content
stringlengths
0
129k
[২] তিন ভাইবোনের মধ্যে তিনি সর্বকনিষ্ঠ
তার যখন খুব অল্প বয়স তখন তার পিতা তার পরিবার ছেড়ে চলে যান
তার মদ্যাসক্ত মাতা একাকী তাকে লালনপালন করেন
[৩] তার যখন ১৬ বছর বয়স তখন তার মাতা মদ্যপানের কারণে স্বাস্থ্যহানীতে মারা যান
তার প্রথম উপন্যাস শুগি বেইন মূলত তার নিজের ও তার মায়ের সংগ্রাম, এবং তার মায়ের সাথে তার সম্পর্কের গল্প থেকে অনুপ্রাণিত
[৪] মায়ের মৃত্যুর পর তিনি তার বড় ভাইয়ের নিকট বসবাস করেন এবং ১৭ বছর বয়সে একটি বোর্ডিং হাউজে চলে যান
তিনি স্কটিশ কলেজ অব টেক্সটাইলস থেকে স্নাতক এবং লন্ডনের রয়্যাল কলেজ অব আর্ট থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন
[৩] সাহিত্যে তার আনুষ্ঠানিক কোন শিক্ষা নেই
কলেজে যখন তিনি সাহিত্য নিয়ে অধ্যয়ন করতে চান, তার এক শিক্ষক তাকে নিরুৎসাহিত করেন
যার ফলে তিনি সাহিত্যের পরিবর্তে টেক্সটাইলস নিয়ে পড়াশোনা করেন
কর্মজীবনসম্পাদনা
স্টুয়ার্ট ২৪ বছর বয়সে ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করতে নিউ ইয়র্ক সিটিতে পাড়ি জমান
তিনি বেশ কিছু নামকরা পণ্যের জন্য কাজ করেন, তন্মধ্যে রয়েছে ক্যালভিন ক্লেইন, রালফ লরেন, ব্যানানা রিপাবলিক ও জ্যাক স্পেড
[৩] স্টুয়ার্ট পোশাক নকশার পাশাপাশি তার লেখনীও চালিয়ে যান
তিনি ব্যানানা রিপাবলিকের সিনিয়র ডিরেক্টর হিসেবে ১২ ঘণ্টার শিফটে কর্মরত অবস্থাতেই তার প্রথম উপন্যাস লেখা শুরু করেছিলেন
তার প্রথম উপন্যাস শুগি বেইন ২০২০ সালে বুকার পুরস্কার অর্জন করে
[৫][৬] তিনি বুকার পুরস্কারের ৫১ বছরের ইতিহাসে এই পুরস্কার বিজয়ী দ্বিতীয় স্কটিশ সাহিত্যিক
[৭] তার আগে জেমস কেলম্যান ১৯৯৪ সালে হাউ লেট ইট ওয়াজ, হাউ লেট উপন্যাসের জন্য এই পুরস্কার লাভ করেছিলেন
[৮] স্টুয়ার্ট এই বইটিকে তার জীবন পরিবর্তন করে দিয়েছিল বলে উল্লেখ করে থাকেন
[৯][১০][১১]
তথ্যসূত্রসম্পাদনা
↑ "বুকার পেলেন ডগলাস স্টুয়ার্ট"
দৈনিক প্রথম আলো
২০ নভেম্বর ২০২০
সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২১
↑ মিলেন, রবি (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০)
" ' "
দ্য টাইমস
সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২১
↑ ক খ গ ঘ ঙ অল্টার, আলেকজান্ড্রা (২৩ অক্টোবর ২০২০)
" ' ' ' "
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)
আইএসএসএন 0362-4331
সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২১
↑ ক্লার্ক, অ্যালেক্স (২২ নভেম্বর ২০২০)
" ' "
দ্য গার্ডিয়ান (ইংরেজি ভাষায়)
সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২১
↑ ফ্লাড, অ্যালিসন (১৯ নভেম্বর ২০২০)
" "
দ্য গার্ডিয়ান (ইংরেজি ভাষায়)
সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২১
↑ " | "
বুকার পুরস্কার
সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২১
↑ চিল্টন, মার্টিন (২৬ নভেম্বর ২০২০)
" : ' ' '"
দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট
সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২১
↑ ডাফি, জুডিথ (১৫ নভেম্বর ২০২০)
" ' "
দ্য ন্যাশনাল
সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২১
↑ ডয়েল, মার্টিন (১৯ নভেম্বর ২০২০)
" 2020 "
দি আইরিশ টাইমস
সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২১
↑ " "
বুকব্রাঞ্চ
২০ নভেম্বর ২০২০
সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২১
↑ " "
বুকার পুরস্কার
১১ আগস্ট ২০২০
সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২১
নর্থ বাই নর্থওয়েস্ট ১৯৫৯ সালের মার্কিন গোয়েন্দা থ্রিলার চলচ্চিত্র
মার্কিন পরিচালক অ্যালফ্রেড হিচকক পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ে ছিলেন ক্যারি গ্র্যান্ট, ইভা মারি সেন্ট, জেমস ম্যাসন এবং জেসি রয়েস ল্যান্ডিস
প্রযোজনা করেছে মেট্রো-গোল্ডউইন-মেয়ার এবং চিত্রনাট্য লিখেছেন আর্নেস্ট লেহম্যান
[৩] এর আন্তর্জাতিক প্রিমিয়ার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছিল স্যান সেবাস্টিয়ান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে
নর্থ বাই নর্থওয়েস্ট মূলত একজন পরিচয়বিহীন মানুষের গল্প
নিউ ইয়র্কের বিজ্ঞাপন ব্যবসায়ী এক ব্যক্তিকে দেশের মূল্যবান মাইক্রোফিল্ম পাচারকারী একটি দল ভুল করে মার্কিন প্রশাসনের গোয়েন্দা বলে চিহ্নিত করে
আসলে তারা যে নামের এজেন্টকে খুঁজছে সে নামে কারও অস্তিত্ব নেই
পাচারকারী দলের উদ্দেশ্য ছিল এই এজেন্টকে খুন করে তাদের পরিকল্পনা সচল রাখা
চলচ্চিত্রের স্কোর করেছেন বার্নার্ড হেরমান এবং শিরোনাম সিকুয়েন্স তৈরি করেছেন গ্রাফিক নকশাকারী সল ব্যাস
পরিচ্ছেদসমূহ
১ কাহিনীসংক্ষেপ
৩ পুরস্কার
৪ তথ্যসূত্র
৫ বহিঃসংযোগ
কাহিনীসংক্ষেপ[সম্পাদনা]
সতর্কীকরণ: নিচে কাহিনি কিংবা/ও সমাপ্তির বিশদ বিবরণ রয়েছে
রজার থর্নহিল ম্যানহাটনের ম্যাডিসন এভিনিউয়ের এক বিজ্ঞাপন ব্যবসায়ী যাকে ভুল করে জর্জ ক্যাপলান নামক সরকারি এজেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এক মাইক্রোফিল্ম পাচারকারী দল
দলের দুই এজেন্ট তাকে আটক করে নিউ ইয়র্ক সিটির এক প্লাজা হোটেল থেকে লেস্টার টাউনসেন্ডের বাড়িতে ধরে নিয়ে আসে
টাউনসেন্ড পরিচয় দানকারী এক লোক সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে
কিন্তু সে বারবার ক্যাপলান নয় বলে দাবী করতে থাকে
টাউনসেন্ড নামে পরিচয় দানকারী এই ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে "ফিলিপ ভ্যানডেম" যে পাচারকারী দলের প্রধান
ভ্যানডেম ক্যাপলান মনে করেই বোধ হয় থর্নহিলকে মেরে ফেলার নির্দেশ দেয়
এজেন্টরা তাকে জোর করে প্রচুর পরিমাণ বৌরবন হুইস্কি খাইয়ে চুরি করা গাড়িতে উঠিয়ে দুর্গম রাস্তায় ছেড়ে দেয় যাতে মাতাল অবস্থায় দুর্ঘটনা মৃত্যু বলে চালিয়ে দেয়া যায়
কিন্তু মারা না গিয়ে সে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে
নিউ ইয়র্কের গ্লেন কোভ এলাকার পুলিশ বিচারালয়ে তার বিচারের সময় তার মা উপস্থিত হয়
সে প্রকৃত কাহিনী ব্যাখ্যা করায় দুজন গোয়েন্দা দিয়ে তাকে টাউনসেন্ডের বাড়িতে পাঠানো হয়
সেখানে গিয়ে আসল টাউনসেন্ডের স্ত্রীর (পাচারকারী দলের সাজানো) সাথে কথা হয়
জানা যায় টাউনসেন্ড জাতিসংঘের কূটনীতিক
পুলিশ তাকেই দোষী সাব্যস্ত করে
দুই ডলার জরিমানা দিয়ে সে আসল ঘটনা অনুসন্ধানে নামে, জর্জ ক্যাপলানকে খুঁজে বের করলেই এর সমাধান হবে
সে ক্যাপলানের হোটেল কক্ষে অনধিকার প্রবেশ করে একটি ছবি পায় যাতে টাউনসেন্ড পরিচয় দানকারী ব্যক্তিটির ছবি পায়
জাতিসংঘ দপ্তরে গিয়ে টাউনসেন্ডকে খুঁজে বের করে
কিন্তু ছবির যে ব্যক্তি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল টাউনসেন্ডের সাথে তার কোন মিলই নেই
টাউনসেন্ডই সে বাড়ির প্রকৃত মালিক যা অনেকদিন থেকে তালাবদ্ধ আছে
ছবিটি দেখিয়ে তাকে কিছু জিজ্ঞাসা করার আগেই পিছন থেকে ছুরিকাহত হয়ে টাউনসেন্ডের মৃত্যু হয়