content stringlengths 0 129k |
|---|
যশোরের ঝিকরগাছায় ২৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপন করা হচ্ছে ফুল গবেষণা কেন্দ্র |
ফুল চাষের জন্য সরকার বড় পরিসরে গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ হিসেবে 'যশোর জেলার ঝিকরগাছায় ফুল গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন' নামের একটি প্রকল্প হাতে নিচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয় |
২৩০ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করে একটি পূর্ণাঙ্গ ও যুগোপযোগী ফুল গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের করতে যাচ্ছে সরকার |
পরিকল্পনা কমিশনের একাধিক কর্মকর্তা সারাবাংলাকে জানান, প্রকল্পটির অনুমোদন প্রক্রিয়া চলছে |
এর মধ্যেই প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে |
ফুল গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে ২০২৪ সালের মধ্যে দেশে ফুল ও শোভাবর্ধনকারী উদ্ভিদের উৎপাদন ২০ শতাংশ বৃদ্ধি এবং ফুল জাতীয় পণ্য সংগ্রহের পর ১৫ শতাংশ ক্ষতি কমিয়ে আনা যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা |
যশোরের ঝিকরগাছায় ২৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপন করা হচ্ছে ফুল গবেষণা কেন্দ্র |
কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশের আবহাওয়া ও মাটি ফুল চাষের জন্য অত্যন্ত সহায়ক |
বর্তমানে দেশে প্রায় ১২ হাজার হেক্টর জমিতে ফুলের চাষ হচ্ছে |
৫০ হাজার কৃষক ফুল চাষের সঙ্গে সম্পৃক্ত |
প্রায় ১০ লাখ লোকের জীবন-জীবিকা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ফুল বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল |
যশোর জেলার বির্স্তীর্ণ এলাকায় ফুল চাষে দেশের চাহিদার প্রায় ৭০ শতাংশ যোগান দিচ্ছে |
এছাড়া অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদা মিটিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও পরিচিত লাভ করেছে |
ভবিষ্যতে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপেও ফুল রপ্তানির যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে |
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কালের কন্ঠকে জানায়, আমাদের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ১০টি ফুলের ১৯টি জাত উদ্ভাবন করেছে এবং ফুল ও শোভাবর্ধনকারী উদ্ভিদের চাষ পদ্ধতি, ফুল সংগ্রহ প্রযুক্তি, প্যাকেজিং ইত্যাদি সম্পর্কিত ২০টি কলাকৌশল উদ্ভাবন করেছে |
অনলাইন ডেস্কগবেষণা কেন্দ্রঝিকরগাছাফুলফুল গবেষণা কেন্দ্রব্যয়যশোর |
পরের সংবাদ |
খাবার টেবিলে ১২ মাস ফল রাখতে ১৬১ কোটি টাকার প্রকল্প |
এই সংবাদটি না পড়লে মিস করবেন! |
বিলের পানিকে পুঁজি করে হাঁসের খামার, ডিম বিক্রি করে মাসে আয় লক্ষাধিক টাকা |
আপনার জন্য নির্বাচিত সংবাদ |
রজনীগন্ধা চাষের পলিথিন ব্যাবহারে ব্যাপক লাভ |
অর্কিডের যত্ন নিবেন যেভাবে |
জেনে নিন তৈল উৎপাদনকারী সূর্যমুখী চাষের পদ্ধতি |
চাষ করতে পারেন খোঁপায় গোঁজা বেলি ফুল |
জবা ফুল চাষের পদ্ধতি শিখে হয়ে উঠুন লাভবান কৃষক |
আধুনিক পদ্ধতিতে জিনিয়া ফুলের চাষ করে দ্বিগুণ মুনাফা অর্জন করুন |
জেনে নিন কাঠ গোলাপের কাটিং পদ্ধতি |
জেনে নিন চন্দ্রমল্লিকা ফুল চাষে রোগ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি |
বাগান বিলাস ফুল চাষ |
সহজ উপায়ে যেভাবে বেলি ফুল চাষ করবেন |
মন্তব্য করুন |
অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন |
. |
ওষধি উদ্ভিদ কালমেঘ চাষে ব্যাপক আয় |
নিজস্ব প্রতিনিধি |
ওষধি উদ্ভিদ কালমেঘ নিয়ে মোটামুটি সবাই বর্তমানে ওয়াকিবহাল |
বীরুৎ-জাতীয় এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণ প্রচুর পরিমানে থাকায় বর্তমানে আমাদের রাজ্যে কালমেঘ চাষ প্রচুর পরিমানে হচ্ছে |
শারীরিক সমস্যা দূর করতে কালমেঘের ভূমিকা অনস্বীকার্য |
কালমেঘ পাতার রস রক্ত আমাশা দূর করা ছাড়াও, কৃমির সমস্যা রোধ করতেও ভীষণ কার্যকরী |
মূলত বীজ থেকে এই কালমেঘের চাষ হয় |
জন্ডিস, কৃমি, ম্যালেরিয়া, ব্রঙ্কাইটিস, যকৃতের সমস্যার জন্য কালমেঘ খুবই উপকারী |
সর্দি-কাশি ও চামড়ার রোগ দূর করতেও কালমেঘের যথেষ্ট অবদান রয়েছে |
জুন-জুলাই মাসে মূলত এই ফসলের চাষ হয় এবং মার্চ-ফেব্রুয়ারি মাস নাগাদ এর বীজ সংগ্রহ করা হয় |
মাটি ও জলবায়ু: ( ) |
যে কোনও ধরণের জলবায়ুতেই এই গাছের চাষ সম্ভব যেমন, তেমনই বিভিন্ন মাটিতেও এটি বেড়ে উঠতে পারে |
তবে বেলে-দোআঁশ মাটি এই চাষের জন্য আদর্শ। কালমেঘ চাষের আগে জমি ভালো করে কর্ষণ করে নিতে হবে |
১৫ সেন্টিমিটার দূরত্ব রেখে কালমেঘের বীজ বপন করা উচিত |
ঠান্ডা আবহাওয়ায় মূলত কালমেঘের চাষ ভালো হয় |
সার প্রয়োগ ও সেচ ( ) |
প্রথমে মাটি, বালি, জৈব সার মিশিয়ে বীজের জন্য মাটি প্রস্তুত করে নেওয়া উচিত |
বীজ থেকে চারা বেরোলে তা চাষের জমিতে পোঁতা হয় |
কালমেঘের ভালো ফসলের জন্য জমিতে গোবর সার ব্যবহার করেন অনেকে |
মূলত বর্ষাকালে এটি চাষ করা হয় তাই সেচ কার্যের তেমন প্রয়োজনীয়তা পড়ে না। তবে প্রথম প্রথম তিন-চার দিন পর পর প্রয়োজনাসুরে জল দিতে হয় |
এরপর আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী সপ্তাহে সপ্তাহে জলসেচ দেওয়া যেতে পারে। |
পরিচর্যা () |
অন্যান্য চাষের মতন কালমেঘেরও পরিচর্যা করা উচিত |
আগাছা থাকলে তা যত্নের সঙ্গে কেটে দেওয়া উচিত |
মনে রাখতে হবে জমিতে যাতে জল না জমে |
চারা রোপনের তিন মাসের মাথায় ফসল সংগ্রহ করে নেওয়া উচিত |
বাজারে কালমেঘের প্রচুর পরিমানে চাহিদা থাকায়, এই চাষ করে কৃষকরা অধিক উপার্জন সহজেই করতে পারবেন |
পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, অসম, তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশে কালমেঘের চাষ প্রচুর পরিমানে হয় |
কৃষকরা এই ওষধি উদ্ভিদ চাষ করে ভালোই উপার্জন করছেন, তা এই রাজ্যগুলিতে কালমেঘের ব্যাপক চাষই প্রমাণ করে |
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন |
নির্দিষ্ট পুঁজিতে মিশ্র চাষে কৃষকদের ব্যাপক আয়ের সুযোগ |
নিজস্ব প্রতিনিধি |
বর্তমান যুগে খাদ্যসামগ্রীর চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে | অন্যদিকে, চাষযোগ্য জমি এবং জলাশয়ের পরিমান কমছে | তাই এহেন অবস্থায়, মিশ্র চাষ ( ) একমাত্র উপায়| বর্তমান যুগে দাঁড়িয়ে এই মিশ্র চাষ বেশ লাভজনক | মিশ্র চাষ বলতে বোঝায় বিভিন্ন প্রকার প্রাণী ও উদ্ভিদের চাষের মধ্যে সমন্বয়সাধন, যার ফলে একটি প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট অপ্রয়োজনীয় পদার্থ অন্য প্রক্রিয়ায় মূল্যবান উপাদান হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে অপ্রয়োজনীয় পদার্থের চক্রাকার আবর্তন ঘটায় |
--="--3140114751019908′′ ="" ="://2..///."> |
ধরে নেওয়া যাক, কোনো এক কৃষকের জমি এবং পুকুর আছে | সেখানে মাছ চাষ হচ্ছে যেমন তেমনি আছে হাঁসের দল | আবার, পাড়ে চড়ছে দেশি মুরগি | হাঁস-মুরগির মল পুকুরে মাছের খাদ্যের জোগান দিচ্ছে |
আবার ছাগল ও গরু চাষও হচ্ছে সেখানেই এক কোণে |
যার বর্জ্য ব্যবহার হচ্ছে পুকুর পাড়ের সব্জি চাষে সার হিসাবে |
একসঙ্গে একই জায়গায়, এভাবে চাষ করে অনেকটাই খরচ কমানো সম্ভব || সাথে, গ্রামীণ অর্থনীতির ব্যাপক পরিবর্তন ঘটছে | |
--="--3140114751019908′′ ="" ="://2..///."> |
মিশ্র চাষের উদ্দেশ্য ( ): |
এই মিশ্র চাষের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো প্রাকৃতিক পরিবেশে সৃষ্ট কোনো বর্জ্য পদার্থ না, একের বর্জ্য অন্যের প্রয়োজনে ব্যবহার হবে | কোনো কিছুই এখানে বাদ দেওয়া যায়না | এই যে আবর্তন, এটাই হলো এই চাষের মূল উদ্দেশ্য | এই তত্ত্বকেই কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ ও প্রাণির চাষের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা হচ্ছে | এই প্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ, একজনের সৃষ্ট বর্জ্য অন্যজনের সার বা খাবার হিসাবে ব্যাবহৃত হচ্ছে | অনেক চাষ এক জায়গায় হয় বলে এই পদ্ধতিতে জমি কম লাগে |
বহুমুখী উৎপাদন হয় বলে এই পদ্ধতিতে চাষ করে লাভের পরিমান বেশ ভালোভাবেই বাড়ানো যায় | |
--="--3140114751019908′′ ="" ="://2..///."> |
বিভিন্ন প্রকার মিশ্র চাষের উদাহরণ ( ): |
সাধারণত, বিভিন্ন ধরণের সংহত চাষ বা ইন্টিগ্রেটেড ফার্মিং করা যায় | যেমন, গবাদি পশুর সঙ্গে মাছ-সব্জির চাষ করা যেতে পারে, আবার হাঁস-মুরগির সঙ্গে মাছ-সব্জির চাষ করা যেতে পারে, ধান সংলগ্ন জমিতে মাছ-হাঁস চাষ করেন অনেকে, আবার বিভিন্ন প্রাণির (গরু-ছাগল-শুয়োর-হাঁস-মুরগি) সংহত চাষও করা যায় | যেমন, |
মাছ চাষ ও শুয়োর এবং ছাগল পালন: |
একসাথে ছাগল, শুয়োর এবং মাছ চাষ করা যায় | ছাগল ও শুয়োরের মল থেকে উচ্চ মানের সার তৈরি হয় |
মাছের খাবার হিসাবে এটি যেমন কাজে লাগে তেমনই পুকুরে ফেললে উর্বর পাঁক তৈরি হয় |
যা পরে শাক-সব্জির সার হিসাবে ব্যবহার করা যায় |
সরাসরি মলকেও সার হিসাবে দেওয়া যায় সব্জি চাষে |
৩৫-৪০টি দেশীয় ঘুঙরু জাতের শুয়োর বা ছাগল এক হেক্টর জলাশয়ের জন্য যথেষ্ট |
এক্ষেত্রে সবুজ ঘাস বা কন্দ জাতীয় ফসল পুকুর পাড়ে চাষ করলে ছাগল ও শুয়োরের খাবার বাইরে থেকে কিনতে হয় না |
--="--3140114751019908′′ ="" ="://2..///."> |
হাঁস পালন ও মাছ চাষ: |
একসাথে হাঁস ও মাছ চাষ করা বেশ সুবিধাজনক |হাঁসের জন্য জীবাণুমুক্ত পরিবেশ দেয় পুকুরের মাছ |
অন্য দিকে হাঁস পুকুরের অনিষ্টকারী কীটপতঙ্গ ও গুগলি খেয়ে মাছেদের সুবিধা করে |
হাঁস পুকুরে ডুব দিয়ে গুগলি তুলে খাবার সময় যে আলোড়নের সৃষ্টি হয়, তার ফলে তলদেশে জমে থাকা গ্যাস বেরিয়ে যায় |
অনেক সময় মাটিতে আবদ্ধ প্রয়োজনীয় খাদ্যোপাদানের মুক্তি ঘটে |
হাঁসের চলাফেরায় জলে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ে |
হাঁসের মল সরাসরি পুকুরে পড়ে মাছের প্রাকৃতিক খাদ্যকণার উৎপাদন বাড়ায় |
হাঁসের মলে (শুষ্ক ওজনের ভিত্তিতে) নাইট্রোজেন থাকে ২.১৫ শতাংশ, ফসফরাস ১.১৩ শতাংশ এবং পটাশিয়াম ১.১৫ শতাংশ |
ব্যবহারিক দিক থেকে দেখলে হাঁসপালন অনেক বেশি লাভজনক |
কারণ হাঁস ২-৩ বছর পর্যন্ত ডিম পাড়ে |
দেশি হাঁসের ডিম পাড়ার ক্ষমতা বছরে ১২০-১৩০টি |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.