content
stringlengths 0
209k
|
|---|
সামাজিক বহিস্করণ, উচ্চ মাত্রার দারিদ্র, নিরাপত্তাহীন জীবনজীবিকা, জীবনধারণের সুযোগসুবিধার হতাশাজনক পরিস্থিতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যপরিষেবার চরম সীমিত সুযোগ এবং রাষ্ট্রীয় হিংস্রতা - আদিবাসী সমাজের নিরন্তর দারিদ্রকরণ ঘটিয়ে চলা এই সবকিছুর বিরুদ্ধে লড়াই কর
|
৬
|
"শিডিউলড ট্রাইব" সাংবিধানিক ক্যাটেগরিতে আদিবাসী সম্প্রদায়গুলিকে চিহ্নিত কর যা আদিবাসী সম্প্রদায়গুলির বিশিষ্টতাকে স্বীকৃতি দেবে এবং দেশজুড়ে অনেক আদিবাসী সম্প্রদায়কে বাদ দেওয়ার অন্যায়কে সংশোধন করবে
|
৭
|
পঞ্চম ও ষষ্ঠ তপশীলকে যথাযথ ও পরিপূর্ণ অন্তর্বস্তুতে লাগু কর
|
৮
|
পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তরাখণ্ড, গোয়া, তামিলনাড়ু, কেরালা, কর্ণাটক সহ অন্যান্য যেসব রাজ্যে এখনও আদিবাসী জনতাকে অধিকার বঞ্চিত করে পঞ্চম তপশীল লাগু হয়নি সেসব রাজ্যে অবিলম্বে তপশীলভুক্ত এলাকা ঘোষণা করে পঞ্চম তপশীল বলবৎ কর
|
৯
|
পঞ্চায়েত প্রবিধান (তপশীলভুক্ত এলাকায় সম্প্রসার) আইন, ১৯৯৬ (পেশা আইন) নিশ্চিত কর যা "আমাদের গ্রামে আমাদের শাসন" নীতি মূর্ত করে রাষ্ট্রনির্ভরতা থেকে সরে এসে আদিবাসী স্বার্থ সুরক্ষিত করার লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছিল
|
১০
|
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে উন্নয়ন বা সংরক্ষণ প্রকল্পের মাধ্যমে যে সমস্ত আদিবাসীদের উচ্ছেদ করা হয়েছে তাদের সকলের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত কর
|
১১
|
বিপুল সংখ্যায় দেশের অন্যত্র কাজের সন্ধানে আদিবাসীদের পরিযানের নিদারুন অবস্থার বিহিত কর, নিজের রাজ্যে তাদের জীবনজীবিকা সুরক্ষিত কর ও পরিযায়ি শ্রমিক হিসেবে তাদের অধিকার সুরক্ষা কর
|
১২
|
ডি-নোটিফায়েড, যাযাবর ও আধা-যাযাবর আদিবাসী সম্প্রদায় রাষ্ট্র ও সমাজের দ্বারা নৃশংস হিংসা ও বৈষম্যের শিকার হয়, তাদের সুবিচার দাও
|
১৩
|
বিশেষভাবে বিপন্ন আদিবাসী গোষ্ঠি (পিভিটিজি সমূহ)-র অস্তিত্ব-সংকটের বিহিত করতে তাদের উচ্চ মৃত্যুহার, নিরন্তর দারিদ্র, অপুষ্টি ও অনাহার এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার চরম অপ্রতুল সুযোগ ও জীবনজীবিকা রক্ষার বিপন্নতাকে আটকাও
|
১৪
|
ছোটনাগপুর টেনান্সি অ্যাক্ট ১৯০৮, সাঁওতাল পরগণা টেনান্সি অ্যাক্ট ১৯৪৯ এবং আদাবাসীদের জমি অ-আদিবাসীদের হাতে পাচার করা আটকাতে বিভিন্ন রাজ্যের বা কেন্দ্রের অন্যান্য যেসব আইন আছে সেগুলি কঠোরভাবে বলবৎ কর
|
১৫
|
অরণ্যের অধিকার আইন ২০০৬ কঠোরভাবে বলবৎ কর, অন্যান্য সমস্ত আইনে সংশোধনী এনে এই আইনের অধীনে সাযুজ্যপূর্ণ কর
|
বিশেষ করে
|
ক) ভারতের সমস্ত বনাঞ্চলে অরণ্যের অধিকার আইন ২০০৬ পরিপূর্ণভাবে লাগু করার পথ ঠিক করতে এবং এই আইন লাগু করার জন্য পর্যাপ্ত তহবিল বরাদ্দ ও মানব সম্পদ নিয়োগ করতে পার্লামেন্টের একটি বিশেষ অধিবেশন ডেকে আলোচনা হোক
|
খ) আদিবাসী, অরণ্যচারী ও বনে কর্মরত শ্রমিকদের অরণ্যের অধিকার আইনের আওতায় জমির ওপর সমষ্টিগত মালিকানার দাবি অনুমোদনের ব্যবস্থাপনা সহজসাধ্য কর
|
গ) অরণ্য অধিকার আইনের আওতায় ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত জমি মালিকানার দাবিগুলি অনুমোদন বা খারিজ করার পদ্ধতিতে স্বচ্ছতা আনো যাতে খারিজের ক্ষেত্রগুলিতে প্রয়োজনে সহজে পুনরাবেদন সম্ভবপর হয়
|
ঘ) অরণ্য অধিকারের দাবিগুলি যে অফিসারেরা খতিয়ে দেখে তাদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা হোক
|
ঙ) অরণ্য অধিকার আইনের জন্য একটি জাতীয় মিশন চালু কর যা নিম্নলাখিত উদ্দেশ্যগুলি পূরণ করবে
|
অরণ্য অধিকারের যোগ্য সমস্ত সম্ভাব্য গ্রামগুলিকে তার আওতায় আনবে
|
সমস্ত গোষ্ঠিগত অরণ্য সম্পদের অধিকার, সমস্ত গৌণ অরণ্য উৎপাদের ওপর বিশেষ বিপন্ন ট্রাইব, যাযাবর ট্রাইব ও পশুপালক ট্রাইবদের অধিকার, অন্যান্য পরম্পরাগত অরণ্যবাসীদের অধিকার, মহিলাদের অধিকার, উচ্ছেদ হওয়া সম্প্রদায়ের অধিকার ও সমস্ত ফরেস্টের রূপান্তরকে স্বীকৃতি দেবে, গ্রামগুলো সার্ভে করবে
|
এসটি ও অন্যান্য অরণ্যবাসীর খারিজ হয়ে যাওয়া ও বকেয়া দাবিগুলি পুনরায় খতিয়ে দেখা
|
সমষ্টিগত অরণ্য অধিকারের ব্যবস্থাপনা ও শাসনের জন্য গ্রামসভাগুলির ক্ষমতায়ন
|
ক্ষতিপূরণমূলক বনসৃজন ও এমজিএনআরইজিএ ইত্যাদির কাজে গ্রামসভাগুলির জন্য অরণ্য বিকাশ তহবিল সুলভ করা
|
এমজিএনআরইজিএ, গণবন্টন ব্যবস্থা সহ সমস্ত প্রাসঙ্গিক সরকারি প্রকল্পকে অরণ্যের অধিকার আইনের সাথে সংযুক্তিকরণ ও সমন্বয় নিশ্চিত করা
|
কেন্দ্রীয় বাজেট ও আর্টিকেল-২৭৫ এর অধীনে অরণ্য অধিকার আইন তহবিলে অতিরিক্ত বরাদ্দ করা
|
জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধ প্রশ্নে দায়বদ্ধতা মেনে অরণ্য ও ভূপ্রকৃতির পুনস্থাপনের কাজ যাতে গ্রামসভাগুলির প্রত্যক্ষ সমর্থনে সম্পন্ন হয় তা নিশ্চিত করা
|
১৬
|
সাম্প্রতিক কর্পোরেট স্বার্থবাহী তিন কৃষি আইন ও চার শ্রমকোড এবং সিএএ/এনআরসি সহ জনবিরোধী আইনগুলির বিরোধ ও প্রত্যাহার নিশ্চিত করা যে আইনগুলি আদিবাসীদেরও, অধিক মাত্রায় না হলেও অন্তত সমান মাত্রায়, ক্ষতিগ্রস্ত করে
|
১৭
|
গৌণ অরণ্য উৎপাদনের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত কর
|
গ্রামসভা ও অরণ্যবাসী ব্যক্তিদের দ্বারা সংগৃহীত বা আহরণ করা সমস্ত অরণ্য উৎপাদনের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত কর
|
সমষ্টিগত অরণ্য সংস্থাগুলিকে সাপোর্ট দেওয়ার ব্যবস্থাপনা গড়ে তোল
|
১৮
|
আদিবাসীদের ওপর, বিশেষত শিশু ও নারীদের ওপর পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনীর চালানো হেফাজতে নির্যাতন, ধর্ষণ ও ফেক এনকাউন্টার হত্যার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ কর
|
১৯
|
বর্তমানে বিচারাধীন অবস্থায় কারাবন্দী সমস্ত আদিবাসী, দলিত ও অরণ্যচারী এবং গ্রামীণ ও শহুরে গরিবদের নামমাত্র আর্থিক জামিনে মুক্ত কর
|
২০
|
মিথ্যা মামলা খারিজ করা এবং নির্দোষ ব্যক্তিদের মুক্তি ও ক্ষতিপূরণের লক্ষ্যে আদিবাসী ও অরণ্যচারীদের বকেয়া ফৌজদারি মামলাগুলি পুনরায় খতিয়ে দেখার জন্য প্রতিটি রাজ্যে সময়-নির্দিষ্ট বিচারবিভাগীয় কমিশন গঠন করতে হবে; এরকম উদ্দেশ্যমূলক হিংসাপরায়ন সাজাপ্রদানের জন্য দায়ি সব পুলিশ কর্মীদের চিহ্নিত করে শাস্তি দাও
|
২১
|
কর্পোরেটদের লুন্ঠন ও ধ্বংসের ছাড় দিয়ে আদিবাসীদের ওপর চালানো নির্মম রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস অবিলম্বে বন্ধ কর
|
অধিকারের জন্য লড়াই করা আদিবাসীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী আইনকে হাতিয়ার বানানো, বিশেষত পুলিশী হত্যা, বন্ধ কর
|
২২
|
সমাজের আধিপত্যকারী অংশের দ্বারা এবং পুলিশ ও ফরেস্ট আধিকারিকদের দ্বারা অত্যাচার, বৈষম্য ও লাঞ্ছনা সহ নিত্যদিনের হিংস্রতারূপে আদিবাসীদের জীবনের ওপর চলা 'দৈনন্দিন অত্যাচার'-এর অবসান ঘটাও
|
এসসি-এসটি (নিপীড়ন নিবরণ) আইন ১৯৮৯ শক্তিশালী করে তা কঠোরভাবে লাগু করা এর অন্তর্ভুক্ত
|
২৩
|
আদিবাসী এলাকাগুলিতে সম্পূর্ণ বে-সামরিকীকরণ ও পুলিশ ব্যবস্থার শাসন কায়েম কর
|
২৪
|
উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে আদিবাসীদের বিপর্যস্ত করা সংঘাতগুলির সমাধান করতে আলাপ আলোচনা চালু কর ও সশস্ত্র সেনার বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৫৮ (আফস্পা) প্রত্যাহার কর
|
সশস্ত্র সেনার দ্বারা বিচারবহির্ভূত হত্যা, ধর্ষণ ও হয়রানির সমস্ত ঘটনাগুলি কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে ও সেই অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে
|
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
|
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন
|
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
|
এই 'বিষয় পরিচিতি'টি নিম্নোক্ত ভাষায় অনূদিত:: আরবী - ইংরেজি - কন্নড় - তেলেগু - নেপালি - চীনা - ফরাসি - থাই - মালয়ালাম - বসনিয়ান - ভিয়েতনামিজ - ফার্সি - বাম্বারা - উওলোফ - হিন্দি - উযবেক - উইগুর - সোমালি - কুর্দি - উর্দু - স্প্যানীশ - আকানি - ডাচ - সিনহালি - তামিল - তাজিক - তুর্কি - আমহারি - আফার - কাজাক - আলবেনি - সুওয়াহিলি - অসমীয়া - মূরী - ইন্দোনেশিয়ান - হাউসা - তিগ্রীনি - মানডিঙ্কা ভাষা - চেরকেসিয়ান - তুর্কমেন - মেসেডোনিয়ান
|
প্রদানকারী: আপনার ক্যারিয়ার নির্বাচন করুন &
|
নভেল করোনাভাইরাসের মহামরীতে এমনিতেই বৈশ্বিক কৃষি খাতের নড়বড়ে অবস্থা
|
তারপর আবার নতুন আতঙ্কে পরিণত হয়েছে মরু পঙ্গপাল
|
গত বছরে আফ্রিকার কয়েকটি দেশের কৃষি খাতে মারাত্মক ক্ষতি করেছে এরা
|
চলতি বছরও তাণ্ডব থামেনি
|
আফ্রিকা থেকে মধ্যপ্রাচ্য হয়ে পাকিস্তান এবং সর্বশেষ ভারতে হানা দিয়েছে বিশাল ঝাঁকবদ্ধ এ পতঙ্গ
|
এরই মধ্যে ভারতের ব্যাপক এলাকাজুড়ে পঙ্গপালের উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে
|
কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পঙ্গপাল আক্রমণের শিকার হতে পারে, এমন প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে ভারত
|
২০১৯ সালে ভারতের গুজরাট ও রাজস্থানে অল্পবিস্তর পঙ্গাপাল আক্রমণের ঘটনা ঘটেছিল
|
তবে চলতি বছরের শেষ নাগাদ পরিস্থিতি প্রকট আকার ধারণ করতে পারে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা
|
গত ফেব্রুয়ারিতে তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ আক্রমণের শিকার হয় পাকিস্তান
|
এরপর সিন্ধু প্রদেশ হয়ে গত ১১ এপ্রিল ভারতে ঢুকে পড়ে বিধ্বংসী পতঙ্গের দল
|
রাজস্থানের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে শুরু হয় পঙ্গপালের আক্রমন
|
এরপর পার্শ্ববর্তী রাজ্য মধ্যপ্রদেশে হানা দেয় এরা
|
মে মাসের শেষ নাগাদ ভারতের রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ বাদেও গুজরাট, মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও উত্তর প্রদেশে পঙ্গপাল প্রাদুর্ভাবের খবর পাওয়া গেছে
|
ভারতের পঙ্গপাল সতর্কীকরণ সংস্থার (এলডব্লিউও) তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে সর্বশেষ ২০১০ সালে বড় আকারে পঙ্গপাল আক্রমণের ঘটনা ঘটেছিল
|
১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৯৭ সালের মধ্যে মোট ১৩টি পঙ্গপাল বিপর্যয় ঘটেছে দেশটিতে
|
১৯৯৭ থেকে ২০১০ পর্যন্ত মোট পাঁচটি প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে ভারত
|
এর পর থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দেশটিতে কোনো বড় ধরনের পতঙ্গেও ঝাঁক বা প্রজননের ঘটনা ঘটেনি
|
তবে ২০১৯ সালে এসে দেশটির গুজরাট ও রাজস্থানে পঙ্গপালের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়
|
ওই সময়ে এ অঞ্চলের সাড়ে তিন লাখ হেক্টর জমির জিরা, রাই ও সরিষার ব্যাপক ক্ষতি করে দলটি, যা ছিল ১৯৯৩ সালের পর ভারতে পঙ্গপালের সবচেয়ে ভয়াবহ আক্রমণ
|
আন্তর্জাতিক মহলে পঙ্গপাল মূলত লোকাস্ট নামে পরিচিত
|
এটি এক ধরনের ঘাসফড়িং
|
ইঞ্চি খানেক দৈর্ঘ্যের এ নিরীহ পতঙ্গটি স্বভাবগতভাবে একা থাকতে পছন্দ করে
|
তবে বিশেষ কারণে এরা স্বপ্রজাতির সঙ্গে দলবদ্ধ হয়ে বিশাল ঝাঁকে পরিণত হয়
|
একেক ঝাঁকে সাধারণত কয়েক লাখ থেকে এক হাজার কোটি পতঙ্গ থাকতে পারে
|
তখন এটি আর কোনো সাধারণ বা নিরীহ পোকা থাকে না
|
হয়ে ওঠে বিধ্বংসী পঙ্গপালে
|
জাতিসংঘের বিশেষায়িত খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, একটি প্রাপ্তবয়স্ক পতঙ্গ দৈনিক দুই গ্রাম শস্য খেতে পারে, যা তার নিজের ওজনের সমান
|
এক বর্গকিলোমিটার এলাকাব্যাপী পঙ্গপাল যে পরিমাণ খাবার খায়, তা দিয়ে ৩৫ হাজার মানুষকে এক বছর খাওয়ানো সম্ভব
|
পঙ্গপাল মূলত আধা মরুভূমি বা আধা শুষ্ক আবহাওয়ায় টিকে থাকে
|
সাম্প্রতিক সময়ের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে অকাল ও দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টিপাত এবং ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়ের মতো ঘটনা এদের বংশ বিস্তারের পক্ষে কাজ করছে
|
গত বছর ভারত মহাসাগরীয় ডিপোল, যা সাধারণত ভারতীয় নিনো নামে পরিচিত এতটাই শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল যে জুনের দিকে প্রচণ্ড দাবদাহের উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছিল
|
এর প্রভাবে গত বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে শুরু হয় প্রবল বৃষ্টিপাত, যা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এক মাস বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়েছিল
|
গত বছর বৃষ্টিপাতে এক দশকের রেকর্ড ছাড়িয়ে যায় ভারত
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.