content stringlengths 0 129k |
|---|
১৯৫৯-এর চলচ্চিত্র |
১৯৫০-এর দশকের নাট্য চলচ্চিত্র |
মার্কিন চলচ্চিত্র |
মার্কিন রহস্য চলচ্চিত্র |
মার্কিন অ্যাকশন থ্রিলার চলচ্চিত্র |
মার্কিন নাট্য চলচ্চিত্র |
মার্কিন অপরাধ নাট্য চলচ্চিত্র |
মার্কিন গোয়েন্দা চলচ্চিত্র |
এদ্গার পুরস্কার বিজয়ী |
অ্যালফ্রেড হিচকক পরিচালিত চলচ্চিত্র |
বার্নার্ড হেরমান কর্তৃক চলচ্চিত্র স্কোর |
কার্ন কাউন্টি, ক্যালিফর্নিয়া |
মেট্রো-গোল্ডউইন-মেয়ারের চলচ্চিত্র |
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় চলচ্চিত্রের তালিকাভুক্তি চলচ্চিত্র |
রেল পরিবহণের চলচ্চিত্র |
মার্কিন পথ চলচ্চিত্র |
অ্যালফ্রেড হিচকক প্রযোজিত চলচ্চিত্র |
গুপ্তহত্যা সম্পর্কে চলচ্চিত্র |
নিউ ইয়র্ক শহরের পটভূমিতে চলচ্চিত্র |
শিকাগোর পটভূমিতে চলচ্চিত্র |
লুকানো বিষয়শ্রেণী: |
উদ্ধৃতি টেমপ্লেট ইংরেজি প্যারামিটার ব্যবহার করেছে |
ইংরেজি ভাষার বহিঃসংযোগ থাকা নিবন্ধ |
এ পৃষ্ঠায় শেষ পরিবর্তন হয়েছিল ০৬:৩৪টার সময়, ১ জুন ২০২১ তারিখে |
লেখাগুলো ক্রিয়েটিভ কমন্স অ্যাট্রিবিউশন/শেয়ার-আলাইক লাইসেন্সের আওতাভুক্ত; এর সাথে বাড়তি শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে |
এই সাইট ব্যবহার করার মাধ্যমে, আপনি এটি ব্যবহারের শর্তাবলী ও এর গোপনীয়তা নীতির সাথে সম্মত হচ্ছেন |
উইকিপিডিয়া®, অলাভজনক সংস্থা উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের একটি নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক |
'://..//.?=বিষয়শ্রেণী:মার্কিন_পরিচালক_অনুযায়ী_চলচ্চিত্র&=2960469' থেকে আনীত |
বিষয়শ্রেণীসমূহ: |
পরিচালকের জাতীয়তা অনুযায়ী চলচ্চিত্র |
মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের কাজ |
মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক |
লুকানো বিষয়শ্রেণী: |
বিষয়শ্রেণীর ধারক |
এ পৃষ্ঠায় শেষ পরিবর্তন হয়েছিল ২০:৪৬টার সময়, ২৬ মার্চ ২০১৮ তারিখে |
লেখাগুলো ক্রিয়েটিভ কমন্স অ্যাট্রিবিউশন/শেয়ার-আলাইক লাইসেন্সের আওতাভুক্ত; এর সাথে বাড়তি শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে |
এই সাইট ব্যবহার করার মাধ্যমে, আপনি এটি ব্যবহারের শর্তাবলী ও এর গোপনীয়তা নীতির সাথে সম্মত হচ্ছেন |
উইকিপিডিয়া®, অলাভজনক সংস্থা উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের একটি নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক |
বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন বা স্বদেশী আন্দোলনে বাংলার কৃষক শ্রেণি স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে অংশগ্রহণ না করলেও শ্রমিক ও কারিগরেরা সংগঠিত ও অসংগঠিত ভাবে আন্দোলনে শরিক হয়েছিল |
তাদের নিজস্ব দাবি-দাওয়াগুলির সঙ্গে জাতীয় আন্দোলনের ভাবাবেগকে সংযুক্ত করেছিল |
শ্রমিকদের অংশগ্রহণের কতগুলি কারণ ছিল:- |
১) দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি এবং জাতিগত অপমানের বিরুদ্ধে সংগঠিত ধর্মঘটগুলি স্বদেশিনেতা ও জাতীয়তাবাদী সংবাদপত্রগুলির সমর্থন পেতে শুরু করেছিল |
২) বহু স্বদেশী নেতা স্থায়ী ট্রেড ইউনিয়ন গড়ে তোলে,ধর্মঘটে শ্রমিকদের আইনি সাহায্য দেওয়া,ধর্মঘট তহবিলের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা ইত্যাদি কাজে উদ্যোগ নিয়েছিল |
৩) শ্রমিকরা তাদের আন্দোলনের মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার ও মালিক পক্ষের ওপর চাপ তৈরি করে কাজের সময়সীমা হ্রাস,মজুরি বৃদ্ধি,অতিরিক্ত কাজের জন্য মজুরি আদায় ইত্যাদি দাবীগুলি আদায় করতে চেয়েছিল |
৪) কলকাতা ও মফঃস্বলে স্বদেশী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যে ভাবাবেগ তৈরি হয়েছিল মিটিং,মিছিল,পিকেটিং,সভা সমিতি,বুদ্ধিজীবীদের অংশগ্রহণ তা শ্রমিকদের মনকে আন্দোলন মুখর করে তুলেছিল |
শ্রমিক আন্দোলনে জন সমর্থন জুগিয়ে ছিলেন বিপিন চন্দ্র পাল,চিত্তরঞ্জন দাশ,লিয়াকত হোসেন এর মতো জাতীয়তাবাদী নেতারা |
তবে যে চার জন নেতা শ্রমিক আন্দোলনের কাণ্ডারি ছিলেন এই পর্বে তারা ছিলেন অশ্বিনীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়,প্রভাত কুমার রায় চৌধুরী,অপূর্ব কুমার ঘোষ এবং প্রেমতোষ বসু |
প্রথম তিনজন ছিলেন ব্যারিস্টার আর প্রেমতোষ বসু ছিলেন উত্তর কলকাতার একটি ছাপাখানার মালিক |
মূলত সরকারি ছাপাখানা, রেল, চটকল, এবং ট্রাম শ্রমিকদের মধ্যে ঐ চার নেতার জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে |
বাংলার শ্রমিক আন্দোলনের চার নেতা |
বিভিন্ন ধর্মঘটের ও আন্দোলনের নিদর্শন:- |
১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর যেদিন বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয় সেদিন নানা স্তরের মানুষের সঙ্গে শ্রমিকরাও প্রতিবাদে অংশ নিয়েছিল |
সরকারি প্রতিবেদন থেকে জানা যায় ঐ দিন প্রায় সব দপ্তরে তালা ঝুলেছে ,রাস্তায় গাড়োয়ান ছিল না |
আর কয়েকটি চটকল ও রেল কর্মশালায় ধর্মঘট পালিত হয় |
হাওড়ার বার্ণ কোম্পানির ২৪৭জন কেরানি প্রতিবাদে কাজ ছেড়ে বেরিয়ে আসেন |
অনেকের মতে এটি ছিল স্বদেশী যুগে বাংলায় প্রথম শ্রমিক ধর্মঘট |
ছাপাখানা কর্মীদের আন্দোলন:- কলকাতায় সরকারি ছাপাখানায় কর্মীরা ধর্মঘট শুর করে ,বি.জি.প্রেস,আই.জি.প্রেসে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে |
ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায় ও শ্যামসুন্দর বসু ধর্মঘটী দের পাশে দাঁড়ান |
এই দুই নেতার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় সম্ভবত বাংলার প্রথম ট্রেড ইউনিয়ন 'প্রিন্টস অ্যান্ড কম্পোজিটর লীগ' |
'বেঙ্গল সেক্রেটারিয়েট প্রেস'এর কর্মীরা এই ধর্মঘটকে সমর্থন করেছিল |
কুলিও মেথর ধর্মঘট:- কলকাতা পৌরসভার প্রায় ২০০০কুলি ও মেথর ধর্মঘট করেন |
সুমিত সরকার তার গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এই সব শ্রমিক ধর্মঘটের সমর্থনে কলকাতার রাস্তায় মানুষের মিছিল বেরিয়েছিল |
ধর্মঘটীদের মিছিলে মানুষ চাঁদা দিয়েছিল সরবরাহ করেছিল খাদ্য |
রেল ও ট্রাম শ্রমিকদের ধর্মঘট:- ১৯০৬খ্রিস্টাব্দে রেলওয়ে শ্রমজীবীরা আন্দোলন পরিচালনার জন্য 'রেলওয়ে মেনস ইউনিয়ন'গঠন করে |
চিত্তরঞ্জন দাশ,বিপিনচন্দ্র পাল,লিয়াকৎ হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ ধর্মঘটীদের পাশে দাঁড়ান |
ক্রমে এই আন্দোলন জামালপুর,আসানসোল,খড়গপুর,প্রভৃতি জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে |
ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়ের প্রায় ৯৫০ জন গার্ড বেতন বৃদ্ধির দাবিতে ধর্মঘট করে |
১৯০৬খ্রিঃ ২৭শে আগস্ট রেলের জামালপুর ওয়ার্কশপের শ্রমিকরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন |
পুলিশ গুলি চালায়,রাষ্ট্রীয় দমননীতির পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মঘট ভেঙে যায় |
১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে অক্টোবর মাসে ট্রাম শ্রমিকরা ধর্মঘট করে |
অশ্বিনীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ও অপূর্ব কুমার ঘোষের প্রচেষ্টায় তার নিষ্পত্তি হয় |
চটকল ও মিল শ্রমিকদের আন্দোলন:- বাংলায় ৩৭টা চটকলের মধ্যে কমবেশি আঠারোটি চটকল শ্রমিক ধর্মঘট দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল- |
হাওড়ায় বাউরিয়া ফোর্ট গ্লাস্টার মিলটিতে ধর্মঘট শুরু হয় এখানে শ্রমিকরা রাখিবন্ধন উৎসব পালন করে |
বজবজের ক্লাইভ জুটমিলের শ্রমিকেরা বেতন বৃদ্ধির দাবীতে আন্দোলন শুরু করেছিল |
অশ্বিনী কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে চটকল শ্রমিকদের নিয়ে বজবজে প্রতিষ্ঠিত হয় 'ইন্ডিয়ান মিল হ্যান্ডস ইউনিয়ন' |
বন্দরের ধর্মঘট:-কলকাতা বন্দরের জেটিতে নিযুক্ত ৪০০জন বিভাগীয় শ্রমিক এ.সি.ব্যানার্জী ও প্রেমতোষ বোসের নেতৃত্বে ধর্মঘট শুরুকরে |
১৯০৭খ্রিস্টাব্দে ডিসেম্বর মাসে কলকাতা ও খিদিরপুরে ডকে ২০০শ্রমিক ধর্মঘট করে |
কলকাতার বাইরে শ্রমিক আন্দোলন:- ১৯০৭খ্রিস্টাব্দে রাওয়ালপিন্ডিতে অস্ত্র ও রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানাতে শ্রমিকেরা ধর্মঘট শুরু করে |
পাঞ্জাব থেকে বহিষ্কার করা হয় অজিত সিং ও লালা লাজপত রায় কে |
তামিলনাড়ু তুতিকোরিনে বিদেশী মালিকাধীন একটি বস্ত্র কারখানায় ধর্মঘটের সমর্থনে প্রচার করেন সুব্রক্ষন্যম শিব ও চিদাম্বরম পিল্লাই |
এই দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করা হলে তুতিকোরিন ও তিরুনেলাভিলিতে ব্যাপক ধর্মঘট ও সংঘর্ষ শুরু হয় |
মহারাষ্ট্রে'মারাঠা' ও 'কেশরী' পত্রিকায় সরকারের তীব্র সমালোচনা করায়-তিলককে গ্রেপ্তার করা হয় বিচারে তার ৬বছরের কারাদণ্ড হলে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে সাধারণ মানুষ |
বম্বের বস্ত্র কারখানা ও রেল ওয়ার্কশপে শ্রমিকরা স্বতঃস্ফূর্ত ধর্মঘট করেন |
প্রায় ৬দিন তাদের ধর্মঘট চলে |
শ্রমিকদের বলপূর্বক কাজে যোগদিতে বাধ্যকরে পুলিশ |
শ্রমিকদের দমন করার জন্য সামরিক বাহিনী নামানো হয় |
পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর গুলিতে ১৬জন শ্রমিক নিহত হয় |
লেলিন এই আন্দোলন কে অভিনন্দিত করে বলেন 'রাজনৈতিক মঞ্চে ভারতীয় শ্রমিক শ্রেণির আবির্ভাব ঘটেছে' সুমিত সরকার এই ধর্মঘটকে প্রকৃত অর্থে 'রাজনৈতিক ধর্মঘট' আখ্যা দিয়েছে |
শীতে প্রায় কাবু হয়ে পড়ছেন দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ |
ঘন কুয়াশা পড়েছে |
তাপমাত্র প্রায় ১৩ ডিগ্রি |
সকাল হলে খড় জ্বালিয়ে আগুনের উত্তাপ নিতে দেখা যায় সেখানকার মানুষদের |
কর্মস্থলে যাবার তাড়া কম নয় |
রুটি-রুজির আকঙ্খায় প্রতিদিন নেমে পড়তে হচ্ছে জীবনযুদ্ধের মাঠে |
কিন্তু ঠিক এই মুহুর্তে সব তাড়াকে পেছনে ফেলে অন্য এক 'তাড়া' তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে পুরো বাংলাদেশকে |
হাড়া কাঁপানো শীতকে ছাড়িয়ে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ছে সর্বত্র |
সেই উত্তাপ, সেই তাড়না গিয়ে থামবে রোববারে |
৩০ ডিসেম্বর ২০১৮-এ |
এ দিন সকালটা শুরু হবে প্রতিদিনকার মতোই |
কিন্তু বাংলাদেশের সেই সকাল হবে ভিন্ন মেজাজের |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.