content stringlengths 0 129k |
|---|
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন |
বীজ পরিচর্যা করবেন কিভাবে? |
তানিয়া চৌধুরী |
বীজ পরিচর্যা করবেন কিভাবে |
বীজ এর পরিচর্যা করার সুবিধাসমূহঃ |
মাটি ও বীজজাত জীবাণু ও পোকামাকড় থেকে অঙ্কুরিত বীজ ও চারাগাছ রক্ষা |
বীজের অঙ্কুরোদ্গম করার ক্ষমতা বৃদ্ধি |
দ্রুত এবং সুসংবদ্ধ বৃদ্ধি |
শুঁটি জাতীয় শস্যের দ্রুত শুঁটি বেরোনো |
মাটি ও পাতায় নজর দেওয়ার চেয়ে বীজে বেশি নজর দেওয়া সুবিধাজনক |
খারাপ পরিস্থিতিতেও (অতিরিক্ত বা কম আর্দ্রতায়) শস্যের উৎপাদনে সমতা |
বীজ এর পরিচর্যা করার পদ্ধতি |
বীজ পরিচর্যা এমন একটা শব্দ, যা একই সঙ্গে পণ্য এবং প্রক্রিয়া দুই-ই বোঝায় |
নীচে বর্ণিত যে কোনও একটি পদ্ধতিতে বীজ পরিচর্যা করা যেতে পারে |
বীজ ড্রেসিং |
এটা বীজ পরিচর্যার সবচেয়ে চালু পদ্ধতি |
বীজকে শুকনো বা তরল মিশ্রণে অথবা থকথকে কাদার মধ্যে রাখা হয় |
বীজের সঙ্গে কীটনাশক মেশানোর জন্য সস্তা মাটির পাত্র ব্যবহার করা যায় |
পলিথিন চাদরের উপর বীজ ছড়িয়ে তার উপর উপযুক্ত পরিমাণে কেমিক্যাল ছিটিয়ে দেওয়া যেতে পারে |
চাষিরা যান্ত্রিক পদ্ধতিতেও এই কাজ করতে পারেন |
খামার এবং শিল্পক্ষেত্র, দু'জায়গাতেই বীজ ড্রেসিং করা হয়ে থাকে |
বীজ পরিচর্যা করবেন কিভাবে |
বীজ আচ্ছাদন |
বীজের ক্ষমতা বাড়াতে একটি বিশেষ দ্রব্য দিয়ে তাকে আচ্ছাদিত করে রাখা হয় |
এই আচ্ছাদনের জন্য উন্নত বীজ পরিচর্যা প্রযুক্তির প্রয়োজন |
এই পদ্ধতি সাধারণত শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় |
বীজের বড়ি দেওয়া |
এটা সবচেয়ে উন্নত বীজ পরিচর্যা পদ্ধতি |
এতে বীজের আকার পাল্টে যায়, স্বাদ বাড়ে এবং বীজ ব্যবহার করাও সুবিধাজনক হয় |
এর জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি দরকার এবং এটা অত্যন্ত ব্যয়সাপেক্ষ পদ্ধতি |
বীজ পরিচর্যা করবেন কিভাবে |
বীজ এর পরিচর্যা করার পরামর্শ সমূহঃ |
বীজ পরিচর্যা |
শিকড়ে পচন, ধসা রোগ |
কার্বেন্ডাজিম(০.১%) |
২ গ্রাম প্রতি কিলো বীজে |
ট্রাইকোডার্মা এসপিপি |
৪-৬ গ্রাম প্রতি কিলো বীজে |
শিকড়ে পচন |
ট্রাইকোডার্মা ৫-১০ গ্রাম প্রতি কিলো বীজে (রোপণের আগে) |
অন্যান্য পোকামাকড় |
ক্লোরোপাইরিফস ৫-১০ গ্রাম প্রতি কিলো বীজে |
ব্যাকটেরিয়া আক্রমণে শুকিয়ে যাওয়া |
সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স ০.৫% ডবলিউ পি ১০ গ্রাম, প্রতি কিলো বীজে |
শিকড়ের গ্রন্থিতে নেমাটোড |
০.২% মোনোক্রোটোফসে ৬ ঘণ্টা বীজ ভিজিয়ে রাখুন |
অগ্রভাগে রোগ নেমাটোড |
০.২% মোনোক্রোটোফসে বীজ ভিজিয়ে রাখুন |
স্যাঁতস্যাতে হয়ে যাওয়া, অ্যানথ্রাকনোস এসপিপি |
প্রতি কিলো বীজে ৪ গ্রাম ট্রাইকোডার্মা ভিরিডে, প্রতি ১০০ গ্রাম বীজে ১ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম |
মাটিবাহিত ছত্রাকজাতীয় সংক্রমণ |
প্রতি কিলো বীজে ২ গ্রাম ট্রাইকোডার্মা ভিরিডে এবং সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স ১০ গ্রাম, প্রতি কিলো বীজে, কাপ্তান ৭৫ ডব্লিউ এস, এক লিটার জলে দেড় থেকে আড়াই গ্রাম এআই মিশিয়ে মাটি ভেজানো |
জাসিদ, আফিদ, থ্রিপস |
ইমিডাক্লোপ্রিড ৭০ ডব্লিউএস, প্রতি কিলো বীজে ১০-১৫ গ্রাম এআই |
ধসা, শিকড়ে পচন, শুকিয়ে যাওয়া |
প্রতি কিলো বীজে ৪ গ্রাম ট্রাইকোডার্মা এসপিপি |
শিকড়ে পচন |
ব্যাসিলাস সাবটিলিস বা সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স দিয়ে বীজের পরিচর্যা, |
১০০ গ্রাম এফওয়াইএম-এ আড়াই থেকে ৫ গ্রাম মাটিতে প্রয়োগ অথবা প্রতি কিলো বীজে ২ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম বা কাপ্তান প্রয়োগ |
প্রতি কিলো বীজে ২ গ্রাম থিরাম+কার্বেন্ডাজিম |
প্রতি কিলো বীজে ২ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম বা কাপ্তান |
শিকড়ের গ্রন্থিতে রোগ |
বীজ ড্রেসার হিসেবে প্রতি কিলো বীজে ১০ গ্রাম প্যাসিলোমিসেস লিলাসিনাস এবং সিউডোমিনাস ফ্লুরোসেন্স |
মাটি বাহিত ছত্রাক জাতীয় রোগ বা স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে যাওয়া, ধসা রোগ, শুকিয়ে যাওয়া |
১০০ গ্রাম বীজে ২ গ্রাম টি ভিরিডে, কাপ্তান ৭৫ ডব্লিউএস প্রতি লিটার জলে দেড় থেকে ২ গ্রাম এআই মিশিয়ে মাটি ভেজানো, |
বীজ ড্রেসার হিসেবে প্রতি কিলো বীজে ১০ গ্রাম সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স এবং ভি ক্ল্যামিডোস্পোরিয়াম |
প্রতি কিলো বীজে ৪ গ্রাম টি ভিরিডে |
ব্যাকটেরিয়াজনিত ধসা |
প্রতি কিলো বীজে ১০ গ্রাম সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স |
শুঁটিজাতীয় শস্য |
মাটি বাহিত সংক্রমণ |
১০০ গ্রাম বীজে ২ গ্রাম ট্রাইকোডার্মা ভিরিডে |
কাবোর্ফুরান অথবা কার্বোসালফান ৩%(ডব্লিউ/ডব্লিউ) |
প্রতি কিলো বীজে ৬ গ্রাম ট্রাইকোডার্মা ভিরিডে |
জাসিডস, হোয়াইট ফ্লাই |
প্রতি কিলো বীজে ৫-৯ গ্রাম এআই মিডাক্লোরোপিড ৪৮ এফএস, |
প্রতি কিলো বীজে ৭ গ্রাম এআই ইমিডাক্লোরোপিড ৭০ ডব্লিউএস |
রোপণের আগে প্রতি কিলো বীজে ৪ এমএল ক্লোরোপাইরিফস বা ৭ এমএল এনডোসালফান দিয়ে পরিচর্যা করতে হবে |
শিষে কালো হয়ে যাওয়া |
থিরাম ৭৫ % ডব্লিউপি, |
কার্বক্সিন ৭৫ % ডব্লিউপি, |
টেবুকোনাজল ২ ডিএস প্রতি কিলো বীজে ১.৫ থকে ১.৮৭ গ্রাম এআই, |
প্রতি কিলো বীজে ৪ গ্রাম টি ভিরিডে ১.১৫ % ডব্লিউপি |
মাটি বা বীজ বাহিত রোগ (স্যাঁতস্যাতে হয়ে যাওয়া) |
১০০ গ্রাম বীজে ২ গ্রাম টি ভিরিডে দিয়ে বীজ পরিচর্যা, |
১ লিটার জলে দেড় থেকে আড়াই গ্রাম এআই কাপ্তান ৭৫% ডব্লিউএস দিয়ে মাটি ভেজানো |
শিকড়ের গ্রন্থিতে রোগ(নেমাটোড) |
বীজ ড্রেসার হিসেবে প্রতি কিলো বীজে ১০ গ্রাম সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স বা ভার্লিসিলিআম ক্ল্যামিডোস্পোরিয়াম |
ধসা রোগ ও স্যাঁতস্যাতে হয়ে যাওয়া |
প্রতি কিলো বীজে ৯ গ্রাম টি ভিরিডে ১% ডব্লিউপি দিয়ে বীজ পরিচর্যা, |
কার্বেন্ডাজিম ও কাবোর্সালফিন ২% মিশিয়ে বা |
কার্বেন্ডাজিম, থিরাম ও কাবোর্সালফিন ২ % মিশ্রণ প্রয়োগ, |
প্রতি কিলো বীজে ১৫-৩০ এমএল এআই ক্লোরোফাইরোফস ২০ ইসি দিয়ে বীজ পরিচর্যা |
মাটি ও স্ফীতমূল বাহিত রোগ |
এমইএমসি ৩% ডব্লিউএস ০.২৫ % বা বোরিক অ্যাসিড ৩ % দিয়ে সংরক্ষণ করার ২০ মিনিট আগে পরিচর্যা |
কালো হয়ে যাওয়া, উই |
প্রতি কিলো বীজে ১.৫ থকে ১.৮৭ গ্রাম এআই, কার্বক্সিন ৭৫% ডব্লিউপি, থিরাম ৭৫% ডব্লিউপি প্রয়োগ, |
প্রতি কিলো বীজে ৪ এমএল ক্লোরোফাইফস দিয়ে বীজ পরিচর্যা |
ক্যাপসিকাম |
শিকড়ের গ্রন্থিতে নেমাটোড |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.