content
stringlengths
0
129k
@বিপ্লব পাল, ভারতের কথা আলাদা
এখানে আমি এই সুযোগ পাই না 🙁 🙁 🙁
অভিজিৎ জুন 26, 2012 4:41 পূর্বাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
নাস্তিকতা অপশনটা কেন চালু করে না কে জানে
এটা না করাই ভাল
ছাগবান্ধবেরা তখন আওয়াজ তুলবে - দেখছ - নাস্তিকতাও একটা ধর্ম (এখানে)
একবার আইনে নাস্তিকতাকে ধর্ম বলে স্বীকার করা হলে বিরাট প্যাচে পড়ব আমরা
ঐ দিকে না যাওয়াই উচিৎ
আমি চাই যাবতীয় ফর্ম, টর্ম থেকে ধর্মের অপশনই তুলে দিতে
আর যদি একান্তভাবে রাখতেই হয়, তবে মানবতা অপশনটাও যোগ করা উচিৎ
আকাশ মালিক জুন 27, 2012 6:31 পূর্বাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
আমেরিকাতে ধর্মের ভিত্তিতে বিভেদ আনা যায় না বলে, এখানে ধর্মটা লিখতে হয় না
ইংল্যান্ডে এমন কোন ফরম দেখিই নাই যে ফর্মে বা সেই ফর্মের সাথে সংযুক্ত আলাদা কাগজে ধর্ম লেখা নাই
এর পেছনে যে যুক্তি দেয়া হয়েছে তা কিন্তু সহজে ফেলার মতোও নয়
কিছু কিছু ক্ষেত্রে চাকুরির এপ্লিকেশনে আপনার ধর্ম এবং ভাষা পরিচয় প্রায়োরিটি দিতে পারে
যেমন আপনার চাকুরিটা যদি হয় কোন বিশেষ ভাষার মানুষের বা সম্প্রদায়ের জন্যে
নার্সারি থেকে সেকেন্ডারি স্কুল পর্যন্ত শিশুদের ধর্মানুসারে স্কুল মিল (খাদ্য) সরবরাহ করা হয়ে থাকে
একই ভাবে নামাজের জায়গা এবং ধর্মীয় ছুটির ব্যবস্থা থাকে
বলা হয়েছে-
, :
• ;
• ( );
• ;
• ( ).
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, এসেম্বলি, পি ই, গান-নৃত্য, জিম, খেলাধুলায় পার্টিসিপেট করতে না পেরে মুসলমান শিশু কিশোরদেরকে কাঁদতে দেখেছি, কিছু করার নেই
তারা স্কুলে আসেই মুসলমানি ড্রেস পরে
শান্ত কৈরী জুন 27, 2012 6:46 পূর্বাহ্ন -
@আকাশ মালিক, সেখানকার মুসলমান মা-বাবারা চায় না তারা ব্রিটিশ কালচার গ্রহন করুক অথবা একটু লিবারেল হোক
তাই রি অবস্থা
অধম জুন 26, 2012 2:54 পূর্বাহ্ন -
ভালো টপিকে লিখছেন
তুমি যত বড় নাস্তিকই হও না কেন, ব্যাক্তিগত পরিচয়ের সাথে ধর্মের ট্যাগ তোমারে লাগাইতেই হবে;বিয়া করার সময় তোমারে ধর্ম মাইনাই বিয়া করতে হবে
ক্লাসে তোমাকে ধর্মের নামে কিছু শ্লোক মুখস্ত করতে হবে
ঐ শ্লোক পরীক্ষার খাতায় লিখতে হবে
একদিকে তুমি বিজ্ঞান পড়বা,আধুনিক সব বৈজ্ঞানিক সূত্র জানবা আরেকদিকে তুমি আদম-হাওয়া অথবা রাম,ব্রহ্মের কাহিনী মুখস্ত করবা
এই কন্ট্রাডিকশনই আমাদের বিজ্ঞান মনস্ক করতে দেয় না
শান্ত কৈরী জুন 26, 2012 9:04 অপরাহ্ন -
@অধম, চরম সত্য
বিজ্ঞান শুধু ডিগ্রি অর্জন করে টাকা কামানোর জন্য
ধর্মই তো তাদের কাছে সব
নিটোল জুন 26, 2012 2:37 পূর্বাহ্ন -
আমাদের ভার্সিটিতে রেজিস্ট্রেশন ফর্ম পূরণের সময় প্রতিবার আমি থমকে যাই
ওখানে শুধু ধর্মের ঘরই না, বরং 'বর্ণ' নামে আলাদা একটা ঘর আছে পূরণ করার জন্য
আমি করছি কি, গতবারে দিসি সুন্নি,এইবার দিসি শিয়া! কই,কেও কিছুই বলল না! 😛 :
শান্ত কৈরী জুন 26, 2012 2:50 পূর্বাহ্ন -
@নিটোল, বর্ণর জায়গায় কিছুই লিখি না
সুন্দর করে ধর্মের জায়গায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির হাত দিয়েই লেখাই সনাতন
অভিজিৎ জুন 26, 2012 2:22 পূর্বাহ্ন -
মুক্তমনায় স্বাগতম
গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় নিয়ে লিখেছেন
আমরা যারা ধর্ম মুক্ত জীবন যাপনে অভ্যস্ত তারা জীবনের কখনো না কখনো এ সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে
আমার জন্য জিনিসটা ছিল সোজা
ধর্মের জায়গায় বিচ্ছিরি ইংরেজী হাতের লেখায় লিখতাম
ফর্মওয়ালারা ভাবত হিন্দুইজম লিখছি বোধ হয়
🙂 দেশের বাইরে অবশ্য এই সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় নাই
কিন্তু আমার জন্য সমস্যাটার সমাধান যত সহজ ছিলো, সবার জন্য তা নয়
কিন্তু এইটা যে একটা সমস্যা সেটাই বোঝে না কেউ
শিশুদের উপরে জোর করে ছোটবেলা থেকেই তার অভিভাবকদের ধর্ম চাপিয়ে দেয়া হয়
এটা যে একধরণের শিশু নিপীড়ন, সেটা কে বোঝাবে?
যাইহোক, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশের যুক্তিবাদী আর মানবতাবাদীরা ধর্মের জায়গায় 'মানবতা' লেখার আইনী অধিকার আদায় করেছে
এটা একটা অগ্রসর পদক্ষেপ
বাংলাদেশেও এটা করা জরুরী
এপ্রসঙ্গে 'দুই বাংলার যুক্তিবাদীদের চোখে ধর্ম' গ্রন্থে প্রকাশিত সুমিত্রা পদ্মনাভনের মানুষের ধর্ম মানবতা থেকে প্রাসঙ্গিক কিছু উদ্ধৃতি -
'ধর্ম ' যেহেতু ব্যক্তিগত ব্যাপার তাই ধর্মনিরপেক্ষ দেশে ধর্মীয় পরিচিয় জানানো জরুরি নয় বলে ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদীরা মনে করে
কিন্তু সমস্যা হল, যারা কোন ধর্ম মানেন না তারা চাকুরী বা শিক্ষার ক্ষেত্রে কলামটা খালি রাখতে চাইলেও অতীতে আপত্তি উঠেছে নানা জায়গায়; এমনকি ফর্ম বাতিল করা হয়েছে 'অসম্পূর্ণ' বলে
সেই সময় বহুমানুষ দ্বারস্থ হয় ভারতীয় মানবতাবাদী সমিতির
এই সময় প্রথম এই সমিতি ' সক্রিয় হয় মানবতাকে ধর্ম হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে, সেটা ১৯৯২-৯৩ সালের দিকে
দেশের রাজনৈতিক নেতাদের কাছে ও সংবাদপত্রের দপ্তরে যোগাযোগ করে ঘটনাটি জানানো হয়
যাতে একজন মানুষ নিজের ধর্ম ' মানবতা ' বলতে পারে তার জন্য সরকারি কোনও নিয়ামাবলী বা গাইডলাইন আছে কিনা তা স্পষ্ট ভাবে জানতে চাওয়া হয়
উত্তরে সবাই বলেন যে এভাবে নতুন ধর্ম তৈরি করা সম্ভব নয়
তারপর মানবতাবাদী সমিতি সরাসরি চিঠি পাঠায় জাতিসংঘের অফিসে
উত্তর আসে দেরি না করেই
ইউএনও তাদের এবং সংক্রান্ত যাবতীয় বই ও কাগজপত্র পাঠিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়- ''১৯৮১'' এর জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে রাষ্ট্রসংঘ ঘোষনা করেছে প্রতিটি মানুষের যে কোন ধর্মমত গ্রহন ও চর্চা করার স্বাধীন অধিকার আছে
তারপরই এই আইনী লড়াইতে যৌথভাবে নেমে পড়ে ভারতের মানবতাবাদী সমিতি ও যুক্তিবাদী সমিতি
জাতিসংঘকে চিঠি দিয়ে জানানো হয় যে ভারত জাতিসংঘের সদস্য দেশের অন্যতম হওয়া সত্ত্বেও প্রচলিত ধর্মের বাইরে অন্য ধর্মকে এখানে স্বীকৃতি দেয়া হয় না
হিউম্যানিজম-কে ও ধর্ম বলে স্বীকার করা হয় না
কিন্তু যেহেতু ইউএনও তার গাইডলাইন পাঠিয়ে দিয়েছে, আমরা ইউএনও-এর অন্তর্গত দেশ হিসাবে মনে করি মানবতা আমাদের ধর্ম হতে কোন বাধা নেই
এবং আইনীভাবে এই ধর্মমতকে গ্রহন করার অধিকার ভারতের নাগরিকেরা প্রতিষ্ঠা করতে পারবে
এই চিঠির প্রতিলিপি পাঠানো হয় রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, সংসদবিষয়ক মন্ত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও বিদেশী দূতাবাসগুলিতেও
তারপর ভারতের মানবতাবাদী সমিতির সহায়তায় কোর্টে গিয়ে করে দলে দলে ছেলে-মেয়ে কে ধর্ম হিসেবে গ্রহন করে (১৯৯৩ এর ১০ ডিসেম্বর)
( উৎস : মানুষের ধর্ম মানবতা, সুমিত্রা পদ্মনাভন, দুই বাংলার যুক্তিবাদীদের চোখে ধর্ম)
শান্ত কৈরী জুন 26, 2012 2:56 পূর্বাহ্ন -
@অভিজিৎ, মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ দাদা
হ্যাঁ আমাদের ধর্মের জায়গায় মানবতা লেখার জন্য আইনী অধিকার আদায়ের চেষ্টা অবশ্যই করা উচিত
মুক্তমনার সংখ্যা বাড়ছে
তাদের জন্য দরকার
আমাদের জন্য দরকার
আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দরকার
ফরিদ আহমেদ জুন 26, 2012 4:28 পূর্বাহ্ন -
@শান্ত কৈরী,
হ্যাঁ আমাদের ধর্মের জায়গায় মানবতা লেখার জন্য আইনী অধিকার আদায়ের চেষ্টা অবশ্যই করা উচিত
মুক্তমনার সংখ্যা বাড়ছে
তাদের জন্য দরকার
আমাদের জন্য দরকার
আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দরকার
এটাও ভুল সিদ্ধান্ত
একজন মানুষের ধর্মীয় পরিচয় কী, সেটা কোথাও জিজ্ঞেস করতে পারবে না, এই আইনি অধিকারের আন্দোলনটাই হচ্ছে যৌক্তিক আন্দোলন
লেখাটা খুব পছন্দ হয়েছে আমার