content stringlengths 0 129k |
|---|
পেঁচাদের দৈহিক বৈশিষ্ট্যের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো ওদের বড় বড় গোল দুটো চোখ |
একদম যেন গাড়ির সাদা হেড লাইট |
চোখ দুটো পেঁচার এতই বড় যে অক্ষিগোলকের মধ্যেও সেগুলো ঢোকে না |
মাথা ঘুরিয়ে এরা প্রায় পুরোপুরি পেছনের দিকে তাকাতে পারে |
এ কারণেই এক জায়গায় চুপটি করে বসেই ওরা চারদিকে নজর রাখতে পারে |
দিনের আলো এই বড় বড় চোখের পেঁচা সইতে পারে না, এ কারণই বেচারা পেঁচা রাতের পাখি খেতাব পেয়ে গেল |
চাকতির মতো ওদের মুখম-লের সুবিধা হলো এর ফলে খুব সূক্ষ্ম শব্দের প্রতিধ্বনিও হয় এদের কানে |
পেঁচার শ্রবণশক্তি কিন্তু দুর্দান্ত |
অন্ধকারে খসখস নড়াচড়ার শব্দ শুনেই সে বুঝে ফেলতে পারে শিকারের অবস্থান |
পেঁচা এক মারাত্মক শিকারি পাখি |
বেশির ভাগ পেঁচারই লম্বা ও ধারালো নখর আছে |
পাখা দুটো বেশি না দুলিয়েই এরা উড়তে পারে এবং সে কারণেই শব্দ না করে খোলা বাতাসে পাক খেতে পারে অনায়াসে |
একবার যখন তার শিকারকে খুঁজে পায় অমনি সে বাঁকানো নখড়ের থাবা নিয়ে নেমে আসে শিকার ধরতে |
ওদের খাবারে তেমন কোনো বাছবিচার নেই |
খুদে ইঁদুর, শুঁয়োপোকা, ঢোঁড়া সাপ, ব্যাঙ- সবই আছে তাদের খাবারের তালিকায় |
পা দিয়ে গাছের ডালে আটকে মাথা নিচের দিকে ঝুলিয়ে দিনের বেলা ঘুমিয়ে থাকে বাদুড় |
গাঢ় আঁধারে ইকোলোকেশন ব্যবহার করে এরা যেকোনো জিনিসের অস্তিত্ব টের পায় |
লক্ষ্যবস্তুর দিকে তীক্ষ্ম শব্দ ছুড়ে দিয়ে ওরা সেটার অবস্থান চিহ্নিত করতে পারে |
তাই অন্ধকারে চলাফেরা করতে মোটেও অসুবিধা হয় না |
দিনের আলো বাদুড়ও সহ্য করতে পারে না |
তাই এ সময়টা ওরা পুরনো ভাঙা বাড়িতে, বনের ভেতর গাছের ডালে ঝুলে থেকে বিশ্রাম নেয় |
রাত হলেই ওরা চলে যায় নাইট ডিউটিতে, মানে খাবার খুঁজতে |
এদের খাবার তালিকায় আছে বিভিন্ন ফলমূল যেমন- আম, লিচু, কলা ইত্যাদি |
এসব নিরীহ বাদুড় ছাড়াও আরও আছে রক্তচোষা বাদুড় বা ভ্যাম্পায়ার বাদুড় |
এই ভ্যাম্পায়ার বাদুড়দের পেট ভরাতে চাই তাজা রক্ত |
পৃথিবীতে প্রায় চল্লিশ হাজারেরও বেশি প্রজাতির মাকড়সা আছে |
খুদে মাকড়সা থেকে শুরু করে দক্ষিণ আমেরিকার ওয়েস্টার্ন সামোয়া নামের পাখি ধরে খাওয়া মাকড়সা আছে |
ওয়েস্টার্ন সামোয়া পা ছড়িয়ে দাড়ালে বড় সড় একটা ডিনার প্লেটের সমান হতে পারে |
এটা সত্যিই যে দিনের বেলাতেও মাকড়সা দেখা যায়, কিন্তু বেশির ভাগ মাকড়সাই অন্ধকার হলে বেরিয়ে পড়তে ভালোবাসে |
সাধারণত রাতের বেলাতেই তারা জাল তৈরি করে এবং এর ঠিক মধ্যিখানে গিয়ে বসে থাকে চুপটি করে |
কোনো পোকামাকড় সেখান দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় যদি আঠালো জালে আটকা পড়ে অমনি গপ |
দিনের বেলা ওরা জালের এক প্রান্তে গিয়ে সামনের পাগুলো গুটিয়ে নিজেকে আড়াল করে রাখার চেষ্টা করে |
কোনো পোকা ওই সময় জালে আটকা পড়লে নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে ফলে সিল্কি জালে ঝাঁকুনি ওঠে |
আর তাতেই মাকড়সা বুঝে ফেলে শিকার আটকে গেছে |
ওদের পাগুলোয় বিশেষ এক তেলের আস্তর থাকে তাই নিজেদের ফাঁদে মাকড়সা কখনো আটকে যায় না |
সব মাকড়সা যে জাল বুনতে পারে তা কিন্তু নয় |
উলফ স্পাইডারের মতো কিছু মাকড়সা আছে যারা একবারে চুপটি করে বসে থাকে |
একদম নড়াচড়া করে না |
শিকার কাছে আসা মাত্রই অতর্কিত আক্রমণে ঘায়েল করে ফেলে |
মাকড়সারা খাবারের স্বাদ পা দিয়ে নেয় এবং পুরাতন বাসি খাবারের চেয়ে টাটকা খাবারেই ওদের রুচি বেশি |
আমাদের বাসাবাড়ির দেয়ালে সরু পায়ের যে সব মাকড়সা দেখা যায় ওরা তেমন একটা ভয়ঙ্কর না |
কারণ ওদের বিষ নেই |
ধারণা করা হয়, পৃথিবীতে যত মাকড়সা আছে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বিষধর হলো ব্রাজিলিয়ান হান্টসম্যান |
কিন্তু এখন এর কামড়ে খুব কম মানুষই মারা যায় |
কারণটা খুব সোজা, এর ওষুধ আবিষ্কার করে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা |
সাধারণত শেয়াল দিনে ঝোপঝাড়ে লুকিয়ে থাকে |
রাতের প্রথমভাগেই সাধারণত তারা শিকারে বের হয় |
পাখি, মুরগি, হাঁস, ছোট ছোট প্রাণী, কীটপতঙ্গ, ফলমূল ইত্যাদি খায় |
বনে জঙ্গল যেমন তাদের দেখা যায় তেমনি লোকালয়েও দেখা যায় |
সজারুকেও নিশাচর প্রাণী বলা হয় |
সজারুর পিঠে ছোট ছোট কাঁটা আছে |
ভয় পেলে নিজেকে বলের মতো গুটিয়ে নেয় |
ছোট ছোট কীটপতঙ্গ, শামুক, ব্যাঙ, পাখির ডিম, ব্যাঙের ছাতা, ঘাসের বীজ ইত্যাদি খায় |
এরা চোখে ভালো দেখতে পায় না কিন্তু ভালো শুনতে পারে |
শিকার ধরার সময় নাক দিয়ে বিশেষ ধরনের শব্দ করে |
মরুভূমির নিশাচর প্রাণী |
মরু এলাকায় বসবাসকারী বেশির ভাগ প্রাণীই নিশাচর |
সেখানে এসব প্রাণী গর্তে থাকে |
দিনের বেলায় এখানে প্রচণ্ড গরম পড়ে |
এ সময় মাটির ওপরে থাকার চাইতে নিচে থাকাই আরামদায়ক |
এ জন্যই দিনের বেলা প্রাণীরা গর্তে ঘুমিয়ে কাটায় |
রাতে চারদিক ঠান্ডা হলে তারা গর্তের বাইরে বেরিয়ে আসে এবং খাবারের সন্ধানে বের হয় |
বুঝলে তো বন্ধুরা দিনের বেলা জেগে থাকা প্রাণীদের মত এই রাত জাগা প্রাণীরাও অনেক বৈচিত্র্যময় |
শত্রুদের মোকাবেলার জন্য এদেরও রয়েছ নানা কৌশল |
রাত জেগে শিকার করে |
আর মনের আনন্দে ঘুরে বেড়ায় |
মনে হয় যেন রাতের পাহারাদার |
অনলাইন এডিটর |
কয়েকটি কবিতা |
, 2009 |
পরিশ্রম উন্নতির চাবিকাঠি -আমিনুল ইসলাম ফারুক |
অপরূপ আমার মাতৃভূমি -আব্দুল্লাহ আল মারুফ |
একটু দেখুন |
কিশোরকণ্ঠ নিয়মাবলি |
, 2021 |
জাতীয় কিশোরকণ্ঠ পাঠ প্রতিযোগিতা-২০১৭ |
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম -কিশোরকণ্ঠ পাঠ প্রতিযোগিতা ২০১৭ |
, 2017 |
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম -কিশোরকণ্ঠ জাতীয় পাঠ প্রতিযোগিতা-২০১৫ |
, 2015 |
কিশোরকণ্ঠের ইফতার মাহফিলে কবি আল মাহমুদ 'কিশোরকণ্ঠ' শুনতে বয়স কম মনে হলেও আসলে... |
, 2012 |
কিশোরকন্ঠ, বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রকাশিত শিশুকিশোর মাসিক |
৫১, ৫১/এ, পুরানা পল্টন (৭তম তলা), ঢাকা-১০০০ |
ফোন: ৮৮০-২-৯৫৬৭২৩৬ |
'); _ = _[].(/\\(\'(?!\:)/, _() { ' (\'' + _ + '/' + .(/\(\'/, '').(/^\+|\+$/,''); }); _ += ""; } __ = ('#--'); (__.) { __.(_); } } }); } })(); |
, . '' , . |
ঢাকা, রবিবার ০১ জুন ২০১৪, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২১, ২ শাবান ১৪৩৫ |
হোমপ্রথম পাতাশেষ পাতারাজধানীবিশ্ব সংবাদবিনোদন প্রতিদিনশিল্প বাণিজ্যখেলার খবরঅন্যান্যদ্বিতীয় সংস্করণসারাদেশউপ-সম্পাদকীয়সম্পাদকীয়দৃষ্টিকোনঅনুশীলনআইটি কর্ণারআয়োজনবিশেষ সংখ্যাস্বাধীনতা দিবসবিজয় দিবসবর্ষশেষ সংখ্যাবিশ্ব ইজতেমা বিশেষ আয়োজনপরীক্ষার্থীদের শেষ সময়ের প্রস্তুতিভালবাসা দিবসের বিশেষ আয়োজনআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা... |
সর্বশেষ সংবাদ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমের পুনর্গঠন প্রয়োজন: এটর্নি জেনারেল |
" পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ " |
নির্ভীক সাংবাদিক মানিক মিয়ার আজ মৃত্যুবার্ষিকী |
ইত্তেফাক রিপোর্ট |
গণমুখী সাংবাদিকতার পথিকৃত্ ব্যক্তিত্ব তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ |
দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, প্রবাদপ্রতীম এই ব্যক্তিত্ব দেশের সাংবাদিকতাকে একটানে বদলে দিয়েছিলেন |
মানুষের প্রত্যাশা, বেদনাকে জোরালোভাবে তুলে ধরবার এক আশ্চর্য ক্ষমতা ছিল তাঁর |
দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সাংবাদিকতাকে অবলম্বন করে জীবনব্যাপী তিনি এদেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.