content
stringlengths
0
129k
এর পর নির্বাচনী রাজনীতিতে ভূমিকা রাখার জন্যে একটা প্লাটফরম দাঁড় করিয়েছে, এটা তাদের কার্যক্রমের একটা নতুন অগ্রগতি বলতে পারি
কিন্তু অতীতের ভুল শুধরে তারা নাম পরিবর্তন করেছে, এমন কথা যদি কেউ বলে থাকেন বা লিখে থাকেন তা হলে তিনি তথ্য বিচ্যুতির আশ্রয় নিয়েছেন
এই তো সেদিনও জামায়াতে ইসলামী হিন্দের আমীর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিলের ব্যাপারে সরকারের উদ্দেশে উচ্চ আদালতের রায়ের প্রতিবাদ করে বিবৃতি দিয়েছেন
তার বিবৃতি বিবিসিতেও প্রচারিত হয়েছে
এটা ঐতিহাসিক বাস্তব ঘটনা যে '৭১ সালে পাকিস্তানের অখ-ত্বের পক্ষে শুধু জামায়াতে ইসলামীই অবস্থান নেয়নি
বরং সকল ইসলামী ও মুসলিম সংগঠন, প্রতিষ্ঠান এবং সুপরিচিত সব ইসলামী ব্যক্তিত্ব পাকিস্তানের অখ-নের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল, সেই কারণেই মুসলিম লীগের সকল গ্রুপসহ পিডিপি, কৃষক শ্রমিক প্রজাপার্টি, নেজামে ইসলাম পার্টি ও জামায়াতে ইসলামকে একযোগেই নিষিদ্ধ করা হয়েছিল
বর্তমানে জামায়াতে ইসলামী ছাড়া ঐসব দলের আর কোনটাই সংগঠিত শক্তি হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় নাই বলেই তাদের নিয়ে বর্তমান সরকারের কোন মাথা ব্যথা নেই
তাছাড়া জামায়াতে ইসলামী বর্তমান প্রেক্ষাপটে ক্ষমতার রাজনীতিতে ফ্যাক্টর হওয়াও একটা বড় কারণ
সেই সাথে প্রতিবেশী দেশের আগ্রাসী, আধিপত্যবাদী ও সম্প্রসারণবাদী ভূমিকার ক্ষেত্রে জামায়তই প্রধান প্রতিবাদী শক্তি হওয়ার ফলেই আজ সরকারের কোপানলের শিকার হতে হচ্ছে
১৯৯১ সালে এবং ২০০১ সালে জামায়াতের কারণে বিএনপি ক্ষমতায় আসা এবং আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় আসতে না পারাটাই জামায়াতের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের ক্ষোভের প্রথম ও প্রধান কারণ
না হলে ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পুনর্গঠিত হওয়ার পর থেকে '৯১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে বর্তমানে যে অভিযোগ এনেছে, সে অভিযোগ কোন দিনই আনেনি
'৯২ সালে 'ঘাদানিকের' মাধ্যমে জামায়াতের বিরুদ্ধে হিংসাত্মক অভিযান পরিচালনার মূল কারণ ছিল, জামায়াত কেন সরকার গঠনে বিএনপিকে সমর্থন দিল? কিন্তু পরবর্তীতে কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচনের দাবিতে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে জামায়াতকে সাথে পেয়ে বা সাথে নিয়ে তাদের কোন আপত্তি তো ছিলই না, বরং অনেক তোয়াজ করে ...
জামায়াতকে সাথে নিয়ে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী প্রেস ব্রিফিং দিতে তখন কোন সংকোচ বোধ করেননি
তাই আজ একথা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলা যায়, দেশের রাজনীতিতে জামায়াতের ফ্যাক্টর হওয়া এবং ভারতীয় এজেন্ডা ও ডিজাইন বাস্তবায়নের পথে প্রধান অন্তরায় হওয়াই জামায়াতের একমাত্র অপরাধ
জামায়াতের এই ভূমিকা আওয়ামী ঘরানা ও বাম ঘরানার কাছে যতই অগ্রহণযোগ্য হোক না কেন দেশবাসী এটাকে ইতিবাচকভাবেই মূল্যায়ন করবে সেদিন বেশি দূরে নয়
অতএব কোন মহলের প্রচারণায় বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর কারণে ইসলামী আন্দোলনের নেতা ও কর্মীদের মনে হীনস্মন্যতা বোধের বা চিন্তার বিভ্রান্তির শিকার হবার প্রশ্নই ওঠে না
ইসলামী আন্দোলনের মূল পথিকৃত শেষ নবী মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁকেও আল্লাহ তায়ালাসহ বিভিন্ন সময়ের, তার পূর্বের নবী রাসূলদের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিয়ে তার সাথী-সঙ্গীদের ছবর ও ইস্তেকামাতের সাথে ময়দানে সুদৃঢ় অবস্থান নিয়ে সামনে অগ্রসর হবার তাকিদ দিয়েছেন
বর্তমানে আল্লাহর পক্ষ থেকে নতুন করে ওহীর মাধ্যমে কোন পথ নির্দেশ আসার সুযোগ নেই
তবে ময়দানের বাস্তবতাকে সামনে রেখে কোরআন ও সিরাতে রাসূল অধ্যয়ন করলে মনের সকল দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও হতাশা কাটিয়ে উঠে পূর্ণ আস্থা নিয়ে ময়দানে টিকে থাকার এবং সামনে এগুবার প্রেরণা পাওয়া অবশ্যই সম্ভব
অতি সম্প্রতি বাংলাদেশের ইসলাম বিরোধী শক্তির নাস্তিক্যবাদী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেমে দ্বীন হাজার হাজার আলেমে দ্বীনের ওস্তাদ হযরত আল্লামা আহমদ শফীর নেতৃত্বে গড়ে উঠা হেফাজতে ইসলামের রাজপথ কাঁপানো প্রতিবাদী ভূমিকা গ্রহেেণর পর থেকে সরকার এবং সরকারের দোসর ধর্মহীন রাজনীতির প্রবক্তা ও বাম ঘরানার রাজনীতিবিদ ও...
হযরত আল্লামা আহমদ শফী এবং তার সহকর্র্মীদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা উত্তর ৪২ বছরে আওয়ামী ঘরানারা বাম ঘরানা বা পক্ষ থেকে এমন কোন অভিযোগ বা অপবাদ শোনা যায়নি যা বর্তমানে শোনা যাচ্ছে
কারণ একটাই এখন তারা সরকারের এবং সরকারের দোসরদের ন্যক্কারজনক ইসলাম বিরোধী ভূমিকায় মাঠে-ময়দানে সবর এবং সক্রিয় আন্দোলন গড়ে তুলেছেন
ইসলামের বিরুদ্ধে ইসলামী আন্দোলন সংগ্রামের বিরুদ্ধে ঐ মহল বিশেষের আক্রোশ ও বিদ্বেষ মজ্জাগত
ইসলামের পক্ষে যারাই ইতিবাচক, সক্রিয় এবং শক্ত ভূমিকা রাখবে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের তুফান স্থায়ী করা অত্যাচার, জুলুম, নিপীড়ন, নির্যাতনের স্টিমরোলার চালানোই তাদের ইতিহাস
কাজেই এসব দেখে ইসলামের পক্ষের লোকদের আত্মবিশ্বাস এবং আস্থা আরো বৃদ্ধি পাওয়াটাই স্বাভাবিক
এটাই ইসলামী আন্দোলনের মূল ধারার যথার্থতার ও সঠিক পথে থাকার মহা সনদ যা স্বয়ং আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা কর্তৃক সত্যায়িত বা অনুমোদিত
সম্প্রতি মিসরের ঘটনার প্রতি গোটা বিশ্বের দৃষ্টি নিবন্ধ হয়ে আছে
মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ করার পাঁয়তারা চলছে
এটা হলে নাকি সেখানে ইসলামী রাজনীতি বা তাদের ভাষা, রাজনৈতিক ইসলাম শেষ হয়ে যাবে, এই মর্মে বাংলাদেশের একটি জাতীয় দৈনিকের উপ-সম্পাদকীয় নিবন্ধে মন্তব্য করা হয়েছে
মন্তব্যকারী এই নিবন্ধ লেখার সময় মিসরের মুসলিম ব্রাদারহুডকে বিগত প্রায় ৬০ বছর নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও ইসলামী আন্দোলন যা তাদের ভাষায় রাজনৈতিক ইসলাম শেষ হয়ে যায়নি
মিসরের জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রথম সুযোগেই মুসলিম ব্রাদারহুড মনোনীত প্রার্থীদের সংসদে বিজয়ী করেছে, প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকেও বিজয়ী করেছে, একই সাথে গণতন্ত্র ও ইসলামী আদর্শের জন্যে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে সক্ষম হয়েছে
এর পর যারা মনে করে গণতন্ত্র থাকলে ইসলামের জয় সুনিশ্চিত, তারাই চক্রান্ত, ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে কু'দাতার মাধ্যমে প্রথম বারের মতো জনগণের ভোটে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে, গ্রেফতারও করেছে
এ প্রসঙ্গে তুরস্কের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রজব তাইয়েব এরদোগান স্পষ্টই উল্লেখ করেছেন
মিসরের সামরিক কু'দাতার পেছনে ইসরাইলের হাত থাকার ব্যাপারে তাদের কাছে প্রমাণ আছে
এতে প্রমাণিত হয় কোরআনে ঘোষিত ইসলাম ও মুসলমানদের কট্টরতম দুশমন জায়নবাদী গোষ্ঠীই তাদের পৃষ্ঠপোষকদের মাধ্যমে দেশে দেশে ইসলামের অগ্রযাত্রা রুখে দেবার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে
- শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী রহঃ
(২৭/০৮/১৩ তারিখে দৈনিক সংগ্রামে প্রকাশিত)
:
এটি ইমেল করুনএটি ব্লগ করুন!-এ শেয়ার করুন-এ শেয়ার করুন
নবীনতর পোস্ট পুরাতন পোস্ট হোম
0 :
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
ফেসবুক পাতা
টুইটারে সাথে থাকুন
@_
কালো পঁচিশ কি আসলেই কালো?
২৫ মার্চের আলোচনায় যাওয়ার আগে একটা ভিন্ন প্রসঙ্গে আসি
আপনারা জানেন চট্টগ্রামে ছাত্রশিবির এবং জামায়াতের ব্যপক প্রভাব
চট্টগ্রামের আ. ল...
১৪ই ডিসেম্বরের বুদ্ধিজীবী হত্যাকারী কারা?
১৯৭১ সালে নিহতদের মধ্যে যারা বুদ্ধিজীবী হিসেবে চিহ্নিত এরকম আছেন প্রায় ৩৬ জন
এদের মধ্যে আঠার জন ১৪ই ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেছেন
৭ নভেম্বর কী হয়েছিল? কারা ঘটিয়েছিল? কেন ঘটিয়েছিল?
খালেদ মোশাররফ, কর্নেল তাহের, জিয়াউর রহমান ২ থেকে ৭ নভেম্বর
বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে কুয়াশাচ্ছন এবং ঘোলাটে অধ্যায়
অনেকে এটাকে বলেন...
সীমানাভাঙা বিপ্লবের কবি আল্লামা ইকবাল
আল্লামা ইকবাল যখন জন্ম নিলেন তখন মুসলিম নেতৃত্বের সূর্য অস্তমিত হচ্ছে
তিনি যখন যৌবনে তখন মুসলিম সালতানাত ভেঙে খান খান হচ্ছে
ইউরোপিয়ানদের জ...
বঙ্গকথা পর্ব-৭৪ : ১৯৭১ সালের হত্যাযজ্ঞ, ধর্ষণ ও সত্যাসত্য প্রসঙ্গ
বাংলাদেশে ৫০ বছরে এই পর্যন্ত ৭১ এর হত্যাযজ্ঞ নিয়ে ভালো কোনো তালিকা বা রেকর্ড তৈরি করেনি এদেশের কোনো সরকার
বরং পারলে বাধা দিয়েছে
মুজিব সরক...
-: 'সম্পর্কের স্বর্ণালী সময়', ৬ ডিসেম্বর ২০ টি দেশে পালিত হবে 'মৈত্রী দিবস' | ,
-: 'সম্পর্কের স্বর্ণালী সময়', ৬ ডিসেম্বর ২০ টি দেশে পালিত হবে 'মৈত্রী দিবস'
ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের (- ) সোনালী পর্ব চলছে বলে জানালেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ( )
আগামী ৬ ডিসেম্বর দুই দেশ 'মৈত্রী দিবস' ( ) পালন করবে
, 23, 2021, 2:25
'ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের (- ) সোনালী পর্ব চলছে'
২১ নভেম্বর দিনটি বাংলাদেশ, সশস্ত্র বাহিনী দিবস ( ) হিসাবে পালন করে
এই উপলক্ষে সোমবার, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে এমন কথাই বললেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ( )
তিনি আরও বলেন, এই বছর একদিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী, অন্যদিকে ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের পঞ্চাশ বছর পূর্তি
আবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ( ) জন্মশতবার্ষিকীও বটে
তাই, বছরটি দুই দেশের সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত তাত্পর্যপূর্ণ
বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে, সোমবার সন্ধ্যায় নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনে ( , ), বাংলাদেশি হাইকমিশনার মহম্মদ ইমরানন্দ ( ) এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন
সেখানেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে
রাজনাথ সিং সেই অনুষ্ঠানে বলেন, 'ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক একটি 'স্বর্ণালী অধ্যায়'-এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছে
নিরাপত্তা, বাণিজ্য, সংযোগ এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে মত বিনিময়ের মতো ঐতিহ্যগত ক্ষেত্রে সহযোগিতা ক্রমে গভীরতর হচ্ছে
আবার পারমাণবিক প্রযুক্তি, আইটি, উদ্ভাবন এবং নীল অর্থনীতির মতো নতুন এবং উদীয়মান ক্ষেত্রেও দুই দেশের অংশিদারিত্ব প্রসারিত হচ্ছে
আরও পড়ুন - : শহীদ কর্নেল সন্তোষ বাবু পেলেন মহাবীর চক্র, আরও ৫ জন 'বীর চক্রে' সম্মানিত
আরও পড়ুন - : কংগ্রেসকে চরম অস্বস্তিতে ফেললেন মণীশ তিওয়ারি, ২৬/১১ হল বিজেপির নতুন অস্ত্র
আরও পড়ুন - : প্রথম দিনই ৫ বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক, জেনে নিন মমতার দিল্লির কর্মসূচি
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আরও বলেন, তাঁর মতে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি আনতে দুই দেশের শক্তিশালী অংশীদারি দারুণ গুরুত্বপূর্ণ
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের ( ) পাশে দাঁড়ানো ভারতীয় সেনাদেরও ( ) শ্রদ্ধা জানান রাজনাথ সিং
তিনি বলেন, ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা এবং ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের গভীর মানসিক, সাংস্কৃতিক, ভাষাগত এবং ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বন্ধনের জন্য, ভারতের দিক থেকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারত স্বাভাবিকভাবেই সর্বাত্মক সমর্থনের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল
এই বন্ধুত্ব, ত্যাগ, সীমানার বাধা অতিক্রম করে আরও সমৃদ্ধ হওয়ায় ভারত গর্বিত, বলেও জানান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
এই অনুষ্ঠানে রাজনাথ সিং আরও একটি বড় ঘোষণা করেন
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ৬ ডিসেম্বর, ভারত ও বাংলাদেশে তো বটেই, সেইসঙ্গে বিশ্বের আরও ১৮ টি দেশে 'মৈত্রী দিবস' ( ) পালিত হবে
১৯৭১ সালে ৬ ডিসেম্বর তারিখেই বিশ্বের প্রথম দেশ হিসাবে ভারত, বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে পৃথক দেশের স্বীকৃতি দিয়েছিল
২০২০ সালেই ঢাকা সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ( ) এবং বাংলাদেশী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ( ) যৌথ বিবৃতিতে, এই বিশেষ দিনটিকে 'মৈত্রী দিবস' হিসেবে উদযাপন করার ঘোষণা করেছিলেন
23, 2021, 5:27
-