content stringlengths 0 129k |
|---|
৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫ |
স্বভাবলাজুক, অপেক্ষাকৃত মিতবাক, আপাতনিরীহ শুভনীল রায় একজন স্বশিক্ষিত চিত্রকর |
সে অর্থে শিল্পকলার কোনও প্রথাগত বিদ্যে নেই |
ছোট থেকেই ছবি আঁকার তীব্র বাসনাকে লালন করেছিলেন, যা এখনও ধারাবাহিক চর্চার গতিকে অবরুদ্ধ করতে পারেনি |
পুঁথিগত বিদ্যা বলতে সাধারণ স্নাতক |
পিতার অকস্মাৎ মৃত্যু তাঁকে চাকরিজীবনে ফিরিয়ে আনলেও, তাঁর শিল্পের পৃথিবী তাতে ব্যাহত হয়নি |
সমকালীন শিল্পী অলোক সর্দারের অধীনে দীর্ঘকাল শিল্পচর্চা অব্যাহত রেখেছেন |
সম্প্রতি অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টসে শুভনীলের ২২টি কাগজে করা ছোট-বড় ছবির প্রথম একক প্রদর্শনীটি শেষ হল |
তেলরং ছাড়া প্রায় সব মাধ্যমেই তিনি কাজ করেছেন |
বিশেষ করে জলরং, পেন, চারকোল, ড্রাই প্যাস্টেল, মিশ্র মাধ্যম, পেনসিল, কন্টি ও অ্যাক্রিলিকের কাজ ছিল |
অনেক শিল্পীর কাজের কিছু প্রভাব স্বল্প হলেও তাঁর ছবিতে লক্ষ করা যায় |
তবু রচনার ক্ষেত্রে একটি সংযমকে বরাবর রক্ষা করেছেন |
বর্ণ বা রূপবন্ধ, এমনকি সামগ্রিক অ্যারেঞ্জমেন্টের ক্ষেত্রেও কোনও রচনায় বাহুল্য চোখে পড়েনি |
নিজের মতো করে স্বচ্ছন্দে কাজ করেছেন, স্বভাবের মতো তাঁর ছবিও যেন নির্জন, উচ্চকিত নয় |
রঙের ক্ষেত্রেও এ কথা বলা চলে |
রঙের তীব্র উজ্জ্বলতাকে মিশ্রবর্ণ ও সাদামেশানো রঙের ঘষামাজায় অপেক্ষাকৃত মলিন করেও একটি লাবণ্য এনেছেন |
রঙের আলাদা এক প্রভা তৈরি করছে সমগ্র রচনার আলো |
বিচ্ছুরিত না হয়েও যা আপাত-অনুচ্চ ভাবেই ভীষণ বাঙ্ময় |
গ্রাম্য নিসর্গ তাঁকে বরাবর অনুপ্রাণিত করেছে |
আধুনিক নগরসভ্যতার ঘিঞ্জি ও দূষণসর্বস্ব পরিবেশ, কোলাহল-মুখরতা, আমজনতার ভিড়ভাট্টা থেকে তাঁর ছবি শত যোজন দূরে |
ছবিতে তিনি তৈরি করে নিয়েছেন এক নৈঃশব্দ্যের ভাষা |
পট তাঁর কাছে একটি সমতল ক্ষেত্র, যেখানে তুলির ব্যবহার কখনও দ্রুত, কিন্তু সংযত ও শান্ত |
হঠাৎ স্তিমিত, যেখানে আলোর রেখা যেন আঁধার ভেদ করে এক কাব্যিক উপমা তৈরি করছে |
কখনও অতি হালকা রং, পাতলা ওয়াশের মতো, পেনসিলের ঝোড়ো রেখার স্বাচ্ছন্দ্যেও সেখানে তৈরি হচ্ছে নৈঃশব্দ্য |
একটি শিশুসুলভ সারল্যময় রঙের টানটোন ও বিন্যাসও কিন্তু আশ্চর্য উপস্থিতি জানান দিচ্ছে তাঁর কাজে |
রবীন্দ্রনাথের ছবির অনুষঙ্গ কোথাও যেন শুভনীলের ছবির সঙ্গে সামান্য হলেও মিলে যায় |
যেমন মাতিসের ডিজ়াইন-সমৃদ্ধ কাজগুলির রেশ তাঁর ছবিতে একটু হলেও লক্ষ করা যায় |
ভারতের রবীন্দ্রনাথ থেকে মনজিৎ বাওয়া, গণেশ পাইন, যোগেন চৌধুরী, ভূপেন খক্কর, ফ্রান্সিস সুজা, আকবর পদমসির কাজ তাঁকে খুবই আপ্লুত করে |
নির্জন: শুভনীল রায়ের চিত্রকর্ম |
তাঁর কাজে ইউরোপীয় বিমূর্ত অভিব্যক্তিবাদী মার্ক রোথকোর প্রভাব সর্বাধিক |
এ ছাড়াও বিচ্ছিন্ন ভাবে ওসকার কোক্কাসকা, মার্ক শাগালও প্রতিভাত হন সূক্ষ্মতায় |
কিন্তু জ্যাকসন পোলক, গগ্যাঁ, মদিগিলিয়ানি, ভ্যান গঘ, সেজাঁর ছবি থেকেও তিনি অনেক কিছু শিখেছেন বলে তাঁর দাবি |
এখনও রেমব্রাঁর অবিস্মরণীয় সব পোর্ট্রেট অয়েল স্কেচিং পেপারে অয়েলেই কপিওয়র্ক করেন |
''আমি এ ভাবে আরও কিছু শিখতে চাই,'' শিল্পীর স্বীকারোক্তি |
তাঁর পছন্দের তালিকায় থাকা ফ্রিডা কাহলো, গুস্তভ ক্লিমৎ, এডওয়ার্ড হুপাররাও আছেন |
অকস্মাৎ তাঁর অজান্তেই যেন নিজের ছবির অন্তরালে রয়ে যায় তাঁদেরও কিছু রেশ, বেশ বোঝা যায় |
কোথাও নির্দিষ্ট কোনও স্টাইল বা টেকনিককে তিনি অনুসরণ করেননি, অনুকরণও নয় |
বরং একটি 'ওন ল্যাঙ্গোয়েজ' তৈরি করেছেন রেখা ও রঙের সাহচর্যে |
সাহসিকতার সঙ্গে কম্পোজ় করে রঙের ও স্পেসের মধ্যে একটি ভারসাম্য এনেছেন |
ছবিতে স্পেসের ওই ব্যাপ্তি বা পরিসরের একাধিপত্যে একটি মাত্র ছোট্ট অবজেক্টও কখনও বাধাপ্রাপ্ত হয়নি |
ইউরোপীয় ঘরানায় এমন বিমূর্ততা বা অভিব্যক্তিবাদী রচনায় যা দেখা গিয়েছে অনেক কাজে |
এমনকি জার্মান অভিব্যক্তিবাদ, প্রতিচ্ছায়াবাদও মনে পড়ে যায় |
একটি অদ্ভুত টেক্সচারও তৈরি করেছেন ছবিতে, সমতলীয় বর্ণের পাশে বা উপর-নীচে |
তাঁর ছবির বৈশিষ্ট্য, মসৃণ সমতল বর্ণের পাশে ঘোর কালোর সঙ্গে অন্য বর্ণের বৈপরীত্য, নরম, কখনও উষ্ণ বর্ণ, অনুজ্জ্বল বর্ণের বিভা, ডিজ়াইন তৈরির প্রবণতা, কোথাও কিছুটা টেক্সটাইল কোয়ালিটি, গ্রাফিক কোয়ালিটি - সবই লক্ষণীয় |
স্কেচি খসড়ার মতো কিছু কাজ, অদ্ভুত নাটকীয়তা, উড়ন্ত মানব-মানবী... তাঁর বিমূর্ততার কাব্যময় ছবির পৃথিবীতে কখনও কখনও বেশ একটা মজাও উপলব্ধি করা যায় |
্রারম্ভে বা উপসর্গরূপে স্থাপন করা 5514 হল আঞ্চলিক কোড |
এবং অস্ট্রিয়া অবস্থিত |
যদি আপনি অস্ট্রিয়া বাইরে থাকেন এবং আপনি একজন ব্যক্তিকে কল করতে চান তাহলে আঞ্চলিক কোড ছাড়াও, আপনি যে দেশে কল করতে চান সে দেশের কান্ট্রি কোড প্রয়োজন |
অস্ট্রিয়া জন্য কান্ট্রি কোড হল +43 (0043), যদি আপনি বাংলাদেশ থাকেন এবং আপনি একজনকে কল করতে চান, তবে আপনাকে সেই ব্যক্তির ফোন নম্বরের আগে +43 5514 যোগ করতে হবে |
এই ক্ষেত্রে আঞ্চলিক কোডের সামনের শূন্য বাদ দেওয়া হয় |
ফোন নম্বরের শুরুতে প্লাস সাইন সাধারণত এই বিন্যাসে ব্যবহার করা যেতে পারে |
যাইহোক, টেলিফোন নেটওয়ার্ককে সতর্ক করে এমন সংখ্যাগুলির ক্রম অনুসারে প্লাস সাইন প্রতিস্থাপনের জন্য এটি আরো সাধারণ এবং যখন আপনি অন্য দেশের টেলিফোন নম্বর ডায়াল করতে চান |
আইটিইউ 00 ব্যবহারের সুপারিশ করে, যা সমস্ত ইউরোপীয় দেশগুলি সহ অনেক দেশে ব্যবহৃত হয় |
+43 5514 এর বিকল্প হিসাবে, যা আপনাকে বাংলাদেশ থেকে থাকা একজন ব্যক্তির টেলিফোন নম্বরের সামনে রেখে কল করতে হয়, আপনি 0043 5514 ব্যবহার করতে পারেন |
কলকাতাদেশবাংলাদেশবিদেশরাজ্যআলিপুরদুয়ারউঃ ২৪ পরগনাউঃ দিনাজপুরকালিম্পংকোচবিহারজলপাইগুড়িঝাড়গ্রামদঃ ২৪ পরগনাদঃ দিনাজপুরদার্জিলিংনদিয়াপশ্চিম বর্ধমানপশ্চিম মেদিনীপুরপুরুলিয়াপূর্ব বর্ধমানপূর্ব মেদিনীপুরবাঁকুড়াবীরভূমমালদামুর্শিদাবাদশিলিগুড়িহাওড়াহুগলিশিল্প-বাণিজ্য |
ইউপিএ-তে যোগ দেবে শিবসেনা? রাহুল-সঞ্জয় সাক্ষাতের পর নয়া জল্পনা |
বাড়ল টেস্ট, এক ধাক্কায় করোনা সংক্রমণের হার দেড় শতাংশের নীচে |
ধান ক্ষেতে ঘাপটি মেরে বসে আছে বাঘ, খাঁচায় ছাগল পুরে ধরার... |
প্রায় সব দাবি মেনে নিচ্ছে কেন্দ্র, বিক্ষোভ শেষ করতে চলেছেন কৃষকরা? |
শরীরস্বাস্থ্য |
শিক্ষা ও কেরিয়ার |
খবর রাজ্য 'দুয়ারে রেশন' নিয়ে এ বার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে একাংশের ডিলার |
'দুয়ারে রেশন' নিয়ে এ বার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে একাংশের ডিলার |
খবর অনলাইন |
16, 2021 |
দুয়ারে রেশন প্রকল্প নিয়ে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে কয়েক জন ডিলার |
সংগৃহীত ছবি |
দুয়ারে রেশন প্রকল্পে স্থগিতাদেশের আর্জি খারিজ করেছিল হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ |
এ বার ডিভিশন বেঞ্চ গ্রহণ করল মামলা! |
কলকাতা: দুয়ারে রেশন প্রকল্প স্থগিতাদেশ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের কয়েকজন রেশন ডিলার |
বুধবার সেই আর্জি খারিজ করে দিয়েছিল হাইকোর্ট |
সিঙ্গল বেঞ্চ আবেদন খারিজ করায় এ বার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হলেন মামলাকারীরা |
দুয়ারে রেশন প্রকল্পের পাইলট পর্ব শুরু হতেই কয়েক জন রেশন ডিলার দাবি করেছেন, প্রকল্পের জন্য বিপুল খরচ বহন করতে পারবেন না |
আদালতের কাছে তাঁরা জানান, "রাজ্য সরকারের দুয়ারে রেশন প্রকল্প কেন্দ্রীয় রেশন বণ্টন আইনের পরিপন্থী |
প্রকল্পটি একাধারে খরচ সাপেক্ষ |
সেই সঙ্গে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য যে পরিমাণ অর্থ ও কর্মচারী প্রয়োজন, তাও অধিকাংশ রেশন ডিলারদের কাছে নেই" |
গত বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা এ দিন জানিয়ে দিয়েছেন, এখনও যেহেতু রাজ্য সরকার 'দুয়ারে রেশন' প্রকল্পের বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি, তাই এতে আদালত হস্তক্ষেপ করবে না |
তবে সিঙ্গল বেঞ্চের সেই রায়ে সন্তুষ্ট নন ডিলাররা |
বিচারপতি অমৃতা সিংয়ের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেন তাঁরা |
কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি গ্রহণ করেছে |
কিন্তু ডিলারদের দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ করা হয় |
এখনও পর্যন্ত এই মামলার শুনানির দিন ধার্য করেনি হাইকোর্ট |
অর্থাৎ, ডিভিশন বেঞ্চ মামলার শুনানি নির্ধারণ না করায় আপাতত ওই প্রকল্প চালাতে কোনো বাধা থাকছে না রাজ্য সরকারের |
বুধবার থেকেই জেলায় জেলায় দুয়ারে রেশন প্রকল্পের 'পাইলট রান' শুরু হয়েছে |
পরীক্ষামূলক ভাবে এই প্রকল্পের কাজ চলবে যথারীতি |
উল্লেখ্য, এ বারের বিধানসভা ভোটের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যবাসীর উদ্দেশে বলেছিলেন, তৃণমূল আবার ক্ষমতায় এলে এ বারে সাধারণ মানুষকে আর রেশন দোকানের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে রেশন নিতে হবে না |
বাড়ি বাড়ি রেশন পৌঁছে দেবেন ডিলাররা |
ক্ষমতায় ফেরার পরই শুরু হয়েছে দুয়ারে রেশন দেওয়ার কাজ |
দুয়ারে রেশন নিয়ে সাম্প্রতিক আরও খবর পড়ুন এখানে: |
দুয়ারে রেশন পেয়ে খুশি গ্রাহকেরা |
'দুয়ারে রেশন' প্রকল্পে স্থগিতাদেশের আর্জি খারিজ হাইকোর্টে |
খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে |
লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ |
সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল |
দুয়ারে রেশন |
পূর্ববতীব্যাঙ্ক চেকে নতুন নিয়ম: বাউন্স করলে দিতে হবে বাড়তি গচ্চা |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.