content stringlengths 0 129k |
|---|
দেবিদ্বারে চিকিৎসক ও সাংবাদিকদের মাঝে পিপিই বিতরণ |
দেবিদ্বারে অগ্নিকান্ডে ১কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি |
কুমিল্লায় তিন গৃহহীন নতুন ঘর পেল |
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আলোচনার ভিত্তিতে সংশোধনের আশ্বাস আইনমন্ত্রীর |
দেবিদ্বারে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু |
আখাউড়া প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন |
দেবিদ্বারে ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী শামছুল আলম গ্রেফতার |
তিতাসের দ্বীনিয়া মাদরাসায় মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা |
ব্রাহ্মণপাড়ায় জামায়াতের আমির উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানসহ আটক-২২ |
বাংলাদেশ সীমান্তে ৮০০ কি.মি. সড়ক নির্মাণ করবে সেনাবাহিনী |
মুরাদনগরে লাঠিয়ার বিল দখল নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় আহত ২০ |
দাউদকান্দির খিদমা ডিজিটাল হসপিটাল বন্ধের নির্দেশ |
লাকসাম যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা |
অবশেষে জয় পেল কুমিল্লা |
করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী সাংবাদিক ও পুলিশ কুমিল্লার সন্তান |
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী সভাপতি- আক্তারুজ্জামান'কে সাধারন সম্পাদক করে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির কমিটি ঘোষণা |
মুরাদনগরে 'বন্দুকযুদ্ধে' ডাকাত নিহত |
ফেসবুকে আমাদের বন্ধু হোন |
অন্যান্য আইন আদালত আখউড়া আন্তর্জাতিক আশুগঞ্জ ইতিহাস ইন্ডিয়ান রান্না উপজেলা নির্বাচন সংবাদ উপন্যাস ক. কুমিল্লা সদর কচুয়া কসবা কুমিল্লা জেলা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট খ. কুমিল্লা সদর দক্ষিণ খেলাধুলা গ. বরুড়া গল্প ঘ. চান্দিনা ঙ. দাউদকান্দি চ. লাকসাম চাইনিজ রান্না চাঁদপুর জেলা চাঁদপুর সদর ছ. ব্রাহ্মণপাড়া ছড়া-ক... |
u o 19 si u i s uuu i gss g i i s g o i ui i ci s igi u csi c c i s g s s ii i s si 69 s u s c ii igi u ui s uu i c i |
উপসম্পাদকীয় |
যত সঙ্কট তত লাভ |
যত সঙ্কট তত লাভ |
আলমগীর মহিউদ্দিন |
২১ জুলাই ২০২০, ১৯:২৭ |
যত সঙ্কট তত লাভ - ছবি : নয়া দিগন্ত |
সারা বিশ্ব এখন সঙ্কটে আবৃত |
দিশেহারা মানুষ |
কোনটি সঠিক পথ, কোনটি ভুল লক্ষ্য ঠিক করতে পারছে না |
তবে এটা সত্য, সঙ্কটহীন বিশ্ব কখনোই ছিল না |
এ জন্যই হয়তোবা যখন রাষ্ট্র, সমাজ ও পরিবার শান্তির আলয়ে বাস করে, হঠাৎ করেই অশান্তির জন্ম হয় |
ছোট্ট একটি ঘটনা থেকেই |
সেজন্য শঙ্কা-সঙ্কটকে মানুষ জীবনের এক অনিবার্য অংশ হিসেবে গ্রহণ করে |
তবুও ভাবনার শেষ নেই |
যেমন এক অনুসন্ধানী লেখক নিজকে প্রশ্ন করেছেন, 'যখন মত-পথ ছিল না, গোষ্ঠী ছিল না, তখন মানুষ কেমন ছিল?' জবাব তিনি নিজেই দিয়েছেন |
বলেছেন, তখন মানুষ সবচেয়ে আনন্দে ছিল |
অবশ্যই সবাই এই জবাবের সাথে একমত হবেন না |
এর অনেক কারণের মাঝে একটি কারণ হলো, মানুষ কখনোই একাকী থাকতে পছন্দ করে না |
অবশ্য কিছু ব্যতিক্রম থাকবেই |
অবশ্য জীবকুলও তা পছন্দ করে না |
তাই সৃষ্টি হয় বহু মত ও পথের |
সেই সাথে সঙ্কটের আকৃতি ও প্রকৃতির নানা ডাল-পালা মেলেছে |
ফলে 'নিরবচ্ছিন্ন শান্তি' বলে কখনো কিছু ছিল না |
বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশের জন্য এ কথা প্রযোজ্য |
এই লেখক আরেকটি সত্য উচ্চারণ করেছেন |
তা হলো, মানুষ ক্ষমতা পছন্দ করে |
তাই ক্ষমতাবান হওয়ার সব পন্থা তার নিয়ন্ত্রণে আনতে চায় |
এর ফলে সৃষ্টি হয় সঙ্ঘাত ও সঙ্কট |
এই অবস্থাকে ক্ষমতাবানরা ব্যবহার করেন এবং জনগণকে তা সইতে হয় |
এই ব্যবহারের বাহন হলো রাজনীতি |
এ জন্যই রাজনীতি সবার কাছে এত পরিচিত তা গ্রহণীয়ও |
এখন প্রশ্ন হলো কোন রাজনীতি? তবে এ প্রশ্নের জবাবের আগে বর্তমানের এবং অতীতের এই রাজনীতির কথা ভাবা যায় |
বলা যায়, অতীতে এর নিয়ন্ত্রণের প্রধান বাহন ছিল শক্তির ব্যবহার আর এখন এর ব্যবহারটি করা হচ্ছে কৌশলে, নানা ছলে |
এ বাংলাদেশের জন্ম সঙ্ঘাত-সঙ্কটের মাঝ দিয়ে |
তবে এ বক্তব্যটি অন্যভাবে দিলে মনে হবে যেন রাজনৈতিক বিষয়গুলো শুধু এই সঙ্কট-সঙ্ঘাতের মাঝ দিয়েই সামনে আসে |
নতুবা সাধারণ জনগণ এ নিয়ে তেমন মাথা ঘামায় না |
সে জন্যই তাদের মগজ ধোলাই করাকে ক্ষমতা দখল প্রত্যাশীরা প্রাধান্য দেয় |
বিখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী রবার্ট জে লিফটন তার 'থট রিফর্ম' গ্রন্থে এর বিশদ বর্ণনা দিয়েছেন |
জনগণের মানসকে তৈরি করতে এবং নিজের স্বার্থে ব্যবহারের জন্য ছয়টি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তিনি পরামর্শ দিয়েছিলেন |
আজকের বিশ্বের দিকে দৃকপাত করলে দেখা যাবে, এই প্রেসক্রিপশন ক্ষমতাপ্রত্যাশী এবং এর দখলদাররা পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছে |
এই ছয়টি পদ্ধতি হলো- ১. দোষারোপ /অত্যাচার করা ২. বড় বড় কথা বলা এবং কোনো বিষয়ে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে তোলা ৩. প্রতিপক্ষকে অপদেবতার স্থানে স্থাপন এবং সেই হিসাবে প্রতিভাত করা, ৪. মেরুকরণ ৫. 'স্বর্গীয়' অনুশাসন ৬. বিশাল প্রচারণা |
এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে সহজেই জনগণকে তাদের অভীষ্ট পথে আনা যায় বলে লিফটন মন্তব্য করেছেন |
একটু খতিয়ে |
দেখলেই কথাগুলোর সত্যতা অনুভব করা |
এ ব্যাপারে জার্মানির হিটলারের বক্তব্যগুলো প্রণিধানযোগ্য |
তার কয়েকটি এখানে উল্লেখ করা হলো : ১. সত্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, শুধু বিজয় ২. আমি বুঝি না কেন, মানুষ প্রকৃতির মতো নিষ্ঠুর হবে না ৩. কোনো জাতিকে দখল করতে হলে, প্রথমে এর নাগরিকদের নিরস্ত্র ও কর্মহীন করতে হবে |
আসলে অতীতের রাষ্ট্রীয় নেতৃবর্গ এবং চিন্তাবিদরা জনগণকে শক্তি ছাড়া কেমনভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় তার অনুসন্ধান করেছেন |
আবার জনগণকে উৎসাহও জুগিয়েছেন |
মার্কিন খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব বেনজামিন ফ্রাংকলিনের এমন উৎসাহের একটি কথা হলো- 'স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ হলো সৃষ্টিকর্তার (গডের) বাধ্যানুগত হওয়া |
' আবার টমাস জেফারসন বলেছেন, 'জনগণের সরকারি সাহায্যের প্রয়োজন ভুলের বিষয়ে, কারণ সত্য নিজ শক্তিতে দাঁড়াতে পারে |
' শিরোনামটি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে- কী প্রকাশ্য এবং কী গোপন |
জবাব মাত্র দুটি শব্দ- গণতন্ত্র ও পন্থা |
গণতন্ত্রের উদ্ভবের ইতিহাস সবার জানা |
এককেন্দ্রিক ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অত্যাচারকে প্রতিরোধ করতে জনগণকে একত্র করার একটি পথ এবং এই বিষয়টির অগ্রগতির লক্ষ্যে সৃষ্টি করা হয়েছে পথ ও পন্থা |
কিন্তু যারা ক্ষমতালোভী তারা সর্বদা চেষ্টা করেছে এই পথ ও পন্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি করতে |
ফলে বিশ্বে এখনো গণতন্ত্র পুরোপুরি কায়েম হয়নি |
তবে গণতন্ত্রের নামে 'নির্বাচন' প্রথাটি চালু আছে |
এখন এই নির্বাচনকে নিয়ন্ত্রণের কৌশল সবাই রপ্ত করতে ব্যস্ত |
এরই ফলে উদ্ভব হয়েছে এমন এক শংকর ব্যবস্থা যাকে সবাই 'কর্তৃত্ববাদী গণতন্ত্র' বলে অভিহিত করছেন |
বিখ্যাত সমাজবিদ এন্ড্রিয়াস স্যাডলার বলেছেন, 'এই ব্যবস্থায় যা চলে তা হলো বহুদলীয় রাজনীতির খেলা' এবং নির্বাচন গণতন্ত্রের নয়, কর্তৃত্ববাদের হাতিয়ার হিসেবে পরিণত হয়েছে |
বাংলাদেশে এই ব্যবস্থা ২০১৪ সালের পরে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে |
সে বছর বিএনপি নানা অভিযোগে এবং নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না বলে বর্জন করেছিল |
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক ধারার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যাবে না, বিএনপি সে নির্বাচনে যোগদান করলেও এই কর্তৃত্ববাদী ধারা আসত কি না |
তবে ধারাটি প্রতিষ্ঠা হয়েছে সহজেই বিএনপির নির্বাচন বর্জনের মাঝ দিয়ে |
স্যাডলার প্রমুখ বলেছেন, '২০১৪ সালের নির্বাচনের পরই স্পষ্ট হয়ে ওঠে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বিএনপিকে কোনো ক্রমেই রাজনীতিতে জায়গা দিতে আগ্রহী নয় |
' সাংবাদিক জাফর সোবহানও তার এক নিবন্ধে এই বক্তব্যই তুলে ধরেছেন |
'কেবল একপক্ষই থাকতে পারবে' শিরোনামের প্রবন্ধে সামগ্রিক অবস্থা বর্ণনা করেছিলেন জাফর |
লিখেছিলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের গেম প্লান খুব স্পষ্ট |
চেপে ধরে বিএনপির প্রাণবায়ু বের করে ফেলা অব্যাহত রাখা ( . : ). বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর মন্তব্য যেন পরিস্থিতির প্রতিফলন |
কর্তৃত্ববাদী গণতন্ত্র যা এখন বাংলাদেশে কায়েম হয়েছে, তা নিয়ে অনেক গবেষণা ও আলোচনা রয়েছে |
বিজ্ঞজনেরা বলেছেন, আধুনিক ডিক্টেটররা এ ধরনের ব্যবস্থা পছন্দ করেন |
কারণ এর সাথে গণতন্ত্রের গন্ধ আছে |
'গণতন্ত্র' আছে যেখানে ডিক্টেটরই প্রধান |
তাই এর এত আদর ও কদর |
বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্তত ৩৭টি দেশে এ ধরনের 'দো-আঁশলা' গণতন্ত্র বিরাজ করছে বলে লন্ডনের বিখ্যাত ইকোনমিস্ট পত্রিকা মন্তব্য করেছে |
তারা বলছেন, সারা পৃথিবীতেই এখন গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠার নামে পিছু হটার পথ তৈরি হচ্ছে |
উদাহরণ হিসেবে রাশিয়া, ভেনিজুয়েলা, ফিলিপাইন, তুরস্ক, কম্বোডিয়া, ইথিওপিয়াসহ দুই ডজন দেশের নাম তারা উল্লেখ করেছেন |
প্রথম দিকে বিশেষজ্ঞরা ভেবেছিলেন, এই অবস্থা সত্যিকারের গণতন্ত্রে উত্তরণের পথ হবে |
পরে এ ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.