content
stringlengths
0
129k
লকডাউন নয়,তবে পরিস্থিতির ওপর করা নজর রাখছে দিল্লি সরকার
বৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে টমেটোর দাম ১৪০ টাকায় পৌঁছেছে
বিহারে সার পাচ্ছেন না কৃষকরা, কিন্তু ডাবল ইঞ্জিন সরকার নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে , ট্যুইট করে নীতীশকে নিশানা করলেন লালু
৩১ বছর পর আবার চালু হচ্ছে গোরখপুরের সার কারখানা
&
জেনে নিন ব্রণ দূর করার সহজ উপায়
हिंदी मराठी ਪੰਜਾਬੀ தமிழ் മലയാളം বাংলা ಕನ್ನಡ ଓଡିଆ অসমীয়া తెలుగు
বাড়ি খবর কৃষি শিক্ষা সরকারী প্রকল্প কৃষি যন্ত্রপাতি কৃষি বিশ্বকোষ উদ্যান পালন পশুপালন শরীর ও স্বাস্থ্য আবহাওয়া খবর # সাফল্যের কাহিনী
প্রধানমন্ত্রী কিষান যোজনা লাভজনক চাষাবাদ মাছ চাষ সম্পর্কে তথ্য পিএম কিষান ট্রাক্টর যোজনা ধান চাষ
. ' .
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৭৫ এর পরে যারা রাতের অন্ধকারে অস্ত্রহাতে নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল তারাই বাংলাদেশের মানুষের চরিত্র নষ্ট করে দিয়ে গেছে
কারণ অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে সেই ক্ষমতা কুক্ষিগত করবার জন্য এরা মানুষকে দুর্নীতি শিখিয়েছে, কালো টাকা চিনতে শিখিয়েছে, ঋণ খেলাপী হতে শিখিয়েছে
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে সংসদ অধিবেশনে একাদশ সংসদের ৮ম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন
দুর্নীতি অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর কে কোন দলের সেটা বড় কথা নয়
কে এ ধরনের দুর্নীতির সাথে জড়িত অনিয়মের সাথে জড়িত, আমরা যাকেই পাচ্ছি, যেখানেই পাচ্ছি আমরা ধরছি
আবার ধরছি বলেই.. চোর ধরছি বলে চোর হয়ে যাচ্ছি
আমরাই ধরি আবার আমাদেরকেই দোষারোপ করা হয়
এটাই হচ্ছে দুর্ভাগ্য
এর আগে তো দুর্নীতিটাই নীতি ছিল
অনিয়মটাই নিয়ম ছিল, সেভাবেই রাষ্ট্র চলেছে
তিনি বলেন, দীর্ঘ দিন এই দেশে মিলিটারি ডিকটেটরশীপ এদেশের মানুষের চরিত্র হনন করেছে
কারণ তাদের অবৈধ ক্ষমতাটাকে নিষ্কন্টক করা- এটাই ছিল তাদের লক্ষ্য
সেখানে এইভাবে বছরের পর বছর এই বীজগুলি, দুর্নীতির বীজ
এই বীজটা বপন করেছে
এটা এখন মহিরুহ হয়ে গেছে, আপনি যতই কাটেন আবার কোথা থেকে গজিয়ে ওঠে
কারণ মানুষের চরিত্রটাই নষ্ট করে দিয়ে গেছে
সেই ক্ষেত্রে এই চরিত্রহীণ্যতা একেবারে ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত ছিল
সেখানে থেকে যতই চেষ্টা করেন এটা মূল উৎপাটন করা যথেষ্ট কঠিন
সংসদ নেতা বলেন, আমরা সেগুলো মোকাবেলার করার চেষ্টা করছি; যতটুক পারি সেগুলো শুদ্ধ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি
আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে
আগেই বলেছি আমরা এই অনিয়মগুলো নিশ্চই মানব না
যেই হোক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি এবং নেব এটা অব্যাহত থাকবে
করোনা মোকাবেলা ডাক্তার নার্সদের সুযোগ সুবিধা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ডাক্তার নার্স নিয়োগ করা হয়েছে
বিভিন্ন হাসপাতালে যথেষ্ট বেড এবং সব রকম সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে
ডাক্তার নার্স যারা কাজ করছে এবং টেকনিশিয়ানদের তাদেরকে তাদের পরিবার থেকে আলাদা করে রাখার জন্য হোটেল ভাড়া করে থাকা খাওয়া সব দিয়ে রাখা হচ্ছে
সেখানে খরচ তো হবেই
করোনায় মানুষের কথা সরকার বেশি ভেবেছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন একটা ভাইরাস যা চোখেও দেখা যায় না, একটা অদৃশ্য শক্তি
অথচ এর জন্য সারা বিশ্ব আজ আতঙ্কগ্রস্ত
এই অবস্থার মধ্যে চলতে গিয়ে আমাদের দেশের মানুষ করোনাভাইরাসে যেন নিঃস্ব হয়ে না যায়, কষ্ট না পায়
কারও নাম উল্লেখ না করে রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থার ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, 'আজকে যে খবর হলো - যে খবর আপনারা পাচ্ছেন, কে করেছে? কে ধরেছে তাদের? আমরা যাকেই পাচ্ছি তাকেই ধরছি
আমরাই ধরি আবার আমাদের দোষারোপ করা হয়
'
মাঝ-আকাশে ঘটে গেল রুদ্ধশ্বাস ডাকাতি
কিন্তু তারপরেই দুর্বৃত্তদের বিমান আছড়ে পড়ল রকি পর্বতমালার উপর, একশো মিলিয়ন ডলার ভর্তি তিনটে বাক্স হারিয়ে গেল উঁচু-নিচু পর্বতশৃঙ্গের মাঝে
বেতারে পাঠানো হলো সাহায্যের আবেদন
আবেদনে সাড়া দিল দু'জন উদ্ধারকারী
ওরা এলেই আটক করা হলো তাদের
বাধ্য করা হলো ডলার-ভর্তি বাক্স খুঁজে বের করতে
কাজ শেষ হওয়ামাত্র খুন করা হবে ওদের
কিন্তু উদ্ধারকারীদের একজনের নাম মাসুদ রানা, সেটা ওদের জানা ছিল না
মরুস্বর্গ
কোথায় ওই ক্যাসিনো? সব দেশের সিক্রেট সার্ভিস খুঁজছে ওটাকে
কেন? গোটা দুনিয়ার লেজে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে এক ভয়ানক দুবৃর্ত
ওই ক্যাসিনো থেকেই নাকি আসছে সেই ড্রাগ
একবিংশ শতাব্দীর অভিশাপ
পাগল হয়ে উঠেছে গোটা বিশ্বের তরুণ-যুবা
এমন নেশা যে, একবার নিলে কী মরলে! আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে ওরা ড্রাগ না পেলে
শুধু ঢাকা শহরেই গত ছয় মাসে দেড় হাজার অ্যাডিক্ট খুন করেছে সতেরো হাজার নিরীহ মানুষকে
প্রথম সুযোগেই ঢুকে পড়ল রানা ওই ক্যাসিনোয়
জানে না, ও শিকার না শিকারী
ক্লাস ফোরে পড়ার সময় প্রথম সৃজনশীল ব্যাপারটার নাম শুনি
তখন শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাস্তরে নতুন এক পদ্ধতি প্রয়োগের প্রস্তাব রাখা হয়, যা-ই মূলত এই সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতি
সেই শুরুর দিকে সৃজনশীল বলতে বুঝতাম, একটি প্রশ্নের ৪টি অংশ থাকবে, প্রতি নম্বরের জন্য একটি লাইন লিখতে হবে, এক নাম্বারের জন্য এক লাইন কিংবা চার [...]
, - .
বর্তমান সময়ে পড়াশোনা থেকে কাজকর্ম মোবাইল ছাড়া সবই অচল
মোবাইল ফোন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গী হয়ে উঠেছে
কিন্তু জানেন কি, মোবাইল ফোন এত ব্যবহারের ফলে ক্ষতি হচ্ছে আপনার শরীরে! বর্তমানে প্রায় সব মোবাইল ফোনেই ব্যবহৃত হয় লিথিয়াম-আয়ন বা লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি
এই ব্যাটারি থেকে সাধারণ অবস্থায় প্রায় ১০০টির বেশি গ্যাস নির্গত হয়, যেগুলো মানব শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে
এই সমস্ত গ্যাসের মধ্যে রয়েছে কার্বন মনোক্সাইডের মতো বিষাক্ত গ্যাসও
এই কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস যদি অতিরিক্ত মাত্রায় শরীরে প্রবেশ করে তাহলে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে
গবেষকদের মতে, সাধারণভাবে মোবাইলের ব্যবহৃত ব্যাটারি থেকে যে পরিমাণ গ্যাস নির্গত হয় তা প্রাণঘাতী হয়না
তবে বিষয়টি সম্পর্কে মোবাইল গ্রাহকদের সচেতনতা অবশ্যই দরকার আছে
এবং এই বিষয়ে অবগত থাকাও দরকার
অনেকেই আবার রাতে ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোন মাথার কাছে রেখে ঘুমায়
যে কারণে এই মোবাইলের প্রভাবে তাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে
মোবাইলের ব্যাটারি থেকে নির্গত এই সকল গ্যাসের প্রভাবে চোখ, নাক ও গলা জ্বলার মতো সমস্যাই দেখা দিতে পারে
আপনি যদি এসব সমস্যার সম্মুখীন হন তো মোবাইল ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন
আবার যারা রাত্রে মাথার কাছে মোবাইল ফোন চার্জে লাগিয়ে ঘুমায়, তাদের শরীরে ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি হয়
তাই রাতে ঘুমানোর সময় চেষ্টা করুন মোবাইল মাথা থেকে দূরে রেখে ঘুমানোর
আর যদি চার্জে লাগিয়ে রাখেন তো চেষ্টা করুন রুমের একটি জানালা খোলা রাখতে বা জানালার কাছে মোবাইল রাখতে
জেনে রাখা ভালো যে শুধু রাত্রেই নয়, মোবাইলের কাছে থাকা দিনের যে কোনো সময়েই ক্ষতিকর
এবং মোবাইল বা ট্যাবের ব্যাটারি যদি আবার নিম্নমানের প্রযুক্তির হয়, তাহলে তা থেকে নির্গত গ্যাসের পরিমাণ অনেকটাই বেশি হয় আর সেটি শারীরিক ক্ষতির সম্ভাবনাও বাড়িয়ে দেয়
গবেষকদের মতে, যেসব মোবাইল বা ট্যাবলেটের ব্যাটারি চার্জিং-এর সময়ে গরম হয়ে যায়, সেগুলির ক্ষতিকর হয় শরীরের পক্ষে
তাই সাবধান হোন সতর্ক থাকুন সুস্থ থাকুন