content
stringlengths
0
129k
মিলিফু উর্মির কথায় কান দিল না
ও আমার প্যান্টের হুক খুলে প্যান্ট নামিয়ে দিল
তারপর নিজের পায়জামাটা খুলে ভোদাটা ঘষতে লাগলো আমার নুনুর সাথে
মনে হচ্ছিলো বালো ভরা ভোদা, যেটা পরে টের পেয়েছি খেতে গিয়ে
উর্মি আর থাকতে না পেরে বললো , কি করছিস আমাকে দেখতে হবে
তুই কি ওর নুনু ঢুকাবি নাকি?উর্মি খাট থেকে নেমে মোমবাতি জ্বালিয়ে দিল
আমি দেখলাম মিলিফুর ল্যাংটা শরীরটা
ভরাট দুটো দুধ
ফর্সা শরীরে দুধ দুটো বিশালাকৃতির বুদবুদের মত হয়ে ফুটে আছে
উনি আলো দেখে আমার পেটে বসলেন
কালো বালে ভরা ভোদা ওনার
মনে হয় অনেকদিন বাল কাটে না
উর্মি বললো , আমাযন মেয়ে জেগেছে এখন
তানিমের খবর আছে
মিলি বললো, হা হা
তুই তানিমকে চিনিস না
দেখবি সারারাত করেও ঠান্ডা হয় নি
মিচকে শয়তান ও ছোটবেলা থেকেই
মিলিফু বললো , দুধগুলো খেয়ে দাও তানিম এখনও শেষ হয় নি
উনি দুধদুটো আবার মুখে ওপর ঝুলিয়ে ধরে আমার ধোনটা ওনার ভোদায় বাইরে থেকে ঘষে দিতে লাগলেন
আচ্ছা ঠিকাছে এবার নুনু খাও
উর্মিকে যেভাবে খেয়ে দিয়েছ সেভাবে
ও খাটের হেডবোর্ড ধরে আমার ওপরে উঠে বসলো
ভোদাটা আমার মুখের সামনে
লোমশ ভোদাটা আবার একটু ভেজা ভেজা
বালের জঙ্গলে আর অন্ধকারে ভোদার গর্ত খুজে পেতে একটু সময় লাগলো
ভোদার ভেতরটা একটু শুকনো
বিকেলে উর্মির ভোদাটা ছিল আঠালো এবং নোনতা ফ্লুইডে ভরা
আমি জিভ চালিয়ে দিলাম আন্দাজে
উপরে নীচে ডানে বায়ে চলতে থাকলো
এই ভোদাটা অন্যরকম
একেক মেয়ের ভোদা একেক রকম সন্দেহ নেই
কিন্তু এখানে সবকিছু ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মনে হয়
উরমির ভোদাটা কম্প্যাক্ট নাগালের মধ্যেই নানা জিনিশ
সেই পিন্ডটা সহ
আমি তখন অনুমান করে ফেলেছি ঐ পিন্ডটাই খুজতে হবে
আমার জিভের লালায় ভোদাটা ভিজে উঠেছে, হয়তো ভোদার ভেতর থেকে রসও বের হচ্ছে
ভোদার উপর থেকে জিভটা নীচে নামিয়ে আনার চেষ্টা করলাম, যদি ম্যাজিক স্টিক টা খুজে পাই
কিন্তু মিলিফুর ভোদার ভেতরে লম্বা একটা পর্দা টাইপের কিছু ছিল
আলোতে না দেখে ঠিক বলা সম্ভব না
এরকম উল্টো পাল্টা জিভ নাড়ছি, মিলিফু বললো, হু হু ওখানেই, আর নীচে যাওয়ার দরকার নেই
সেই পর্দাটার মাথায় জিভ দিয়ে অনুভব করলাম, একটা কিছু শক্ত হয়ে আছে
অনুমানে ওটাকে নেড়ে যেতে লাগলাম
মিলিফু বললো, আমার পাছা চেপে দে
আমি কথামত দু হাত পাছায় রাখলাম
উর্মি এর মধ্যে মনে হয় বাথরুমে গিয়েছিল
এসে বললো, এখনো শেষ হয় নাই
আর কত লাগবে তোর মিলি
মিলিফু বললো , চুপ কর, তুই এক ঘন্টার বেশী করেছিস
সম্ভবত আমার দাড়িয়ে থাকা নুনুটা উর্মি আপুর চোখে পড়ল
ও বললো, হু তানিমের নুনুটা দেখি এখনও অপেক্ষা করে আছে
উনি কাছে এসে হাতের মুঠোয় নিয়ে নেড়ে দিতে লাগলাম
আমার মনোসংযোগে ঝামেলা বেধে গেল
মিলির নুনু খাব না নিজের নুনুর মজা নেব
মিলিফু এদিকে শীতকার শুরু করেছে
কিন্তু ওনার স্টাইলটা অন্যরকম
উনি খুব সাবধানে নিঃশ্বাস নেয়ার মত করে শব্দ করছেন
আমি টের পাচ্ছি কারন যখনই ম্যাজিকস্টিকে জিভ দেই তখনই শব্দটা ভালোমত শোনা যায়
আমি তখন যেটা জানতাম না তাহলো শুধু ভগাংকুরে না দিয়ে আশে পাশে থেকে জিভ দিয়ে আসলে তাড়াতাড়ি অর্গ্যাজম হয়
আমি অন্ধকারে চেটেপুটে খেয়ে জিভ দিয়ে আন্দাজে ধাক্কা মেরে যেতে লাগলাম
উর্মি বললো , তানিমের নুনুটা খসখসে হয়ে গেছে
সেই যাদুর কৌটাটা নিয়ে আসি
উনি মোমবাতি নিয়ে চলে গেলেন আমার রুমে
মিলিফু বললো , তানিম এখন তাড়াতাড়ি কর
জোরে দে, আমি না বলা পর্যন্ত থামাস নে
আমি এক মুহুর্ত ঢোক গিলে জোরে জোরে দেয়া শুরু করলাম
মিলিফু আর নিঃশব্দ থাকতে পারল না
ও হাফ ছাড়ার মত শব্দ করতে লাগল
জোরে দে আরো জোরে, আমাকে চুদে দে
তাড়াতাড়ি করে, এত আস্তে জিভ নাড়িস কেন?
দ্রুত ওঠানামা কর
মিলিফু হিসহিসয়ে উঠলো
উর্মি তখনো অন্যরুমে, কিছু একটা করছে মনে হয়
উফ উফ, ওফ ওফ এখন এখন
এখনই হবে এখনই উউউ ফফফফফ
এক রাশ গরম জল এসে আমার মুখ ভিজিয়ে দিল
মিলিফু তাড়াতাড়ি ভোদা নামিয়ে আমার বুকে বসে পড়লেন
উনি তখনও হাপাচ্ছেন
আমি মুছে দিচ্ছি, স্যরি চেপে রাখতে পারি নি, ভাত খেয়ে মনে হয় বেশী পানি খেয়েছিলাম
উনি একটা কাপড় দিয়ে আমার মুখ মুছে দিলেন
আমি তখনও জানতাম না ঐ গরম পানি কি ছিল
অনেক পরে বুঝতে পেরেছি মিলিফু অর্গ্যাজমের উত্তেজনায় একটু প্রস্রাব করে দিয়েছিলেন
এটা খুব কমন মেয়েদের ক্ষেত্রে
মিলিফু আমার গায়ের উপরেই উল্টো দিকে মাথা দিয়ে চিত হয়ে শুয়ে পড়লেন
আরো বেশ কিছুক্ষন পর উর্মি এলো
বললো, নাহ সেই ভেসলিনের কৌটা খুজে পেলাম না
আসলে ঐটা আমি সকালেই লুকিয়ে রেখেছি
উনি কিচেন থেকে সরিষার তেলের বোতল নিয়ে এসেছেন
মিলি? তোর করা শেষ, এত তাড়াতাড়ি? এক ঘন্টা তো হয় নি
মিলিফু উঠে বসে বললেন , তোর জন্য কি আর এক ঘন্টা করার সুযোগ আছে
উনি উঠে গিয়ে জামা কাপড় পড়ে বাথরুমে চলে গেলেন
উর্মি বললো , এখন তোমাকে করে দিচ্ছি
এটা হচ্ছে আমার ধন্যবাদ
আমি নিজে করে তোমারটা বের করতে চাই, তোমার সাহায্য দরকার নাই
আমি বললাম, ঠিকাছে
আসলে এত কিছুর পর এখন না করলে আমার ধোন ফেটে যাবে
ওটা অনেক অপেক্ষা করেছে
উর্মি হাতে তেল মেখে উত্থিত ধোনটা নেড়ে দেওয়া শুরু করলো
আমি বললাম , সবচেয়ে ভালো লাগে আপনি যদি উপরে নীচে করে দেন
উপর থেকে একদম নীচে গোড়া পর্যন্ত