content
stringlengths 0
129k
|
|---|
06, 2021 10:04 রাতভর নিম্নচাপের বৃষ্টিতে দুর্ভোগে যাত্রীরা, ব্যাপক ক্ষতি চাষের
|
06, 2021 10:00 নামের বিশেষ শিবির -এর গ্রামে
|
06, 2021 09:52 সপ্তাহান্তে শীতের আমেজ, রাতের দিকে ঠাণ্ডা বাড়বে
|
06, 2021 09:51 : দুর্ভোগের দিনে ঝোপ বুঝে কোপ চালকদের, সঙ্গে লাগাতার প্রত্যাখ্যান
|
06, 2021 09:38 দুর্যোগের দিনে ঝোপ বুঝে কোপ, যেমন খুশি ট্যাক্সির ভাড়া শহরে
|
লাইভ
|
পুরো স্কোরকার্ড
|
এডিটার পিকস
|
এভাবেই সেজে উঠুন এবারের পয়লা বৈশাখে
|
পয়লা বৈশাখে মাস্ট চাই ঠাণ্ডা পানীয়
|
পয়লার জব্বর উপহার
|
সোমবার পয়লা বৈশাখ, জেনে নিন লক্ষ্মী-গণেশ পুজোর সময় ও নির্ঘণ্ট
|
রাশিফল
|
বছরটা ভালোই কাটবে । কাজে একটু চাপ আসতে পারে, কিন্তু বছরটা কাটবে ভালোই । পরিবারে অতিথি সমাগম হতে পারে । এই বছরে নিজেকে একটু সময় দিন ।
|
নতুন বছরে একটু মাথা ঠান্ডা রাখুন । অফিসে কোনও সমস্যায় জর্জড়িত হতে পারেন । নতুন কোনও মানুষের সঙ্গে মানুষের সঙ্গে আলাপ হতে পারে এই নতুন বছরে ।
|
নতুন বছরে শরীরের দিকে নজর দিন । পেট ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন । নতুন কাজের সুযোগ আসতে পারে । খরচার দিকে নজর রাখুন ।
|
নতুন বছরে প্রেম, প্রীতি, বিবাহের যোগ রয়েছে । নিজেকে একটু সময় দিন । পরিবারের লোকের সঙ্গে সামনে কোথাও ঘুরতে যেতে পারেন ।
|
নতুন বছরে অফিসে পরিবেশ ভালোই থাকবে । পারলে কম কথা বলুন । গোপন শত্রুর থেকে দূরে থাকুন । নতুন কাজের সুযোগ আসতে পারে ।
|
নতুন বছরে পুরনো কোনও বন্ধু জীবনে ফিরে আসতে পারে। ব্যবসায়ীদের জন্য এই সপ্তাহটা শুভ ফলদায়ক। ছাত্র-ছাত্রীরা ভালো ফলের আশা করতে পারেন ।
|
নতুন বছরে আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভুগতে পারেন আপনি । মানসিক শান্তি পেতে ধ্যান করুন
|
। অনৈতিক বিষয়গুলি থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন
|
নতুন বছরে শরীরের দিকে নজর রাখুন । সর্দি, কাশিতে ভুগতে হতে পারে । শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য সময়টা ভালো ।
|
নতুন বছরে কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির যোগ রয়েছে । পরিবারের মাতৃস্থানীয় কোনও ব্যক্তির সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে যেতে পারেন ।
|
নতুন বছরে নাম, যশ , প্রতিপত্তি, এসব আজ আপনি পাবেন
|
আপনার মানসিক ও শারীরিক অবস্থা এসপ্তাহে ইতিবাচক থাকবে
|
নতুন বছরে আপনি যদি কোনও সুখকর পরিবর্তনের আশা করে থাকেন, তাহলে এই সপ্তাহটা অনেক সুযোগ পাবেন
|
শিল্প, নৃত্যকলা, সাহিত্য, ইত্যাদি সৃজনশীল বিষয়গুলিতে আপনার বিশেষ প্রবণতা দেখা দেবে
|
একঘেয়ে দৈনন্দিন জীবন প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে
|
প্রিয়জনদের সঙ্গে দেখা করে আনন্দিত হবেন
|
ছাত্রছাত্রীদের জন্যও দিনটি ভাল
|
পরিশ্রম বিফলে যাবে না
|
কর্মক্ষেত্রে দুর্দান্ত সাফল্য পাবেন
|
আর্থিক লাভের সম্ভাবনা আছে
|
নতুন বছরে চোখ-কান খোলা রাখুন । গুপ্ত শত্রু থেকে সাবধান। নতুন বাড়ি অথবা গাড়ি ক্রয় করতে পারেন । ঘরে অতিথি সমাগাম হতে পারে ।
|
কেশব কুমার অধিকারী|2013-07-2019:31:44+06:00জুলাই 18, 2013|: ব্যক্তিত্ব, ব্লগাড্ডা, স্মৃতিচারণ|18
|
শ্রদ্ধাঞ্জলি: আমার প্রয়াতঃ শিক্ষক হুমায়ুন আহমেদ
|
কেশব অধিকারী
|
খবরটা বজ্রাহতের মতোই ছিলো আমার কাছে
|
আমি সেই কবে থেকে বসে আছি, যখন তিনি বললেন, বাংলাদেশে স্থাপন করবেন একটা আন্তর্জাতিক মানের ক্যান্সার গবেষণাগার এবং হসপিটাল! আমার দৃঢ় বিশ্বাস, একমাত্র তাঁর দ্বারাই এরকম একটা প্রতিষ্ঠানের গোড়াপত্তন সম্ভব ছিলো বাংলাদেশে
|
এটা আমার মনগড়া কথা নয়, আমি প্রয়াত: আমার এই শিক্ষকে যতটা জানি তিনি তা করতেন তাঁর অতি স্বাভাবিক অভিব্যক্তি এবং ইচ্ছাগুণের জোড়ে
|
আজ আমি হতাশ
|
আমি হতাশ এই কারণে যে, দেশে স্বপ্ন দ্রষ্টার কিছুমাত্র অভাব না থাকলেও, স্বপ্নস্রষ্টা এবং সেই স্বপ্নকে মহীরুহে পরিণত করার মানুষ হয়তো আর রইলো না
|
বার বার আমার স্মৃতি আজ আমাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে তারুণ্যের টগবগে দিন গুলোতে
|
আমি রসায়নের ছাত্র
|
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে বাবার চাকুরী সূত্রে পাওয়া কোয়ার্টার থেকে সোজা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হল
|
অধ্যাপক ডঃ মহব্বত আলী তখন প্রভোস্ট
|
আমি হলে নিবন্ধন এবং সীটের জন্যে আবেদন করলাম
|
অনুমতি পাবার পরে বিপত্তি দেখা দিলো
|
অধ্যাপক মহব্বত আলী আমাকে ডাকলেন, বললেন, এটা মুসলিম হল, আমাদের ভুল হয়েছে, তোকে জগন্নাথে যেতে হবে
|
আমি বললাম, "কোথায় মুসলিম হল? আপনার কাগজে নেই, হলের গেইটে আগে ছিলো, এখন তো সেটা দেখছি উঠিয়ে দিয়েছেন
|
আমি এখানেই থাকবো
|
আপনি ব্যবস্থা করুন
|
" উনি কোঁকিয়ে উঠলেন, বললেন "তোর ভালোর জন্যে বলছি, তাছাড়া অসুবিধাও আছে
|
" আমি বললাম, "সে আমি বুঝিনা কি অসুবিধা, তবে কার্জন হল এলাকা ছেড়ে এই আমি নড়ছি না, এটা স্যার, আমার শেষ কথা
|
" তার দুদিন পড়ে, অধ্যাপক মহব্বত আলী ক্লাস থেকে আবার আমাকে ডিপার্টমেন্ট অফিসে (তিনি তখন বিভাগের সভাপতিও বটে!) ডেকে পাঠালেন, বললেন, বিকেলের মধ্যে আমি যেনো শহীদুল্লাহ হলে অধ্যাপক হুমায়ুন আহমেদের সাথে দেখা করি
|
অধ্যাপক হুমায়ুন আহমেদ তখন ঔপন্যাসিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন
|
প্রচুর নাম ডাক, আমরা গর্বিত তখন বিভাগের ছাত্র হিসেবে
|
তাঁর সাথে দেখা করতে হবে, শুনে বেশ রোমাঞ্চিত হলাম! বিকেলে হল অফিসে স্যারের সাথে দেখা করতে গেলাম
|
একটু ভয় ভয়ও লাগছে, কি আবার বলবেন, হাজার হোক, ডিপার্টমেন্টের শিক্ষক! দূর থেকে আমাকে দেখেই বললেন, "কেশব, আসো, আসো"! কেমন যেনো খানিকটা গম্ভীর গম্ভীর ভাব তারও চেয়ে যেনো বেশ ব্যস্ত, ঠোঁট আর গালের পেশী গুলো স্বাভাবিকের চাইতে সেসময় আর একটু বেশীই টান টান মনে হল! ঠোঁটেতো সিগারেট আছেই! আর ওরকম ব্যস্ত ভাব নিয়েই বললেন, "অধ্যাপক মহব্বত আলী-তো তোমাকে নিয়ে ভীষণ বিপদেই পড়েছেন! তুমি আমার হলের আমার ব্লকেই থাকবে"
|
জিজ্ঞেস করলেন, "অধ্যাপক নুরুল আমীনকে চেন? ওনার মতে, তোমাকে আর একটু সাহসী হতে হবে!" আমি উত্তরে বললাম, "হ্যাঁ চিনি, উনি আমাদের ইনোরগ্যানিক প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসে থাকেন
|
" প্রয়াত: আমার এই শিক্ষকের কথা আর একদিন বলবো
|
কিন্তু আমার এই ঊনসাহসের কথা কেন বলেছিলেন, সেটা বুঝেছিলাম পরে যখন সীট বণ্টনের পরে নতুন বাংলা ছাত্র সমাজের কতিপয় ক্যাডারের হাত থেকে আমার সীট বুঝে নেবার সময় এলো
|
কিছু কাগজ পত্রের কাজ শেষ করে বিদায় নেবো, এমন সময় বললেন, " তোমার ছন্দের হাত ভালো, তবে সুড়সুড়ির মাত্রাটা একটু বেশী, ওটা কমাতে হবে"! আমার বুঝতে বাকী রইলো না যে, ডিপার্টমেন্টে ঢুকেই আমি স্ব-উদ্যোগে যে "নবজাগরণ" (সম্ভবত:, স্পষ্ট মনে নেই এই মুহূর্তে নামটা) বন্ধুদের সহযোগিতায় টাঙ্গিয়েছিলাম, তা তাঁর নজরে এসেছে! আমি বললাম, "জ্বি স্যার, পরের গুলো আমি আপনাকে দেখিয়ে নেবো"
|
এই হলো তাঁর সাথে আমার প্রথম সাক্ষাতের মুহূর্ত! আমি মানুষটিকে দেখেছি খুবই কাছে থেকে, আসলে বলা ভালো যে, আমার সেই সৌভাগ্য খানিকটা হয়েছিলো! আমি আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ পুরষ্কারটি পেয়েছিলাম তাঁর কাছ থেকেই!
|
পরদিন সন্ধ্যায় আমি শহীদুল্লাহ হলের প্রধান ভবনের নীচ তলার নির্ধারিত একটা একক বিছানা বিশিষ্ট কক্ষের সামনে এসে দাঁড়ালাম
|
দরজাটা সামান্য খোলা
|
ভেতরে কিছু একটা আড্ডা চলছে
|
আমি দরজার কড়া নেড়ে খুললাম
|
৮/১০ জন ষণ্ডা প্রকৃতির ছেলে বিভিন্ন ভঙ্গীতে বসে আছে
|
ধোঁয়ায় ঘরটা প্রায় ঝাপসা
|
বিকট গন্ধ হঠাৎ এসে আমার সব ইন্দ্রিয়কে সচেতন করে তুললো
|
বুঝলাম গাঁজার আড্ডা চলছে! একজন বললে, কেয়া বাআপস্! আমি বললাম, "স্যাররা তো এই রুমটিতে আমায় থাকতে বলে পাঠালেন"! চ, ম, প বর্ণ সহযোগে অশ্লীল শব্দের বাক্যবাণে আমাকে আর স্যারদের সৃষ্টির আদিকাল থেকে অদ্যাবধি সকল পূর্ব-পুরুষদের সাথে তাদের কল্পিত কতিপয় যৌন কার্যাদির বর্ণনা দিয়ে ১৫/২০ মিনিট পার করে দিলে
|
আমি ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলাম
|
নাটের গুরু যে ছিল, সে আমাকে বললো খাটের তলায় যা আছে সেগুলো চালাতে পারবো কিনা
|
আমি নিচু হয়ে দেখলাম ওখানে ১০/১২টি বিভিন্ন আকার আর আকৃতির আগ্নেয়াস্ত্র! কল্পনা করতে চেষ্টা করলাম, সেই স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে বাবার হতে দেখা একখানা দুইনলা বন্দুক ছাড়াতো ইহজনমে আর কোন বন্ধুক দেখেছি বলে মনে পরে না
|
এদিক ওদিক মাথা নাড়িয়ে অসম্মতি জানালাম
|
সাথে সাথেই মালাউনের বাচ্চা বলে অশ্রাব্য খিস্তি খেউর শুরু হলো
|
অনুভব করছিলাম আমার ভেতরের আমিটা তখন টগবগ করে ফুটতে শুরু করেছে! আমার ভেতরের ঘৃণাটা তখন বাইরেও হয়তো খানিকটা কাঁপুনি দিয়ে বেরিয়ে এসেছে
|
ধীরে ধীরে আমি ঘর থেকে বেরিয়ে সোজা চলে এলাম হল গেটের দরজায় বসা হুমায়ুন স্যারের কাছে
|
বললাম, স্যার দুটো আর্জি আছে
|
প্রথমত: আমাকে ডাবল সীটের রুমে দেবেন আর দ্বিতীয়ত: এমন কারো কাছে আমাকে পাঠাবেন না যারা আদৌ ছাত্রই নয়
|
জানলে কি করে যে এরা ছাত্র নয়? জানতে চাইলেন স্যার
|
বললাম, " মুখের ভাষায়"
|
পাশে বসা অধ্যাপক নুরুল আমীন বললেন, "বলেছিলাম না, হবেনা হবেনা......! ঠিক আছে, (আমাকে নির্দেশ করে) তুমি এক কাজ করো, এপাশের ব্লকের দুহাজার একচল্লিশ এ চলে যাও, ওখানে গণিতের আইনুল হক আছে
|
তুমি ওর সাথে থাকো
|
" এদিকে অধ্যাপক হুমায়ুন আহমেদ বেশ একটা বিরক্তির ভাব নিয়ে সাথে দুজন দারোয়ান নিয়ে সোজা চলে গেলেন ভেতরে
|
পেছন পেছন আমি আমার পেটরা সমেত চললাম ২০৪১ এর উদ্দেশ্যে
|
এসে দেখি এ রুমের দুটি বিছানাই ভারমুক্ত পরে আছে
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.