content stringlengths 0 209k |
|---|
জীবন+ধারা |
সাজকথারান্নাবান্নাসম্পর্কবেড়ানোঅন্দরকথাস্বাস্থ্যই সম্পদ |
জীবনরেখা |
জ্যোতিষকথাশুভ দিনআজ জন্মদিন হলেআপনার প্রশ্ন জ্যোতিষীর উত্তর |
ব্যবসা |
আপনার টাকাসোনার দামরুপোর দামজ্বালানির দাম |
অন্যান্য |
রবিবাসরীয়পত্রিকাঅবসর |
সাত পাকে বাঁধা |
পাত্রপাত্রী |
, , ' |
কিসের কেলেঙ্কারি? ফলক আমাকে জিজ্ঞাসা করে লাগিয়েছিল? পাল্টা প্রশ্ন ফিরহাদের |
নিজস্ব সংবাদদাতা |
কলকাতা ২৬ জুন ২০২১ ১৫:৫৬ |
ফিরহাদ হাকিম |
ফাইল চিত্র |
তালতলায় রবীন্দ্রমূর্তির ফলকে রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে দেবাঞ্জন দেবের নাম নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের মন্ত্রী ও কলকাতা পুরসভার পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম |
শনিবার ফিরহাদ জানান, তিনি ওই ফলকের বিষয়ে কিছু জানেন না |
বলেন, ''কারা ওই ফলক লাগিয়েছিল, তা জানি না |
ফলকের অনুষ্ঠানে আমরা যাইনি |
'' মন্ত্রীর প্রশ্ন, ''কিসের কেলেঙ্কারি? ফলক কি আমাকে জিজ্ঞাসা করে লাগিয়েছিল? নাম থাকলেই কি বড় কেলেঙ্কারি? নরেন্দ্র মোদী ও নীরব মোদীর এক সঙ্গে ছবি আছে |
তাঁদের বৈঠকের ছবি রয়েছে |
এটার কে তদন্ত করবে? একজনকে নমস্কার করলেই কি কেলেঙ্কারি হয়ে যায়?'' |
দেবাঞ্জনের একের পর এক কীর্তি সামনে আসার পরই ওই ফলকে নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে তাঁর নাম থাকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয় |
তার পর শুক্রবার বিকেলে ফলকটি তুলে ফেলা হয় |
ফলক নিয়ে ফিরহাদের আরও দাবি, ''ওই ফলক লাগানোর ওয়ার্ক অর্ডার নেই |
আমরা ওই অনুষ্ঠানে যাইনি |
আমার নামে এমন কত ফলক আছে, তা আমি নিজেই জানি না |
আমরা যারা রাস্তায় নেমে মানুষের কাজ করি, তাদের কান ধরে অপদস্থ করার সুযোগ বেশি পাওয়া যায় |
তাও আমরা কাজ করে যাব |
'' |
শুধু তাই নয়, ভুয়ো টিকা-কাণ্ডে কড়া বার্তা দিয়েছেন মন্ত্রী |
তিনি বলেন, ''মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে |
অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে |
এটা বাংলা |
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অন্যায় বরদাস্ত করেন না |
'' |
ভুয়ো টিকা নিয়ে ফিরহাদ বলেন, ''আমরা রোজ কেউ না কেউ, কাউকে না কাউকে গালাগালি করি |
কিন্তু, এতকিছুর মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্বাস্থ্য দফতর যাঁরা ভুয়ো টিকা নিয়েছেন তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাচ্ছেন |
যাঁরা ভুয়ো টিকা নিয়েছেন, তাঁদের দুশ্চিন্তা রয়েছে |
ভুয়ো শিবিরে অনেকেই প্রতারিত |
তাঁদের বিশ্বাস ফেরাতে হবে |
কিন্তু, তাঁদের সবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা আগে জরুরি ছিল |
আর সেটাই করা হয়েছে |
'' যেখান সেখান থেকে কোভিডের টিকা না নিতেও অনুরোধ করেন পুর প্রশাসক |
বলেন, ''কলকাতা শহরের ক্ষেত্রে পুরসভার নির্দিষ্ট কেন্দ্রে টিকা নিন |
যে কোনও সরকারি হাসপাতালে টিকা নিতে পারেন |
সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলার সিএমওএইচ-র বলে দেওয়া হাসপাতাল থেকে টিকা নিন |
'' |
এই কবিতাটির পুরো স্বত্ব এর কবি কর্তৃক সংরক্ষিত |
কবির অনুমতি ব্যতীত এবং কবির নাম ছাড়া অন্য কোথাও এই কবিতাটি প্রকাশ করা হলে তা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন বলে বিবেচিত হবে |
রায়হানুল ইসলাম :: মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন নীরবে |
এলাকার মানুষের পাশে রয়েছেন পাঁচ যুগের বেশি সময় ধরে |
তার একান্ত ইচ্ছা এলাকার প্রতিটি ঘরে ঘরে সুখ শান্তি বজায় থাকুক |
এলাকার ছেলে মেয়েরা পড়াশোনায় উচ্চশিক্ষিত হয়ে গড়ে তুলুক শিক্ষিত সমাজ, সচল হোক অর্থনীতির চাকা |
কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে অনেক কিছুই সম্ভব নয় |
জনগনের ভালবাসা, জনগনকে নিয়ে পথচলা আর এখন পর্যন্ত তিনি হাঁটছেন, স্বপ্ন দেখছেন, স্বপ্ন বুনছেন মানবসেবার |
যা সবসময়ই করে এসেছেন |
সান্তাহার পৌরসভার পাশে নওগাঁ জেলার নওগাঁ সদর থানার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের ছোট্ট একটি গ্রাম দোগাছী |
১৯২৭ সালের ৩ মার্চ সেই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আলহাজ্ব মো. আফজাল হোসেন সরদার |
বাবা হাজী মৃত জহির উদ্দিন সরদার পেশায় একজন গৃহস্থ পাশাপাশি রেলওয়ে চাকরি করতেন |
মা আয়মন বিবি ছিলেন একজন গৃহিনী |
উনারা চার ভাই আর এক বোন |
উনার বাবার সন্তানের মধ্যে তিনি প্রথম সন্তান |
গ্রামের স্কুল থেকে প্রাথমিক এবং সান্তাহার কলসা আহসানউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পাশ করেছেন |
ছোটবেলা থেকেই তিনি মেধাবী ছাত্র ছিলেন |
অল্প বয়সে সংসারের দায়িত্ব নেয়ার কারণে পড়াশোনা বেশি এগিয়ে নিতে পারেননি |
সবস্তরেই তিনি শিক্ষকদের অত্যন্ত স্নেহের পাত্র ছিলেন |
ছাত্রজীবনে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অনেক পুরস্কারপ্রাপ্ত হয়েছেন |
অনেক অনুষ্ঠানের সংগঠক ও পরিচালক হিসাবে বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন |
তার স্ত্রী আমেনা বেগম ও চার কন্যা এবং চার ছেলে নিয়ে তার সুন্দর সাজানো ছন্দময় পরিবার |
কিন্তু এই ছন্দময় দাম্পত্য জীবন বেশি দীর্ঘায়িত হয়নি |
১৯৪৮ সালে বিয়ে করেন |
চল্লিশ বৎসরের দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করে হৃদরোগ আক্রান্ত হয়ে ১৯৮৮ সালের অক্টোবরে পরলোকে চলে যান স্ত্রী আমেনা বেগম |
ঠিক এক বছর পর দ্বিতীয় বিবাহে আবদ্ধ হন তিনি |
তার বড় ছেলে মৃত মো. আতোয়ার হোসেন সান্তাহারে ব্যবসা করতেন |
দ্বিতীয় ছেলে মো. আকরাম হোসেন এখন নওগাঁতে ব্যবসা করেন |
তৃতীয় ছেলে মো. গোলাম মোস্তফা সুটু সান্তাহারে ব্যবসা করেন |
তিনি সান্তাহার গ্রামীণ ফুডসের ব্যবস্থাপক পরিচালক এবং সান্তাহার পৌর যুবলীগের সভাপতি |
তার ছোট ছেলে মো. আরফি বর্তমানে প্রবাসী |
সান্তাহার ও আশপাশের র্দীঘ এলাকা জুড়ে আলহাজ্ব আফজাল হোসেন সরদার (আফজাল সাহেব) একজন ভাল মানুষ হিসাবে ব্যাপক সমাদৃত |
তিনি একজন দানশীল ও গরীব হিতৈষী বলেও সমাধিক পরিচিত |
এলাকার মাদ্রাসা ও মন্দির সমূহে তার অনুদান বিশেষভাবে উলেখযোগ্য |
এলাকার গরীব দুঃখীদের মাঝে সাধ্য মতো তার সহযোগীতার হাত সদা উম্মুক্ত |
শিক্ষা ক্ষেত্রে গরীব মেধাবীদের জন্য তার অনেক সহযোগীতার কথা বেশ প্রচলিত |
পাঠ্যবই ক্রয় বা পরীক্ষার ফি বাবদ অনেক গরীব ছাত্র-ছাত্রী তার সহানুভূতির ছোঁয়া পেয়েছে |
কন্যাদায়গ্রস্থ পিতামাতা বা রোগাক্রান্ত গরীব তার শরনাপন্ন হয়ে বঞ্চিত হয়নি |
রাজনৈতিক অঙ্গনে আফজাল সাহেবের আগমন খুব পুরনো বলা চলে অনেক দিনের |
১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন এর সময় সান্তাহারে একটি জনসভা হয়েছিল |
সেই জনসভায় সে সময়ের দেশের বাঘা বাঘা জাতীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন |
যেমন- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী |
জনসভায় তিনি অগ্রণী ভুমিকা রেখেছিলেন |
এমনকি নেতারা জনসভার একপর্যায়ে তেল এবং পেঁয়াজ দিয়ে মুড়ি মাখা খেতে চাইলে তিনি সেটারও আয়োজন করেছিলেন |
তিনি সক্রিয় রাজনীতির শুরু করেছিলেন আওয়ামী মুসলিম লীগের সাথে |
বঙ্গবন্ধুকে খুব পছন্দ করতেন সেজন্য একপর্যায়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হোন |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.