content
stringlengths
0
129k
কাউন্টি ক্রিকেটে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]
২৫ ডিসেম্বর, ১৮৭৫ তারিখের বড়দিনে ইয়র্কশায়ারে ওয়াল্টার লিসের জন্ম
লন্ডনে তিনি ক্রিকেট খেলা শিখতে অংশগ্রহণ করেন
১৮৭৬ সালে সারে দলের সদস্যরূপে খেলোয়াড়ী জীবন শুরু করেন
তবে প্রতিশ্রুতিশীল খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে তুলে ধরার জন্য পরের বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়
উইলিয়াম লকউডের দূর্বল ক্রীড়াশৈলীর কারণে দলে তিনি নিয়মিত সদস্যের মর্যাদা লাভ করেন
টম রিচার্ডসনের ব্যাপক সাফল্যলাভ স্বত্ত্বেও তিনি ৭৫ উইকেট লাভে সক্ষমতা দেখান
তবে কমপক্ষে দুইবার তার বোলিং সারের জয়লাভে কিংবা খেলার মোড় ঘুরাতে পারেনি
পরের বছরগুলোয় কম সফলতা লাভের ফলে পুণরুজ্জীবিত ঘটা লকউড ও বিল ব্রোকওয়েলের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হতে হয়
১৮৯৮ সালের শুরুতে দলের বাইরে অবস্থান করতে হয় ওয়াল্টার লিসকে
১৯০০ সাল পর্যন্ত দলের নিয়মিত সদস্যরূপে ফিরে আসতে পারেননি
এ বছর হ্যাম্পশায়ারের বিপক্ষে ৮/৩১ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েন
এরপর ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে নয় উইকেট নিয়ে দলের বিজয়ে প্রভূতঃ ভূমিকা রাখেন
তবে, ১৯০১ সালে পুনরায় নিরাশ করেন
এরপর ১৯০২ সালে বোলার সঙ্কটে ভোগা সারে দল থেকে সম্পূর্ণরূপে বিতাড়িত হন
এর পরের বছর কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপক্ষে তেরো উইকেট নিয়ে নিজের সক্ষমতার কথা জানান দেন
এরপরই কেবলমাত্র দলের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গরূপে সারে একাদশে ঠাঁই হয় তার
কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপের খেলায় মাত্র দুইবার পাঁচ উইকেট পেলেও ১০২ উইকেট লাভের পাশাপাশি আক্রমণধর্মী ব্যাটসম্যান হিসেবে আবির্ভূত হন
ববি অ্যাবল ও ব্রোকওয়েলের ঘাটতি পূরণে সচেষ্ট হন
১৯০৫ সালে পূর্বেকার সাফল্যকে ছাঁপিয়ে যান
ইংল্যান্ডে তিনি শীর্ষ বোলারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন
দুইশত থেকে মাত্র সাতটি কম প্রথম-শ্রেণীর উইকেট নেন
[১] ঘরোয়া ক্রিকেটের সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য মনোনীত হন
পূর্বেকার বছরের ব্যাটিংয়ের ন্যায় তার ব্যাট টিকে থাকে
তাস্বত্ত্বেও মাত্র পঞ্চাশ মিনিটে হ্যাম্পশায়ারের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন
এক বছর পর পুনরায় সাসেক্সের বিপক্ষেও একই সাফল্য পান
১৯০৬ সালে ১৬৮ উইকেট পেলেও নেভিল নক্সের প্রচণ্ড ক্ষীপ্রময় গতির কাছে ঢাকা পড়ে যান
তবে, পর্যবেক্ষকদের ধারণা ১৯০৫ সালের ন্যায় তার বোলিং ছিল
[২] প্লেয়ার্সের সুপরিচিত খেলায় ওয়াল্টার লিস প্রত্যাশার তুলনায় অধিক ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শন করে ছয় উইকেট পান
এছাড়াও, নক্স ও ওয়াল্টার ব্রিয়ারলির ন্যায় স্বীকৃতমানের পেশাদার ব্যাটসম্যানদের বিপরীতে ৫১ রান তুলে নিজেকে আরও পরিপক্ব করে তুলেন
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]
১৯০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পাঁচ টেস্টে অংশগ্রহণ করেন
২ জানুয়ারি, ১৯০৬ তারিখে টেস্ট অভিষেক ঘটে তার
জোহেন্সবার্গে সিরিজের প্রথম টেস্টে অভিষেক ঘটা ঐ খেলার প্রথম ইনিংসে তিনি পাঁচ উইকেট তুলে নেয়ার ন্যায় অনন্য সাধারণ কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন
অবসর[সম্পাদনা]
১৯০৭ সালে আঘাতের কবলে পড়েন ওয়াল্টার লিস
ফলে প্রায় এক মাস ক্রিকেটের বাইরে ছিলেন তিনি ও প্রতিনিধিত্বমূলক খেলায় অংশগ্রহণ করা থেকে বঞ্চিত হন
১৯০৮ সাল থেকে খেলার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেননি
বোলিং ও ব্যাটিং - উভয় বিভাগেই এর প্রভাব পড়ে
১৯০৯ সালে কিছুটা জ্বলে উঠলেও লিসের খেলার অবনতি ঘটতে শুরু করে
১৯১০ সালে বিল হিচ ও টম রাসবি'র আগমনে সারে দল থেকে স্থানচ্যূত হন
১৯১১ সালে কয়েক খেলায় অংশগ্রহণের পর লিস আর খেলায় অংশ নেননি
ঘরোয়া ক্রিকেটে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের প্রেক্ষিতে ১৯০৬ সালে উইজডেন কর্তৃক বর্ষসেরা ক্রিকেটার মনোনীত হন
পঞ্চাশতম জন্মদিনের অল্প কয়েকদিন পূর্বে ৪৯ বছর বয়সে ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯২৪ তারিখে কাউন্টি ডারহামের পশ্চিম হার্টলপুল এলাকায় দেহাবসান ঘটে তার
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
↑ -
↑ , . (); ' ' ; - (1907), . 47
↑ "1 : , 2-4, 1906"
সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১২-১৮
↑ , 11 , 2017.
আরও দেখুন[সম্পাদনা]
ডেভিড ডেন্টন
সারে কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব
উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার
ইংরেজ টেস্ট ক্রিকেটারদের তালিকা
আনুষ্ঠানিক কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপ বিজয়ী দলের তালিকা
টেস্ট ক্রিকেট অভিষেকে ৫ উইকেট লাভকারী ইংরেজ ক্রিকেটারদের তালিকা
বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]
ইএসপিএনক্রিকইনফোতে ওয়াল্টার লিস (ইংরেজি)
ক্রিকেটআর্কাইভে ওয়াল্টার লিস (সদস্যতা প্রয়োজনীয়) (ইংরেজি)
- 1846-2000, 1963-2000, . , 2001.
১৯০৬ উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার
ডেভিড ডেন্টন
ওয়াল্টার লিস
জর্জ থম্পসন
'://..//.?=ওয়াল্টার_লিস&=5289682' থেকে আনীত
বিষয়শ্রেণীসমূহ:
১৮৭৫-এ জন্ম
১৯২৪-এ মৃত্যু
ইংরেজ ক্রিকেটার
ইংল্যান্ডের টেস্ট ক্রিকেটার
উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার
টেস্ট ক্রিকেট অভিষেকে ৫ উইকেট লাভকারী ক্রিকেটার
নর্থ ভার্সাস সাউথের ক্রিকেটার
প্লেয়ার্সের ক্রিকেটার
মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের ক্রিকেটার
লন্ডন কাউন্টির ক্রিকেটার
সারের ক্রিকেটার
লুকানো বিষয়শ্রেণী:
ইংরেজি ভাষার লেখা থাকা নিবন্ধ
ইংরেজি ভাষার বহিঃসংযোগ থাকা নিবন্ধ
সদস্যতা-শুধুমাত্র বিষয়বস্তুতে সংযোগ ধারণকারী পাতা
এ পৃষ্ঠায় শেষ পরিবর্তন হয়েছিল ০৪:৩২টার সময়, ২৮ জুলাই ২০২১ তারিখে
লেখাগুলো ক্রিয়েটিভ কমন্স অ্যাট্রিবিউশন/শেয়ার-আলাইক লাইসেন্সের আওতাভুক্ত; এর সাথে বাড়তি শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে
এই সাইট ব্যবহার করার মাধ্যমে, আপনি এটি ব্যবহারের শর্তাবলী ও এর গোপনীয়তা নীতির সাথে সম্মত হচ্ছেন
উইকিপিডিয়া®, অলাভজনক সংস্থা উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের একটি নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক
জানালার পাশে বসে মাজেদ সাহেব আমলকী খাচ্ছেন আর রাস্তার খাদের আটকে থাকা পানিতে চড়ুই পাখির গোসল দেখছেন, একটুখানি একটা পাখি অথচ এর থেকেও ছোট তার মুখ, সেখানে কি সুন্দর করে খোদাই করা নাক, ঠোঁট, চোখ
নিজের অজান্তেই মাজেদ সাহেবের মুখ থেকে বেরিয়ে এলো " ফাবি আইয়া আলা রাব্বিকুমা তুকাজ্জিবান" - অতপর তোমরা সৃষ্টিকর্তার কোন নেয়ামতকে অস্বীকার করবে?
মাজেদ সাহেব অনেকদিন চাকরী করেছেন, এখন স্বেচ্ছা অবসর নিয়েছেন
পেনশনের টাকায় শ্বশুরবাড়ীর কাছ থেকে পাওয়া বাড়িতে সংস্কার করেছেন, এখন একতলা,দুইতলা ভাড়ার টাকা, আর তিনটা বাংলাদেশ ব্যাংকের সঞ্চয়পত্রের উপর ভর করে পায়ের উপর পা তুলে চলছেন
সম্প্রতি তিনি নামের শেষে খান যোগ করেছেন, মাজেদ সাহেবদের বংশ চাকলাদার, কিন্তু 'মাজেদ চাকলাদারের' থেকে 'মাজেদ খান' শুনতে আভিজাত্যপূর্ন
শ্বশুর বাড়ি থেকে আস্ত বাড়ি ঘাপিয়ে নিতে পারলে সামান্য 'খান' টাইটেল ঘাপায়ে নেয়া দোষের কিছু নয়
সেদিন কাদের সাহেব মেয়ের বিয়ের কার্ড পাঠিয়েছিলেন- উপরে লেখা মাজেদ চাকলাদার ও পরিবার
আরে ফকির্নির বাচ্চা আলহাজ কি তোর বাপ লিখবে? আলহাজ মাজেদ খান লিখলে সমস্যা কি?
রাগ করে বিয়েতে যাননি মাজেদ সাহেব, ফুল ফিরনি সেট উপহার পাঠিয়ে দিয়েছেন, উপরে লিখে দিয়েছেন- আলহাজ মাজেদ খানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা
টমেটো-তেতুলের টক ঝোল, আর টক দই দিয়ে কষানো গরুর গোশত দিয়ে দুপুরের খাবার সেরে মাজেদ সাহেব ভাত-ঘুম দেবার জন্য বিছানায় গা এলিয়ে দিলেন
কিছুক্ষন পরে তার পাশে এসে শুয়ে পরলো স্ত্রী হামিদা খান
হামিদা খানকে জায়গা করে দিতে মাজেদ সাহেব এতটুকু হয়ে গেলেন, মানুষের দিনে দিনে বয়স বাড়ে, আর হামিদার শুধু বপু
হামিদা খান বিশাল শব্দ করে নাক ডাকতে থাকেন, মাজেদ সাহেব আস্তে করে উঠে বারান্দায় চলে যান