content
stringlengths
0
129k
কিছু চিন্তা না করেই ছুরিটি বের করতে গিয়ে সে-ই খুনী হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যায়
পালিয়ে গেলেও পত্রিকায় খুনের আসামী হিসেবে তার ছবি বেরোয়
পলাতক থর্নহিল জানতে পারে এ হোটেল থেকে ক্যাপলান শিকাগোর একটি হোটেলের উদ্দেশ্যে চলে গেছে
প্লেন না নিয়ে ট্রেনে শিকাগো যাবার সিদ্ধান্ত নেয় সে
বিনা টিকিটে ভ্রমণ তার উপর পলাতক আসামী হিসেবে সন্দেহে, অনেক কষ্টে টুয়েন্টিথ সেঞ্চুরি লিমিটেডের একটি ট্রেনে উঠলেও পুলিশের তাড়া খেয়ে একটি মেয়ের সাথে তার দেখা হয়
ইভ কেন্ডাল নামক মেয়েটি তাকে তখনকার মত রক্ষা করে
রাতের খাবারের সময় আবার মেয়েটির সাথে দেখা হয়
কথায় কথায় থর্নহিল তার নিজস্ব ম্যাচবক্সটি কেন্ডালকে দেখায় যাতে "" লিখা; -তে রজার, -তে থর্নহিল, -এর কোন অর্থ নেই
তখনই ট্রেন স্টেশন ছাড়া অন্য এক স্থানে থেমে যায় আর পুলিশ তল্লাশির জন্য উঠে
মেয়েটি নিজ ঘরে থর্নহিলকে লুকিয়ে রাখে
তারা একসাথে রাত্রিযাপন করে এবং খানিকটা প্রেমে পড়ে যায়
মেয়েটি আসলে ভ্যানডেমের প্রেমিকা যে পুলিশের হাত থেকে তাকে বাঁচিয়ে ভ্যানডেমের কাছে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে এসব করছে
ট্রেন শিকাগো পৌঁছার পর মেয়েটি থর্নহিলের হয়ে ক্যাপলানকে ফোন করে তার সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করে
আসলে কেন্ডাল কথা বলে ভ্যানডেমের সহযোগী ব্যবসায়ী লিওনার্দের সাথে
কেন্ডালের ঠিকানা অনুযায়ী যে স্থানে থর্নহিল যায় সেখানে তাকে প্লেন দিয়ে মারার চেষ্টা করা হয়
সেখান থেকে বেঁচে ক্যাপলানের হোটেলে এসে জানতে পারে ক্যাপলান সকাল ৭:৩০-এ হোটেল ছেড়ে দক্ষিণ ডাকোটার র‌্যাপিড সিটিতে গেছে
অথচ কেন্ডাল তাকে ফোন করেছিল ৯:০০ টায়
কেন্ডালের চাল কিছুটা বুঝতে পারে থর্নহিল
সে হোটেলেই কেন্ডালকে দেখে তার রুমে গিয়ে একটি ঠিকানা উদ্ধার করে, কেন্ডালকে কিছু বুঝতে না দিয়েই
কিছুক্ষণ পর সে ঠিকানায় গিয়ে এক নিলাম ভ্যানডেম, লিওনার্দ ও কেন্ডালকে একসাথে দেখতে পায়
একটি নিলাম কেন্দ্রে থর্নহিল ও ভ্যানডেম আবার মুখোমুখি হয়
কেন্ডালকে ধিক্কার এবং ভ্যানডেমের উদ্দেশ্য জানতে চাইলেও সে বুঝতে পারে এখান থেকে পালানোর কোন উপায় নেই
পাগল এবং দুষ্কৃতিকারীর অভিনয় করে অগত্যা সে নিলাম কেন্দ্রের পুলিশের হাতে ধরা দেয়
পুলিশ পলাতক আসামী পেয়েও তাকে পুলিশ দপ্তরে না নিয়ে শিকাগো মিডওয়ে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নর্থওয়েস্ট এয়ারলাইন্‌স-এর কাউন্টারে নিয়ে যায়
সেখানে তাকে প্রফেসরের হাতে সোপর্দ করা হয়
এই প্রফেনরটি মার্কিন ইনভেস্টিগেশন বিভাগের সিনিয়র গোয়েন্দা যে ভ্যানডেমকে দেশের গোপন মাইক্রোফিল্ম পাচার থেকে নিরস্ত করার চেষ্টা করছে
সে জানায় জর্জ ক্যাপলান নামে বাস্তবে কেউ নেই
সরকারের প্রকৃত গোয়েন্দা এজেন্ট থেকে ভ্যানডেমের দৃষ্টি সরিয়ে অন্য স্থানে নিবদ্ধ করার জন্য গোয়েন্দা বিভাগ এই কাল্পনিক গোয়েন্দার সৃষ্টি করেছে
আর সরকারের প্রকৃত এজেন্ট হচ্ছে ভ্যানডেমের প্রেমিকা ইভ কেন্ডাল
থর্নহিল হস্তক্ষেপ করার কারণে এই কেন্ডালের জীবন এখন হুমকির সম্মুখীন
কেন্ডালকে রক্ষার খাতিরে থর্নহিল প্রফেসরকে সহায়তা করতে রাজি হয়
সে প্রকৃত জর্জ ক্যাপলান সেজে মাউন্ট রাশমোরের নিচে একটি রেস্তোরাঁয় ভ্যানডেম ও কেন্ডালের সাথে দেখা করতে যায়
কেন্ডালকে আগেই এই দেখা করার বিষয়ে জানানো হয়
পরিস্থিতির সৃষ্টি করে থর্নহিল কেন্ডালকে ঠেকাতে গেলে কেন্ডাল তাকে গুলি করে
থর্নহিল আহত অবস্থা পড়ে গেলে কেন্ডাল চলে যায় আর থর্নহিলকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিয়ে যায় প্রফেসর
বনের ভিতরে এক জায়গায় কেন্ডালের সাথে থর্নহিলের দেখাকরিয়ে দেয় প্রফেসর; কেন্ডালের পিস্তলে আসলে কোন গুলি ছিলনা
কিন্তু কেন্ডালকে আবার ভ্যানডেমের কাছে ফিরে যেতে হবে
ভ্যানডেম আজই মাইক্রোফিল্ম নিয়ে মাউন্ট রাশমোরের কাছে এক জায়গা থেকে ব্যক্তিগত প্লেনে করে দেশ ছাড়ছে
তার সাথে কেন্ডালকেও যেতে হবে সব তথ্য বের করার জন্য
থর্নহিল রাজি না হলেও কেন্ডাল চলে যায়, থর্নহিলকে আহত হিসেবে নিয়ন্ত্রিত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়
প্রফেসর থর্নহিলকেও হাসপাতল থেকে বেরোতে দেয়না
কিন্তু থর্নহিল পালিয়ে যায়, মাউন্ট রাশমারোর নিচে যে হোটেলে ভ্যানডেম থাকে সেখানে
এখানে একই সাথে তিনটি দৃশ্যের সমন্বয় ঘটানো হয়
এক ঘরে লিওনার্দ ও ভ্যানডেম কথা বলছে, আরেকটি ঘরে কেন্ডাল যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে, আর জানালা দিয়ে এই দুটি দৃশ্যই দেখছে থর্নহিল
লিওনার্দ কেন্ডাল যে পিস্তল দিয়ে থর্নহিলকে গুলি করেছিল তা দেখায় ভ্যানডেমকে, তাতে কোন গুলি ভর্তি নেই
তারা সিদ্ধান্ত নেয় ঠিকভাবেই কেন্ডালকে প্লেনে করে নিয়ে যাওয়া হবে, দেশ ছেড়ে তারপরেই তার একটা ব্যবস্থা করা যাবে
থর্নহিল যখন কেন্ডালের রুমে যায় ততক্ষণে কেন্ডাল নেমে গেছে
এখানে থর্নহিল তার আরওটি লেখা ম্যাচ বক্স ব্যবহার করে
তাতে লিখে দেয়, " "
ছুড়ে দেয়া ম্যাচ বাক্স দেখে কেন্ডাল ফিরে এসে সব জানতে পারে
কেন্ডাল প্লেনে উঠার প্রস্তুতি নিয়ে ভ্যানডেম ও লিওনার্দের সাথে যেতে থাকে
পেছনে থর্নহিল বেরোতে গিয়ে আবার বাবুর্চি মহিলার কাছে ধরা খায়
কিন্তু বাবুর্চির পিস্তলটি ছিল কেন্ডালের গুলিবিহীনটি
বেরিয়ে আসে থর্নহিল, মাইক্রোফিল্ম সহ কেন্ডাল গাড়িতে উঠে
মাউন্ট রাশমোরের উপরে এ পর্যায়ে একটি একশন দৃশ্য সাজানো হয়
শেষে কেন্ডাল ও থর্নহিল যখন পড়ে যাচ্ছিল তখনই প্রফেসর এসে তাদের রক্ষা করেন
শেষ দৃশ্যে আবার কেন্ডাল ও থর্নহিল ট্রেনে করে শিকাগো থেকে ট্রেনে করে নিউ ইয়র্কে যাচ্ছে দেখানো হয়
রাশমোরের উপরেই থর্নহিল বলেছিল যে, এখান থেকে বেঁচে ফিরতে পারলে এ ট্রেন জার্নিই হবে তাদের তাৎক্ষণিক কাজ
অভিনয়ে[সম্পাদনা]
ক্যারি গ্র্যান্ট - রজার থর্নহিল
ইভা মারি সেন্ট - ইভ কেন্ডাল
জেমস ম্যাসন - ফিলিপ ভ্যানড্যাম
জেসি রয়েস ল্যান্ডিস - ক্লারা থর্নহিল
লিও জি ক্যারল - অধ্যাপক
জোসেফিন হাচিনসন - মিসেস টাউন্ডসেন
ফিলিপ ওবের - লেস্টার টাউন্ডসেন
মার্টিন ল্যান্ডাউ - লিওনার্ড
অ্যাডাম উইলিয়ামস - ভ্যালেরাইন
এডওয়ার্ড প্লাট - ভিক্টর লারাবী
রবার্ট এ্যালেনস্টাইন - লিচ
লেস ট্রিমাইন - নিলামকারী
ফিলিপ কুলিজ - ড. ক্রুস
প্যাট্রিক ম্যাকভে - সার্জেণ্ট ফ্লাম
এডওয়ার্ড বিনজ - ক্যাপ্টেন জাঙ্কেট
কেন লিনচ - চার্লি
ম্যালকম অ্যার্টারবুরি - রাস্তা পারাপারকারী
পুরস্কার[সম্পাদনা]
জুন ২০০৮ সালে, সৃজনশীল সম্প্রদায়ের ১,৫০০ জনের ভোট দানের উপর ভিত্তি করে এএফআই প্রকাশিত "টেন টপ টেন" - শ্রেষ্ঠ দশ "ক্লাসিক" মার্কিন চলচ্চিত্রের তালিকায় চলচ্চিত্রটি যুক্ত করা হয়েছে
নর্থ বাই নর্থওয়েস্ট রহস্য চলচ্চিত্র তালিকায় সতেরোতম চলচ্চিত্র হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে
আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউট-এর স্বীকৃতি[৪]
এএফআই'র ১০০ বছরের...১০০ চলচ্চিত্র - #৪০
এএফআই'র ১০০ বছরের...১০০ থ্রিল - #৪
এএফআই'র ১০০ বছরের...১০০ নায়ক এবং খলনায়ক: ফিলিপ ভ্যানড্যাম - মনোনীত খলনায়ক
এএফআই'র চলচ্চিত্র স্কোরের ১০০ চলচ্চিত্র - মনোনীত
এএফআই'র ১০০ বছরের...১০০ চলচ্চিত্র (১০ম বার্ষিকী সংস্করণ) - #৫৫
এএফআই'র ১০ শীর্ষ ১০ - #৭ রহস্য চলচ্চিত্র
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
↑ " [ ]"
জুলাই ১, ১৯৫৯
পৃষ্ঠা 10
সংগ্রহের তারিখ মে ২০, ২০১৯ - -এর মাধ্যমে
উদ্ধৃতি টেমপ্লেট ইংরেজি প্যারামিটার ব্যবহার করেছে ()
↑ ক খ , : , উদ্ধৃতি টেমপ্লেট ইংরেজি প্যারামিটার ব্যবহার করেছে () .
↑ , ; , (২০০৪)
" : "
, :
↑ ক খ "' 10 10"
২০০৮-০৬-১৭
সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৬-১৮