content stringlengths 0 129k |
|---|
2. 'আঁধি' কাকে বলে? |
উত্তর : গ্রীষ্মকালে রাজস্থানের মরুভূমি অঞলে যে প্রবল ধূলিঝড়ের সৃষ্টি হয়, তাকেই স্থানীয় ভাষায়, আঁধি বলা হয় |
আঁধির গতিবেগ 50-60 কিমি/ঘন্টা |
মেঘের সার ঘটে না বলে এই ঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টি হয় না |
তাই প্রবল ধুলাে ওড়ে |
তবে এই ঝড়ের প্রভাবে উয়তা কিছুটা কমে |
3. 'আশ্বিনের ঝড়' কাকে বলে? |
উত্তর : প্রত্যাগমনকারী মৌসুমি বায়ুর সঙ্গে সামুদ্রিক বায়ুর সংঘর্ষে অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে বঙ্গোপসাগরে শক্তিশালী ঘূর্ণবাতের সৃষ্টি হয় |
এর প্রভাবে বঙ্গোপসাগরীয় উপকূলের রাজ্যগুলিতে প্রবল ঝড় বৃষ্টি হয় |
একে সাইক্লোন বলে |
পশ্চিমবঙ্গে এই ঝড় যেহেতু আশ্বিন মানে দেখা যায়, তাই তা আশ্বিনের ঝড় নামে পরিচিত |
4. তামিলনাড়ু (করমণ্ডল) উপকূলে বছরে দুবার বর্ষাকাল হয় কেন? |
উত্তর : তামিলনাড়ু উপকূলে মৌসুমি বায়ুর আগমনের সময় জুন মাসে বৃষ্টি হয়, আবার অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে উঃ পূঃ ভারত থেকে প্রত্যাবর্তনকারী মৌসুমি বায়ু বঙ্গোপসাগরের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় জলীয়বাষ্প সংগ্রহ করে ফেরেল সূত্রানুসারে ডানদিকে বেঁকে করমণ্ডল উপকুলে প্রবেশ করে এবং পূর্বঘাটে বাধা পেয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় |
5. ভারতে খরার কারণগুলি আলােচনা করাে |
উত্তর : () বিলম্বিত আগমন : দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু নির্ধারিত সময়ের পরে ভারতীয় ভূখণ্ডে এলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে খরার সৃষ্টি করে |
() অগ্রিম প্রত্যাবর্তন : দঃ পঃ মৌসুমি বায়ু নির্ধারিত সময়ের আগে ফিরে গেলে বৃষ্টিপাত কম হবার দরুন খরা হয় |
() বৃষ্টিপাতের সাময়িক বিরতি : কোনাে কোনাে বছর বর্ষাকালের মাঝে দীর্ঘদিন বৃষ্টিপাত হয় না, ফলে খরার প্রাদুর্ভাব লক্ষ করা যায় |
() পরিবেশ দূষণ : পরিবেশ দূষিত হলে বায়ুমণ্ডলের গড় উষ্মতা বেড়ে যায় এবং জলীয়বাষ্প ঘনীভূত না হলে বৃষ্টিপাত হয় না |
ফলে খরা হয় |
6. ভারতে প্রায়ই বন্যা হয় কেন? |
উত্তর : () অগ্রিম আগমন : নির্ধারিত সময়ের বহু পূর্বে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর আগমন ঘটলে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত বন্যার সৃষ্টি করে |
() বিরামহীন বৃষ্টি : বছরে কোনাে কোনাে সময় বিরামহীন বৃষ্টি বন্যার কারণ হয় |
() বর্ষাকালের অধিক স্থায়ীত্ব : বর্ষাকালের স্থায়ীত্ব বেশি হলে ভারি বর্ষণের ফলে বন্যা দেখা দেয় |
() নিম্নচাপের স্থায়ীত্ব : দীর্ঘক্ষণ নিম্নচাপ অবস্থান করলে ভারী বৃষ্টি বন্যার কারণ |
() নদীর গভীরতা হ্রাস : নদীর গভীরতা হ্রাসের ফলে অধিক বৃষ্টিতে দুকূল ছাপিয়ে বন্যা হয় |
7. ভারতে শীতকাল শুল্ক কেন? |
উত্তর : () উয়তার অবনমন : 22 ডিসেম্বর তারিখে সূর্য দক্ষিণ গােলার্ধে মকরক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় উত্তর গােলার্ধে উয়তার অবনমন ঘটে |
() উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর আগমন : এশিয়ার উত্তরাংশে সাইবেরিয়া অংশ থেকে আগত শুষ্ক ও শীতল মৌসুমি বায়ু স্থলভাগের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জলীয়বাষ্পের পরিমান অনেক কম থাকে |
এই কারণে শীতকাল বৃষ্টিহীন ও শুষ্ক প্রকৃতির হয় |
৪. মনেক্স () কী? |
উত্তর : হল বা মৌসুমি গবেষণা |
বিশ্ব বায়ুমণ্ডল গবেষণা প্রকল্পের তত্ত্বাবধানে মৌসুমি জলবায়ু গবেষণার যে বিশেষ কার্যক্রম স্থির করা হয়, তাকে বলে |
9. থর মরুভূমির সৃষ্টির কারণ কী? |
উত্তর : দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর আরব সাগরীয় শাখাটি খাম্বা উপসাগরের ওপর দিয়ে কাথিয়াবাড় হয়ে গুজরাত ও পশ্চিম রাজস্থানে প্রবেশ করলেও মৌসুমি বায়ুকে প্রতিহত করার মতাে কোনাে উচ্চভূমি না থাকায় বৃষ্টিপাত ঘটাতে পারে না |
দীর্ঘদিন ধরে এই অবস্থা চলার ফলে অনাবৃষ্টির কারণে ভারতে পশ্চিমে রাজস্থানের পশ্চিমাংশে থর মরুভূমির সৃষ্টি হয়েছে |
এই অঞলে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ 20 এর কম |
রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর :[প্রতিটি প্রশ্নের মান-5] |
1. ভারতের জলবায়ুতে মৌসুমি বায়ুর প্রভাব আলােচনা করাে |
উত্তর : ভারতের জলবায়ুতে মৌসুমি বায়ুর প্রভাব অপরিসীম |
তাই ভারতকে মৌসুমি জলবায়ুর দেশ বলা হয় |
এর প্রভাবগুলি নীচে আলােচনা করা হল |
() আর্দ্র পরিবর্তন ও শুষ্ক শীতকাল : ভারতে গ্রীষ্মকালে আর্দ্র দক্ষিণ-পশ্চিম মৌমুমি বায়ুর প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় এবং শীতকাল উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে শুষ্ক থাকে |
() ঋতু পরিবর্তন : মৌসুমি বায়ুর আগমণ ও প্রত্যাগমন-এর ওপর নির্ভর করে |
গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ ও শীত প্রশ্ন চারটি ঋতু চক্রাকারে আবর্তিত হয় |
() বৃষ্টিপাত : মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ভারতে 90% বৃষ্টিপাত হয় |
() উয়তা : দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর আগমণে গ্রীষ্মকালের শেষে বৃষ্টিপাত ঘটিয়ে উয়তা কিছুটা হ্রাস করে |
ও উত্তপূর্ব মৌসুমি বায়ুর ফলে শীতের প্রভাব বৃদ্ধি পায় |
() প্রাকৃতিক দুর্যোগ : মৌসুমি বায়ুর অনিয়মিত ও অনিশ্চয়তার জন্য অতিবৃষ্টি ও অনাবৃষ্টির কারণে কোথাও বন্যা আবার কোথাও খরা সৃষ্টি হয় |
() ঘূর্ণাবাত সৃষ্টি : শরৎকালে মৌসুমি বায়ুর প্রত্যাগমণের সময় এবং সমুদ্রবায়ুর সংঘর্ষে বঙ্গোপসাগরে বা আরবসাগরে ঘূর্ণবাত সৃষ্টি হয় |
() বৃষ্টিপাতের অসমবন্টন : মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে পশ্চিম উপকূল, উত্তর পূর্ব ভারত, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ প্রভৃতি স্থানে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটে |
অপরদিকে রাজস্থানের মরু অঞ্চল ও পশ্চিমঘাট পর্বতের পূর্বটালে বৃষ্টিচ্ছায় অল স্থানে বৃষ্টির পরিমাণ কম |
তাই মৌসুমি বায়ুর প্রভাব ভারতের জলবায়ুতে বৃষ্টিপাতে অসমবণ্টন লক্ষ করা যায় |
ভারতের মৃত্তিকা |
সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-2] |
1. 'রেগুর' কী? |
উত্তর : ভারতের মধ্য প্রদেশ ও মহারাষ্ট্রের পশ্চিমাংশ এবং গুজরাত, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশের কিছু অংশ তথা উপদ্বীপীয় মালভূমির ডেকানট্রাপ অঞ্চলে ব্যাসল্ট শিলা থেকে উদ্ভূত যে কালাে বর্ণের মৃত্তিকা দেখা যায়, তাকে কৃয় মৃত্তিকা বা রেগুর বলে |
বিভিন্ন খনিজ সমৃদ্ধ এই মৃত্তিকা খুব উর্বর |
2. ব্যাডল্যান্ড' কী? |
উত্তর : অত্যধিক খাতক্ষয়ের ফলে ভূমিভাগ এবড়ােখেবড়াে হয়ে যায় |
এর ফলে ভূমিভাগ কৃষিকাজের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে |
এই ধরনের কৃষিকাজে অনুপযুক্ত বন্ধুর ভূ-ভাগকে ব্যাডল্যান্ড বলে |
মধ্যপ্রদেশের বদভূমি অঞ্চলে ব্যাডল্যান্ডের আধিক্য দেখা যায় |
3. 'রাঙাইন ক্ষয় কী? |
উত্তর : জলনালিকা ও খেয়াই আরও গভীরভাবে ক্ষয় পাবার ফলে তা গভীর খাড়া পাড়যুক্ত খাত তৈরি করে |
এটি হল র্যাভাইন ক্ষয় |
এর মাধ্যমে মাটি ক্ষয় খুব বেশি পরিমাণে ঘটে |
4, 'ভর' কী? |
উত্তর : গাঙ্গেয় সমভূমির নিম্ন অঞ্চলে (বিশেষত উত্তর প্রদেশ রাজ্যে পশ্চিমাংশের দোয়াব অঞ্চলে) কলি মিশ্রিত অতিসুক্ষ্ম মৃত্তিকা গঠিত তরঙ্গায়িত উচ্চভূমি দেখা যায় |
যা 'ভুর" নামে পরিচিত |
ব্যাখ্যামূলক উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-3] |
1. ঝুমচাষ মৃত্তিকা ক্ষয়কে কীভাবে তরান্বিত করে? |
উত্তর : ভারতের উত্তর-পূর্ব পাহাড়ি অঞ্চলের আদিম সম্প্রদায় ঝুমচাষ প্রথায় কৃষিকাজ করে থাকে |
এটি একটি আদিম ও অবৈজ্ঞানিক কৃষি পদ্ধতি |
এক্ষেত্রে বনজঙ্গল কেটে, পুড়িয়ে সাফ করে কয়েকবছর পর চাষ করে যখন ওই স্থানের মাট |
জেলা আওয়ামী লীগ থেকে ডা. মুরাদকে অব্যাহতি করোনায় আরো ৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৯১ ফলো-অন'র শঙ্কায় বাংলাদেশ ডেঙ্গুতে আরো ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৯ বরিশালে ৬ দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা কয়েক মাস ধরে মুরাদের মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ্য করেছি: তথ্যমন্ত্রী বা... |
বিশেষ প্রতিবেদন |
হাফ পাস পেতে হাজারো জবাবদিহি শিক্ষার্থীদের |
ঢাবির মোট ব্যয় ২৪ কোটির অধিক অথচ শিক্ষার্থীরা পানিও পায়নি! |
বঙ্গবন্ধুর খুনীর আত্মীয়, সাবেক বিএনপি নেতা মোখলেসুর পেলেন নৌকা! |
সঙ্কটকালেও প্রশংসা কুড়াচ্ছে নার্সিং অধিদফতর |
সিটিং সার্ভিস বন্ধ হলেও ওয়েবিলের খপ্পরে যাত্রীরা! |
মহেশখালীতে রাজাকার পরিবারের কাছে জিম্মি মুক্তিযোদ্ধা! |
শতবর্ষের আলোয় আলোকিত ঢাবি, রাত পোহালেই অনুষ্ঠান |
ঢাবির ২ বইয়ের সম্পাদনা ব্যয় ২০ লাখ, যেখানে বাংলা একাডেমির সর্বোচ্চ ৪০ হাজার! |
ঢাবির কাণ্ড, বিজ্ঞপ্তির পর জানালো লাগবে না শিক্ষক! |
প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে 'হাফ ভাড়া'র সুরাহা করা হোক: সাদ্দাম |
প্রকাশ : ২৫ নভেম্বর ২০২১, ১০:৩৫ |
মহিউদ্দিন রাসেল |
প্রিন্ট অঅ-অ+ |
হাফ ভাড়ার দাবিতে চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়ার দাবি যৌক্তিক এবং ন্যায়সঙ্গত দাবি |
আমরা এ দাবির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে আছি |
আমরা এ বিষয়ে সুষ্ঠু সুরাহা চাই |
অচিরেই প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে 'হাফ ভাড়া'র বিষয়ে সুরাহা করা হোক |
বুধবার (২৪ নভেম্বর) রাতে হাফ ভাড়ার দাবিতে চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে বিবার্তা২৪ডটনেটকে এসব কথা বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের এই সাধারণ সম্পাদক |
সাদ্দাম বলেন, হাফ ভাড়ার বিষয়টি শুধু শিক্ষার্থীদের দাবি নয়, এটি তাদের অধিকার |
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ সিস্টেম চালু আছে |
এমনকি কোনো কোনো দেশে বিনা ভাড়ায় শিক্ষার্থীদের পরিবহন সেবা দেয়া হচ্ছে |
আমাদের দেশেও হাফ ভাড়ার বিষয়ে সুষ্ঠু সমাধান করতে হবে |
অচিরেই বাস মালিক সমিতি ও প্রশাসনকে বসে এর সুষ্ঠু সমাধান করতে হবে |
ডাকসুর সাবেক এই সহ-সম্পাদক (এজিএস) বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিতে সবসময় পাশে ছিল |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.