content
stringlengths
0
129k
" +'' +"..(() { .('__728'); });" +'' +'
'; __ = $('.___:(0) .__ :-(2)'); (!20){ $(__).(__); } _ = '
' +'..(() {' +' = .().' +'([1236, 0], [728, 90]).' +'([500, 0], [468, 60]).' +'([0, 0], [[320, 100], [320, 50]]).();' +".('/67573540/__', [[468, 60], [320, 50], [728, 90], [320, 100]], '__').().(.());" +'.().();' +'.().();' +'.();});' +'' +"
" +'' +"..(() { .('__'); });" +'' +'
'; __ = '
' +'..(() {' +".('/67573540/___', [320, 100], '___').(.());" +'.().();' +'.().();' +'.();});' +'' +"
" +'' +"..(() { .('___'); });" +'' +'
'; __ = '
" +'' +"..(() { .('__'); });" +'' +'
'; __ = '
" +'' +"..(() { .('___3'); });" +'' +'
'; (__.('/')[3] == '') { $(__).('.___:(0) .__'); } { (!20) { (_ > 800) { $(_).('.___:(0) .__'); } { $(__).('.___:(0) .__'); } } { $(__).('.___:(0) .__'); } } /* */ /* __320 = '
' +'..(() {' +".('/67573540/____32050', [320, 50], '---1588767479536-0').(.());" +'.().();' +'.().();' +'.();' +'});' +'' +'' +"
" +'' +"..(() { .('---1588767479536-0'); });" +'' +'
';*/ /* */ /* ______ = '
. = { : , : }; (. = .. || []).((){.("_18014517")});';*/ /* */ $('.___ ').(___); /*__*/ __ = '
' +'..(() {' +' 1 = .().' +'([1236, 0], [728, 90]).' +'([500, 0], [468, 60]).' +'([0, 0], [320, 50]).();' +".('/67573540/__', [[468, 60], [320, 50], [728, 90]], '__').(1).(.());" +'.().();' +'.().();' +'.();});' +'' +"
" +'' +"..(() { .('__'); });" +'' +'
'; $(__).('.___:(0) ._'); /* */ ___3 = "
" +'' +"..(() { .('___3'); });" +'' +'
'; $('.___3').(___3); /*___*/ _ = '
' +'..(() {' +' 1 = .().' +'([1000, 0], [970, 90]).' +'([750, 0], [728, 90]).' +'([500, 0], [468, 60]).' +'([0, 0], [320, 50]).();' +".('/67573540/___', [[320, 50], [970, 90], [468, 60], [728, 90]], '---1520082975159-0').(1).(.());" +'.().();' +'.().();' +'.().();'+ +'.();});' +'' +'
দৈনিক সকালবেলা'র সকল সাংবাদিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দকে জানানো যাচ্ছে যে, সকালবেলা'র আইডি কার্ড এর মেয়াদকাল গত ৩০ জুন ২০২১ইং তারিখে যাদের কার্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে, অতিসত্তর অফিসের ঠিকানায় কার্ড ফেরত দিয়ে নবায়ন করার জন্য অনুরোধ করা হলো
ধন্যবাদান্তে
বেগম নিলুফার আক্তার
দৈনিক সকালবেলা
প্রকাশনার কথা
প্রিয় ও সচেতন পাঠকগন বাক ও চিন্তার স্বাধীনতাকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরার প্রত্যয় নিয়ে সৈয়দ এনামুল হকের সম্পাদনায় ১৯৯৭ সালে সাপ্তাহিক"সকালবেলা" পত্রিকা যাত্রা শুরু করে
জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্র হিসেবে ২০০১ সালে "দৈনিক সকালবেলা" নামে যাত্রা শুরু করেন ".."
বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদকের সংক্ষিপ্ত জীবন কথা
সৈয়দ এনামুল হক
জাতীয় দৈনিক সকালবেলা'র সম্পাদক সৈয়দ এনামুল হকের জন্ম ১৬ই এপ্রিল ১৯৫৬ সালে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার উমেদপুর গ্রামে
বাবা মরহুম ডাঃ সৈয়দ আবদুল মজিদ
তিনি বাংলাদেশ বেতার ঢাকার একজন ইংরেজী সংবাদ পাঠক
বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
দৈনিক সকালবেলা পত্রিকায় বাংলাদেশের কিছু জেলায় সাংবাদিক ও বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে
যোগাযোগ: +88-01608387098
ই-মেইল: 1997@.
2021
1 2 3 4 5 6
7 8 9 10 11 12 13
14 15 16 17 18 19 20
21 22 23 24 25 26 27
নামাজের সময়সূচি
ঢাকা কক্সবাজার কুমিল্লা কিশোরগঞ্জ কুষ্টিয়া কুড়িগ্রাম খাগড়াছড়ি খুলনা গাইবান্ধা গাজীপুর গোপালগঞ্জ চট্টগ্রাম চাঁদপুর চাঁপাইনবাবগঞ্জ চুয়াডাঙ্গা জামালপুর জয়পুরহাট ঝিনাইদহ ঝালকাঠি টাঙ্গাইল ঠাকুরগাঁও ঢাকা দিনাজপুর নওগাঁ নাটোর নেত্রকোনা নরসিংদী নারায়ণগঞ্জ নীলফামারী নোয়াখালী নড়াইল পটুয়াখালী পঞ্চগড় পাবনা পিরোজপুর ফেনী...
চাকরি এবং পড়াশোনা সূত্রে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মানসিকতা সম্পর্কে কিছুটা অভিজ্ঞতা আমার আছে, বিশেষ করে লেখাপড়ার প্রতি ছাত্রদের মানসিকতা
ছাত্রজীবনে একটা সময় আমি যেমন লেখাপড়া যতটা পারি এড়িয়ে চলেছি, তেমনি একটা সময়ে আমি যথেষ্ট মনোযোগ দিয়েও লেখাপড়া করেছি, দুটো অবস্থারই যথেষ্ট প্রমাণ আমার হাতে আছে
এই আলোকে আজ একটি বিশেষ বিষয়ে লিখতে চাই, সেটা হলো ইমপ্রুভমেন্ট রাখা এবং অহেতুক পরীক্ষা পেছানোর কিছু অজুহাত
ছাত্রদের জন্যে ইমপ্রুভমেন্ট নামে একটি বিশেষ সুবিধা আছে
ঠিক কী কারণে এই সুবিধার জন্ম এটা আমার জানা নেই
ইমপ্রুভমেন্ট বলতে বুঝি, একজন ছাত্র ফাইনাল পরীক্ষায় একটি বিশেষ নম্বরের কম নম্বর পেলে সে এই বিষয়ে পরের বছর শুধু ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে, কিন্তু এর জন্যে পরের বছর তাকে আর ক্লাস করতে হবে না
এই বিবেচনা থেকে অনুমান করতে পারি কেন ইমপ্রুভমেন্ট নামের এই সুবিধাটা আছে, হয়তো একজন ছাত্র ঠিকঠাকভাবে সব ক্লাস করেছে, কিন্তু পরীক্ষার সময় বিশেষ কোনও ঘটনা বা অসুস্থতার জন্যে পরীক্ষা দিতে পারছে না, বা দিতে পারলেও আশানুরূপ ফলাফল করতে পারেনি
এমন একজন ছাত্রের জন্যে ইমপ্রুভমেন্ট একটি বিশেষ সুবিধা, পরের বছর ক্লাস করে তার যেন সময় নষ্ট না হয়, এবং তার যেন প্রমোশনও আটকে না থাকে (প্রমোশনের জন্যে অবশ্যই বিশেষ একটি মোট নম্বর পেতে হয়), শুধু পরের বছর ফাইনাল পরীক্ষা দিলেই হবে
সুতরাং ছাত্রদের জন্যে ইমপ্রুভমেন্ট খুবই ভালো একটি সুযোগ হওয়ার কথা
কিন্তু মানসিকতার কারণে এই সুযোগ যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করতে গিয়ে অনেক ছাত্রকেই বিপাকে পড়তে দেখা যায়
বিশেষ করে প্রথম বর্ষের ছাত্ররা যখন অহেতুক এই সুবিধাটা নিতে চায়
প্রথম বর্ষের বেশ কিছু ছাত্রকে দেখা যায় শুরুতেই ওরা ঠিক করে রাখে পরীক্ষার সময় কী কী বিষয়ে ইমপ্রুভমেন্ট রাখবে, এই চিন্তা থেকেই নিজের প্রতি নিজের একটি অহেতুক চাপ সৃষ্টি করা হয়
ধারণাটা অনেকটা এরকম যে পরের বছর পরীক্ষার আগে কয়েক সপ্তাহ পড়েই খুব ভালো পরীক্ষা দিতে পারবে
বোঝার সুবিধার্থে ধরে নিই, একজন ছাত্র প্রথম বর্ষেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুটো বিষয়ে ইমপ্রুভমেন্ট রাখবে
এই চিন্তা থেকে ক্লাস শুরু করলে সেই দুই বিষয়ে মন দিয়ে ক্লাস করা বা মন দিয়ে বই পড়া হয়ে ওঠে না
ইমপ্রুভমেন্ট দিয়ে ভালো করার ক্ষেত্রে অন্তত দুটো স্বীকার্য আগেই ধরে নেওয়া হয়
একটি হলো, কী ধরনের প্রশ্ন বা কোন কোন অধ্যায় থেকে প্রশ্ন আসবে এটা সে আগেই অনুমান করতে পারবে
দ্বিতীয়ত, পরের বছর দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষার সঙ্গে প্রথম বর্ষের পরীক্ষার মাঝে বেশ একটি সময়ের ফারাক থাকতে হবে
এগুলো না হলে পরের বছর দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষার সঙ্গে প্রথম বর্ষের রেখে দেওয়া ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষায় ভালো করা সত্যিই অনেক কঠিন
ইমপ্রুভমেন্ট নিয়ে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন হলো, পরের বছরের বিষয়গুলো কি আগের চেয়ে একেবারেই সহজ হয়ে যায়, না অপেক্ষাকৃত কঠিন হয়ে থাকে!
স্বভাবতই বর্ষের সঙ্গে বিষয় একটু কঠিন হতে থাকে, এবং বুঝতে সময়ও বেশি লাগে
সেক্ষেত্রে কীভাবে অহেতুক ইমপ্রুভমেন্ট রাখা একজন ছাত্রের জন্যে ভালো কিছু বয়ে আনতে পারে, সহজ বুদ্ধিতে বোঝা যায় না
এই বাড়তি চাপের কারণে হয়তো অনেকের মাঝেই হতাশা আসতে পারে
অবশ্য, পরিস্থিতির কারণে ইমপ্রুভমেন্ট দিতে বাধ্য হলে সেটা অবশ্যই ভিন্ন কথা
আরও একটি সহজ প্রশ্ন হলো, এই অহেতুক ইমপ্রুভমেন্ট যারা দেয়, তাদের ডিগ্রি শেষ করার জন্যে কি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আলাদা সময় দেয়? যদি না দেয়, তাহলে নিজের ওপর এই বাড়তি চাপটা কেন নিতে হবে, যখন ইমপ্রুভমেন্ট রাখার পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগেই একজন ছাত্র সিদ্ধান্ত নেয় যে ও বিশেষ কিছু বিষয়ে ইমপ্রুভমেন্ট রাখবে! একই সঙ্গে আর...
সেখানে একজন ছাত্রের এই অহেতুক ইম্প্রুভমেন্ট রাখার চিন্তাটা অনেকটাই মাত্রাজ্ঞানের অভাবেই হয়ে থাকে বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে
ইমপ্রুভমেন্ট নিয়ে আরও কিছু সুবিধার কথা কানে আসে
এর সঙ্গে ছাত্রদের জন্যে বেশ টাকা খরচের কথাও শুনতে পাই
হয়তো এগুলোর যৌক্তিকতা আছে
কিন্তু একই সঙ্গে কিছু প্রশ্নও মনে আসে
একজন ছাত্রকে কি নিরবচ্ছিন্নভাবে ভালো করতেই হবে, এর জন্যে কি সময় এবং অর্থ দুটোই অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে! জীবনের দুই একটি বিষয়ে পরীক্ষার ফল আশানুরূপ না হলেই কি জীবন থেমে যায়, দুই একটি কম ফলাফল মেনে নেওয়ার শক্তিরও কি দরকার নেই
জীবন অনেক বড়, শিক্ষাজীবনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে জীবনের অনেক কিছুই নির্ধারিত হয়ে যায় সত্য, তাই বলে দুই একটি বিষয়ে কম ভালো ফলাফলের জন্যে জীবন থেমে যায় না, বরং এটা সহজভাবে মেনে নিয়ে পরবর্তী কোর্সে ভালো করার মানসিকতা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কথা, এতে যেমন সময় নষ্ট হয় না, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এড়িয়ে যাওয়া যা...
একইভাবে কিছুকিছু ছাত্রকে দেখা যায় পরীক্ষার সময় অজুহাত বের করতে
নিজের অসুস্থতাসহ পরিবারের অসুস্থতা, এমনকি অনেকের মৃত্যুর খবর পর্যন্ত আনা হয়
খুব কাছের কারোর মৃত্যুতে পরীক্ষা দেওয়ার মতো মানসিক অবস্থা না থাকারই কথা
সেক্ষেত্রে পরীক্ষা না দেওয়াটাও নিজের পরিবারের সদস্যদের প্রতি যেমন গভীর মানসিক সম্পর্কের আভাস পাওয়া যায়, তেমনি পরীক্ষা না দিয়ে এই ক্ষতি মেনে নেওয়াটাও একটি সাহসের বিষয় হতে পারে
জীবন কখনোই একইভাবে চলে না
কঠিন সময়ে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাটাও খুবই প্রয়োজন
কিন্তু তাই বলে দূরের মানুষের মৃত্যুতে পরীক্ষা না দিয়ে পরীক্ষার শেষে শিক্ষককে তার পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলায় একজন ছাত্রের নিজের প্রতি খুব একটা সম্মান প্রকাশ পায় না
অথচ কিছু দিন আগেই ছাত্ররা বোর্ডের পরীক্ষা দিয়ে এসেছে
সেখানে কারও মৃত্যুর পর কি একজন ছাত্র পরীক্ষা না দিয়ে বোর্ডে গিয়ে বলতে পারে, অমুকের মৃত্যুর জন্যে আমি পরীক্ষা দিতে পারিনি, নতুন করে আমার পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করুন
বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়ায় অনেক সুযোগ সুবিধাই থাকতে পারে, সব সুবিধার যথেচ্ছ ব্যবহার করতে নেই, এতে নিজের প্রতি নিজের সম্মান কমে যায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশের ওপরও একটি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে
অথচ ফাইনাল পরীক্ষার ক্ষেত্রে পরীক্ষা পেছানোর কথা বলার উপায় নেই
তাই আগে থেকেই নিয়ম মেনে কোনও অজুহাত না তুলে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করাটাই একজন ছাত্রের জন্যে বিশেষ সম্মানের
একজন ছাত্রের জন্যে তার স্বাস্থ্য এবং তার পরিবারের অন্যান্যের স্বাস্থ্য অবশ্যই প্রথমে বিবেচনা করতে হবে
লেখাপড়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নয়
এ ক্ষেত্রে ছাত্রদের জন্যে একটি পরামর্শ হলো, নিজের অসুস্থতা বা পরিবারের কারোর বিশেষ অসুস্থতার কথা যেন শুরুতেই ডিপার্টমেন্টকে জানিয়ে রাখা হয়
এতে দরকার পড়লে একজন ছাত্রকে যেন ডিপার্টমেন্ট প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে পারে
বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবন মানেই হলো বাস্তবের সঙ্গে মিলিয়ে নিজেকে যতদূর সম্ভব গড়ে তোলা
বাস্তব জীবনে অনাকাক্সিক্ষত সবকিছু একপাশে ঠেলে দেওয়ার উপায় নেই
অনাকাক্সিক্ষত ঘটনাও বাস্তব জীবনের অংশ এবং একে মেনে নিয়েই শিক্ষাজীবন চালিয়ে নিতে পারলে সামগ্রিকভাবে জীবন অনেক সহজ হয়ে যাওয়ার কথা
মেনে নেওয়ার চর্চাটা শিক্ষাজীবন থেকে শুরু করতে পারলে জীবনে লাভ বই ক্ষতি হয় না