content stringlengths 0 129k |
|---|
শান্ত কৈরী জুন 26, 2012 9:29 পূর্বাহ্ন - |
@ফরিদ আহমেদ, আমাদের দেশে একজন মানুষের ধর্মীয় পরিচয় কী, সেটা কোথাও জিজ্ঞেস করতে পারবে না এই অবস্থা হতে অনেক সময় লাগবে |
ধর্মের কথা জিজ্ঞেস করা যাবে না, এমন হলে আমার চেয়ে খুশি কে বা হবে? 😉 😉 😉 😉 |
আকাশ মালিক জুন 26, 2012 5:10 পূর্বাহ্ন - |
@শান্ত কৈরী, |
ধর্মের জায়গায় মানবতা লেখার জন্য আইনী অধিকার আদায়ের চেষ্টা অবশ্যই করা উচিত |
ধর্মের জায়গা নাই করার চেষ্টা করা যায়না? তখন তো সব ঝামেলা চুকে যায় |
প্রথম লেখাটা ভাল হয়েছে () আর মুক্তমনায় স্বাগতম |
শান্ত কৈরী জুন 26, 2012 9:31 পূর্বাহ্ন - |
@আকাশ মালিক, বাংলাদেশ এখনো ছাগবান্ধব আর তাদের জন্য আদর্শ জায়গা |
ধর্মের জায়গা নাই করাটা সময়ের ব্যাপার হলেও নাই করারই পক্ষপাতি |
জবাব বাতিল |
অনুসন্ধান করুন |
: |
নতুন ব্লগ লিখুন |
সাম্প্রতিক মন্তব্য |
নারীই বন্ধ প্রকাশনায় |
মিসিং লিংক কি সত্যিই মিসিং? প্রকাশনায় অনিন্দ্য পাল |
অশ্লীল ভিডিওটি দেখলে কেন? প্রকাশনায় বিধান |
নারীই বন্ধ প্রকাশনায় বিধান |
বিষণ্ণতায় আমি, এবং কারণ খুঁজে দেখার চেষ্টা প্রকাশনায় |
বিষয় অনুযায়ী লেখা |
বিষয় অনুযায়ী লেখা একটি বিভাগ পছন্দ করুন অতিমারী (4) অনন্ত বিজয় (24) অনুবাদ (94) অভিজিৎ বিজ্ঞান (12) অভিজিৎ বিতর্ক (10) অভিজিৎ সাহিত্য (4) ই-বই (150) আমার চোখে একাত্তর (22) দ্য গ্রান্ড ডিজাইন (9) ভালবাসা কারে কয়? (67) ইতিহাস (356) উদযাপন (143) ডারউইন দিবস (78) ওয়াশিকুর বাবু (7) কবিতা (481) আবৃত্তি (79) ছড়া (25) খে... |
বিদ্রোহ না-করলেও অন্তত গলা তুলে প্রতিবাদ টুকু করেছিলেন আমার এক বন্ধু |
দুঁদে আইনজীবী বলে যাঁর নামডাক আছে |
পুরীতে গিয়ে আমার ওই বন্ধু উঠেছেন চক্রতীর্থ রোডের একটি বিলাসবহুল হোটেলে |
রেস্তোরাঁয় বুফে ব্রেকফাস্টের বন্দোবস্ত |
প্রাতরাশের দাম হোটেলের ঘরভাড়ার মধ্যেই ধরা |
কিন্তু প্লেট নিয়ে খাবার তুলতে গিয়ে শুভজিৎ রায়ের চোখমুখ কুঁচকে গেল |
তিনি দেখলেন থরে থরে সাজানো খাবারের মধ্যে ইডলি, দোসা, বড়া, উপমা এই সব |
এক দানাও খাবার না-নিয়ে যথাস্থানে প্লেট রেখে প্রথমে রেস্তোরাঁ-ম্যানেজার, তার পর শেফকে ডেকে পাঠালেন আমার উকিল-বন্ধু |
ওই দু'জন সামনে আসার পর তিনি রেস্তোরাঁয় বসে ব্রেকফাস্ট করতে থাকা অন্য অতিথিদের দিকে দেখিয়ে সবাইকে শুনিয়ে বললেন, 'এখানে যাঁরা খাচ্ছেন, তাঁদের প্রায় সবাই বাঙালি |
তা হলে বুফেতে শুধুই এই সব দক্ষিণ ভারতীয় খাবার কেন? আমি এই সব রাখতে বারণ করছি না |
কিন্তু আপনাদের হোটেলের অধিকাংশ অতিথি যেখানে বাঙালি, সেখানে লুচি-তরকারি-বেগুন ভাজা বা লুচি-আলুর দম-বেগুন ভাজা কেন থাকবে না? আর এটা পুরী - কেরালা বা তামিলনাড়ুর কোনও জায়গা তো নয় |
আবার এমনও নয় যে, আপনারা কোনও লোকাল ক্যুইজিন মানে দু'-একটা ওড়িয়া ডিশ রেখেছেন! তা হলে?' |
কেটে কেটে, মেজাজ নিয়ে বলা ওই সব কথার সামনে কাচুমাচু হয়ে শেফ অস্ফুটে বললেন, 'আমাদের এই রকম খাবারই করতে বলা আছে |
' শুভজিৎ তখন বললেন, 'বেশ |
তবে আমি এই সব খাবার ছোঁব না |
আপনারা আমার জন্য লুচি-তরকারি করে আনুন, নিজেরা বানাতে না-পারলে বাইরের কোনও দোকান থেকে কিনে আনুন |
আমি অপেক্ষা করছি |
' হুলস্থূল পড়ে গেল ওই হোটেলে |
তবে শুভজিতের মতো বাঙালি নিছকই ব্যতিক্রম |
এবং এই রকম ভোজনরসিক ও ভোজনবিলাসী বাঙালির সংখ্যা ক্রমহ্রাসমান |
কারণ, শুভজিৎ যখন হাঁকডাক করে ওই সব কথা বলছিলেন, সেই সময়ে ওই হোটেলের রেস্তোরাঁয় ইডলি-দোসা-বড়া-উপমা পরমানন্দে গলাধঃকরণ করা কোনও বাঙালি মৃদু স্বরে ন্যূনতম সায় পর্যন্ত দেননি |
আমার উকিল-বন্ধুর ওই আচরণ কিন্তু প্রাদেশিকতার পরিচায়ক নয় |
বরং, যেখানে-সেখানে দক্ষিণ ভারতীয় ও উত্তর ভারতীয় খাবারের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তাঁর ওই প্রতিবাদ |
স্থান-কাল-পাত্র যেমন রয়েছে, তেমনই স্থান-কাল-খাদ্যও খুব গুরুত্বপূর্ণ |
মানে, কোথায় গিয়ে, কোন সময়ে, কী খাচ্ছি, কী খাওয়াটা শোভন |
এখন মুশকিল যেটা, গড়পরতা বাঙালির সেই স্থান-কাল-খাদ্য ঘেঁটে গিয়েছে |
এবং বাঙালি ছাইপাশ খেয়ে যায় কী অদ্ভুত সোনামুখ করে |
তখন বাঙালি অস্মিতা, শ্লাঘা, জাত্যভিমান কোথায় তোলা থাকে, কে জানে? পুরী তথা জগন্নাথধাম বা শ্রীক্ষেত্র হলো বাংলার পরেই আম বাঙালির সব চেয়ে প্রিয় জায়গা |
তা হলে সেখানে কেবলই দক্ষিণ ভারতীয় খাবার কেন থাকবে বড় হোটেলের বুফে ব্রেকফাস্ট স্প্রেডে? এই প্রশ্ন তুলেই তীব্র আপত্তি ছিল নামজাদা উকিলের |
যা যথার্থ, যুক্তিসঙ্গত এবং অবশ্যই তাঁর সুরুচির প্রতিফলন |
ছবি: থেকে নেওয়া |
বাঙালি খাবার মাথায় রাখার কথা বাদ দিচ্ছি, বুফে মানে মেনুতে ছিরিছাঁদ থাকবে না, স্থানীয় ক্যুইজিনের ছোঁয়া থাকবে না, সেটা কিন্তু একেবারেই কাম্য নয় |
ঢাকার ফাইভ স্টার ডিলাক্স হোটেল সোনারগাঁওয়ে লাঞ্চে ইন্টারন্যাশনাল বুফে স্প্রেডে গুনে শেষ করতে না-পারা আইটেমের মধ্যে ভুরভুরানো ঘিয়ের গন্ধ মাখা গোবিন্দভোগ চাল-সোনামুগ ডালের খিচুড়ি, লাবড়া, বেগুনি, গোল গোল করে কাটা আলুভাজা দেখে মন ভরে গিয়েছিল |
সেই সফরেই ডিনারে ওই হোটেলের বুফে-তে চিতল মাছের মুইঠ্যা, ভুনা গোস্ত তারিয়ে খেয়েছি |
আবার ব্যাঙ্ককের সুকুমভিত রোডের লে ফেনিক্স হোটেলের বুফে ব্রেকফাস্টে ছিল স্থানীয় খাবার কোনজি |
জল সমেত গরম ভাত (ফেনা ভাত নয় কিন্তু) আর তার ভিতর মাথা-খোলা ছাড়ানো বাগদা চিংড়ি সেদ্ধ প্রচুর পরিমাণে |
এমনিতে নুন দেওয়াই থাকে |
আর বাটিতে তুলে নিয়ে নানাবিধ সস মিশিয়ে খেলে তো স্বর্গসুখ |
সঙ্গে পর্ক সসেজ, স্যালামি, বেকন, প্যানকেক, এগ্স টু অর্ডার, চিকেন ও ভেজিটেবল স্যান্ডুইচও দিব্যি ছিল |
ভাইজ্যাগের অদূরে রুশিকোন্ডায় পাহাড়ের ঢালে তৈরি অন্ধ্রপ্রদেশ পর্যটন উন্নয়ন নিগমের রিসর্টে বুফে ব্রেকফাস্টে দক্ষিণ ভারতীয় খাবার ছাড়া অন্য কিছু থাকতই না |
টোস্ট-অমলেট খেতে হলে আলাদা দাম দিতে হতো |
অর্থাৎ স্থানীয় খাবারের ছোঁয়া রাখাটাই এই ধরনের বুফের ক্ষেত্রে দস্তুর, ভদ্রতা |
পুরীর সেই বিলাসবহুল হোটেল যার ধার ধারেনি |
পুরীর হোটেলের ওই কদর্য চিত্রের উল্টোটাও ভয়ংকর ভাবে আছে |
কলকাতা থেকে টানা গাড়ি করে এক সন্ধ্যায় পেলিংয়ে পৌঁছেছে আমার ঘনিষ্ঠ একদল বাঙালি |
দলে অগ্রগণ্য ভূমিকায় আমার এক দাদা, রক্তের সম্পর্ক না-হলেও আত্মার সম্পর্কের কারণে যিনি আমাদের পরমাত্মীয় |
দলের সবাই তরতাজা হয়ে চা-টা খাচ্ছেন, একটু পর হুইস্কির বোতল খোলা হবে, এমন সময়ে হোটেলের ম্যানেজার নিজে এসে শুধোলেন, 'রাতে কী খাবেন বলুন |
যা বলবেন, তা বানিয়ে দেওয়া হবে |
' আমার ওই সুরসিক দাদার বক্তব্য ছিল, 'এমন ভাব করছেন যেন আপনি এখন ইলিশ মাছ খাওয়াতে পারবেন!' আমার দাদা ও বাকি সবাইকে বাকরুদ্ধ করে দিয়ে সেই হোটেল ম্যানেজার ঠান্ডা গলায় বলেছিলেন, 'হ্যাঁ, পারি |
ইলিশও খাওয়াতে পারি |
অতঃপর যে ইলিশটির সরষে ভাপা তাঁরা সেই রাতে খেয়েছিলেন, তার আগে ও পরে তেমন উৎকৃষ্ট মানের রুপোলি শস্য কলকাতা তথা এই বাংলাতেও ভরা মরসুমে তেমন খাননি বলে আমার দাদার অভিমত |
পেলিংয়ের ওই কাহিনি যত বার বর্ণনা করেছেন, তত বারই তাঁর চোখমুখ চকচক করেছে |
সুতরাং, নিছকই পণ্ডশ্রম হবে ভেবে তাঁকে এটা বোঝাতে যাইনি যে, সিকিমের পশ্চিম প্রান্তের ওই গঞ্জে বেড়াতে গিয়ে বাঙালির মন কোন দুঃখে ইলিশ-ইলিশ করবে? ইলিশ কি কলকাতায় তার আগে কলকাতায় তাঁরা খাননি নাকি ভবিষ্যতে খেতে পাবেন না, এমন কোনও আশঙ্কা ছিল! হোটেলের ম্যানজার ওই কুরুচিকর প্রলোভন দেখালেও কেন তাঁর মুখের উপর বলতে পারা গেল ন... |
ইলিশ-টিলিশ না, ভালো করে সিকিমিজ খাবার খাবো |
কলকাতায় যা পাই না |
' পেলিংয়ে গিয়ে মোমো, থুকপা, সেল রুটির মতো জিভে জল আনা খাবার না-খেয়ে সেখানেও ইলিশ আর ভাত নিয়ে বসতে হবে? এক্সাইড মোড়ে দাঁড়িয়ে ধোঁয়া-ধুলোর মধ্যে কিংবা কলকাতার কোনও রেস্তোরাঁয় অপটু ও অদক্ষ হাতে বানানো মোমো খাব আর মোমোর দেশ সিকিমে গিয়ে খাব কি না ইলিশ-ভাত! কী বিচিত্র এই বাঙালি! সেই বাঙালি, যার স্থান-কাল-খাদ্যের ব্য... |
আর্থিক ভাবে সম্পন্ন ও স্বচ্ছল বহু বাঙালিও এখন হয়ে গিয়েছেন কলকাতার সেই ট্যুর অপারেটর সংস্থার সঙ্গে বেড়াতে বেরোনো পর্যটকদের মতো, মানালিতে যাঁরা রুই মাছের পেটি ভাজা কিংবা কালিয়া পেলে আহ্লাদিত হন |
যেন জীবনে তাঁরা প্রথম বার রুই মাছ খাচ্ছেন অথবা রুই মাছ খুব দুর্লভ বস্তু |
সেই ট্যুর অপারেটর সংস্থা রান্নার ঠাকুরকেও বগলদাবা করে নিয়ে যায় য়ে! মানালিতে যে বিয়াস নদীর ট্রাউট মাছ বিখ্যাত এবং স্থানীয় এক রকম ছোট ছোট আলুর ভাজার সঙ্গে সেই ট্রাউট মাছ ভাজার স্বাদ যে অবিশ্বাস্য রকম ভালো, সেটা তাঁদের কে বোঝাবে? ওই জায়গায় গেলে তুড়কিয়া ভাত তথা হিমাচলি পোলাও না-খেলে আর কীসের বেড়ানো হল? কিংবা মাট... |
কলকাতার নয়, ভিন রাজ্যের এবং ব্যবসার কলেবরে আরও বড় একটি ট্যুর অপারেটর সংস্থা আবার এক কাঠি সরেস |
তারা আবার কেরালার অ্যালেপ্পির ব্যাক ওয়াটারে পর্যটকদের বেড়াতে নিয়ে গিয়ে এক চিলতে ডাঙা খুঁজে পেয়ে সেখানে গ্যাসের উনুন জ্বালিয়ে পুরি ভাজতে, সব্জি বানাতে বসে গিয়েছিল |
এর চেয়ে কুৎসিত কিছু হতে পারে? |
অন্য রাজ্যের মানুষকে কেন দোষ দেবো, বাঙালিই আরাকু ভ্যালিতে গিয়ে আলু-উচ্ছে ভাজা, আলু পোস্ত, পোনা মাছের ঝোলের ঠেক আবিষ্কার করে বত্রিশ পাটি দাঁত বের করে ফেলে |
কোনও জায়গায় বেড়াতে যাওয়া মানে কেবল সেখানকার নিসর্গ ও দ্রষ্টব্য ঘুরে দেখা নয়, পরিচিত হওয়া দরকার সেখানকার সংস্কৃতির সঙ্গেও, যার অন্যতম প্রধান উপাদান খাদ্যাভ্যাস |
প্যারিসে গিয়ে যে বাঙালি বা ভারতীয়রা পনির বাটার মসালা কিংবা চিকেন দোপিঁয়াজা খোঁজেন, সেই মূর্খ, অর্বাচীনদের জন্য করুণা ছাড়া আর কিছু হয় না, যদি ঘেন্নাটা নেহাৎ সরিয়ে রাখি |
বারাণসীতে গেলে তো সকাল সকাল চা খাওয়ার পর জিব-মন-হৃদয় নিজেদের মধ্যে সুষ্ঠু সমন্বয় ঘটিয়ে মস্তিষ্কে এই সিগন্যালই পাঠাবে যে, কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের কাছে শ্রী মধুর জলপানে গিয়ে কচুরি, কড়াইশুঁটি ও আলুর ঝোল ঝোল তরকারি, ছোট ছোট জিলিপি এবং পেটে জায়গা থাকলে গোটা দুয়েক মালপোয়া দিয়ে জলদি ব্রেকফাস্ট না-সারলে বাবা মহাদেব র... |
সেখানে নিশ্চয়ই জিব আর হৃদয় টোস্ট-ফ্রায়েড এগ-বেকন-সসেজের জন্য ব্যাকুল হবে না |
যেটা কিন্তু হবে, হওয়া উচিত বাঙালির কাছে যে জায়গা সস্তার বিলেত, সেই দার্জিলিঙে গিয়ে |
অথচ সেই শৈলশহর, কুইন অফ হিলসে গিয়ে হাভাতে বাঙালি এখন ভাতের হোটেল খুঁজে মরে |
যেন পাহাড়ে ওই তিন-চার দিনও ভাত না-খেলে মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে |
যে কারণে দার্জিলিং এখন বাঙালি খাবারের নামজাদা চেনের রেস্তোরাঁয় ভর্তি |
গড়িয়াহাটেও যা, দার্জলিংয়ের ম্যালের আশপাশেও তাই |
উল্টো দিকে, গ্লেনারিজে অতীতের অধিকাংশ বিখ্যাত সিজলারই এখন মেনু থেকে হাওয়া |
রোস্ট চিকেন, মিক্সড গ্রিল্ডের মতো যে দু'-একটা রয়েছে, তা অখাদ্য |
গলা দিয়ে নামানো পরিশ্রমসাধ্য ও কষ্টকর |
গ্লেনারিজে এখনও মোটের উপর ঠিকঠাক তার চিনা খাবারের সম্ভার |
তা-ও কত দিন বজায় থাকবে, সন্দেহ |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.