content
stringlengths
0
129k
এটাই হচ্ছে মানুষের টোটাল এক্সপোজার (মোট আক্রান্ত)
তারা কিন্তু ইতোমধ্যে অ্যান্টিবডি ডেভেলপ করেছে
যে সময়টা মানুষের মধ্যে এই ধরনের সমস্যা হয়েছে, তাদের মধ্যে কম-বেশি সবার মধ্যে ইনফেকশন ছিল
আগে থেকেই যাদের শারীরিক সমস্যা ছিল, তাদের বেশি হয়েছে
যাদের সমস্যা ছিল না, তাদের খুব কম হয়েছে বা একেবারেই উপসর্গ দেখা যায়নি
পরিবারের একজনের হলে বাকিদের মধ্যে হরাইজেন্টালি ট্রান্সমিট (আনুভূমিক সংক্রমণ) করেছে
যার একবার হয়েছে, সে মাস্ক পরা শুরু করেছে
পরিবারের সবাই তখন মাস্ক পরা শুরু করেছে
তখন দেখা গেছে, ভাইরাসটা ট্রান্সমিশন হয়েছে, কিন্তু খুব কম, সামান্য পরিমাণে
কিন্তু সেটা আমাদের ইমিউন সিস্টেমকে স্টিমুলেট (চাঙ্গা) করেছে এবং অ্যান্টিবডি বেরিয়ে এসেছে
সেটা কম হোক আর বেশি হোক, কিন্তু হইছে
আমরা এটা পর্যবেক্ষণে পেয়েছি
গতকাল একটা পরিবারের স্যাম্পল দেখলাম- প্রথমে একজন পিসিআরে করোনা পজিটিভ ছিল, বাকি ৮ জনের মধ্যে অ্যান্টিবডি চলে এসেছে
হয়তো আপনি অনুভব করেন যে, মাথাব্যথা হচ্ছে বা একটু পেটে সমস্যা, সামান্য কাশি- পরে সেরে গেছে
এই সংখ্যা কিন্তু বাংলাদেশে এখন অনেক
তারা কিন্তু আমাদের দেশের ভাইরাসকে ইরাডিকেট (ধ্বংস) করতে সাহায্য করবে
কারণ এই মানুষগুলোর মধ্যে ভাইরাস আর গ্রো (টিকতে না পারা) করতে পারবে না
না করতে পারলে ভাইরাস কিন্তু আস্তে আস্তে বিলীন হয়ে যাবে
ঢাকা শহরের সংক্রমণ নামতে কত দিন লাগবে?
ড. বিজন কুমার শীলঃ ঢাকা শহর পিক থেকে নামছে
নামতে নামতে শূন্যের কাছাকাছি যেতে আরও সময় লাগবে
তবে, যত দ্রুত উঠছে তার চেয়ে দ্রুত নেমে যাবে
সারাদেশে শূন্যের কাছাকাছি যেতে কত দিন লাগতে পারে?
বিজন কুমার শীলঃ ঢাকায় পিক আসতে প্রায় চার মাস বা ১৮ সপ্তাহ সময় লেগেছে
নামতে প্রায় ১০ থেকে ১১ সপ্তাহ লাগবে
এটা হয়তো এক এলাকায়
আরেক এলাকায় হয়তো অন্যরকম চিত্র হতে পারে
তাই এটা সমন্বয় করতে পারবেন না
ঠিক যেমন যুক্তরাষ্ট্রে হচ্ছে
সেখানে একটা রাজ্যে হয়ে যাচ্ছে, পরে আরেকটা স্টেটে শুরু হচ্ছে
ওই রাজ্যকে বলতে হবে, কোনটা পিক আর কোনটা অফপিক
ফলে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বাড়তে পারে
ওইসব অঞ্চলও একসময় সর্বোচ্চে পৌঁছবে আবার নেমে আসবে
হার্ড ইমিউনিটি না আসা পর্যন্ত এটা চলতেই থাকবে
সুখবর এটাই যে, যারা এক্সপোজারে (সংক্রমণে) আসছে, কম পরিমাণে লক্ষণ হচ্ছে
অনেকে জানেও না, তার মধ্যে অ্যান্টিবডি এসেছে
এটা একটা ভালো দিক
এছাড়া আবার কিছু কিছু জায়গায় পিক হবে
সামনে ঈদ আসছে, এ সময় কিছু ভাইরাস ছড়াবে আবার
যেখানে করোনা হয়নি, সেখানে হবে
সবমিলিয়ে পিকে উঠতে যদি ১৮ সপ্তাহ লাগে, নামতেও প্রায় ১৫ সপ্তাহ লাগবে
বাংলাদেশে সংক্রমণ হলেও রোগীদের মারাত্মক অসুস্থ হওয়ার প্রবণতা কি কম?
বিজন কুমার শীলঃ আমাদের যে আবহাওয়া এই মুহূর্তে বিরাজ করছে, তাতে বাতাসের আদ্রতা বেশি, তাপমাত্রা বেশি- এই দুটো বিষয় ভাইরাসকে সুবিধা করতে দেয় না
ভাইরাস যদি পানির মাধ্যমে ছড়ায় তাহলে সমস্যা হতে পারে
তবে বারবার বৃষ্টি হচ্ছে, আবহাওয়াটা পরিষ্কার হচ্ছে
সেক্ষেত্রে ভাইরাসটা মাটিতে পড়ে যাচ্ছে
এটা একটা ভালো দিক
আর ইউরোপের মানুষের যে বয়স, ওই সময় তাদের যে তাপমাত্রা ছিল, খুব শুষ্ক আবহাওয়া ছিল- এই সবকিছু মানুষের স্বাস্থ্যের প্রতিকূলে ছিল এবং ভাইরাসের জন্য খুব অনুকূলে ছিল
তাছাড়া ইতালিতে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ মানুষের বয়স ছিল ৬০ বছরের উপরে
আর আমাদের দেশে ৬০ বছরের উপরে মাত্র ২০ শতাংশের মতো
এটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ
আর আমাদের দেশের মানুষের ইমিউনিটি সিস্টেম (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) খুব অ্যাক্টিভ (সক্রিয়)
সর্বদাই কোনো না কোনো একটা প্যাথলজির সাথে ইন্টারেক্টশন করছে
যে কারণেই হোক ইমিউনিটি সিস্টেম দ্রুত রেসপন্স (সাড়া) করেছে
আপনার ইমিউন সিস্টেম যদি অ্যাক্টিভ থাকে, তাহলে দ্রুত রেসপন্স করে
আর ইমিউন সিস্টেম অ্যাক্টিভ না থাকে, তাহলে রেসপন্স করতে সময় নেয়
এটা একটা ফ্যাক্টর
তাছাড়া আমাদের দেশের মানুষ খোলামেলায় ঘোরাফেরা করে, যেটা ইউরোপে নেই
এগুলো মিলে আসলে আমার মনে হয়, আমাদের জন্য ভাইরাস কিছুটা অনুকূলে রয়েছে
এটা আমাদের জন্য ভালো, সৌভাগ্য
ও রকম মানে দুর্ভোগ আমাদের পোহাতে হয়নি বা মৃত্যুর মিছিল দেখতে হয়নি
শীতের আবহাওয়া করোনার জন্য ভালো
দেশে আর কয়েক মাস পরেই শীত আসছে
এ বিষয়ে কী বলবেন?
বিজন কুমার শীলঃ আমার মনে হয়, শীতের আগেই পরিত্রাণ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে
মানে ওইরকম হবে না
নির্দিষ্ট এলাকায় থাকতে পারে, যে এলাকায় একেবারে করোনা হয়নি
তবে মোটামুটি মানবসমাজকে বিচ্ছিন্ন করে চলে যাবে করোনা- আমাদের দেশ হোক আর অন্য দেশ হোক
যেমন যুক্তরাষ্ট্রে একটা রাজ্য থেকে আরেকটা রাজ্য অনেক দূরত্ব
এই দূরত্ব অতিক্রম করতে তো সময় লেগেছে
ওই জায়গায় সংক্রমণের স্থায়িত্বকাল বেশি হবে
আমরা সেই সমস্যা হবে না, কারণ আমরা খুব কাছাকাছি বাস করি
মসরুর জুনাইদের বগ্লে প্রকাশিত কোনও বগ্ল, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ
. . . . . . . .
/ / ফুফুকে চোদার গল্প / বাংলা চটি গল্প / রাজাকারের মেয়েকে চোদা / মিলি ফুফু ও ঊর্মির সাথে গ্রুপ চুদাচুদি
মিলি ফুফু ও ঊর্মির সাথে গ্রুপ চুদাচুদি
, ফুফুকে চোদার গল্প, বাংলা চটি গল্প, রাজাকারের মেয়েকে চোদা
বাংলা চোদার গল্প
মেজাজ খারাপ নিয়ে স্কুল থেকে বাসায় ফিরলাম
ষান্মাসিক পরীক্ষার ফলাফল দিল আজকে
শুয়োরের বাচ্চা ফোরকান হুজুর একশতে ৩০ বসিয়ে দিয়েছে
ক্লাসের দুয়েকজন বাদে সবাইকে ২০/২৫ গ্রেস, যে কয়জন পায়নি তাদের একজন আমি
পড়াররুমে ঢুকে ব্যাগটা ছুড়ে ফেলে বিছানায় শুয়ে পড়লাম
ভালো ঝামেলা
ছোটবেলায় পড়াশোনাতে খুব একটা খারাপ ছিলাম না
যদিও ভাল ফলাফল করা শুরুকরেছিলাম নাইন টেনে উঠে, তবু ফাইভ সিক্সে বসে সাধারনত ক্লাশে প্রথম বিশজনেনাম থাকত
কিন্তু এবার সেভেন উঠে একদম ফেল এক সাবজেক্টে
যত ভাবছি তত মাথাগরম হয়ে যাচ্ছে
আবার অভিভাবকের সিগনেচার নিতে হবে রেজাল্ট শীটে
মাথা গরম থেকে কান গরম
আম্মার কাছে তো বলাই যাবে না
আব্বাকে কৌশলে কিভাবে বলি, নাকি নকল সই নিজেই করব মাথা গুলিয়ে যাচ্ছে
সেসময় আবার নতুন অভ্যাস হয়েছে মাথা গরম হলে নুনু টেনে মজা খাওয়া
ঈদের সময় মামাতো ভাই এসে শিখিয়ে দিয়ে গেছে
কিন্তু করার পরপর একটা অপরাধবোধে ধরে যায়
একসপ্তাহ দশদিন না করে থাকি তারপর এমন মন চায় যে নাকরে পারি না
তার ওপর এরকম স্ট্রেস সিচুয়েশন হলে তো কথাই নেই
হুজুরেরএকটা মেয়ে আছে
বাংলা গ্রুপ সেক্সের গল্প
আমার চেয়ে তিন চার বছরের বড় হবে