content stringlengths 0 129k |
|---|
মহেশপুর সীমান্তে আবারো বৃদ্ধি হয়েছে অবৈধ পারাপার |
2021 |
2021 |
2021 |
2021 |
2021 |
2021 |
2021 |
2021 |
2020 |
2020 |
অপরাধ অর্থনীতি আইন আদালত ঐতিহ্য কৃষি খেলাধুলা জাতীয় ধর্ম নারী/জয়া/জয়িতা পড়াশুনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনোদন বিশ্বযোগ ভ্রমণ মুক্তমত রাজনীতি শিল্প ও সাহিত্য সারাদেশ স্বাস্থ্য সেবা |
��������������� ������������ ��������������� ���������������������������: ������������������ | - |
সেদিন রাগে ব্যাট ভেঙেছিলাম: যুবরাজ |
প্রকাশিত হয়েছে: জুলাই ২৭, ২০২০ , ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২০, ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ |
কাগজ প্রতিবেদক |
যুবরাজের ক্রিকেটার হওয়ার জন্য স্কেটবোর্ড ছেড়ে দেয়ার ঘটনা সবার জানা |
কিন্তু বাঁহাতি স্পিনার হওয়ার আগে তিনি যে বাঁহাতি পেসার হতে চেয়েছিলেন, সেটি হয়তো ছিলো অনেকেরই অজানা |
১১ বছর পর্যন্ত পেসারই ছিলেন যুবরাজ, এরপর তিনি মনোযোগ দেন ব্যাটিংয়ে |
সম্প্রতি স্পোর্টসকিডাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন যুবরাজ |
তিনি বলেন, 'আমি তখন পালামে বিশান সিং বেদির ক্যাম্পে ছিলাম |
বয়স তখন ১১ বা ১২ হবে |
আমি একজন ফাস্ট বোলার ছিলাম, ব্যাটিং তেমন করতামই না |
একবার এক ম্যাচে ছয় নম্বরে নেমে সেঞ্চুরি করেছিলাম |
সেদিন কোনো ছক্কা ছাড়াই ৯০ রান পর্যন্ত করেছিলাম |
এরপর এক বাঁহাতি স্পিনার দুই ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি করি |
ঐ বয়সে হাতে তেমন জোর থাকে না |
তিনি বলতে থাকেন, 'সেই ম্যাচের পর আমি বুঝতে পারলাম যে, আমি চাইলে ব্যাটিংও করতে পারি |
তখন চিন্তা করলাম, আমি তাহলে পেস বোলিং অলরাউন্ডার হই |
কিন্তু এরপর পিঠের চোটের কারণে স্পিন বোলিং শুরু করি |
রাগে আমি ব্যাটও ভেঙেছিলাম |
তবে আমি খুশি যে এমনটা না হলে নিজের ব্যাটিং প্রতিভা জানাই হতো না |
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী এ তারকা অলরাউন্ডার ভারতের হয়ে খেলেছেন ৪০২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ |
তিন ফরম্যাট মিলে ১৭ সেঞ্চুরি ও ৭১ হাফসেঞ্চুরিতে করেছেন ১১ হাজার ৭৭৮ রান |
পাশাপাশি বল হাতেও তার শিকার ১৪৮টি উইকেট |
সম্পাদক : শ্যামল দত্ত |
© ভোরের কাগজ 2002 - 2020 |
প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী |
মুদ্রাকর: তারিক সুজাত |
কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, তৃতীয় তলা, ৭০ শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, (নিউ সার্কুলার রোড, মালিবাগ), ঢাকা-১২১৭ |
খুব ছোটবেলা থেকেই ডানপিটে ছেলেটি পিতার আদর স্নেহ থেকে বঞ্চিত ছিলেন |
সত্যি বলতে কি, ছেলেটার জন্মের পর থেকে তার পিতার সাথে তার ভালোমতো দেখাই হয় নি |
কেননা তার পিতা শেখ মুজিবুর রহমান তখন বঙ্গবন্ধু হয়ে উঠছেন, বাঙ্গালী জাতির মুক্তিদূত হয়ে ওঠছেন |
পাকিস্তানী শোষকদের নির্মম শোষণের বিরুদ্ধে কথা বলবার কারণে, প্রতিবাদ করার কারণে তার পিতাকে প্রায়ই কারাবরণ করতে হয় |
তো একদিন বঙ্গবন্ধু জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি এসেছেন, বহুদিন পর বাড়িতে আনন্দের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে |
কিন্তু ছোট্ট ছেলেটি এই আনন্দের কারণ বুঝতে পারছে না |
কেননা বাড়িতে যে অপরিচিত লোকটি এসেছে, তাকে সে চিনতে পারছে না |
আরও অবাক করার মত ব্যাপার হল, এই লোকটিকে তার বড় আপা শেখ হাসিনা আব্বা বলে ডাকছে |
বেশ কাচুমাচু ভঙ্গিতে ছেলেটি তার আপার কানে কানে ফিসফিস করে বলল, হাসু আপা, হাসু আপা, তোমার আব্বাকে আমি একটু আব্বা ডাকি? এই ছিলেন শেখ কামাল |
যিনি জাতির পিতার জ্যৈষ্ঠ ছেলে |
একজন দেশপ্রেমিক ও আজন্ম স্বপ্নযোদ্ধা |
তিনি শুধু স্বপ্ন দেখেননি; স্বপ্ন বাস্তবায়নেও আমৃত্যু পর্যন্ত কাজ করে গেছেন |
আজ ৫ আগস্ট, ১৯৪৯ সালের এই দিনে তার জন্ম হয়েছিল গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে |
পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে ২য় ছিলেন তিনি |
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরেই জন্ম হয়েছিলো শেখ কামালের |
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পুত্র শেখ কামাল |
কে ছিলেন তিনি বা কি ছিলেন তিনি ? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করবার চেয়ে "কি ছিলেন না তিনি"এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা বোধহয় সহজ হবে |
খুব ছোটবেলা থেকেই সব ধরনের খেলাধুলায় প্রচণ্ড আগ্রহ ছিল তার, ঢাকার শাহীন স্কুলে থাকাকালীন ছিলেন স্কুলের প্রতিটি খেলার অপরিহার্য অংশ |
এরমধ্যে ক্রিকেটটা তাকে টানত সবচেয়ে বেশি |
দীর্ঘদেহী ফাস্ট বোলার ছিলেন, নিখুঁত লাইন-লেন্থ আর প্রচণ্ড গতি দিয়ে খুব সহজেই টালমাটাল করে দিতেন প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানকে |
অবিভক্ত পাকিস্তানের অন্যতম উদীয়মান পেসার ছিলেন, কিন্তু বাঙ্গালী হবার কারণে এবং মুজিবের পুত্র হবার অপরাধে জুয়েল, রকিবুলদের মত এই প্রতিভাও অবহেলিত, উপেক্ষিত হয়েছেন নিদারুণভাবে |
আরেক ক্রিকেট অন্তপ্রান মুশতাকের তিল তিল পরিশ্রম আর চেস্টায় গড়া আজাদ বয়েজ ক্লাব তখন কামালদের মত উঠতি প্রতিভাদের লালনকেন্দ্র |
এখানেই শেখ কামাল প্রথম বিভাগ ক্রিকেট খেলেছেন দীর্ঘদিন |
শুধু খেলাধুলাই নয়, পড়াশোনা, সঙ্গীতচর্চা, অভিনয়, বিতর্ক, উপস্থিত বক্তৃতা থেকে শুরু করে বাংলা সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরবার চেষ্টা - কোথায় নেই শেখ কামাল? |
ঢাকার শাহিন স্কুল থেকে এস, এস, সি ও ঢাকা কলেজ থেকে এইচ, এস, সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার পর ভর্তি হলেন প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগে |
পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বিস্তৃত হল কর্মপরিধি |
ছায়ানটের সেতারবাদন বিভাগের মেধাবী ছাত্র শেখ কামাল প্রতিষ্ঠা করলেন ঢাকা থিয়েটার |
সুঅভিনেতা হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যঅঙ্গনে সুপরিচিত ছিলেন তিনি |
এদিকে খেলাধুলাও কিন্তু চলছে পুরোদমে |
সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের বাসিন্দা শেখ কামাল বাস্কেট বল টিমের ক্যাপ্টেন ছিলেন |
বাস্কেটবলে তার দক্ষতা অসামান্য দক্ষতা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার হলের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখেছিল তার থাকাকালীন পুরোটা সময় |
এর মাঝে ৬৯ সালে পাকিস্তানী জান্তা সরকার রবীন্দ্রসঙ্গীত নিষিদ্ধ করল ধর্মীয় উগ্রতার পরিচয় দিয়ে |
কিন্তু শেখ কামালকে কি আর থামানো যায়? বাঙ্গালী জাতির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নেতার সন্তান তিনি, নেতৃত্বগুন আর জাতীয়তাবোধের চেতনা তার ধমনীতে জন্ম থেকেই বাই ডিফল্ট সেটআপ করা |
তার প্রতিবাদের ভাষা হল রবীন্দ্র সঙ্গীত, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে যেখানে যখনই সুযোগ পেলেন, তখনই বিশ্বকবির গান গেয়ে অসহিংস প্রতিবাদের অসাধারন উদাহরন রাখলেন তিনি |
কিন্তু ২৫শে মার্চ ১৯৭১ পাকিস্তানি হানাদারেরা ছাড়িয়ে গেল সব সীমা |
শেখ কামাল ছাত্রলীগের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরোচিত ভূমিকা পালন করেন |
তিনি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন |
শেখ কামাল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ওয়ার কোর্সে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়ে মুক্তিবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন |
এ ছাড়া তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমানীর এডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন |
স্বাধীনতার পর শেখ কামাল সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি নিয়ে লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করেন |
তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ছিলেন |
ছাত্রলীগের একনিষ্ঠ কর্মী ও সংগঠক হিসেবে ৬ দফা ও ১১ দফা আন্দোলন এবং '৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে শেখ কামাল সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন |
আমার স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে '৬৯-এর অগ্নিঝরা গণআন্দোলনের স্মৃতি |
যে আন্দোলনে শেখ কামালের প্রতিদিনের উপস্থিতি ছিল সবার জন্য তুমুল উৎসাহব্যঞ্জক |
এই আন্দোলনে ঢাকা কলেজের ছাত্রদের সংগঠিত করে মিছিলসহ বটতলায় সমবেত হতেন |
জাতির পিতার সন্তান হওয়া সত্ত্বেও তার মধ্যে কোনো অহমিকাবোধ ছিল না |
তিনি ছিলেন বিনয়ী ও মার্জিত |
দাম্ভিকতা ছিল তার স্বভাববিরুদ্ধ |
পরোপকারী ও বন্ধুবৎসল শেখ কামালের বিনম্র আচরণে মুগ্ধ হতো সবাই |
মনে পড়ে, '৬৯-এ পাকিস্তানি সামরিক জান্তা সরকার ধর্মীয় উগ্রতার পরিচয় দিয়ে রবীন্দ্রসংগীত নিষিদ্ধ করে |
শেখ কামাল তখন রবীন্দ্র সংগীত শিল্পীদের সংগঠিত করেন এবং রবীন্দ্রনাথের 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি' গানটি খ্যাতিমান শিল্পী জাহিদুর রহিমকে দিয়ে বিভিন্ন সভা ও অনুষ্ঠানে গাওয়ানোর উদ্যোগ নেন |
বাঙালি জাতির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নেতার সন্তান তিনি, জন্ম থেকেই তার ধমনিতে নেতৃত্বগুণ আর জাতীয়তাবোধের চেতনা |
তার প্রতিবাদের ভাষা ছিল রবীন্দ্রসংগীত |
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে যখন যেখানে সুযোগ পেয়েছেন, সেখানেই বিশ্বকবির গান গেয়ে অহিংস প্রতিবাদের অসাধারণ উদাহরণ রেখেছেন |
যুদ্ধে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাওয়া দেশ পুনর্গঠনে নিজের অসামান্য মেধা আর অক্লান্ত কর্মক্ষমতা নিয়ে পিতার ডান বাহু হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লেন শেখ কামাল |
বন্ধু স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের ম্যানেজার তানভীর মাজহার তান্নার সাথে যুদ্ধের সময় প্রায়ই আলাপ হত শেখ কামালের |
বারবার আক্ষেপ আর আশাবাদের মিশেলে বলতেন কামাল, তান্না, আমরা কি আর দেশে ফিরে যেতে পারব না? দেখে নিস, দেশ স্বাধীন হলে খেলার ছবিটাই বদলে দেব আমি |
কথা রেখেছিলেন কামাল |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.