content
stringlengths
0
129k
ব্যবসা-বাণিজ্য
লাইফস্টাইল
জ্যোতিষকাহন
ব্যবসা-বাণিজ্য
দক্ষিণবঙ্গ
চাকরি ও শিক্ষা
পাঁচমিশালি
#
দক্ষিণবঙ্গ
চাকরি ও শিক্ষা
পাঁচমিশালি
#
আপনার জেলা চয়ন করুন
মুর্শিদাবাদ
উত্তর ২৪ পরগণা
জলপাইগুড়ি
পশ্চিম বর্ধমান
পশ্চিম মেদিনীপুর
পূর্ব বর্ধমান
পূর্ব মেদিনীপুর
" " " : হিট খবর! -এ অ্যাকাউন্ট থাকলে সরাসরি ২ লক্ষ টাকার বড় সুযোগ পাবেন গ্রাহকেরা
: হিট খবর! -এ অ্যাকাউন্ট থাকলে সরাসরি ২ লক্ষ টাকার বড় সুযোগ পাবেন গ্রাহকেরা
|| | : দেশের বড় ব্যাঙ্কের বিশাল সুবিধা শুধুমাত্র গ্রাহকদের জন্য
|
18
| 08, 2021, 00:38
দেশের সব থেকে বড় ব্যাঙ্কের বিরাট সুবিধা ( ) । স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াতে অ্যাকাউন্ট থাকলেই পাওয়া যাবে । প্রতীকী ছবি ।
স্টেট ব্যাঙ্কের ( ) পক্ষ থেকে গ্রাহকদের বিনামূল্যে ২ লক্ষ টাকার সুবিধা দিচ্ছে । তবে এই সুবিধা তাঁরাই পাবেন যাঁদের জনধন অ্যাকাউন্ট রয়েছে । প্রতীকী ছবি ।
২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী জনধন অ্যাকাউন্ট এই প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল ( ) । আর্থিক ভাবে যে সমস্ত মানুষেরা দুর্বল তাঁরা সেভিংস (), ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট ( ), ক্রেডিট (), বিমা (), পেনশন () পর্যন্ত যাতে নিশ্চিত পেতে পারেন তা সুনিশ্চিত করতেই উদ্যোগ নিয়েছে । প্রতীকী ছবি ।
স্টেট ব্যাঙ্কে যাঁদের জনধন অ্যাকাউন্ট ( ) আছে তাঁরা রুপে কার্ডের ( ) সুবিধা দেওয়া হয় । এই কার্ডের মাধ্যমে ২ লক্ষ টাকা দুর্ঘটনার বিমা সুবিধা দেওয়া হয়ে থাকে । প্রতীকী ছবি ।
রুপে কার্ডের মাধ্যমে টাকা তুলতে পারেন । বেসিক সেভিংস অ্যাকাউন্টকে ( ) জনধন অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত করতে পারেন । ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে গ্রাহকদের দেওয়া হয় । প্রতীকী ছবি ।
২৮ অগাস্ট ২০১৮ আগে পর্যন্ত যাঁরা জনধন অ্যাকাউন্ট করেছিলেন তাঁরা দুর্ঘটনার বিমা হিসাবে এক লক্ষ টাকার সুবিধা পেতেন কিন্তু ২৮ অগাস্ট ২০১৮-এর পরে যাঁরা জনধন অ্যাকাউন্ট ( ) করেছেন দুর্ঘটনার জন্য ২ লক্ষ টাকা করে বিশেষ সুবিধা পাবেন । প্রতীকী ছবি ।
স্টেট ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে দেশের বাইরে অর্থাৎ ভারতের বাইরে এই দুর্ঘটনা হলেও তার সুবিধা পাবেন গ্রাহকেরা । বিমার টাকা বীমা ধারকের নমিনি পাবেন । প্রতীকী ছবি ।
নতুন জনধন অ্যাকাউন্ট ( ) খুলতে গেলে নিকটবর্তী ব্যাঙ্কে আবেদনপত্র পূরণ করেই । নিজের সম্বন্ধে সমস্ত তথ্য জমা দিয়েই করতে পারবেন এই অ্যাকাউন্ট । প্রতীকী ছবি ।
"রোমান সৈন্যবাহিনী" (ল্যাটিন: ; শব্দের অর্থ "বাছাইকৃত সৈন্য") হল প্রাচীন রোম সেনাবাহিনীর একটি সুবিন্যস্ত সৈন্য বিভাগ
পরিচ্ছেদসমূহ
১ "লিজিওন" নামের ইতিহাস
২ কার্যকলাপ এবং সংগঠন
৩ স্থায়িত্বকাল
৪ বাহিনীর সংগঠন ও সামরিক শক্তির সংক্ষিপ্ত আলোচনা
৭.১ রোমান রাজাগণ (আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০ সাল পর্যন্ত)
৭.২ রোমান প্রজাতন্ত্র (খ্রিস্টপূর্ব ৫০৯ - খ্রিস্টপূর্ব ১০৭)
৭.৩ প্রজাতন্ত্রের শেষভাগ (খ্রিস্টপূর্ব ১০৭ - খ্রিস্টপূর্ব ৩০)
৭.৪ রোম সাম্রাজ্যের প্রাথমিক পর্যায় (খ্রিস্টপূর্ব ২৭-খ্রিস্টাব্দ ২৮৪)
৭.৫ সাম্রাজ্যের শেষভাগ (২৮৪ খ্রিস্টাব্দ হতে)
৮ লিজিওনারিগণের পদমর্যাদাসমূহ
৮.১ উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ
৮.২ সেঞ্চুরিয়নগণ
৮.৩ নিম্নস্থ পদসমূহ
৮.৪ বিশেষ দায়িত্বের পদসমূহ
১০ চিহ্নসমূহ
১১ শৃঙ্খলা
১১.১ লঘু শাস্তিসমূহ
১১.২ গুরুতর শাস্তিসমূহ
১২ লিজিওন বাহিনীর সাফল্যের কারণ
১৩ তথ্যসূত্র
১৩.১ সূত্রতালিকা
১৩.২ গ্রন্থতালিকা
১৪ বহিঃসংযোগ
"লিজিওন" নামের ইতিহাস[সম্পাদনা]
ধারণা করা হয় রোম সাম্রাজ্যের গোড়ার দিকে এর পূর্ণ সেনাবাহিনীর নাম ছিল লিজিওন (), তবে ঐ যুগের তথ্যের উৎসসমূহ অত্যন্ত স্বল্পসংখ্যক ও অনির্ভরযোগ্য
[১] ভিন্ন ভিন্ন সময়ের লিজিওনসমূহের আকার আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকলেও সাধারণতঃ প্রতি লিজিওনে ৫,০০০ সৈন্য থাকত
রোমান প্রজাতন্ত্রে যুগে প্রতিটি লিজিওন তিন সারিতে বিভক্ত থাকত এবং প্রতিটি সারি ১০টি ম্যানিপ্‌ল ()-এর সমন্বয়ে গঠিত ছিল
রোমান প্রজাতন্ত্রের ইতিহাসের শেষভাগে এবং রোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাসের অনেকাংশজুড়ে (খ্রিষ্টপূর্ব ১০০ সাল থেকে) প্রতিটি লিজিওন ১০টি কোহর্ট ()-এ বিভক্ত ছিল এবং প্রতিটি কোহর্ট ৬টি (কিংবা ৫টি) সেঞ্চুরি ()-তে বিভক্ত ছিল
আবার প্রতিটি লিজিওনের সাথে থাকত অশ্বারোহী সেনাদের একটি ছোট দল
৩য় শতাব্দী খ্রিষ্টাব্দে লিজিওনসমূহের আকার হ্রাস পেয়ে দাঁড়ায় ১০০০ থেকে ১৫০০ জন সৈন্যে, এবং সেনাবাহিনীতে লিজিওনের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়
৪র্থ শতাব্দী খ্রিষ্টাব্দে পূর্ব রোমান সাম্রাজ্যের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীতে (লিমিটানেই) লিজিওনের আকার আরো ছোট হয়ে যায়
রোমান প্রজাতন্ত্র যুগের লিজিওন বাহিনীর গঠনপ্রণালী সম্ভবত প্রাচীন গ্রীক ও ম্যাসিডোনিয়া সাম্রাজ্যের ফ্যালাংক্স () নামক ঘন সন্নিবিশিষ্ট সৈন্যদের প্রতিরক্ষাব্যূহের গঠন দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল
কার্যকলাপ এবং সংগঠন[সম্পাদনা]
রোমান সাম্রাজ্যের যুগে রোমান সেনাবাহিনীর অভিজাত ভারি পদাতিক বিভাগ ছিল লিজিওন বাহিনী, এ বাহিনীতে শুধুমাত্র রোমান নাগরিকদেরকেই নিযুক্ত করা হত
সেনাবাহিনীর অবশিষ্ট অংশ ছিল সহকারী যোদ্ধাগণ (), যারা অতিরিক্ত পদাতিক সেনা ও রোমান বাহিনীর অশ্বারোহী বিভাগ গড়ে তুলত
(প্রাদেশিক অঞ্চলসমূহের বাসিন্দারা রোমান নাগরিক হতে ইচ্ছুক হলে তাদেরকে রোমান সহযোগী বাহিনী থেকে "সম্মানজনক অব্যাহতি" নিতে হত)
রোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাসে অধিকাংশ সময়ে বাহিনীর সিংহভাগ যোদ্ধা ছিল এসমস্ত সহকারী বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত, লিজিওন বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত নয়
স্থায়িত্বকাল[সম্পাদনা]
খ্রিস্টপূর্ব ৪০ সালের পূর্বে যেসকল লিজিওন গড়ে তোলা হয়েছিল তা অন্তত ৫ম শতাব্দী খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ ছিল, বিশেষ করে খ্রিস্টপূর্ব ৪০ সালে সম্রাট অগাস্টাস কর্তৃক গঠিত ৫ম লিজিও ম্যাসিডোনিয়া ( ), এই লিজিওনটি ৭ম শতাব্দীতে ইসলামী অভিযানের পূর্ব পর্যন্ত মিসরে নিযুক্ত ছিল
বাহিনীর সংগঠন ও সামরিক শক্তির সংক্ষিপ্ত আলোচনা[সম্পাদনা]
রোমান বাহিনীর লিজিওনারিগণের ঘন প্রতিরক্ষাব্যূহ, গ্ল্যানাম নগরীতে প্রাপ্ত একটি খোদাইকৃত চিত্র; গ্ল্যানাম ছিল রোমের একটি প্রাচীন শহর যার অবস্থান ছিল বর্তমান ফ্রান্সের দক্ষিণাংশে, এর স্থায়িত্বকাল ছিল খ্রিস্টপূর্ব ২৭ সাল থেকে খ্রিষ্টাব্দ ২৬০ সাল পর্যন্ত (যখন অ্যালেমানি বাহিনীর আক্রমণে এ নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়)
খ্রিস্টপূর্ব ১০৭ সালে রোমান সেনাপতি ম্যারিয়ান কর্তৃক সংস্কারের পূর্ব পর্যন্ত লিজিওনসমূহ রোমান সেনাবাহিনীর স্থায়ী বিভাগ ছিল না, বরং বিভিন্ন যুদ্ধের সময় তাদের সংগঠিত করা হত এবং যুদ্ধ শেষে আবার এ বাহিনীগুলো ভেঙে দেয়া হত
রোমানদের ইতিহাসে এরূপ কয়েক শত লিজিওনের নাম ও সংখ্যা উল্লিখিত হয়েছে
বর্তমানে প্রায় ৫০ টি লিজিওনের নাম চিহ্নিত করা গেছে
রোম প্রজাতন্ত্রের যুগে লিজিওনসমূহ গঠিত হত এর নাগরিকদের সমন্বয়ে, যারা নিজ নিজ অস্ত্রশস্ত্রের ব্যয়ভার বহন করে থাকত
একারণে রোমান বাহিনীর গঠনপ্রণালী এর সামাজিক অবস্থাকে প্রতিফলিত করত, এবং যেকোন সময়ে চারটি কনস্যুলার লিজিওন বিদ্যমান থাকত, যার নেতৃত্ব দিতেন দু'জন ক্ষমতাসীন কনস্যাল (রোমান নাগরিক সভা বা সিনেট-এর প্রধান সদস্যদেরকে কনস্যাল বলা হত, যাঁদের ওপর পালাক্রমে শাসনভার অর্পিত হত)
যুদ্ধের প্রাক্কালে প্রয়োজন অনুসারে অতিরিক্ত লিজিওন গঠিত হত
রোমান বাহিনীতে যোগ দেয়ার জন্যে অবশ্যই রোমান নাগরিক হতে হত এবং রোম নগরীতে ভূমির স্বত্বাধিকারী হওয়াও আবশ্যক ছিল
এসব নিয়মের কারণে খ্রিষ্টপূর্ব ২য় শতাব্দীতে রোমের লিজিওন গঠন করার জন্যে লোকবলের অভাব দেখা দেয়
এসময় কনস্যাল গাইয়াস মারিয়াস রোমান বাহিনীতে যোগদানের নিয়মাবলী শিথিল করে দেন, ঘোষণা দেয়া হয় যে, যেকোন রোমান নাগরিক রোমান বাহিনীতে নিযুক্ত হতে পারবে, তাদের ধনসম্পত্তি বা সামাজিক শ্রেণী যাই হোক না কেন
তদুপরি সেনাদের অস্ত্রশস্ত্র ও সেনাবাহিনীতে চাকরির জন্যে পুরস্কারও দেয়া হবে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে
এর ফলে রোমান বাহিনী পরিণত হয় একটি স্থায়ী, পেশাদার ও স্বেচ্ছায় নিযুক্ত হওয়া সৈন্যদের দ্বারা গঠিত একটি বাহিনীতে; যার সদস্য শুধু রোমান নাগরিকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না বরং অনাগরিকেরাও সহযোগী বাহিনীতে () নিযুক্ত হতে পারত
এমনকি অনাগরিকেরা সেনাবাহিনীতে নির্দিষ্ট বছর চাকরির জন্য তাদেরকে পুরস্কারস্বরূপ রোমের নাগরিকত্ব প্রদান করা হত এবং রোমান নাগরিকদের ন্যায় তারা পূর্ণ সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্ত হত
সম্রাট অগাস্টাসের শাসনের শুরুতে এরূপ ৫০টি লিজিওন বিদ্যমান ছিল, পরবর্তীতে তা কমিয়ে ২৫-৩৫টি লিজিওনে নিয়ে আসা হয়
এই লিজিওন সংখ্যা রোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাস জুড়ে অক্ষুণ্ণ ছিল
বিবর্তন[সম্পাদনা]
রোমান প্রজাতন্ত্রে লিজিওনের সৈন্যসংখ্যা ছিল ৩,০০০ জন, রোমান সাম্রাজ্যের যুগে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫,২০০ জন সৈন্যে, যার একেকটি মৌলিক বিভাগগুলোকে বলা হত সেঞ্চুরি (প্রতিটি সেঞ্চুরিতে ১০০ জন সেনা অন্তর্ভুক্ত ছিল)
খ্রিষ্টাব্দ ১ম শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত প্রতিটি রোমান লিজিওন বিভক্ত ছিল ১০টি কোহর্ট-এ
প্রতিটি কোহর্টে ছিল মোট ৫০০ জন সেনা (৫টি সেঞ্চুরি)
পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে এ নিয়ম পরিবর্তন করে লিজিওনপ্রতি ৯টি কোহর্ট, কোহর্টপ্রতি ৬টি সেঞ্চুরি এবং সেঞ্চুরিপ্রতি ৮০ জন সৈন্য- এ নিয়মের প্রচলন করা হয়, তাছাড়ে প্রতি লিজিওনের প্রথম কোহর্টটি ছিল আকারে দ্বিগুণ (৫টি দ্বিগুণ আকারের সেঞ্চুরি, প্রতিটিতে ১৬০ জন সৈন্য করে)
খ্রিষ্টাব্দ ৪র্থ শতাব্দীর লিজিওনসমূহ আকারে বেশ ছোট ছিল, প্রতিটিতে মাত্র ১,০০০ থেকে ১,৫০০ জন সৈন্য থাকত, অবশ্য মোট লিজিওনের সংখ্যা অধিক ছিল
এর কারণ হল বিশালাকৃতির ১০,০০০ সৈন্য সংবলিত লিজিওনসমূহ এবং সহকারী বাহিনীগুলো ভেঙে ছোট ছোট দলে বিভক্ত করায় তাদেরকে বিস্তৃত ভূখণ্ডের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দেয়া যেত
খ্রিষ্টাব্দ ৪র্থ শতাব্দীতে পূর্ব রোমান সাম্রাজ্যের সীমান্তরক্ষী বাহিনী লিমিটানেই-এর লিজিওনসমূহ ছিল আরো ছোট ভাগে বিভক্ত