content
stringlengths
0
129k
স্বাধীনতার পরে দেশে ফিরেই আবাহনী সমাজকল্যাণ সংস্থা গড়ে ১৯৭২ সালে সংস্থার নামে কেনা হল ইকবাল স্পোর্টিং ফুটবল দল
ক্রিকেট আর হকির দল কেনা হল ইস্পাহানী স্পোর্টিংয়েরটা
এগুলোর সমন্বয়ে নতুন যাত্রা শুরু হলো আবাহনী ক্রীড়া চক্র নামে একটা ক্লাবের
ক্রিকেটার তানভীর মাজহার তান্না হলেন এই ক্লাবের ফাউন্ডার ভাইস প্রেসিডেন্ট
ফুটবল, ক্রিকেট, হকি এই খেলাগুলোকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতেন কামাল
স্বপ্ন দেখতেন একদিন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া অঙ্গনে এক পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হবে
সেই লক্ষ্যে আমূল পরিবর্তন এনেছিলেন সবক্ষেত্রেই, উপমহাদেশের মধ্যে প্রথমবারের মত আধুনিকতার ছোঁয়ায় পাল্টে দিয়েছিলেন সব খেলার খোলনলচে
ক্র্যাক প্লাটুনের বীর যোদ্ধা আবদুল হালিম খান জুয়েলের মত অসাধারন সব প্রতিভাগুলো যেন আর হারিয়ে না যায়, সেই লক্ষ্যে ক্রিকেটকে ঢেলে সাজাবার মাস্টারপ্ল্যান করেছিলেন কামাল
দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ক্রিকেটারদের খুঁজে বের করে পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা দিয়ে তৈরি করছিলেন নতুন দিনের জন্য, আপাত লক্ষ্য আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি
স্বপ্ন কিন্তু এখানেই শেষ নয়, দৃষ্টি সীমা ছাড়িয়ে সেটা বহুদূরে বিস্তৃত ছিলো তার
আর ফুটবলে তো রীতিমত বিপ্লব সৃষ্টি করেছিলেন শেখ কামাল
দূরদর্শিতা আর আধুনিকতার অপূর্ব সমন্বয়ে রীতিমত তোলপাড় সৃষ্টি করলেন তিনি গোটা উপমহাদেশে
সেই ১৯৭৩ সালে আবাহনীর জন্য বিদেশী কোচ বিল হার্ট কে এনে ফুটবল প্রেমিকদের তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন! তখন ক্লাব তো দুরের কথা, এই উপমহাদেশে জাতীয় দলের কোনো বিদেশী কোচ ছিলোনা
আর তাইতো ১৯৭৪ সালে আবাহনী যখন কলকাতার ঐতিহ্যবাহী 'আই এফ এ' শীল্ড টুর্নামেন্ট খেলতে যায়, তখন আবাহনীর বিদেশী কোচ আর পশ্চিমা বেশ ভুষা দেখে সেখানকার কর্মকর্তা আর সমর্থকদের চোখ 'ছানা বড়া' হয়ে যায়! পুরো টুর্নামেন্টে অসাধারণ খেলা আবাহনী ক্রীড়াচক্র দর্শকের অবাক মুগ্ধতা অর্জন করেছিল মাটি কামড়ে ছোট ছোট পাসে সাড়া মাঠ জুড়...
ভুয়শী প্রশংসা করেছিলেন কমল বসু সহ আকাশবাণীর প্রথিতযশা ধারাভাষ্যকার বৃন্দ
শেখ কামাল বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিলেন পুরো উপমহাদেশের ফুটবলে
হকিতে নতুন দিনের সূচনা করেছিলেন কামাল
যোগ্যতা, দক্ষতা আর মোস্ট ইম্পরট্যান্টলি দেশপ্রেমের অসামান্য স্ফুরনে এই মানুষটা বদলে দিচ্ছিলেন সদ্য স্বাধীন একটা দেশের পুরো ক্রীড়া ক্ষেত্র
শুধু ক্রীড়াই নয়, শিল্প সাহিত্যের সব শাখা পুনর্গঠনে তিনি পালন করছিলেন অসামান্য অবদান
যারা এই দেশকে চায়নি, চায়নি স্বাধীনতা, এই উন্নতি, নতুন দিনের আগমন তাদের কেন সহ্য হবে? জাতির পিতা শেখ মুজিবকে অপবাদ দেবার মত দুঃসাহস কিংবা বুকের পাটা কখনই হয়নি অন্ধকারের ওই কুকুরগুলোর
তাই তারা বেছে নিয়েছিল তার সন্তানদের
যে শেখ কামালের ছিলেন মাটির মানুষ, কেউ কোনোদিন কোন সাহায্যে তার কাছে এসে বিফল মনোরথে ফিরে গেছেন বলে তার শত্রুরাও কোনোদিন বলতে পারবে না, সেই শেখ কামালের বিরুদ্ধে স্বাধীনতাবিরোধী চক্র ফাঁদলো একের পর এক সাজানো মিথ্যে বানোয়াট গল্প
যে গল্পের নিখুঁত পরিবেশনায় কোন ফাঁক ছিল না, অকল্পনীয় নিরেট মিথ্যায় মোড়ানো সেই গল্পগুলো যে মিথ্যে ছিল তা ধীরে ধীরে জানতে পেরেছে দেশের সাধারণ মানুষ
এই আগস্টেই তার জন্ম আবার এ মাসেই বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তিনি নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করে শহীদ হন
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের বুলেটের আঘাতে তিনি প্রথম শহীদ
তার জন্ম ও কর্মময় জীবন আমাদের কাছে অতুলনীয় কারণ সততার কষ্টিপাথরে তিনি ছিলেন অনন্য
বাতাসে ভাসে তার বঙ্গবন্ধুর মতোই তেজোদীপ্ত আওয়াজ
বঙ্গবন্ধুর ২২-ঊর্ধ্ব ছেলে হয়েও তিনি মন্ত্রী-এমপি হননি
তিনি হয়েছিলেন মানুষের বন্ধু, মানবতার প্রতীক
সৎভাবে বেঁচে থাকার সংগ্রাম করতে হয়েছে তাকে
প্রাণপ্রাচুর্যের কারণে তরুণদের সহজেই আকৃষ্ট করতে পারতেন তিনি
'স্পন্দন শিল্পীগোষ্ঠী'র তিনি ছিলেন প্রধান সংগঠক
যেখানে স্বাধীনতা-উত্তর তরুণ সমাজের সৃজনশীলতা হয়েছিল অবারিত
তার সহধর্মীনি ছিলেন সেই সময়ের প্রখ্যাত ক্রীড়াবিদ সুলতানা খুকু
বাঙালি সংস্কৃতির চেতনার বাতিঘর হিসেবে পরিচিত 'ছায়ানটে' শেখ কামাল সেতার বাজানো শিখতেন
এই গান, খেলাধুলা, অভিনয় আর আড্ডা যাঁর প্রাণ সেই ব্যক্তিই আবার সভা-সমিতি করে মুজিবপন্থী ছাত্রলীগকে সঞ্জীবিত করেছিলেন
১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট কিছু নর্দমার কীটের হাতে নির্মম ব্রাশফায়ারে শহীদ হওয়ার আগের মাসে বিয়ে হয়েছিল শেখ কামাল আর সুলতানা কামালের
রূপকথার চেয়েও অসম্ভব সুন্দর তাদের ভালোবাসার পরিনয় স্থায়ী হয়েছিল মাত্র একমাস
শহীদ হবার সময় তার বয়স ছিল মাত্র ২৬ বছর
মাত্র ২৬ বছরের অতি ক্ষুদ্র জীবনকে তিনি অসামান্য সব কর্ম দিয়ে সাজিয়েছিলেন, মাতৃভূমির ইতিহাসের অন্যতম সূর্যসন্তান হিসেবে নিজেকে চিনিয়ে গিয়েছিলেন অসম্ভব বিনয় আর সারল্যে
আজ তিনি বেঁচে থাকলে হয়তো বহু আগেই আমরা টেস্ট স্ট্যাটাস পেতাম, পেশাদারিত্ব আর প্রতিভার যথাযথ যত্ন আর সম্মিলনে ক্রিকেটের কাঠামো হত মজবুত, হত বিশ্বমানের
আমরা আত্মপ্রকাশ করতাম ক্রিকেট পরাশক্তি হিসেবে
আজ তিনি বেঁচে থাকলে আমাদের ফুটবলে এ দুরাবস্থা থাকতো না, সবসময় আধুনিকতা আর পেশাদারিত্বের অনন্য সমন্বয়কারী একজন শেখ কামাল কোনোদিনই আমাদের ফুটবলের এই জীর্ণদশা হতে দিতেন না
ফুটবলেও আমরা হতে পারতাম পৃথিবী সেরা
শুধু ক্রীড়া ক্ষেত্র নয়, শিল্প সংস্কৃতির প্রত্যেকটা ধারায় আমরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেতৃত্ব দিতে পারতাম সামনে থেকে... আচার-আচরণে অতি সহজ-সরল, সদালাপী, সদা হাসিখুশি মনখোলা প্রাণবন্ত একজন শেখ কামাল যদি আমাদের অগ্রদূত থাকতেন
এই একবিংশ শতাব্দীতে শেখ কামাল এখন স্মরণীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন
শেখ কামালের বিচরণ ছিল প্রধানত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়
তার হেঁটে চলা ছিল আবাহনীর মাঠে
তিনি ছিলেন আনন্দের প্রতীক
খেলাধুলার সঙ্গে যে শিশুরা আজ সম্পৃক্ত এবং যারা আবাহনীর মাঠে দৌড়ে বেড়ায় তাদের সজীবতায় মিশে আছে তার নাম
যে সবুজ চত্বরে তিনি হেঁটেছেন খোলা পায়ে সেই ঘাসের আদর মেখে এখনকার প্রজন্ম এগিয়ে চলেছে
তিনি তো সেই প্রাণের প্রতীক যার নিজকণ্ঠের গান ঘুরেফিরে আসে স্মৃতিকাতর বন্ধুজনের কানে
অন্যদের ভাল কাজে উৎসাহ দেওয়া তার অন্যতম ও স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য ছিল
জাতির পিতার সন্তান হয়েও তিনি সাধারণ মানুষের মতো জীবন-যাপন করতেন, একই শার্ট বারবার পরতেন, বিলাস-ব্যসন পরিত্যাগ করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নাটক ও গান নিয়ে মেতে থাকতেন
শেখ কামাল ছিলেন উদ্দীপ্ত যৌবনের দূত ও পরোপকারী ব্যক্তিত্বের পুরোধা
ত্রিশ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই তিনি এদেশের মানুষের কাছে আদর্শের মূর্ত প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন
যারা তার সান্নিধ্যে এসেছেন তারা অনুভব করেছেন তাঁর স্নিগ্ধ ও হাস্যোজ্জ্বল মমত্ববোধ
খেলার মাঠ থেকে নাটকের মঞ্চ, সংগীত জগত আর সভা-সমাবেশে তিনি আলোড়ন তুলেছিলেন
তরুণদের মধ্যে নতুন প্রতিভা দেখলে কাছে টেনে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে পরিচয় করিয়ে দিতেন
তার জীবনে যেমন সৃষ্টির আনন্দ আছে, তেমনি আছে কাঁটার আঘাতও
শেখ কামালের জীবনটা যেন এক ম্যাজিক বক্স
সৃষ্টি আর সম্ভাবনার গল্পে ঠাসা তার এই ২৬ বছরের জীবন
(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব
চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে
হ্যালো বন্ধুরা! অনলাইন কাজ ব্লগে আপনাকে স্বাগতম আজ আমরা আপনাকে আইপি অ্যাড্রেস কাকে বলে?, এবং আইপি অ্যাড্রেস কত প্রকার সে সম্পর্কে বলব আমরা আমাদের আগের পোস্টে বলেছিলাম - মোবাইলে কিভাবে আইপি অ্যাড্রেস বের করবেন এই পোস্টে আমরা জানবো কম্পিউটারে কিভাবে নিজের আইপি অ্যাড্রেস বের করবেন
অবশ্যই পড়ুন-
স্যাটেলাইট কাকে বলে? - কিভাবে কাজ করে
কি? - কীভাবে কাজ করে, মোবাইলের জিপিএস সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
আপনি এবং আমরা সবাই কম্পিউটার বা মোবাইলের মাধ্যমে দিনরাত ইন্টারনেট ব্যবহার করি এবং আমাদের প্রায় সব কাজ ইন্টারনেটের সহায়তায় করি তবে আমাদের কাছে ইন্টারনেট সম্পর্কিত এমন অনেক তথ্য রয়েছে যা আমরা জানি না
এবং আপনি সকলেই জানেন যে অসম্পূর্ণ তথ্য কেবল আমাদের বিকাশ ঘটায় না, সুতরাং আপনি যে ক্ষেত্রের সাথে যুক্ত আছেন সে সম্পর্কে প্রায় সমস্ত তথ্য রাখুন, যাতে আপনি সেই বিষয়টির পাশাপাশি আপনার অন্যদের সাথেও জ্ঞান অর্জন করতে পারেন আরও এগিয়ে যেতে পারেন
অবশ্যই পড়ুন-
কি? গুগল ম্যাপ কীভাবে ব্যবহার করবেন!
ওয়েবসাইট কাকে বলে? সম্পর্কে সম্পুর্ন তথ্য?
আমরা যখন ইন্টারনেট ব্যবহার করি, কেউ যদি বলে আপনার আইপি অ্যাড্রেস কি? তবে আপনারা এর উত্তর দিতে সক্ষম হবেন না এবং লজ্জার মুখে পরতে হবে, তবে বিরক্ত হবেন না, আমরা আপনাকে আইপি অ্যাড্রেস কিভাবে বের করবেন তা বলে দিব
-আইপি অ্যাড্রেস কাকে বলে?
আমরা যখন কম্পিউটার, মোবাইল এবং ট্যাবলেট ইত্যাদির মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করি তখন এগুলির একটি আলাদা আইডি থাকে যা আমরা আইপি অ্যাড্রেস হিসাবে জানি
আমরা যখন আমাদের কম্পিউটার বা মোবাইলের মাধ্যমে ইন্টারনেটে কিছু সার্চ করি, তখন আইপি অ্যাড্রেসের মাধ্যমে রাউটার জানে যে ডেটা সংগ্রহ এবং এটি কীভাবে প্রেরণ করা যায়, রাউটারটি আমাদের আইপি অ্যাড্রেসে সার্চ করা ডেটা প্রেরণে কাজ করে
অবশ্যই পড়ুন-
গুগল প্লে স্টোর কিভাবে মোবাইলে ডাউনলোড করবেন!
সোশ্যাল মিডিয়া কী? কাকে বলে?
আইপি অ্যাড্রেস 32 বিট বাইনারি অঙ্কের সমন্বয়ে গঠিত, যা মনে রাখা খুব কঠিন, সুতরাং দশমিকটি চারটি ভাগে ভাগ করে এটি সরল করা হয়েছে, আইপি ঠিকানার প্রতিটি অংশে 0 থেকে 255 অঙ্কের সংখ্যা থাকতে পারে
, উদাহরণস্বরূপ 234.242.101.104
-এর -
আইপি অ্যাড্রেস কিভাবে কাজ করে আপনি এটি সহজেই বুঝতে পারবেন, তাই আমরা নীচে আইপি অ্যাড্রেস উদাহরণ দিয়েছি
-এর প্রকার?
মূলত দুি ধরণের আইপি অ্যাড্রেস রয়েছে যা নীচে দেওয়া হল -
এই আইপি অ্যাড্রেস একটি স্থায়ী ইন্টারনেট , সুতরাং এই আইপি অ্যাড্রেস কখনই পরিবর্তন হয় না বা পরিবর্তন করা যায় না
এই আইপি অ্যাড্রেস একটি অস্থায়ী ইন্টারনেট অ্যাড্রেস, তাই এর আইপি ঠিকানা সব সময় পরিবর্তিত হয়
এখনও অবধি, আইপি অ্যাড্রেসের দুটি মাত্র ভার্সন এসেছে, যা নিচে দেওয়া হল -
4 ( 4)
6 ( 6)
4 অ্যাড্রেস আইপি পরিসরের জন্য 5 টি ক্লাস রয়েছে,