content
stringlengths
0
209k
মোঃ শহীদুল হক ভূঁঞা, এন.ডি.সি, ১২/০৮/২০২১ তারিখে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)-এর চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করেন
(জীবন বৃত্তান্ত)
ব্যবস্থাপনা পরিচালক
জনাব মোঃ আবুল কালাম আজাদ
ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)
জনাব মোঃ আবুল কালাম আজাদ গত ১৮/০৫/২০২১ ইং তারিখে বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)এর নিয়ন্ত্রনাধীন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড (ইসিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত)
--- বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
এবার সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনসহ ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে
এতে আগুন ধরে যায় ইঞ্জিনসহ চার বগিতে
আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন
বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে উল্লাপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে
এ কারণে ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে
দুর্ঘটনায় ট্রেনের লোকোমাস্টার (চালক), সহকারী লোকোমাস্টারসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন
তাদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় পাওয়া গেছে
তারা হলেন- লোকোমাস্টার তারিক রহমান, পাবনার ভাঙ্গুড়া গ্রামের সাথী বেগম, তার দুই সন্তান মোস্তাক ও সাইফুল
তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে
এদিকে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উল্লাপাড়া পৌর মেয়র এস এম নজরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুজ্জামান আরিফ ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফাসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা
উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নাজির হোসেন ও সহকারী স্টেশন মাস্টার রফিকুল ইসলাম জানান, ঢাকা থেকে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে রংপুরগামী (৭৭১) রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ছেড়ে আসে
দুপুর সোয়া ২টার দিকে উল্লাপাড়া রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় পৌঁছার আগেই ইঞ্জিন লাইনচ্যুত হয়
এতে চারটি বগির সঙ্গে ধাক্কা লেগে ইঞ্জিনসহ ৯টি বগি ট্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে
এ সময় ইঞ্জিনসহ চারটি বগিতে আগুন ধরে যায়
খবর পেয়ে সিরাজগঞ্জ ও উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন
ইউএনও আরিফুজ্জামান বলেন, উল্লাপাড়া স্টেশনে পয়েন্টিং সিগন্যালের ভুলের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে
কয়েকজন আহত হয়েছেন
আহত পাঁচ-ছয়জনকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে
বাংলাদেশে এর ব্যবহৃত ভ্যান খুঁজে নিন
বাংলাদেশ এ সবচেয়ে বড় ব্যবহৃত ভ্যান লিস্টিং সাইট হিসেবে, . আপনাকে আপনার পছন্দানুযায়ী গাড়ি খুঁজতে সাহায্য করতে পারে
সর্বোত্তম মূল্যের পাশাপশি সেরা গাড়িগুলো আপনি এখান থেকে বেছে নিতে পারবেন
নতুন এবং ব্যবহৃত ভ্যান কিনুন
সারাদেশে পণ্য পরিবহনের জন্য এর সেরা ভ্যানগুলো বেছে নিন
বাংলাদেশ এ অনলাইনে বিক্রির জন্য টি বিজ্ঞাপন থেকে ভ্যান ব্রাউজ করুন
কন্ডিশন, মূল্য, মডেল ইয়ার এবং কিমিঃ অনুযায়ী ভ্যান ফিল্টার করুন
বাংলাদেশ এ আপনার ভ্যান কেনার আগের সমস্ত বৈশিষ্ট্য, সাল, কালার, মডেল এবং অন্যান্য তথ্য যাচাই করে নিন
সর্বাধিক বিক্রিত ভ্যান মডেলগুলোর মধ্যে রয়েছে
৪-৫টি চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে ভালভাবে জমি তৈরি করতে হবে
জমিতে যাতে আগাছা না থাকে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে
বপনের সময়ঃ
সাধারণত অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ হতে মধ্য নভেম্বর (কার্তিকের দ্বিতীয় হতে শেষ সপ্তাহ) পর্যন্ত এ জাতের সরিষা বপন করার উপযুক্ত সময়
বীজের হারঃ
একর প্রতি ২.৮-৩.০ কেজি বীজ ছিটিয়ে বা ২.২০-২.২৫ কেজি বীজ ১০-১২ ইঞ্চি (২৫-৩০ সে.মি.) দূরত্বে সারিতে বপন করতে হবে
সার ও প্রয়োগ পদ্ধতিঃ
কৃষি পরিবেশ অঞ্চলভেদে সারের মাত্রা কম-বেশি হয়
তাই সাধারণভাবে একর প্রতি ইউরিয়া ১০০-১৩০ কেজি, টিএসপি ৭২-৮৫ কেজি, এমওপি ৩৫-৪২কেজি, জিপসাম ৬০-৭২ কেজি, জিংক সালফেট ৪ কেজি এবং বরিক এসিড ৩ কেজি বা বোরাক্স সার ৫ কেজি হারে প্রয়োগ করতে হবে
অর্ধেক পরিমাণ ইউরিয়া এবং অন্যান্য সারের সবটুকু জমি তৈরির শেষ চাষের পূর্বে প্রয়োগ করে মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে
বাকী অর্ধেক ইউরিয়া ফুল আসার আগে অর্থ্যাৎ বীজ বপনের ২০-২৫ দিন পর উপরি প্রয়োগ করতে হবে
সেচ ও নিস্কাশনঃ
মাটিতে রসের অভাব হলে চারা গজানোর ২০-২৫ দিন পর প্রথম সেচ এবং প্রয়োজনে ফুল ফোঁটা শেষ হলে দ্বিতীয় সেচ দিতে হবে
তবে জমিতে পর্যাপ্ত রস থাকলে সেচ দেয়ার প্রয়োজন নেই
আগাছা দমন এবং মালচিংঃ
চারা গজানোর ১৫-২০ দিন পর একবার নিড়ানি দিয়ে আগাছা এবং অতিরিক্ত চারা উঠিয়ে ফেলতে হবে
বালাই ব্যবস্থাপনাঃ
অনুকূল আবহাওয়ার কারণে অলটারনারিয়া ব্লাইট রোগের প্রকোপ বেড়ে গেলে প্রতি লিটার পানিতে ২-৩ গ্রাম রোভরাল-৫০ ডব্লিউপি ৮-১০ দিন পর পর ৩-৪ বার স্প্রে করতে হবে
জাবপোকার আক্রমণ হলে ম্যালাথিয়ন-৫৭ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ২.০ মি.লি. হিসাবে মিশিয়ে সম্পূর্ণ গাছ ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে
সুমিত্রা পদ্মনাভন|2009-12-0619:07:08+06:00ডিসেম্বর 6, 2009|: বিতর্ক, মুক্তমনা, যুক্তিবাদ|105
হোমিওপ্যাথি কতটা বিজ্ঞানসম্মত?
সুমিত্রা পদ্মনাভন
২০০৭- এ বিখ্যাত বিজ্ঞান পত্রিকা 'নেচার'-এ একটি বিশেষ প্রতিবেদন বেরিয়েছে যাতে লেখক জে. গাইল্স হ্যানিম্যানের হোমিও চিকিৎসার মূল পদ্ধতিকে 'অপবিজ্ঞান' আখ্যা দিয়েছেন
প্রথমত, 'বিষে বিষক্ষয়' জাতীয় উপায়ে রোগ সারানো অর্থাৎ রোগকে বাড়িয়ে তুলে তারপর সারানোর যে কথা হোমিও ডাক্তাররা বলে থাকেন, তাকে ভিত্তিহীন বলা হয়েছে
দ্বিতীয়ত, যেভাবে হোমিওপ্যাথি ওষুধ তৈরি করা হয়; বারবার জলে বা স্পিরিটে দ্রবীভূত করে ঝাঁকিয়ে, তার থেকে দশভাগ নিয়ে আবার সেটাকে আরও তরল করে তারপর আবার...আবারও...এভাবে আরও দশবারNতাও অর্থহীন
কারণ এভাবে বার চব্বিশেক তরলীকরণের পরে ওষুধের গুণসম্পন্ন একটি অণুও অবশিষ্ট থাকতে পারে না সেই দ্রবণে
কিন্তু আমরা দেখছি তারপরও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাপদ্ধতি দিব্যি পসার জমিয়ে চলেছে
অন্তত আমাদের দেশে
যুক্তিবাদীদের কছে অনেকবারই প্রশ্ন করা হয়েছে, 'আপনারা হোমিওপ্যাথি নিয়ে কী বলেন? এটাকে কি বিজ্ঞান বলবেন? কেন এ বিষয়ে আপনারা নীরব?' আমাদের উত্তর ছিল : 'এখনও তেমন পড়াশোনা করা হয়নি বিষয়টা নিয়ে
' আমরা নিজেরাও তো দেখেছি মা, বাবাকে, দিদিমা-ঠাকুরমাকে; ছোট্ট ছোট্ট গুলি বা পুরিয়া খেয়ে দিব্যি সেরে উঠতে
কারুর জ্বর, সর্দি ভালো হয়েছে তো কারুর বাচ্চার তোতলামি সেরেছে
আবার কারুর দিদার হাতের আঁচিলের মতো গুটি একেবারে মিলিয়ে গেছে
আমরা জানি না, ওষুধ না খেলে ওগুলো নিজে নিজে সারত কিনা
বা কেউ মিষ্টি গুলি ছাড়াও বাচ্চাকে কাশির সিরাপ, জ্বরের ওষুধ খাওয়াচ্ছিলেন কিনা
তবে আমরা দেখেছি এমার্জেন্সি হলেNযেমন হঠাৎ ধুম জ্বর, মাথা ফাটা, পা ভাঙা ইত্যাদিতে কেউ হোমিওপ্যাথি করার কথা মুখেও আনেন না
তাই আমরা এ ব্যাপারে অনেকটাই চোখ বুজে ছিলাম
বিভিন্ন সময়ে পত্রপত্রিকায় রচনা দেখেছি হোমিও চিকিৎসার পক্ষে
ইংরেজি রিডার্স ডাইজেস্টের মতো পত্রিকাও একবার লিখেছিল, পশুদের ওপর হোমিওপ্যাথি ওষুধ প্রয়োগ করে ভালো ফল পাওয়া গেছে
অর্থাৎ এটা 'প্লাসিবো চিকিৎসা' হতে পারে না
গরুর পায়ে মাদুলি বাঁধার কথা ভেবেছেন কি কেউ? না, কারণN'বিশ্বাসের ব্যাপার' পশুদের বেলায় খাটে না
কিন্তু এখন দেখছি এটাও অপপ্রচার ছিল
২০০৫ সালে টেলার নামে এক বিজ্ঞানীর লেখা হতে জানা গেছে, 'পশুর উপর বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা করে হোমিওপ্যাথি ওষুধের কোনও প্রভাব পাওয়া যায়নি
' অর্থাৎ আগের খবরটা নেহাতই গল্প ছিল, কোনো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ছাড়াই মুখে মুখে ছড়ানো হয়েছিল
আজ হতে বহু বছর আগে মজার পরীক্ষা করেন রবার্টস নামে এক বিজ্ঞানী যা 'নেচার' পত্রিকায় প্রকাশ হয় ১৯০৯ সালে
পরীক্ষাটা এরকম : দুটো প্রচলিত কড়া হোমিওপ্যাথি ওষুধ নেওয়া হল
একটি ন্যাট্রিয়াম মিউরিয়েটিকাম থার্টি সি, আরেকটা সালফার থার্টি সি
হোমিওপ্যাথ ডাক্তারদের দৃষ্টিতে দুটোই খুব জবরদস্ত ওষুধ
দুটো ওষুধকে যথারীতি দ্রবীভূত করা হল
হোমিওপ্যাথের ওষুধ তৈরির পদ্ধতি অনুসরণ করে পোটেন্সি বা ওষধিগুণ বাড়ানোর জন্য যেভাবে ঝাঁকিয়ে ঝাঁকিয়ে বারবার দ্রবণ তৈরি করা হয়, তা করা হল
এরপর একজন প্রখ্যাত হোমিওপ্যাথি ডাক্তারকে দ্রবণ দু'টি দেওয়া হল
তিনি পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, ক্লিনিকাল টেস্টNযাবতীয় পদ্ধতি প্রয়োগ করেও দুটো ওষুধকে আলাদা করে চিনতে পারলেন না
অর্থাৎ একটাকে আরেকটার থেকে আলাদা করে কোনটা সালফার আর কোনটা ন্যাট্রিয়াম বুঝতে পারলেন না
তাহলে আমরা ধরে নিতে পারি দুটোই এক
কোনওটাতেই আর ওষুধের অণুমাত্রও নেই
তাহলে কী আছে? কোন দাওয়াইটা কাজ করে শরীরের ওপর ?
আমরা মনে করতেই পারি কোনওটাই না
শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, 'ওষুধ খাচ্ছি' এই মানসিক সাস্ত¡না, আর ধৈর্য ধরে ক'দিন অপেক্ষা করা
এর সবকটাই সম্ভত হোমিওপ্যাথি ওষুধের আপাত সাফল্যের কারণ
অনেক অসুখ, যেমন সর্দি-কাশি, অর্শ বা বাতের ব্যথা ইত্যাদি নিজে থেকেই বাড়ে, কমেNসেরেও যায়
এক সময় মনে করা হত জলে মেশানোর পর দ্রবণে মূল পদার্থ কণা কমতে কমতে যখন একটি অণুও থাকে না; তখনও জলে তার 'স্মৃতিটুকু' থাকে
আর এই স্মৃতিই মারাত্মকরকম ক্ষমতাসম্পন্ন