content
stringlengths
0
129k
অনেক মেয়েরাই সুন্দর
কিন্তুমিলি আর উর্মি হচ্ছে পরী
ওদের মত কেউ নেই
আধা ঘন্টা ঘুরলাম, দোকান পাটেরফাক ফোকর দিয়ে কোচিং এ আসা যাওয়া করা মেয়েদের দিকে খেয়াল রাখলাম
কোথায় মিলি আর উর্মি কিভাবে বলব
উর্মি বললো, মিলি ওর প্যান্ট টা খুলে ফেল
মিলিফু কাছে আসতে যাচ্ছিল, আমি তখন নিজেই খুলে ফেললাম প্যান্ট
একদম কোন লজ্জা লাগলো না
নুনুটা শক্তহয়ে দাড়িয়ে আছে
অল্প অল্প বালের রেশ গজাচ্ছে তখন মাত্র
ওমা একি অবস্থা
মিলিফু আমার নুনুটা দেখে বললো
ওটার মুন্ডুটা রক্তে লাল হয়ে আছে
অল্পঅল্প রসও বের হচ্ছে
উর্মি বললো, দেখি কাছে আনো, কি হচ্ছে দেখি
উর্মি নুনুটা অনেক ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখল
মুন্ডুটার এক পাশে কাটা দাগেরমত দেখে বললো, এখানে কি কখনো কেটে গিয়েছিল না কি?
আমি বললাম, কি জানি, সবসময়তো এমনই ছিল
হয়তো তোমার মুসলমানির সময় ডাক্তার কেটে ফেলেছে
বাস্তবে সবছেলেদের মুন্ডুটার একপাশে এই জোড়াটা থাকে
উনি বীচি দুটো নেড়েচেড়ে বললেন, এখানে কি? ভেতরে কয়েকটা পাইপ মনে হচ্ছে
মিলি বললো, নাড়িস না শেষে আবার ঐ দিনের মত হড়কে দেবে?
তাই নাকি তানিম চাপলে বের হয়ে যাবে?
আমি বললাম, জানি না
মনে হয় না বের হবে
বের হওয়ার আগে খুব ভালোলাগে, ঐটা আমি টের পাব
উর্মি বললো, এখন কি মর্জিনার মত খেয়ে দিতে হবে? না না দরকার নেই
আমার এমনিতেই ভাল লাগছে
নাড়াচাড়া করলে ভালোলাগে
তাহলে তুমি দুদু গুলো খাও আমি নেড়ে দিচ্ছি
ফুফু কে চোদার গল্প
আমি অনেকক্ষন দুধ খেলাম
উর্মি নুনুটা নেড়ে দিচ্ছিল, কিন্তু ও ঠিক হাতমারার স্টাইলটা জানে না
আমার ভালৈ লাগছিল, কিন্তু মালটাল বের হবে না ওটাবুঝতে পারছিলাম
উর্মি বললো, মিলি তুই নেড়ে দেখ এবার
মিলিফু ফিক করে হেসে বললো, মজারখেলনা তাই না? আসলেই কিউট
মিলিফু উবু হয়ে নুনুটা নাড়াচাড়া করতে লাগলেন
একসময় উপুড় হয়েশুয়ে খুব মন দিয়ে দু হাতে নুনুটা কচলে দিতে লাগলো
আমার এত ভাল লাগছিলো, কোনদিক দিয়ে সময় চলে যাচ্ছিল খেয়াল করি নি
বাইরে বৃষ্টি শেষ হয়েসন্ধ্যা হওয়ার উপক্রম
উর্মি বললো তার সারা গা কামড়ে দিতে
আমার শুধু পরীদুটোর ঠোটে চুমুদিতে মন চাইছিল
কিন্তু সাহস করে বললাম না
ওর নাভিটায় বললো জিভ ঢুকিয়েচুমু দিতে
তাই করলাম
সারা গা কামড়ে লালার গন্ধে ভরিয়ে ফেলেছি এমন
উর্মি বললো, তানিম তুমি আমার নুনু দেখতে চাও?
আমি কামড়াকামড়ি থামিয়ে দিলাম
বললাম, হু
বের করে দেখ তাহলে
হ্যা তুমি করো
উর্মি সালোয়ারের ফিতাটা খুলে দিল
আমি হাত দিয়ে নীচে নামাতেই ওর ছেটে রাখা বালে ভরা ভোদাটা দেখলাম
খুব পরিপাটিকরে রাখা একটা ভোদা
মর্জিনারটার মত কোন কিছু বের হয়ে নেই
যেন দুঠোট চেপেমুচকি হাসছে
উর্মি বললো, হাত দিয়ে ধরে দেখ
খোচা খোচা বালগুলোর ওপরে হাত বুলালাম
সাহস করে ভোদার গর্তটার ওপরে হাতবুলিয়ে নিলাম
গরম হয়ে আছে পুরো জায়গাটা
উর্মি বললো, মুখে দেবা?
আমি বললাম, হ্যা দেব
তাহলে চিত হয়ে শোও
আমি কথামত শুয়ে পড়লাম
মিলিফু তখন খাট থেকে নেমে আমার চেয়ারে গিয়ে বসেছে
ও আমাদের কান্ড দেখছে মনে হয়
উর্মি হাটু গেড়ে তার দুপা আমার শরীরের দুপাশে দিয়ে কাছে এলো
তারপর ভোদাটা আমার মুখের কাছে এনে বললো, খাও
আমি প্রথমে ঠোট ঘষলাম
খোচা খোচা বালগুলো খুবই চোখা
মর্জিনার বালগুলো খুব সফ্ট ছিলো
মর্জিনার বয়স মনে হয় উর্মির চেয়ে কম হবে
জিভটা বের করে বাইরে থেকে ভোদাটা চেটে নিলাম কয়েকবার
উর্মি আরো ঠেসে ধরলো তার ভোদা আমার মুখে
জিভটা গর্ত দিয়ে ভেতরে ঢুকতে টের পেলাম জ্বর হয়ে আছে ভোদার মধ্যে
নোনতা আর আঠালো স্বাদ
বাংলা ফুফুকে চুদার গল্প
আমি উল্টা পাল্টা জিভ নাড়ালাম কিছুক্ষন
নোনতা আঠাগুলো খেয়ে ফেললাম আস্তে আস্তে
হাত দিয়ে আমি উর্মির উরু দুটো ধরে ছিলাম
জিভ নেড়ে কখনও উপরে খাই কখনও নীচে খাই এমন চলছিল
ভোদাটার ভেতরে দলামোচরা করা অনেককিছু টের পাচ্ছিলাম
কিন্তু মর্জিনার ভোদার মধ্যে যে একটা আলজিভের মত নুনু ছিল ওরকম কিছু পেলাম না
উর্মি তখন মাত্র সেই গোঙানী টাইপের শব্দটা করছে
এটার সাথে আমি পরিচিত, মর্জিনাও করেছিল
বেশ কিছুক্ষন চলার পর উর্মি বললো, নীচে করতে হবে না, শুধু ওপরে কর
আমি ভোদার গর্তের ওপরের অংশে মনোযোগ দিলাম
মিলিফু উঠে গেল একসময়
অন্ধকার হয়ে গেছে
কারেন্ট মনে হয় আজকে আর আসবেনা
মিলি ফিরে আসল একটা মোমবাতি নিয়ে
আবার গিয়ে চেয়ারটায় বসলো, এবারবিছানায় পা তুলে, বুকে হাত ভাজ করে
আমি তখনও উর্মির ভোদা খাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি
ঐ বয়সে আমিমেয়েদেরকে মজা দেয়ার নিয়ম জানতাম না
বুঝতাম যে ভোদা খেলে ওরা চরম মজাপায়, খুব সম্ভব আমার মাল বের হওয়ার মতই মজ পায়, কিন্তু ঠিক কোনযন্ত্রপাতি কিভাবে নাড়তে হবে এটা সমন্ধে ধারনা অপরিষ্কার ছিল
উর্মিরভোদার উপরের অংশে জিভ নাড়তে নাড়তে মনে হলো, সেই আলজিভ টাইপের পিন্ডটাখুজে পেয়েছি
ওটাতে জিভ লাগালেই উর্মি শব্দ করে ওঠে
একসাথে দুই মেয়েকে চোদার গল্প
ওটার আশে পাশে জিভখুব নাড়াচাড়া দিতে লাগলাম