content
stringlengths 0
209k
|
|---|
জগৎজ্যোতি দাস : ইতিহাসের বীরশ্রেষ্ঠ
|
শিক্ষা বিস্তারে সরকারিকরণ
|
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি
|
বারবার কেন শিক্ষার্থীদের আন্দোলন করতে হচ্ছে
|
প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড আইন বিতর্ক
|
সহনশীলতা : সৃষ্টির শক্তি
|
ভোগ্যপণ্যের ওপর ডলারের দামের প্রভাব
|
খেলা বনাম রাজনীতি
|
সুবর্ণ দিনের প্রত্যাশায়
|
শহীদ ডা. মিলন ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন
|
ভারতের কৃষি আইন, মোদির ঘোষণা এবং রাজনীতি
|
তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন নির্দেশিকা কেন দরকার?
|
স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
|
সম্পাদকআলতামাশ কবির
|
নির্বাহী সম্পাদক: শাহরিয়ার করিম
|
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: কাশেম হুমায়ুন
|
সম্পাদক কর্তৃক দি সংবাদ লিমিটেড -এর পক্ষে ৮৭, বিজয়নগর, ঢাকা থেকে মুদ্রিত এবং প্রকাশিত
|
কার্যালয় : ৩৬, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০
|
যোগাযোগ
|
সংবাদ ডেস্ক: @.
|
সম্পাদকীয়: .@.
|
সংবাদ সাময়িকী: @.
|
অর্থনীতি: @.
|
খেলা: @.
|
বিনোদন: .@.
|
বিজ্ঞাপন: 123@.
|
36@.
|
কমার্শিয়াল ম্যানেজার: ০২-২২৩৩৫৪৭২২
|
ফোন: ০২-২২৩৩৮৭৩৯১
|
ফ্যাক্স: ৯৫৫৮৯০০
|
ইপেপার আজকের পত্রিকা জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক নগর-মহানগর খেলা বিনোদন প্রযুক্তি শিক্ষা অর্থ-বাণিজ্য সংস্কৃতি ক্যাম্পাস মিডিয়া অপরাধ ও দুর্নীতি রাজনীতি সম্পাদকীয় উপ-সম্পাদকীয় মুক্ত আলোচনা চিঠিপত্র পাঠকের চিঠি
|
ওমিক্রন হালকা মাত্রার রোগ: ডব্লিউএইচও
|
জাওয়াদের আঘাতে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি
|
ইভ্যালির চেয়ারম্যান-এমডির বিরুদ্ধে চেক প্রতারণার মামলা
|
মুন্সীগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণে বাবা ও দুই শিশুর পর চলে গেলেন মা শান্তাও
|
চরফ্যাশনে ট্রলার ডুবি ৪ দিনেও ২০ জেলের হদিস মেলেনি
|
সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে এসিডে ঝলসে দিয়েছে যুবকের শরীর
|
শ্বেতকণিকা ২৬ হাজারের বেশি হলেই করোনা রোগীর মৃত্যুঝুঁকি
|
১৮ দিন পর করোনায় মৃত্যুশূন্য দেশ
|
স্থায়ী ঠাঁই চায় মুক্তিযোদ্ধার বিধবা স্ত্রী ও প্রতিবন্ধী মেয়ে
|
নবাবগঞ্জে অস্ত্রসহ ৪ ডাকাত আটক
|
উপ-সম্পাদকীয়
|
উৎপাদনের ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রাখা উচিত
|
নিতাই চন্দ্র রায়
|
মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী ২০২১
|
সে অনুসারে আগামী চার বছরে পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য একটি রোডম্যাপ প্রণয়ন করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
|
রোডম্যাপে অংশ হিসেবে পিয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে বিভিন্ন কৌশলের মধ্যে রয়েছে-১. উচ্চফলনশীল জাত ও উন্নত পদ্ধতিতে চাষবাদ
|
২. ফসল প্রতিস্থাপন করে পেঁয়াজ চাষ এলাকা বৃদ্ধি
|
৩. আখ ও ভুট্টার সঙ্গে শীতকালীন এবং আদা, হলুদ ও মুখিকচুর সঙ্গে গ্রীষ্মকালীন পিয়াজের সাথি ফসলের চাষ
|
৪. মুড়িকাটা ও গ্রীষ্মকালীন পিয়াজের উৎপাদন বাড়ানো
|
৫. দেশব্যাপী ১ লাখ কৃষকের প্রতি এক শতক জমিতে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষের জন্য তিন টন বীজ বিতরণ
|
৬. বিশেষায়িত কোল্ড স্টোরেজে পেঁয়াজ সংরক্ষণের মাধ্যমে সংগ্রহোত্তর ক্ষতি কমিয়ে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ উৎপাদন বৃদ্ধি করা ও পেঁয়াজ চাষিদের প্রশিক্ষণ
|
রোডম্যাপ অনুযায়ী চলতি বছর পিয়াজের ফলন ২ লাখ টন বাড়ানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে
|
পরের বছর (২০২১-২২) ৩ লাখ ২২ হাজার টন, তার পরের বছর অর্থাৎ ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৩ লাখ ৫০ হাজার টন এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১০ লাখ টন অতিরিক্ত পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে
|
দেশে বর্তমানে পেঁয়াজ চাষের আওতায় জমির পরিমাণ ২ লাভ ৩৭ হাজার হেক্টর
|
এসব জমিতে মোট পিয়াজের উৎপাদন হয় ২৫ লাখ ৬৬ হাজার মেট্রিক টন
|
উৎপাদিত পিয়াজের মধ্যে রবি ৮১.৫৫ শতাংশ, মুড়িকাটি ১৮.১৯ শতাংশ এবং গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ০ দশমিক ১১ শতাংশ
|
হেক্টর প্রতি গড় ফলন ১০ দশমিক ৮২ টন
|
দেশে প্রতি বছর ২৫ লাখ টনের বেশি পেঁয়াজ উৎপাদিত হলেও এরমধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশ নষ্ট হয়ে যায়
|
তাই উৎপাদন ১৯ লাখ টনের মধ্যে থাকে
|
বীজ ও অপচয় বাদে মোট চাহিদা ২৫ লাখ ৯৬ হাজার টন
|
২৫ শতাংশ সংগ্রহোত্তর ক্ষতি বিবেচনায় উৎপাদন দরকার ৩৪ লাখ ৬১ হাজার টন
|
সে অনুযায়ী পিয়াজের ঘাটতি ৮ লাখ ৯৫ হাজার মেট্রিক টন
|
তাই প্রতি বছর চাহিদা মেটাতে ১০ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়
|
ডিএইর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৯০ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়
|
২০১৬-১৭ অর্থবছরে আমদানি করা হয় ১০ লাখ ৯৭ হাজার ৯২০ টন
|
২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১০ লাখ ৬৫ হাজার ৩৪০ টন
|
২০১৮-১৯ অর্থবছরে আমদানি করা হয় ১০ লাখ ৯১ হাজার টন
|
গত অর্থবছরে পেঁয়াজ আমদানি করা হয় ১০ লাখ ৭ হাজার ২২০ মেট্রিক টন
|
আমদানিকরা পিয়াজের পুরোটাই আসে ভারত থেকে
|
আর সামান্য পরিমাণে আসে চীন, মিশর, পাকিস্তানও মায়ানমার থেকে
|
রোডম্যাপ অনুযায়ী চলতি (২০২০-২১) অর্থবছরে ২৫ লাখ ৯৬ হাজার টন নিট চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে
|
২৫ শতাংশ ক্ষতিসহ পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৪ লাখ ৬১ হাজার টন
|
উৎপাদনশীলতা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উৎপাদন বাড়বে ৬ লাখ ২৫ হাজার টন
|
২ লাখ ৭০ হাজার টন আমদানির মাধ্যমে চাহিদা পূরণ করা হবে
|
পরের বছর (২০২১-২২) চাহিদা ধরা হয়েছে ২৬ লাখ ২৫ হাজার টন
|
ক্ষতিসহ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৩৫ লাখ টন
|
২০২১-২২ অর্থ বছরে ৬৮ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে
|
এভাবে চতুর্থ বছরে কোনো পেঁয়াজ আমদানির প্রয়োজন হবে না
|
বিদ্যমান পেঁয়াজ সংরক্ষণ ব্যবস্থা সনাতন ও মোটেও বিজ্ঞান সম্মত নয়
|
ব্যাপক ক্ষতির ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও পেঁয়াজকে ঘরে চিলেকোঠায় না হয় মাটির মেঝে বিছিয়ে অথবা পাটের বস্তায় মার্চ থেকে নভেম্বর অর্থাৎ চার থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সংরক্ষণের প্রাণান্তর চেষ্টা করা হয়
|
এ অবস্থায় পিয়াজের জাত ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা উপযুক্ত না হওয়ায় ৫০ থেকে ৯০ শতাংশ পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যায়
|
এতে সংরক্ষণকালীন শরীরতাত্ত্বি¡ক কারণে বিভিন্ন পর্যায়ে ওজন কমে যায়
|
যেমন আর্দ্রতা কমে পেঁয়াজ সংকুচিত হয় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ, পচনে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ এবং অসময়ে অঙ্কুরিত হয়ে ২০ থেকে ৪০ শতাংশ নষ্ট হয়
|
বিশেষ করে জুন ও জুলাই মাসে যখন অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বিরাজ করে, তখন পেঁয়াজ নষ্ট হয় বেশি
|
ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর এক আদেশে ১ জানুয়ারি থেকে সব ধরনের পিয়াজের ক্ষেত্রে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে
|
এ সিদ্ধান্তের পর থেকে দিনাজপুরের হিলি, সাতক্ষীরার ভোমরা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে
|
উৎপাদনের এই ভরা মৌসুমে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানির ফলে গত কয়েক দিনে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম ৮ থেকে ১০ টাকা কমে বর্তমানে খুচরা ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে
|
এতে দেশের পেঁয়াজ চাষিদের মধ্যে পণ্যটির ন্যায্যমূল্য নিয়ে এক ধরনের আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে
|
অন্যদিকে বিকল্প দেশ থেকে আমদানি করা পিয়াজের দাম কমে দাঁড়িয়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজিতে
|
মিসর ও চীন থেকে প্রতি কেজি পেঁয়াজ আমাদানিতে ব্যবসায়ীদের খরচ পড়েছে প্রায় ৪০ টাকা
|
এই সময়ে ভারতীয় পিয়াজের আমদানি হলে আমদানিকারকরাও বিপুল পরিমাণ লোকসানের সম্মুখীন হবেন এবং সংকটকালে ভারত ছাড়া অন্যান্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে নিরৎসাহিত হবেন
|
গত বছর কেজি প্রতি পিয়াজের উৎপাদন খরচ ছিল ১৮ থেকে ২০ টাকা
|
এ বছর তা বেড়ে দাঁড়াতে পারে ২০ থেকে ২২ টাকা
|
ফরিদপুরের পেঁয়াজ চাষিরা জানান, বর্তমানে পাইকারিতে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৭ থেকে ২৮ টাকা
|
কৃষক বিক্রি করছেন ২৪ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে
|
আর খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে
|
এই সময় ভারতীয় পেঁয়াজ বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশ করলে পিয়াজের দাম কমে যাবে
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.