content
stringlengths 0
129k
|
|---|
আশির দশকে মাগুরা সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে আমার নেতৃত্বে ইয়েলো বার্ড ও গার্লস গাইড দল গঠন হতো
|
আমরা ২৬শে মার্চ ও ১৬ই ডিসেম্বর মাগুরার কোর্ট ময়দানে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে দেখিয়ে বিজয়ের বেশে আনন্দ মিছিল করে বহুবার স্কুলে ফিরেছি
|
মনে পড়ে সেই ড্রাম বাজানোর স্মৃতিময় দিনগুলো
|
ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ থেকে ইনস্ট্রাক্টর কফিলউদ্দিন স্যারকে আমাদের স্কুলে একমাসের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল ড্রাম বাজানোর প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য
|
স্কুলের অনেক ছাত্রীর মাঝে বাছাই করে তিন জনের একটি দল গঠিত হলো
|
সে দলে আমার সাথে আরও ছিল বীথি (ইসলামপুর পাড়া), আর রিতা (টাউন হল ক্লাবের পিছনে থাকতো, আজিজ ডাক্তারের মেয়ে)
|
আমাদের এই তিনজনকে নিয়ে শুরু হল ড্রাম বাজানো শিক্ষার প্রশিক্ষণ
|
এক মাস ধরে সকাল, দুপুর, বিকাল পেরিয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত টানা প্রশিক্ষণ
|
অক্লান্ত পরিশ্রম করে ড্রাম বাজানো প্রশিক্ষণ শেষ করলাম
|
এরপর কুচকাওয়াজ হলে আমার নেতৃত্বেই থাকতো আমাদের গার্লস গাইডের দল
|
আমাদের দলের শিউলি, ডিনা, লুনা, বিউটি, দিনা, ইভা, রত্না, বুলবুলি, কবিতার কথাও ভীষণ মনে পড়ছে
|
এঁরা সবাই ছিল গার্লস গাইডের উল্লেখযোগ্য সদস্যবৃন্দ
|
আর শিক্ষিকাদের মধ্যে সাহিদা আপা, লতিফ স্যার, বুড়ি আপা-আমাদেরকে আদর-ভালবাসা দিয়ে সব সময় গাইড করতেন
|
সার্বক্ষণিক সাথে থাকতেন
|
প্রাক্তন প্রধান শিক্ষিকা মরহুমা মনোয়ারা আনসারের কথা ভুলব না
|
আমাদেরকে নিজের সন্তানের মতো সব সময় খোঁজ খবর নিয়ে সহযোগিতা করতেন
|
প্রধান শিক্ষিকার দুই কন্যা লোটাস আপা এবং লিনা আপা বিভিন্ন গানের সাথে শাড়ি নৃত্য, বাঁশ নৃত্য করতে সহযোগিতা করতেন
|
আসলে তখন ছিল না ছোটো বড় কোনো ভেদাভেদ
|
সবার ছিল একটায় উদ্দেশ্য কিভাবে আমরা আমাদের স্কুলের জন্য সুনাম ছিনিয়ে আনবো
|
২৬শে মার্চ এবং ১৬ই ডিসেম্বর এলেই আমাদের নেতৃত্বে স্কুলের মেয়েদের মার্চপাস্ট আর বিভিন্ন ডিসপ্লেতে অংশগ্রহণ ছিল নিয়মিত
|
সেই কোন আমলের কথা
|
ড্রামের তালে তালে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি
|
এমপি, ডিসি, এসপিদের সামনে ড্রাম বাজিয়ে কতো না প্রশংসা পেয়েছি
|
মাগুরা শহরে কখনও কোনো মন্ত্রী মহোদয় এলে মঞ্চের দুপাশে সারিবদ্ধভাবে গার্লস গাইডের মেয়েরা ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নিতো
|
আসলে গার্লসগাইডের সেই দিনগুলো ছিল অন্যরকম
|
ক্যাম্পিং এর সময় যেনো আরও মজা হতো
|
স্থানীয়ভাবে তিনদিন বা সাতদিন ব্যাপী মাগুরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, নোমানি ময়দান, ও একাডেমি বিদ্যালয়ে ক্যাম্পিং হতো
|
সারাদিন থাকতো বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম ও প্রশিক্ষণ
|
সন্ধ্যা থেকে শুরু হতো আগুন জ্বালিয়ে ক্যাম্প ফায়ার
|
এ ছাড়াও থাকতো বিভিন্ন স্কুলের মধ্যে প্রতিযোগিতামুলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাটিকা
|
আশির দশকে গার্লসগাইডের হয়ে গাজীপুরের শফিপুরে জাম্বুরি ক্যাম্পেও অংশগ্রহণ এ জীবনের এক স্মরণীয় অধ্যায়
|
জাম্বুরিতে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা থেকে আসতো গার্লস গাইডরা
|
কুচকাওয়াজসহ সারাদিনের কার্যক্রম শেষে সন্ধ্যায় শুরু হতো ক্যাম্প ফায়ার
|
প্রতিটি জেলার মেয়েরা তাদের নিজেদের নানাবিধ কসরত দেখাতো
|
এছাড়াও বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকতো সাংকেতিক চিহ্ন দিয়ে অক্ষর আদান প্রদান, গান বাজনা, কৌতুক, নাটিকা ইত্যাদি
|
আজ খুব মনে পড়ে স্মৃতি গুলো
|
সব সময় ভেবে গর্ব বোধ করি আমরা বাঙালি
|
আমরা বাংলায় কথা বলি
|
আমরা স্বাধীন
|
বহু মায়ের কোল খালি করে, অবুঝ শিশুর বাবাকে হারিয়ে শত-সহস্র বোনের সম্ভ্রম এর বিনিময়ে পেয়েছি এক টুকরো স্বাধীন মাটি, লাল সবুজের পতাকা
|
পেয়েছি নিজের ভাষা বাংলায় কথা বলার অধিকার
|
পেয়েছি ২১শে ফব্রুয়ারী, ২৬শে মার্চ, ১৬ই ডিসেম্বর
|
এই সকল দিবস বুকে লালন করি সর্বদা
|
এইসব দিনকে সন্মান জানাতে গার্লস গাইড-এর মেয়েরা সদা প্রস্তুত থাকে
|
গার্লস গাইড-আমার তারুণে ভরা দিনের একখণ্ড ভালবাসা
|
আমি এখনও হ্নদয়ে অনুভব করি ভাললাগা আর অনিঃশেষ ভালবাসায়
|
সিবিএল২৪ : তেঁতুলিয়া থেকে প্রায় দেড়শ কিলোমিটার দূরে হলেও মেঘ আর কুয়াশামুক্ত উত্তর-পশ্চিম আকাশে তাকালে মনে হবে চোখের সামনেই সাদা পাহাড়
|
বিশেষ করে ভোরের আকাশে বরফ আচ্ছাদিত নয়নাভিরাম পর্বতটি দেখা বেশ উপভোগ্য
|
কখনও তা রুপালি চকচকে রূপ ধারণ করে
|
বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে সূর্য ওঠার পর থেকে কাঞ্চনজক্সঘা দেখা যাচ্ছে
|
সূর্যকিরণের তেজ বৃদ্ধির সঙ্গে এটি স্পষ্ট চোখে পড়েছে
|
এদিন সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত বেশ ভালোভাবেই দৃশ্যমান ছিল এই পর্বত
|
তারপর সময় গড়ানোর সঙ্গে ঝাপসা হয়ে যায় কাঞ্চনজঙ্ঘা
|
তবে শেষ বিকালে সূর্যকিরণ যখন তির্যক হয়ে বরফের পাহাড়ে পড়ে তখন অনিন্দ্য সুন্দর হয়ে ধরা দেয় এর সুউচ্চ চূড়া
|
কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পর্যটকরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং জেলা শহরের টাইগার হিলে ভিড় করেন
|
পর্বতটির চূড়া দেখার সবচেয়ে জুতসই জায়গা এটাই
|
কেউ কেউ সান্দাকপু বা ফালুট যান
|
অনেকে সরাসরি নেপালে গিয়ে এটি উপভোগ করেন
|
অক্টোবর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত শীতের মেঘমুক্ত নীলাকাশের নিচে দেখা যায় তুষারাচ্ছাদিত শ্বেতশুভ্র হিমালয় পর্বত ও কাঞ্চনজঙ্ঘা
|
ফলে আশেপাশের জেলা ও দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকরা আসতে শুরু করেছেন
|
তেঁতুলিয়া থেকে চোখের সামনে এই অপূর্ব দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন তারা
|
বরফে ঢাকা কাঞ্চনজঙ্ঘার ওপর দিনের প্রথম সূর্যকিরণের ঝিকিমিকি এককথায় অতুলনীয়
|
পাসপোর্ট-ভিসা ছাড়াই ভ্রমণপিপাসুরা প্রকৃতির এই সৌন্দর্য উপভোগ করছেন! ঊষালগ্নে কাঞ্চনজঙ্ঘার রোদ যেন এসে ঠিকরে পড়ে পর্যটকদের চোখে! খালি চোখে এর রুপালি বিচ্ছুরণ দেখার অভিজ্ঞতা অন্যরকম বলছেন অনেকে
|
সন্ধ্যার নিষ্প্রভ আলোয় কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপ
|
একই অঙ্গে অনেক রূপ হিমালয়ের সর্বোচ্চ পর্বত কাঞ্চনজঙ্ঘার
|
প্রথমে কালচে, এরপর ক্রমে টুকটুকে লাল, কমলা, হলুদ ও সাদা রঙ ধারণ করে এটি
|
উত্তরের আকাশে নয়নাভিরাম হিমালয় মূলত বরফে ঢাকা সাদা মেঘের মতোই
|
সেই সঙ্গে রয়েছে পিরামিডের মতো কাঞ্চনজঙ্ঘার চূড়া
|
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, দেশের সর্ব-উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন থেকে নেপাল মাত্র ৬১ কিলোমিটার, এভারেস্ট শৃঙ্গ ৭৫ কিলোমিটার, ভুটান ৬৪ কিলোমিটার, চীন ২০০ কিলোমিটার, ভারতের দার্জিলিং ৫৮ কিলোমিটার, শিলিগুড়ি ৮ কিলোমিটার ও কাঞ্চনজঙ্ঘার দূরত্ব মাত্র ১১ কিলোমিটার
|
বাংলাবান্ধায় ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট চালু হওয়ায় পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে
|
বাংলাবান্ধা থেকে নেপাল ৬১ কিলোমিটার, এভারেস্ট শৃঙ্গ ৭৫ কিলোমিটার, ভুটান ৬৪ কিলোমিটার, চীন ২০০ কিলোমিটার, ভারতের দার্জিলিং ৫৮ কিলোমিটার ও শিলিগুড়ি ৮ কিলোমিটার ও কাঞ্চনজঙ্ঘার দূরত্ব মাত্র ১১ কিলোমিটার
|
জানা গেছে, কাঞ্চনজঙ্ঘার নেপাল ও সিকিমের সীমান্তে অবস্থিত
|
পৃথিবীর উচ্চতার দিক থেকে প্রথম সারির যে তিনটি পর্বত হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত সেই তালিতায় প্রথম অবস্থানে রয়েছে মাউন্ট এভারেস্ট
|
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এভারেস্ট শৃঙ্গের উচ্চতা ৮ হাজার ৮৪৮ মিটার বা ২৯ হাজার ২৯ ফুট
|
তালিকায় দ্বিতীয় পর্বত পাকিস্তনের কেটু'র উচ্চতা ৮ হাজার ৬১১ মিটার বা ২৮ হাজার ২৫১ ফুট
|
তৃতীয় অবস্থানে থাকা কাঞ্চনজঙ্ঘার উচ্চতা ৮ হাজার ৫৮৬ মিটার বা ২৮ হাজার ১৬৯ ফুট
|
হিমালয় পর্বতের এই অংশকে কাঞ্চনজক্সঘা হিমল বলা হয়ে থাকে
|
এর পশ্চিমে তামূর নদী, উত্তরে লহনাক চু নদী ও জংসং লা শৃঙ্গ এবং পূর্ব দিকে তিস্তা নদী অবস্থিত
|
১৯৫৫ সালের ২৫ মে ব্রিটিশ পবর্তারোহী দলের সদস্য জোয়ে ব্রাউন ও জর্জ ব্যান্ড প্রথমবার কাঞ্চনজঙ্ঘায় আরোহণ করেন
|
১৯৮৬ সালের ১১ জানুয়ারি পোলিশ পর্বতারোহী শিস্তফ ইয়েলিস্কি শীতকালে প্রথম এর চূড়ায় আরোহণ করেন
|
ওই বছরেই এতে ওঠেন তার স্বদেশি ইয়াজি কুকুজকা
|
২০১৪ সালের মে মাসে আরোহণ করেন দক্ষিণ কোরিয়ার কিম চ্যাঙ-হো গত ১৫ মে এতে উঠেছিলেন নেপালের নির্মল পূর্জা
|
তেঁতুলিয়া পিকনিক কর্নারের পাশেই শেখ ফরিদ স্টোর
|
এর মালিক শেখ ফরিদ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, দুই-তিন দিন ধরে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যাচ্ছে
|
কিছু পর্যটক ইতোমধ্যে এটি উপভোগ করেছেন
|
তিনি মনে করেন, খবর ছড়িয়ে পড়লে পর্যটকদের ঢল নামবে তেঁতুলিয়ায়
|
24
|
নাইক্ষ্যংছড়িতে ৪৮০০পিচ ইয়াবাসহ আটক-৩
|
মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কুঃ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে ৪ হাজার ৮শ পিচ ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারিকে আটক করেছে বিজিবি
|
আটককৃতরা হল উপজেলার সদর ইউপির কলম্বিয়া গ্রামের আবদুর ...
|
চাঁদপুরে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করা সেই সোনিয়া কারাগারে
|
চাঁদপুর : চাঁদপুরে বিয়ের দাবিতে পেট্রল নিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেওয়া তরুণী এখন জেলহাজতে
|
উপযুক্ত অভিভাবক না আসায় সোমবার সন্ধ্যায় আদালতের নির্দেশে তার নিরাপত্তার স্বার্থে ...
|
নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মা কি বাবার কাছে গেছে, জানতে চাইছে সালাম
|
মাকে হারিয়ে মুষড়ে পড়েছে দুই ভাই বোন- ছয় বছরের ফাহমিদা ইসলাম আর চার বছরের আব্দুস সালাম
|
ওমানপ্রবাসী বাবা আলিমুজ্জামানকেও তারা কাছে পাচ্ছে না
|
সালাম জানতে ...
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.