণযোগ্যতা পেতে পারে এমন ব্যক্তিদের ছবি যুক্ত করে এ্যাডভাইজর, ভাইস চেয়ারম্যান, ইন্টারন্যাশনাল ভাইস চেয়ারম্যানসহ নানা পদে যোগদান করেছেন বলে ভুয়া প্রচার চালান
|
যেসব সংগঠনের সঙ্গে নিজের সংশ্লিষ্টতা প্রচার করতেন ঈশিতা
|
২০১৮ সাল থেকে তিনি নিরাপত্তা, চিকিৎসা, মানবাধিকার, নারী শিশু অধিকার বিষয়ক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বলে প্রচার চালিয়ে আসছেন
|
এর মধ্যে রয়েছে- আমেরিকান সেক্সুয়াল হেলথ অ্যাসোসিয়েশন (আশা), ন্যাশনাল সার্ভিকাল ক্যান্সার কোয়ালিশন (এনসিসিসি), গ্লোবাল গুডউইল অরগানাইজেশন, ইয়ং ওয়ার্ল্ড লিডারস ফর হিউমিনিটি, গ্লোবাল পিস চেইন, গ্লোবাল রাইট প্রজেক্ট, কাউন্টার ক্রাইম ইন্টেলিজেন্স অর্গানাইজেশন, ইন্টারন্যাশনাল পুলিশ কমিশন ও ইন্টারন্যাশনাল পুলিশ অর্গানাইজেশন
|
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনীর র্যাঙ্ক ও ব্যাচ ব্যবহার
|
ঈশিতা প্রতারণার কৌশল হিসেবে নিরাপত্তা বাহিনীর র্যাঙ্ক ব্যাচ ও পদ অর্জনের চেষ্টা চালান
|
ফিলিপাইনে পরিচালিত একটি ওয়েবসাইট (..) থেকে ৪০০ ডলারের বিনিময়ে সামরিক বাহিনীর ন্যায় 'ব্রিগেডিয়ার জেনারেল' পদ গ্রহণ করেন
|
যার সত্যতা ও যথার্থতা পাওয়া যায়নি
|
এছাড়া তিনি ইন্টারন্যাশনাল পুলিশ অর্গানাইজেশন, কাউন্টার ক্রাইম ইন্টেলিজেন্স অর্গানাইজেশন ইত্যাদির সদস্য পদের সনদপ্রাপ্তির ভুয়া প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন
|
প্রতারণা-ভুয়া কার্যক্রমের প্রচারে আইপি চ্যানেল ব্যবহার
|
নিজস্ব ভুয়া ডিগ্রি, পদ ও পদবির প্রচারণার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও আইপি চ্যানেল ব্যবহার করতেন ঈশিতা
|
প্রচারণার মাধ্যমে তিনি বিশিষ্ট আলোচক ও বিশেষজ্ঞ হিসেবে টকশোতে অংশ নিতেন
|
গণমাধ্যমে তার টকশো, আলোচনা, সাক্ষাৎকার ও সাফল্য প্রচারিত হয়েছে
|
মূলত তিনি ভুয়া সার্টিফিকেট, এডিটিং করা ছবি, মিথ্যা বিবৃতি ও তথ্য দেওয়ার মাধ্যমে সবাইকে বিভ্রান্ত করতেন
|
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তিনি মানবাধিকার লঙ্ঘন, নারী ও শিশু অধিকার, চিকিৎসা বিজ্ঞান, করোনা বিষয়ে আলোচক হিসেবে আবির্ভূত হয়ে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর অপচেষ্টা চালাতেন
|
বাধা পেলে মেজর জেনারেল সাজাতেন দিদারকে
|
প্রতারণামূলক কার্যক্রমে বাধার সম্মুখীন হলেই 'বস' হিসেবে সহযোগী গ্রেফতার দিদারকে ব্যবহার করতেন ঈশিতা
|
দিদার পরিচয় দিতেন মেজর জেনারেল হিসেবে
|
যিনি টেলিফোন বা অনলাইনে এবং ক্ষেত্র বিশেষে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ঈশিতার পরিচয় বিশ্বাস-যোগ্যতা অর্জনে সহায়তা করতেন
|
অধিকাংশ ক্ষেত্রে অনলাইনে বিভিন্ন মিটিংয়ে বস বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ভূমিকা পালন করতেন দিদার
|
শহীদুল ইসলাম দিদার সম্পর্কে র্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার মঈন বলেন, ২০১২ সালে একটি ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা (ইঞ্জিনিয়ার) শেষ করেন দিদার
|
পরে তিনি পোস্ট গ্রাজুয়েশন ডিপ্লোমাও শেষ করেন
|
বর্তমানে একটি গার্মেন্টেসে কমার্শিয়াল ম্যানেজার হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন
|
তিনিও ফিলিপাইনের একই সাইট থেকে অর্থের বিনিময়ে ভুয়া মেজর জেনারেল পদ বাগিয়ে নেন
|
নিজেকে আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক), ইয়াং ওয়ার্ল্ড লিডার ফর হিউমিনিটিসহ বিভিন্ন সংগঠনের ফাউন্ডার (প্রতিষ্ঠাতা) বা কর্ণধার হিসেবে উপস্থাপন করেন
|
একইভাবে তিনি দুর্নীতিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার দূত বা অ্যাম্বাসেডর হিসেবে পরিচয় দিতেন
|
এক প্রশ্নের জবাবে কমান্ডার মঈন বলেন, প্রতারক ঈশিতা ও দিদার যোগসাজশে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার ভুয়া সদস্য, কর্ণধার বা দূত হিসেবে দেশে-বিদেশে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে অপরাধ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত
|
তাদের আরও বেশ কয়েকজন সহযোগী সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে
|
তাদের ব্যাপারে অনুসন্ধান ও গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে
|
'://..//.?=বিষয়শ্রেণী:ধরন_অনুযায়ী_ক্যামেরা&=5212462' থেকে আনীত
|
বিষয়শ্রেণীসমূহ:
|
ক্যামেরা
|
ধরন অনুযায়ী বিষয়শ্রেণী
|
এ পৃষ্ঠায় শেষ পরিবর্তন হয়েছিল ১৬:১৭টার সময়, ২৫ জুন ২০২১ তারিখে
|
লেখাগুলো ক্রিয়েটিভ কমন্স অ্যাট্রিবিউশন/শেয়ার-আলাইক লাইসেন্সের আওতাভুক্ত; এর সাথে বাড়তি শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে
|
এই সাইট ব্যবহার করার মাধ্যমে, আপনি এটি ব্যবহারের শর্তাবলী ও এর গোপনীয়তা নীতির সাথে সম্মত হচ্ছেন
|
উইকিপিডিয়া®, অলাভজনক সংস্থা উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের একটি নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক
|
মাস নির্বাচন করুন জুলাই 2021 (3) জুন 2021 (2) সেপ্টেম্বর 2020 (3) আগস্ট 2020 (2) জানুয়ারী 2020 (1) ডিসেম্বর 2019 (1) এপ্রিল 2018 (1) ডিসেম্বর 2017 (1) আগস্ট 2017 (1) সেপ্টেম্বর 2016 (1) আগস্ট 2016 (3) জুলাই 2016 (4) জুন 2016 (7)
|
আমি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে বই দেখছিলাম
|
এখনকার মতোই তখনো আমার মাথার চুল, দাড়ি ছিল বড় বড়
|
পরনে ছিল কোট টাই
|
এক লোক আমার দিকে এগিয়ে এলো 'মাফ করবেন ভাই, আপনি কি মুসলিম?
|
'মুসলিম বলতে আপনি কী বুঝাচ্ছেন আমি জানি না
|
তবে আপনাকে একটা কথা বলি
|
আমি বিশ্বাস করি, আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয় এবং মুহাম্মাদ তার রাসূল
|
আমি উত্তর দিলাম
|
তিনি বলতে গেলে চেঁচিয়ে উঠলেন, 'আরে ভাই, আপনি তো মুসলিম! আমি বললাম, ও, তাই নাকি? আচ্ছা বেশ
|
তিনি বললেন, 'আসেন ভাই, নামাজের সময় হয়েছে
|
নামাজ পড়তে যাই
|
তিনি আমাকে ভালোকরে দেখিয়ে দিলেন, কী করে অযু করতে হয়
|
আমি সবার সাথে মসজিদে জামায়াতে নামাজ পড়লাম
|
মসজিদে ছিল উপচে পড়া ভিড়
|
আমার ধারণা সে দিনটা ছিল শুক্রবার
|
জানেনই তো, কেবল শুক্রবারেই মসজিদ মুসল্লিতে ভর্তি থাকে
|
নামাজ শেষে আমি ইমামের সাথে সবার সামনে শাহাদাহ উচ্চারণ করলাম
|
আমি নিচে নেমে আসতেই মুসল্লিরা সবাই আমাকে ঘিরে ধরলেন
|
বলতে গেলে সবাই চাইছিলেন ইসলামের খুঁটিনাটি সবকিছু পাঁচ মিনিটের মধ্যে আমাকে
|
পুরোপুরি বুঝিয়ে দিতে
|
অনেকে নামাজের নিয়মকানুন কাগজে লিখে তাদের নাম ঠিকানাসহ আমার হাতে দিয়েছিলেন
|
আলহামদুলিল্লাহ! মানুষগুলোর আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছিল
|
মসজিদ থেকে বের হয়ে আসার পর আমার মনে হচ্ছিল, আমি যেন গোসল করে উঠে এসেছি
|
আমার ভেতরটা এক স্নিগ্ধ, পবিত্র, প্রশান্ত অনুভূতিতে ভরে উঠেছিল
|
এই অনুভূতি এতই চমৎকার, তার সামনে মারিজুয়ানা (হেরোইনের মতোই এক ধরনের মাদক) তুচ্ছ!
|
মাঝেমাঝেই আমি সেই মসজিদে আসা-যাওয়া করতাম
|
কারণ, ওই মসজিদের সাথেই আমার পরিচয় ছিল
|
তা ছাড়া সেখানকার অনেক মুসল্লিই তত দিনে আমার সাথে ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন
|
এবার সময় হয়ে এল আমার গার্লফ্রেন্ডের মুখোমুখি হবার...
|
আমার বান্ধবী লন্ডনের বাইরে একটা ইউনিভার্সিটিতে পড়ত
|
আমি প্রায়ই তার সাথে দেখা করতে যেতাম
|
তার রুমে গেলে বাথরুমে ঢুকে অযু করে নিতাম
|
সে অবশ্য কখনো দেখেনি
|
একবার আমি কিবলামুখী হয়ে নামাজে দাঁড়িয়ে গেলাম
|
আমার গার্লফ্রেন্ড বিছানায় বসে বসে আমাকে দেখছিল
|
আমি নামাজ শেষে তার দিকে ফিরতেই, সে তীক্ষ গলায় জানতে চাইল, 'এটা তুমি কী করলে?" 'আমি মুসলমান হয়েছি তো, তাই নামাজ পড়ছিলাম
|
'কী...কী...' সে চিৎকার দিয়ে উঠল 'তুমি...তুমি কী হয়েছ? তুমি মুসলমান হয়েছ?' সে বিরামহীন চিৎকার করে গেল
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.