content
stringlengths
0
129k
এই দো-আঁশলা গণতন্ত্র প্রকাশ্যেই কর্তৃত্ববাদে পরিণত হয়েছে
দো-আঁশলা গণতন্ত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা করেছেন লেভিতস্কি, ওয়ে এবং একম্যান
তারা বলেছেন, এ ব্যবস্থায় নির্বাচন, নির্বাহী ও আইন সভা এবং বিচারব্যবস্থাকে নির্বাচনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আনা হয়
বিশেষ করে বিচার বিভাগের কোনো স্বাধীনতা থাকে না
ক্ষমতালোভীরা কেন নির্বাচনকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়? এর জবাবও সহজ
আজকের যুগে রাজতন্ত্র বা সে ধরনের কোনো শাসন অচল
তদুপরি আন্তর্জাতিক পৃষ্ঠপোষকতা বা সমঝোতা ছাড়া ক্ষমতা দখল করে রাখা কঠিন
সে জন্যই নির্বাচন প্রয়োজন
আরো প্রয়োজন আরেকটি ধারণা
তা হলো তারা কোনোক্রমেই নির্বাচনকে নিয়ন্ত্রণও করছেন না বা তার ফলাফল পাল্টাচ্ছেন না
একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে, এভাবেই নানা দেশ বিশাল কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে
তারা বিশেষভাবে একটি প্রচারের দিকে লক্ষ্য রাখে- তা হলো, তাদের পরিচালিত ব্যবস্থায় যে নির্বাচন হচ্ছে, তা 'অবাধ এবং প্রভাবমুক্ত'
এ কাজটি ক্ষমতাসীন দলগুলো খুব সহজেই করতে পারে
কারণ প্রচার এবং পরিচালনা পুরোপুরিভাবে তারাই নিয়ন্ত্রণ করে
বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে আন্দোলন, আলোচনা এবং নিয়ন্ত্রণের সব পন্থা গত কয়েক দশক ধরে চালু আছে
কিন্তু যে কাজটি গভীরতার সাথে করা প্রয়োজন সত্যিকারের গণতন্ত্রের জন্য, তা হচ্ছে না
এর কারণ অনেক
তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো এ ব্যাপারে কোনো আলোচনা হোক অথবা জনগণের মধ্যে তা বিস্তার লাভ করুক- এমনটি হচ্ছে না
জনগণকে পুরোপুরি সম্পৃক্ত না করতে পারলে, অগণতান্ত্রিক শক্তি বিরাজ করতে থাকবে, অবশ্য কথিত গণতন্ত্রের লেবাস পরে
এটা সত্য, যারা ক্ষমতায় যেতে চায় তাদের কৌশলী হতে হবে
এর মধ্যে প্রধান হলো সত্য তথ্য যেন জনগণের কাছে পৌঁছে
আমাদের পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের কবিতার বিখ্যাত মন্তব্য উল্লেখ করা যায়- 'গুনগুনাগুন ছুটলো কথা, শুনশুনা তানে
শুনশুনাশুন সবাই শোনে, কিন্তু কানে কানে
' এটা সত্য, ক্ষমতাসীনরা কখনোই চাইবে না, জনগণ তাদের বক্তব্য ছাড়া অন্য বক্তব্য শুনুক
তবে এটাও সত্য, আজকের টেকনোলজির যুগে এটা সম্ভব নয়; এমনকি অতীতেও ছিল না
কেবল কৌশল প্রয়োজন
মার্কিন রাজনীতিতে এই নজরদারি অত্যন্ত প্রযুক্তিনির্ভর
কথিত আছে, সে দেশে রিপাবলিকান পার্টির অনেক ছোট সংগঠন আছে যেখানে প্রযুক্তিবিদরা প্রতিদিনের ঘটনাবলি বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য প্রতিবিধান এবং বক্তব্য তৈরি করে পার্টির কাছে প্রেরণ করে থাকেন
পার্টির নেতারা তা বিবেচনা করেন
প্রচার এবং কর্মকাণ্ডের আশ্রয় নেন
এ দেশের রাজনৈতিক দলগুলো তেমন পরিশ্রম করে না
এর একটি কারণ হয়তোবা সে প্রযুক্তির বিকাশ এখানে তেমন নেই এবং জনগণ রাজনৈতিকভাবে সচেতন
সে জন্যই এখানে গণতন্ত্র স্থাপনের প্রক্রিয়ায় নানা প্রতিবন্ধকতা দেখা গেছে বারবার
তবে সঠিক নেতৃত্ব এবং বক্তব্য জনগণের সামনে এলে তারা সমর্থন জানিয়েছে দ্রুত
এই অবস্থায় একটি বিপত্তি হলো ক্ষমতাবানরা জনমত সৃষ্টি বা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহার করে থাকে শক্তি
এটা কখনো ক্রূর, কখনো খানিকটা কৌশলী- তবে এই কৌশলেও ক্ষমতার প্রয়োগ দেখা যায়
রাষ্ট্রসহ সবাইকে এর ব্যবহার করতে দেখা যায়
আরেকটি ভয়াবহ অবস্থা এখন প্রায় প্রতিদিনের স্বাভাবিক বিষয়
তা হলো খুন, গুম, জখম এবং 'আইনশৃঙ্খলা'র নামে ধরপাকড়
এর ফলে সৃষ্টি হয়েছে সর্বস্তরে অসহিষ্ণুতা এবং সহিংসতা
গণতন্ত্র দুর্বল হওয়ার এই দুই প্রধান কারণের ব্যাপকতা বাংলাদেশে যেন বেড়েই চলেছে
এর বিলুপ্তি বা কম হওয়ার প্রচেষ্টা কেউ করছে না
বরং রাজনীতির অংশীদাররা এর নানা অপব্যবহারে লিপ্ত
গণতন্ত্রের অন্যতম মূলভিত্তি হচ্ছে অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি
কিন্তু এ দেশে এর বিপরীতে নানা কৌশলী কর্মকাণ্ড চলছে
এটা ক্ষমতাসীনদের কর্মকাণ্ডেই কেবল সাহায্য করে থাকে
তবে এতে গণতন্ত্র দুর্বল হয় এবং অগণতান্ত্রিক ধারা শক্তিশালী হয়
যেমন গণতান্ত্রিক পদ্ধতি যদি জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে না হয়ে শুধু রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে ন্যস্ত থাকে, তখন জনগণের আগ্রহ কমে যায়
গণতন্ত্র তখনই সুদৃঢ় হবে যখন জনগণ অনুভব করবে দেশের বা রাষ্ট্রের প্রচলিত শাসনব্যবস্থায় তাদের একটা বক্তব্য বা স্থান থাকবে
কিন্তু ক্ষমতাসীনরা সেটা চান না
বরং তাদের কর্মকাণ্ডে বিরাজমান দুর্নীতি আরো বিস্তার লাভ করছে
ফলে বিশ্বের মানচিত্রে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশ বাদ পড়ছে না
যেহেতু প্রচার এখন প্রায় একটি গোষ্ঠীর হাতে সীমাবদ্ধ, যারা ইসলাম এবং মুসলিম সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করে থাকে, তাই এই প্রচারের মূল বিষয় হয়ে থাকে ইসলাম-মুসলিম ভীতি
যেমন একটি মন্তব্য হলো- কয়েক দশকে সমাজ জীবনে ইসলামের দৃশ্যমান উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে
'অপূর্ব' মন্তব্য
যে দেশের শতকরা ৯২ ভাগ মুসলমান, তারা তাদের জীবন ব্যবস্থা, পোশাক-আচরণে কি অন্যের নকল করবে? আমেরিকা-ইউরোপের লোকেরা কি মুসলিমদের মতো পাঁচবার নামাজ পড়ে? রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে নানা কথা
যখন মার্কিন ডলার নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য চলে, সেখানে কোনো কথা হয় না
অথচ সেখানে লেখা আছে 'ইন গড উই ট্রাস্ট
সেটা কি সাম্প্রদায়িকতা বা ধার্মিকতা হলো না?
বাংলাদেশের রাজনীতির আলোচনায় অবশ্যই ভারতের বিষয় আসবে
সম্প্রতি 'বাংলাদেশ পলিটিক্স অব রিভেঞ্জ অ্যান্ড ভেনজিয়ান্স' নিবন্ধে বেনজামিন মেনডেস এর বিশদ বর্ণনা করেছেন
এশিয়ান ট্রিবিউনে প্রকাশিত এই নিবন্ধে যে চিত্র এসেছে, তা বিশাল চিন্তার খোরাক
তবে শেষ কথা হলো, জনগণকে এখনই সঙ্ঘবদ্ধ হতে হবে তাদের জীবন ব্যবস্থা, বিশ্বাস এবং কর্মকাণ্ডকে নিজেদের মতো করে গড়ে তোলার জন্য
নতুবা ক্ষয়িষ্ণু নদী তীরের মতো জীবনটাই হারিয়ে যাবে
সে আত্মসম্মান কোথায়?
অন্যায় অনিয়ম অশুভের বিরুদ্ধে লাল কার্ড!
মোস্তফা সিবাঈর বোঝাপড়া
ভারতের রুশ মার্কিন সম্পর্কের রসায়ন কী হবে
চলে গেলেন মাওলানা নূরুল ইসলাম জিহাদী
দয়া করে পানি নিয়ে ভাবুন
খালেদা জিয়ার পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন বাতিল প্যারিসের ঠান্ডায় জমে যাচ্ছেন মেসি! আটলান্টিক মহাসাগরে হচ্ছে চীনা সামরিক ঘাঁটি, উদ্বিগ্ন আমেরিকা মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে আসছে দলীয় শাস্তি! কাটাখালী পৌরমেয়র আব্বাস তিন দিনের রিমান্ডে চীন-পাকিস্তান করিডোর ডিজিটালাইজড করা হচ্ছে জেমসের মামলায় বাংলালিংকের সিইওসহ ৪ জনের জামিন কব...
বাংলাদেশ ভারতের পক্ষে যাবে না (১৭৫২৮)এরদোগানকে হত্যার চেষ্টা! (১৬৩৫৫)'আগামীতে পিছা মার্কা আনমু, নৌকা মার্কা আনমু না' - নির্বাচনে হেরে নৌকার প্রার্থী (৮৩১১)ইরানের নাতাঞ্জ পরমাণু স্থাপনার কাছে বিস্ফোরণ (৭৭৭৮)আইভী আবারো নৌকা পাওয়ার নেপথ্যে (৭৫৩৭)স্বামীর সাথে সম্পর্ক! গৃহকর্মীকে খুন করে লাশ ঝাউবনে ফেললেন গৃহকর্ত্রী (৬৭৩৮)...
u o 19 si u i s uuu i gss g i i s g o i ui i ci s igi u csi c c i s g s s ii i s si 69 s u s c ii igi u ui s uu i c i
আন্তর্জাতিক
নিজের বাড়িতেই প্রতিদিন ৯ ঘণ্টা ঘুমালেই মিলবে লাখ টাকা!
নিজের বাড়িতেই প্রতিদিন ৯ ঘণ্টা ঘুমালেই মিলবে লাখ টাকা!
নয়া দিগন্ত অনলাইন
২৯ নভেম্বর ২০১৯, ১৭:৫৬
প্রতিদিন ৯ ঘণ্টা ঘুমিয়েই হতে পারেন লাখপতি - প্রতীকী ছবি
নিজের বাড়িতে প্রতিদিন নয় ঘণ্টা আরাম করে ঘুমোতে হবে
তাহলেই মিলবে এক লাখ টাকা! মনে হতেই পারে গল্পকথা
কিন্তু মোটেই তা নয়
আপনিও পেতে পারেন এমন অকল্পনীয় 'চাকরি'!
একটি সংস্থা যারা মানুষকে ঘুমের সমস্যা থেকে রেহাই দেওয়ার কাজ করে তারা শুরু করেছে একটি ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম
এর নাম দেয়া হয়েছে 'ওয়েকফিট স্লিপ ইন্টার্নশিপ'
ওয়েবসাইটটির নাম 'ওয়েকফিট' ()
কাজটি ১০০ দিনের
এই সময়ে দৈনিক নয় ঘণ্টা করে ঘুমাতে হবে আপনাকে
নিজেদের ওয়েবসাইটে ওই সংস্থার পক্ষ থেকে আবেদনপত্র চেয়েছে
তাদের দাবি, 'আপনি কি রাতে আপনার প্রিয় শোগুলো না দেখে তার বদলে নয় ঘণ্টা ঘুমাতে পারবেন? যদি তাই হয়, তাহলে আপনি হতে পারেন যোগ্য প্রার্থী, আমরা যার খোঁজ করছি
'জব ডেসক্রিপশন' বা কাজের ফিরিস্তি দিতে গিয়ে বলা হয়েছে 'কেবল ঘুম'! বলা হয়েছে, এমন প্রার্থী কাম্য যিনি শোওয়ার ১০-২০ মিনিটের মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়তে পারেন
এবং যার ক্ষমতা রয়েছে, যখন তখন সামান্য সুযোগ পেলেই ঘুমিয়ে পড়ার
এই কাজের শর্ত হল রাতের বেলা শোগুলো না দেখা
এমনকী, নিজের ফোনে আসা নোটিফিকেশনকেও অগ্রাহ্য করতে হবে
সব কিছু ঝেড়ে ফেলে কেবল নিশ্ছিদ্র আরামের ঘুম
এটুকুই 'কাজ'!
'বিজনেস ইনসাইডার' সূত্রে জানা যাচ্ছে, 'ওয়েকফিট' তাদের ইন্টার্নদের ঘুমনোর সময় লক্ষ করবে
ইন্টার্নদের ঘুমোতে হবে তাদের দেয়া ম্যাট্রেসে
সেই সাথে একটি 'স্লিপ ট্র্যাকার'-এ লক্ষ করা হবে ম্যাট্রেস ব্যবহারের আগে তারা কেমন ঘুমোচ্ছেন
তারপর ওই ম্যাট্রেসে শুয়ে ঘুমানোর সময় কী কী পরিবর্তন হচ্ছে ঘুমের