content stringlengths 0 129k |
|---|
২ খেলোয়াড়ী জীবন |
৩ রাজনৈতিক জীবন |
৪ ব্যক্তিগত জীবন |
৫ তথ্যসূত্র |
৬ আরও দেখুন |
৭ বহিঃসংযোগ |
প্রারম্ভিক জীবনসম্পাদনা |
লন্ডনে ব্লাইয়ের জন্ম |
ডার্নলির ৬ষ্ঠ আর্ল জন ব্লাই ও চিচেস্টারের ৩য় আর্ল হেনরি পেলহামের কন্যা লেডি হ্যারিয়েট মেরি দম্পতির দ্বিতীয় পুত্র ছিলেন তিনি |
[১] এটনে অধ্যয়ন করেন তিনি ও ১৮৮২ সালে কেমব্রিজের ট্রিনিটি কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন |
[২] কেমব্রিজে থাকাকালে বিশ্ববিদ্যালয় পিট ক্লাবের সচিবের দায়িত্বে ছিলেন |
ব্লাই ইংল্যান্ড ও এমসিসি দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন |
১৮৮২-৮৩ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজের সর্বপ্রথম টেস্ট সিরিজে দলের নেতৃত্ব দেন |
[৪] এছাড়াও ব্লাই কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে খেলেন ও ১৮৭৭ থেকে ১৮৮৩ সময়কালে কেন্টের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেন |
১৯০০-০১ মৌসুমে মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি |
১৮৯২ ও ১৯০২ সালে কেন্ট কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে এ দায়িত্বে ছিলেন |
খেলোয়াড়ী জীবনসম্পাদনা |
১৮৭৭ সালে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার টেস্টের সূত্রপাত ঘটে |
এরপর ১৮৮২ সালে ওভালে সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঙ্কি হর্নবি'র নেতৃত্বে ইংল্যান্ড দল পরাজিত হয় |
এরফলে স্পোর্টিং টাইমস সংবাদপত্রে ইংরেজ ক্রিকেটকে ঘিরে বিদ্রুপাত্মক প্রতিবেদন প্রকাশ করে যাতে দেহ পুরোপুরি জ্বলে গেছে ও ছাঁই অস্ট্রেলিয়ায় প্রেরণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় |
পরবর্তী শীতকালীন সফরে অস্ট্রেলিয়া গমন করে ইংল্যান্ড দল ও অ্যাশেজ পুণরুদ্ধারের চেষ্টা চালায় |
ব্লাইয়ের দল সফলতা পায় |
তিন খেলার অ্যাশেজ সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয়ী হয় |
চতুর্থ খেলাটি অ্যাশেজের অন্তর্ভুক্ত ছিল না ও পরাজিত হয় |
টেস্ট সিরিজ জয়ের পর মেলবোর্নের রমণীদের একটি দল সম্মানীয় ইভো ব্লাইকে একটি ছোট লালচে বাদামী বর্ণের পাত্র উপহার দেয় |
ছাঁই ভর্তি পাত্রটি বেইল পুড়িয়ে ভরে দেয়া হয়েছিল যা ইংরেজ ক্রিকেটের ছাঁইয়ের প্রতীকিরূপ বহন করে |
অ্যাশেজ সিরিজের প্রতীকীরূপে পাত্রটি আসলে দি অ্যাশেজ পরিভাষাটির উৎপত্তি ঘটে |
তবে, অ্যাশেজ সিরিজের ট্রফিতে এ পাত্র ব্যবহার করা হয় না ও অ্যাশেজ সিরিজের ট্রফি যে-দলের অনুকূলেই থাকুক না কেন, লর্ডসের এমসিসি জাদুঘরে পাত্রটি রক্ষিত আছে |
[৬] ১৯৯৮-৯৯ অ্যাশেজ সিরিজ থেকে বিজয়ী দলকে একটি ওয়াটারফোর্ড স্ফটিক ট্রফি প্রদান করা হচ্ছে |
রাজনৈতিক জীবনসম্পাদনা |
জীবনের শেষদিকে ডার্নলিতে বসবাস করতে থাকেন ও ওয়েস্টমিনস্টারে আইরিশদের প্রতিনিধিরূপে নির্বাচিত হন ইভো ব্লাই |
১৯০০ সালে বড় ভাই এডওয়ার্ডের স্থলাভিষিক্ত হয়ে ডার্নলির আর্ল মনোনীত হন |
তবে, আইরিশ পদবী ধারণ করলেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে লর্ডস সভায় আসন লাভ করেননি |
মার্চ, ১৯০৫ সালে নির্বাচনে জয়লাভের পর আইরিশ প্রতিনিধিরূপে সংসদে প্রবেশের সুযোগ লাভ করেন তিনি |
পারিবারিক পদবী লর্ড ডার্নলি ধারণের পর ডেপুটি লেফট্যানেন্ট মনোনীত হন[৮] ও কেন্টের শান্তিবিষয়ক বিচারপতি হন |
[১] ১৬ জুলাই, ১৯০২ তারিখে দ্য কুইন্স অওনের (রয়্যাল ওয়েস্ট কেন্ট রেজিম্যান্ট) ৪র্থ ভলান্টিয়ার ব্যাটালিয়নের সম্মানসূচক কর্নেলরূপে মনোনীত হন |
ব্যক্তিগত জীবনসম্পাদনা |
৯ ফেব্রুয়ারি, ১৮৮৪ তারিখে অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ার বীচওয়ার্থ এলাকার জন স্টিফেন মর্ফি'র কন্যা ফ্লোরেন্স রোজ মর্ফি নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন তিনি |
[১] রুপার্টসউড এলাকায় তিনি সঙ্গীত শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন |
তখন তার ভবিষ্যতের স্বামী ব্লাই অস্ট্রেলিয়া সফরে ছিলেন |
তাদের দুই পুত্র ও এক কন্যা ছিল:[১] |
এসমে ব্লাই, ডার্নলির ৯ম আর্ল (১৮৮৬-১৯৫৫) |
সম্মানীয় নোয়েল জার্ভেস ব্লাই (১৪ নভেম্বর, ১৮৮৮ - ১৯৮৪), মেরি জ্যাক ফ্রস্টকে বিয়ে করেন |
লেডি ডরোথি ভায়োলেট ব্লাই (৮ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৩ - ১৬ জানুয়ারি, ১৯৭৬) |
লর্ড ডার্নলি ১০ এপ্রিল, ১৯২৭ তারিখে ৬৮ বছর বয়সে কেন্টের শর্ন এলাকায় দেহত্যাগ করেন |
কেন্টের কোবহাম এলাকার সেন্ট মেরি মাগদালেন চার্চে পারিবারিক সংরক্ষিত জায়গায় তাকে সমাহিত করা হয় |
তার মৃত্যুর পর জ্যেষ্ঠ সন্তান এসমে পারিবারিক পদবী ধারণ করেন |
তার স্ত্রী ফ্লোরেন্স স্বামীর মৃত্যুর পর পাত্রটি এমসিসিতে দান করে দেন |
১৯১৯ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্যতম প্রথম ডেমের মর্যাদা লাভকারী ফ্লোরেন্স আগস্ট, ১৯৪৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন |
তথ্যসূত্রসম্পাদনা |
↑ ক খ গ ঘ ঙ , ; , . (১৯১৪) |
: & |
পৃষ্ঠা 570-571 |
↑ ", . [] (877)" |
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় |
উদ্ধৃতি টেমপ্লেট ইংরেজি প্যারামিটার ব্যবহার করেছে () |
↑ , (২০১১) [1935] |
: 1835-1935 ( সংস্করণ) |
: |
পৃষ্ঠা 86-87 |
আইএসবিএন 978-1-107-60006-5 |
↑ " " |
সংগ্রহের তারিখ ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ |
↑ " - " |
সংগ্রহের তারিখ ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ |
↑ " " |
৫ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা |
সংগ্রহের তারিখ ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ |
↑ "' : / . - - " |
সংগ্রহের তারিখ ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ |
↑ "নং. 27300" |
দ্যা লন্ডন গেজেট (ইংরেজি ভাষায়) |
২৯ মার্চ ১৯০১ |
উদ্ধৃতি টেমপ্লেট ইংরেজি প্যারামিটার ব্যবহার করেছে () |
↑ "নং. 27454" |
দ্যা লন্ডন গেজেট (ইংরেজি ভাষায়) |
১৫ জুলাই ১৯০২ |
উদ্ধৃতি টেমপ্লেট ইংরেজি প্যারামিটার ব্যবহার করেছে () |
আজ সকাল ১০.০০ ঘটিকায় রাজশাহী-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের জ্যেষ্ঠ ভাইস-চেয়ারম্যান জনাব ফজলে হোসেন বাদশা রাজশাহী রেশম কারখানার ৫টি পাওয়ার লুমের কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে উদ্বোধন করেন |
রাজশাহী রেশম কারখানা চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, রাজশাহী রেশম কারখানা চালু হওয়া তাঁর এবং রাজশাহীবাসীর স্বপ্ন |
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এই স্বপ্ন আজ সফল হওয়ার পথে |
তিনি রেশম কারখানার ৫টি পাওয়ার লুমের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন |
তিনি রেশম শিল্পকে রেশম কারখানার শিল্প না ভেবে এটিকে সামাজিক শিল্প হিসেবে বাস্তবায়নের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান |
প্রথমত ট্রায়াল বেসিসে ৫টি লুমের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে এর পরিধি ক্রমান্বয়ে আরও বাড়ানোর কথা বলেন |
২০০২ সালে রেশম কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার ফলে রাজশাহী তথা বাংলাদেশকে পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন |
অন্যদিকে তিনি অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি বর্তমানে কারখানায় গ্যাস সংযোগ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন |
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট সমাজ সেবক জনাব শাহীন আক্তার রেনী বলেন, রাজশাহী সিল্কের ব্রান্ডিং পেয়েছে |
রাজশাহী এখন সিল্ক হেভেন |
তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাওয়ার কথা বলেন |
সভাপতির বক্তব্যে রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বলেন, আমাদের গর্বের এবং আত্মসম্মানের প্রতীক হলো এই রেশম কারখানা |
তৎকালীন সময়ে কারখানার লোকসান থাকলেও তা চালু রাখা যু্ক্তিযু্ক্ত ছিল বলে তিনি বলেন |
তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য চীন, ভারত থেকে উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার বিষয়টি উল্লেখ করেন |
এজন্য রেশম শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন |
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক অধ্যাপিকা তসলিমা খাতুন, স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধান উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ কর্মকর্তা মো: মাহবুবুর রহমান, আরও বক্তব্য দেন সিবিএ সভাপতি মো: আবু সেলিম |
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সকলে ৫টি পাওয়ার লুম চালুকরণের সকল পর্যায় অর্থাৎ ধাপ পরিদর্শন করেন |
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ড. সাবরিনা নাজ, বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য(অর্থ ও পরিকল্পনা)ও সদস্য(উৎপাদন ও বাজরজাতকরণ) অ:দা: সৈয়দা জেবিননিছা সুলতানা, সদস্য(সম্প্রসারণ ও প্রেষনা) এম.এ মান্নান, রেশম শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি মো: লিয়াকত আলী, রে... |
অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করেন বোর্ডের সচিব মো: জায়েদুল ইসলাম |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.