content stringlengths 0 129k |
|---|
যেকোন সময়েই এরকম স্টাডি করা যায় |
লক্ষ্য রাখতে হবে সময়টি যেন এমন না হয় যে এটি গবেষণার প্রশ্নের সাথে সম্পর্কযুক্ত |
ধরুন আপনি জানতে চাইছেন ঢাকা শহরে প্রতিদিন কত সংখ্যক মানুষ বাইরের জেলাগুলো থেকে আসে |
সেজন্য আপনাকে একটি টিপিক্যাল দিন বাছাই করতে হবে যেটার সাথে ঢাকা শহরে মানুষ আসার বিশেষ কোন সম্পর্ক না থাকে |
যেমন ইজতেমার মওশুমে অনেক মানুষ ঢাকায় আসে |
আপনি যদি সেরকম কোন একটি সময়ে গবেষণার জন্য উপাত্ত সংগ্রহ করেন তাহলে আপনি প্রকৃত চিত্র পাবেন না |
এক্ষেত্রে আপনার গবেষণার ফল বায়াসড হবে |
অবজারভেশনাল স্টাডিতে শুধুই অবজার্ভ করা হয়, কোন ইন্টারভেনশন দেয়া হয়না |
এক্সপেরিমেন্টাল স্টাডি অনেকটা ফলোআপ বা প্রসপেক্টিভ অবজারভেশনাল স্টাডির মতো |
এখানে মূল পার্থক্য হলো এ ধরনের গবেষণায় নতুন ইন্টারভেনশন দেয়া হয় এটা দেখতে যে ইন্টারভেনশনটির কোন এফেক্ট আছে কিনা |
ধরা যাক স্ট্রোক কমাতে নতুন একটি ড্রাগ বা লাইফস্টাইলের এফেক্ট আপনি যাচাই করতে চাইছেন |
এক্ষেত্রে আপনি দৈব চয়নের মাধ্যমে আপনার গবেষণায় অংশগ্রহণকারিদের একটি অংশকে এই নতুন ড্রাগ বা লাইফস্টাইল দিবেন আর অন্য অংশকে প্লাসিবো দিবেন |
প্লাসিবো হলো ঔষধের মতো যেটির আসলে কোন ঔষধি গুন নেই |
বিস্তারিত জানতে উইকিতে দেখুন |
এই ধাপে স্ট্যাটিসটিক্যাল এনালিসিস করা হবে |
ডেটা সংগ্রহের পর সেটিকে ক্লিন করে সামারি রেজাল্ট এবং পরিসংখ্যানের মডেল (যদি দরকার হয়) ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে |
গবেষণার জন্য নেয়া নমুনা যদি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বমূলক হয় তাহলে গবেষণার ফলকে সেই টার্গেট পপুলেশনের উপর জেনারেলাইজ করা যাবে অর্থাৎ গবেষণার ফলটি ওই জনগোষ্ঠীর জন্য প্রযোজ্য এমনটি বলা যাবে |
আর যদি প্রতিনিধিত্বমূলক নমুনা না হয়ে থাকে তাহলে গবেষণার ফলাফল কেবল ওই গবেষণায় অংশগ্রহণকারিদের জন্যই প্রযোজ্য হবে |
কোনভাবেই সেটি মূল জনগোষ্ঠীর জন্য সত্যি এমনটি বলা যাবে না |
গবেষণার ফল প্রকাশের সময় এই ব্যাপারটি তাই খুব সতর্কতার সাথে লিখতে হবে যাতে কোন ভুল বোঝাবুঝি না নয় |
অনেক সময় সংবাদপত্রে গবেষণার ফলকে পুরো জনগোষ্ঠীর ফল হিসেবে দেখিয়ে খবর প্রকাশিত হয় যা সত্যের অপলাপ মাত্র |
কোন গবেষণার এটি হলো সার অংশ |
ব্যবহারকারিরা এবং যারা পলিসি তৈরি করেন তাদের কাছে এই সেকশনটি গুরুত্বপূর্ণ |
তারা এটিই পড়বেন এবং সে মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা পরিবর্তন করবেন যাতে জনগোষ্ঠীতে পরিবর্তন আসে |
এজন্য এই অংশটি খুব সতর্কতার সাথে এবং অল্পকথায় লিখতে পারলে ভালো |
এই অংশে গবেষণার প্রাপ্ত ফলগুলোকে প্রেজেন্ট করা হয় এবং তা পূর্ববর্তী গবেষণার ফলের সাথে তুলনা করে দেখানো হয় |
শুধু নিজের গবেষণার ফল আলোচনা করলেই হবে না, একই ধরনের অন্য গবেষণার ফলের সাথে আপনার গবেষণার ফলের তুলনামুলক আলোচনা করতে হবে |
এই অংশে গবেষণার উদ্দেশ্য এবং গুলোকে পুনর্ব্যক্ত করে দেখাতে হয় আপনি গবেষণা শুরুর আগে যা জানতে চেয়েছিলেন সেগুলোর উত্তর পেয়েছেন কী না |
এই অংশটি আপনার গবেষণাকে পুনরায় জাস্টিফাই করবে |
সেটি সম্ভব হবে ভালো করে সেকশনটি উপস্থাপন করার মাধ্যমে |
এরকম উপস্থাপনা করতে পারা সহজ নয় |
অভিজ্ঞতার মাধ্যমে এটি অর্জন করা যায় |
শেখার জন্য ভালো জার্নালের আর্টিকেল থেকে আপনার গবেষণার সাথে মিল আছে সেরকম আর্টিকেলের ডিসকাশন সেকশন পড়ার পরামর্শ দিব |
পড়ার মাধ্যমে জানা হবে আর সেটি নিজের গবেষণাপত্রে লেখার মাধ্যমে চর্চা হবে |
কনক্লুশন বা উপসংহার |
পরিশেষে উপসংহারে আপনি আপনার গবেষণার ফলাফল সংক্ষেপে আবারো লিখবেন |
অনেক জার্নালে কনক্লুশন এবং ডিসকাশন সেকশন দুটি একত্রে লেখা হয় |
সেক্ষেত্রে উপসংহারটিকে আপনার ডিসকাশন সেকশনের শেষ প্যারা হিসেবে লিখতে পারেন |
এই সেকশনে পলিসি রেকমেন্ডেশন দিতে পারেন |
সেই সাথে আপনার কাজের সীমাবদ্ধতাগুলোও তুলে ধরতে পারেন |
সবশেষে ভবিষ্যতে আরও কী কী করা যেতে পারে সেগুলোর একটি আউটলাইন দেয়া যেতে পারে |
এ থেকে বোঝা যাবে এই গবেষণায় আপনার অবদান কতটুকু এবং আরও কী কী কাজের সুযোগ আছে যা আপনি কিংবা আগ্রহী গবেষকগণ চিন্তা করতে পারেন |
কাজের ধারা |
অনেকেই অনেক ভাবে কাজ করতে পারে তবে আমি আমার মতো করে একটি ওয়ার্কফ্লো দিচ্ছি |
আমি প্রথম এবং শেষ থেকে শুরু করে আস্তে আস্তে ভিতরের দিকে কাজ করি |
লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও লিটারেচার রিভিউ নিয়ে যুগপদ কাজ করি |
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য লেখা হয়ে গেলে এবং রিটারেচার রিভিউ শেষ হলে গুলো কী ভাবে উত্তর করবো সে লক্ষ্যে ডিসকাশন সেকশনে কাজ করি |
ডিসকাশন পুরো লেখা হয়না কিন্তু টেমপ্লেট তৈরী করা হয় যেখানে এনালিসিস (ধাপ ৪) থেকে প্রাপ্ত তথ্যগুলো দিয়ে পরবর্তীতে সম্পূর্ণ করা হয় |
তবে এই ওয়ার্কফ্লো নির্ভর করে কী ধরনের গবেষণা হচ্ছে তার উপর |
সাধারণত ধাপগুলো এরকম হতে পারে |
সমস্যা > প্রশ্ন > লিটারেচার রিভিউ > ডিসকাশন টেমপ্লেট > এনালিসিস + মেথডলজি > ডিসকাশন > উপসংহার |
কিংবা হতে পারে |
সমস্যা > প্রশ্ন > লিটারেচার রিভিউ > মেথডলজি> ডিসকাশন টেমপ্লেট + এনালিসিস > ডিসকাশন > উপসংহার |
শেষ কথা আশা করি লেখাটি পড়ে আপনার গবেষণা পদ্ধতি সম্পর্কে একটি রিভিউ হলো |
আপনি কোন পদ্ধতি অনুসরণ করে সেটি মন্তব্যে জানালে খুশি হবো |
সেই সাথে কোন পরামর্শ যদি থাকে সেটাও জানাতে পারেন |
পড়ার জন্য ধন্যবাদ |
কোলাবরেশন চলুক! |
: # |
ইমেইল লেখার নিয়ম ও মেসেঞ্জারে যোগাযোগের এটিকেট বা শিষ্টাচার |
করোনাভাইরাস পরবর্তী বিশ্ব পরিস্থিতিতে ক্যারিয়ার সচেতনতা ও পদক্ষেপ সমূহ |
| | গবেষণা |
যে কারণে গবেষণার ট্র্যাক রেকর্ড তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ |
1, 2020 21, 2020 |
নতুন গবেষকরা ক্যারিয়ারের শুরুতে যা পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারে না সেটি হলো গবেষণার ট্র্যাক রেকর্ড |
যে কারণে গবেষণার ট্র্যাক রেকর্ড তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ |
| ঘোষণা |
গবেষণা পদ্ধতি কোলাবরেশন ও নেটওয়ার্কিং বিষয়ক ট্রেনিং |
24, 2021 26, 2021 |
গবেষণা পদ্ধতি, কোলাবরেশন এর মাধ্যমে গবেষণা, এবং চাকুরী পাওয়ার ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কিং এই তিনটি বিষয়কে একসূত্রে দেখা যায় |
প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সেনা বাড়াচ্ছে চীন |
অরুণাচল প্রদেশের উত্তর সুবনসিরি জেলায় আস্ত একটি গ্রাম তৈরি করে ফেলেছে চীনা সৈন্যরা |
সম্প্রতি মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর এরকম একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে |
অরুণাচল প্রদেশে চীনা সৈন্যদের তৈরি করা গ্রামছবি সৌজন্যে ন্যাশনাল হেরাল্ড |
ওয়েব ডেস্ক |
: |
12 , 2021, 5:50 |
চীনের ভারতের ভূখন্ড দখল করা সংক্রান্ত বিরোধীদের দাবি স্বীকার করে নিলো কেন্দ্র |
বৃহস্পতিবার বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, চীন গত কয়েক বছর ধরে ভারতের ভূখন্ড দখল করে যাচ্ছে এবং তাতে নির্মাণ কার্য চালিয়ে যাচ্ছে |
লাদাখ থেকে অরুণাচল প্রদেশের দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কিমি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সেনা বাড়াচ্ছে চীন |
অরুণাচল প্রদেশের উত্তর সুবনসিরি জেলায় আস্ত একটি গ্রাম তৈরি করে ফেলেছে চীনা সৈন্যরা |
সম্প্রতি মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর এরকম একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে |
ভারত সরকারের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি জানিয়েছেন, মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের রিপোর্টটি নোট করেছেন তারা |
তিনি জানিয়েছেন, "বেশ কিছু বছর ধরে সীমান্ত এলাকায় নির্মাণ কার্য চালিয়ে যাচ্ছে চীন |
এর মধ্যে বেআইনিভাবে অধিগ্রহণ করা ভূখন্ডও রয়েছে |
ভারতের ভূখণ্ডে এইধরণের অবৈধ দখলদারিত্ব আমরা কোনোদিন মেনে নেইনি এবং চীনের অন্যায্য দাবিও আমরা মেনে নেব না |
বাগচি জানিয়েছেন, ভারত সরকার সবসময় কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে চীনের এই জাতীয় কার্যকলাপের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে |
এছাড়া ভারত সরকার সীমান্তে রাস্তা, সেতু ইত্যাদি নির্মাণ সহ পরিকাঠামোর উন্নয়ন করছে, যা স্থানীয় মানুষদের প্রয়োজনীয় জিনিস আদান-প্রদানে সহায়তা করছে |
' ! |
" " ? |
.... |
, " ". |
13 -. |
? ../3 |
- (@) 12, 2021 |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.