content
stringlengths
0
129k
মিলিফু তোমাকে আর কোনদিন কিছু বলবো না
আমি গিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়লাম
মিলিফুর সমস্যা হচ্ছে ওনার ধারনা আমিএখনও শিশু
আমি যে বড় হয়েছি এটা ওনাদের মাথায় ঢুকতে চায় না
উর্মীআমার চেয়ারটাতে বসে বললো, মিলি তোমার কান্ড বলেছে আমাকে
এটা নিয়ে একটাতদন্ত করতে হবে
আমরা দুসদস্য বিশিষ্ট কমিটি করেছি
তুমি ঝামেলা করলেসরাসরি উপর মহলে বিচার যাবে
আমি বললাম, কিইই?
উর্মি বললো, আর যদি সহযোগিতা কর তাহলে মিলি তোমার রেজাল্ট কার্ডে সইকরে দেবে, কেজ ক্লোজড
তোমার ফেলের খবর কেউ জানবে না
কি সহযোগিতা করতে হবে?
মিলি দেখেতে তুমি তোমার নুনু নিয়ে কিছু করছিলে, কি করছিলে?
বললাম তো, ভালো লাগে তাই নাড়াচাড়া করছিলাম
কেমন ভালো লাগে?
অনেক ভালো লাগে
ওরা তখনও মুচকি হাসছে
মিলিফু বললো, আমাদের কে করে দেখাও
ইস, আপনাদেরকে দেখাবো কেন?
না দেখালে বিচার যাবে
এখনও স্মৃতি রোমন্থন করে ভাবি, এই ২৫ বছর বয়সে যদি কোন মেয়ে এরকমবলতো
অথচ তের বছর বয়সে টিনএজের শুরুটাতে আমার ভীষনলজ্জাবোধ ছিল
এসবসুযোগ অল্পের জন্য হাতছাড়া হয় নি
আমি বললাম, দেন গিয়ে বিচার, আমি দেখাবো না
উর্মি বললো, যদি আমি দেখাই তাহলে হবে?
শুনেই বুকটা ধ্বক করে উঠলো
গলার কাছে চলে এল হৃৎপিন্ডটা
উর্মি কিদেখাবে? আমি ঢোক গিলে বললাম, কি বললেন?
যদি আমি দেখাই তাহলে তুমি করে দেখাবা?
আমার তখন কান গরম হয়ে গেছে
বললাম, আম্মা যদি জেনে যায়?
তোমার আম্মু জানবে না
তুমি যেটা করছিল মিলির সামনে ওটা করো
আমি নুনুতে একরকম মজা পাওয়া যায় ওটা করছিলাম
তাহলে এখন আবার করো, আমাদের সামনে দাড়িয়ে করো
আমি ঘোরের মধ্যে চলে গেলাম
উর্মি মনে হয় মন্ত্র পড়েছে আমার উপর
বিছানা থেকে উঠে দাড়িয়ে ইলাস্টিক দেয়া পায়জামাটা হাটু পর্যন্ত নামিয়েনিলাম
হাত পা কেপে শীত করতে চাইছে
উর্মি বললো, খুব কিউট নুনু তোমার
মিলিফু দেয়ালে হেলান দিয়ে দাড়িয়ে আমার কান্ড দেখছে
আমি হাত দিয়েনুনুটা মুঠোয় ভরে নিলাম
নুনুটা তখন অল্প অল্প শক্ত হয়ে আছে
একটুনার্ভাস ছিলাম মনে আছে
হাত দিয়ে কয়েকবার আনা নেয়া করলাম
আরো অনেকবারআনা নেয়া করলাম
নুনুটা এখন পুরো খাড়া হয়ে আছে
উর্মি বললো, একটু থামাও, আমি ধরলে অসুবিধা আছে? উনি ওনার নরম হাতের তালু দিয়ে নুনুটা ধরলেন
নুনুরমাথা থেকে তখন আঠালো তরল বের হয়ে গেছে
উর্মি নেড়েচেড়ে দেখতে থাকলো
মিলিফু কাছে এসে হাটুগেড়ে বসে বললো, কি করিস, পরীক্ষা করছিস নাকি?
না দেখছি শুধু
উর্মি হাত দিয়ে আলতো করে আনানেয়া করতে লাগলো
বললো, মজার জিনিস তাইনা? আমাকে বললো, এরপর কি? শুধু এটুকুই
আমি বললাম, বেশী করলে বেশী ভালো লাগে
করো তাহলেআমি হাত দিয়ে শক্ত করে ধরে ভালোমত হাত মারা শুরু করলাম
তখন মাথায়রক্ত উঠে গেছে
আসলে বেশ ভালৈ লাগছে
শুরুতে একটু বাধো বাধো ঠেকছিল, সেভাবটা কখন চলে গেছে টের পাই নি
আমি বললাম, একটু ক্রীম মাখাতে হবে
এই বলেড্রয়ার থেকে ভেসলিনের কৌটাটা বের করে একটু ভেসলিন মেখে নিলাম তালুতে
উর্মি বললো, ওরে বাবা, এসব আবার কি?এবার চোখ বন্ধ করে শুরু করে দিলাম
মিলিফু তখনও হাটু গেড়ে পাশে বসে, আর উর্মি আমার চেয়ারে বসে উবু হয়ে দেখছে
সত্যি বলতে কি হাত মেরে কখনও এত ভালো লাগে নি
আমি মুন্ডুটা আলতো করে স্পর্শ করে যেতে লাগলাম আনা নেয়ার মাঝে
ক্রমশ টের পেলাম মাল বের হয়ে যাবে যাবে অবস্থা
গতি বাড়িয়ে দিলাম, মাল আমাকে ফেলতেই হবে এবার
মিনিট খানেকও করতে হলো না
হড়হড়িয়ে হালকা সাদাটে বীর্য বেরিয়ে পড়লো
মিলিফু চিতকার দিয়ে উঠে দাড়িয়ে বললো, ও মা এগুলো কি? তানিম তুমি বড় হয়ে গেছ আসলে
তারপরের কয়েকদিন একরকম জ্বরের ঘোরে কাটালাম
কিসের স্কুল আর কিসের কি
মাথার মধ্যে উর্মি মিলি ফোরকানের মেয়ে তাহমিনা জট পাকিয়ে গেল
স্কুলেবাসায় রাস্তায় ঘরে দিনে রাতে শুধু ওদেরকে দেখি
আশ্চর্য ব্যপার হল ওদেরসবার মুখগুলো আলাদা কিন্তু শরীরটা কল্পনায় দেখতে একই রকম
সেই মর্জিনার মতদুধ, সেরকম কোমর আর ভোদাটাও হবহু এক
স্কুলের ক্লাসে একদমই মনসংযোগ করতেপারলাম না
অথচ মজার ব্যপার হলো মিলিফু একদম স্বাভাবিক
এমন ভাব যেন কিছুইঘটে নি
আমি ওর সাহচর্য্যের জন্য এত ব্যাকুল আর ও আমাকে কোন পাত্তাই দিলনা
স্কুল থেকে ফিরে আমার রুমে অপেক্ষা করে বসে থাকি, মিলিফু হয়তো রুমেএসে আমার নুনু দেখতে চাইবে
মনে মনে ঘটনা সাজিয়ে রাখি, একটু গাইগুই করেঠিকই দেখতে দেব
অথচ মিলি মাগিটা আমার রুমের ধারে কাছেও আসে না
আম্মা চলেআসে অফিস থেকে
তোমার এত লাভলী ফিগার বিয়ে করনি?
আব্বাও আসে
রাতে টিভি দেখি মিলির কয়েকফুট দুরে বসে সে একবার তাকানোর প্রয়োজনও বোধ করে না
ছোটবেলা থেকে আমি মেয়েদের এইস্বভাবের সাথে ঠেকে ঠেকে শিখেছি
খুব কৌশলে ওরা হেড গেমস খেলে যায়
আরউর্মি সে পুরো সপ্তাহে একবারও আসে নি
মিলির সাথে নিশ্চয়ই কোচিংএ দেখাহয়
আর মিলি দিনে ঘন্টার পর ঘন্টা নিশ্চয়ই ওর সাথেই ফোনে গল্প করে
১২বছরের আমি ভেতরে ভেতরে পুরে ছারখার হয়ে গেলাম
স্কুল পালালাম পর পরদুইদিন
এলোমেলো ঘুরলাম স্কুলের আশে পাশে
একবার ভাবলাম কোচিং সেন্টার এগিয়ে দেখি মিলি আর উর্মি কি করে
রিকশা নিয়ে কোচিং এর সামনে গিয়েনামলাম
অসংখ্য ছেলে মেয়ে
সবাই বড় বড়