content
stringlengths
0
129k
চাঁদপুর জেলায় ২০২০- ২০২১ অর্থবছরের আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে অতি দরিদ্র ও অন্যান্য অসহায় পরিবারের জন্য ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় এ জেলার ৮ উপজেলা ও ৭ পৌরসভায় ১লক্ষ ১হাজার ২শ' ২৫ টি ভিজিএফ কার্ডের বিপরীতে প্রায় ১ হাজার মেট্রিক টনের অধিক চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে
এতে প্রতি কার্ডে ১ ০কেজি করে পাবে
বুধবার ২৯ জুলাই চাঁদপুর জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ শাখা থেকে এ তথ্য জানা গেছে
চাঁদপুর জেলা প্রশাসন এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ শাখা থেকে জানা গেছে , আসন্ন ঈদুল আযহা এর পূর্বে ঔসব খাদ্য বিতরণের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে
প্রাপ্ত তথ্য মতে, চাঁদপুর সদরে ১০,৯৭৭ টি কার্ডের বিপরীতে ১০৯.৭৭০ মেট্রিক টন ও পৌরসভায় ৪,৬২১ টি কার্ডের বিপরীতে ৪৬.২১০ মেট্রিক টন,ফরিদগঞ্জে ৯,৮৮৫ কার্ডের বিপরীতে ৯৮.৮৫০ মেট্রিক টন, ও পৌরসভায় ৩,০৮১ টি কার্ডের বিপরীতে ৩০.৮১০মেট্রিক টন, হাইমচরে ৩,২৮১টি কার্ডের বিপরীতে ৩২.৮১০ মেট্রিক টন, হাজীগঞ্জ ৯,৬২২টি কার্ডের বিপরীতে ৯৬.২২০মেট্রিক টন ও পৌরসভায় ৪,৬২১টি কার্ডের বিপরীতে ৪৬.২১০মেট্রিক টন, কচুয়ায় ১২,৬৯৩ টি কার্ডের বিপরীতে ১২৬ মেট্রিক টন ও পৌরসভায় ৪,৬২১টি কার্ডের বিপরীতে ৪৬.২১০মেট্রিক টন, মতলব উত্তরে ১০,২৮৫ টি কার্ডের বিপরীতে ৭৭ . ৫৬০ মেট্রিক টন,মতলব দক্ষিণে ১০, ২৮৫ টি কার্ডের বিপরীতে ১০২.৮৫০ মেট্রিক টন ,ছেংগাচর পৌরসভায় ৪,৬২১ টি কার্ডের বিপরীতে ৪৬.২১০মেট্রিক টন ও মতলব পৌরসভায় ৪,৬২১ টি কার্ডের বিপরীতে ৪৬.২১০মেট্রিক টন,এবং শাহরাস্তিতে ৫,৯১৯টি কার্ডের বিপরীতে ৫৯.১৯০ মেট্রিক টন ও পৌরসভায় ৪,৬২১ টি কার্ডের বিপরীতে ৪৬.২১০মেট্রিক টন, চাল ইতিমধ্যেই বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে
কমপক্ষে চারটি শর্ত পূরণ করে স্ব স্ব ইউনিয়নের অতি দরিদ্র লোকদের মধ্যে বরাদ্দ প্রদান করতে হবে বলা হয়েছে
জেলা ত্রান ও পূর্নবাসন কর্মকর্তা কেবিএম জাকির হোসেন জানান, বরাদ্দকৃত ত্রান উপজেলার নিবার্হী কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে পাঠানো হয়েছে তারা অতি দরিদ্র ও অন্যান্য অসহায় পরিবারের মাঝে বিতরণ করতেছেন
বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব: ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ড্র বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব: ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ড্র -
@. : 2018 :
@. : . : .
আন্তর্জাতিক
অর্থ ও বাণিজ্য
তথ্য প্রযুক্তি
অপরাধ ও বিচার
আলোচিত খবর
ইতিহাস-ঐতিহ্য
কাউন্সেলিং
কীর্তিমানের কথা
নারী ও শিশু
পাঠকেই লেখক
প্রবাসে বাংলা
প্রেসবিজ্ঞপ্তি
মুক্ত ভাষণ
লাইফস্টাইল
সম্পাদকীয়
আমাদের পরিবার
এক্সক্লুসিভ, খেলাধুলা
বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব: ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ড্র
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৯
ছবি: সংগৃহীত
মৃদুভাষণ ডেস্ক :: কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ ও পরের বছরের এশিয়া কাপের যৌথ বাছাইপর্বের ম্যাচে ১-১ গোলে ভারতের সঙ্গে ড্র করেছে বাংলাদেশ
খেলার প্রথমার্ধ্বে ৪২ মিনিটে হেডে গোল করেন বাংলাদেশের রাইট উইঙ্গার সাদউদ্দিন
দারুণ এক হেডে লক্ষ্যভেদে করে সল্ট লেক স্টেডিয়ামের গ্যালারি স্তব্ধ করে দেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড
খেলার শেষ দিকে ৮৮ মিনিটে আদিলের হেডে খেলায় সমতায় নিয়ে যায় ভারত
ফিফা স্বীকৃত পরিসংখ্যানে ভারতের বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের ১১তম ড্র
দারুণ সম্ভাবনা জাগিয়ে ১৬ বছর পর শক্তিশালী এই প্রতিপক্ষে বিপক্ষে হারানোর সুযোগ হারালো বাংলাদেশ
ভারতের বিপক্ষে সর্বশেষ ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে জিতেছিল দল
৩০তম মিনিটে আদিলের ভুলে বল পেয়ে ডান দিক দিয়ে আক্রমণে ওঠা বিপলু আহমেদের বাড়ানো ক্রসে নাবীব নেওয়াজ জীবন পা ছোঁয়ানোর আগেই এক ডিফেন্ডার কর্নারের বিনিময়ে ফেরান
একটু পর সোহেলের ছোট করে বাড়ানো বল ভালো জায়গায় পেলেও তালগোল পাকিয়ে সুযোগ নষ্ট করেন জীবন
জামালের ফ্রি কিকে গুরপ্রিত সিং লাফিয়ে উঠে নাগাল পাননি
দুরের পোস্টে থাকা সাদউদ্দিন দারুণ হেডে এগিয়ে নেন দলকে
শিরোনাম রাসমেলায় কান্তজিউ মন্দির সাথে তেঁতুলিয়ার চা বাগান উত্তরবঙ্গ ভ্রমণ- সাথে হিমালয়ের হাতছানি দিনাজপুর- পঞ্চগড় ভ্রমণ সাথে কমলা বাগান রংপুরে অনুষ্ঠিত হলো রান ফর বেটার বাংলাদেশ এর বিভাগীয় অভিষেক মেঘনার বুকে ঢেউ তুলবে তারুন্যের কাফেলা ই-ক্যাব ও আজকের ডিলের সমযোতা স্মারক ৬৪০ রিয়ালে পাওয়া যাবে সৌদি টুরিস্ট ভিসা ওমরাহ পালনকারীরাও পাবেন টুরিস্ট সুবিধা অনলাইনে পর্যটন বইমেলা উদ্ধোধন করলেন মন্ত্রী কক্সবাজারে যুক্ত হলো বিনোদনের নতুন আয়োজন ফানবাস কিভাবে এজেন্ট হয়ে ভারতীয় ট্রেনের টিকেট কাটবেন বিনির্মান থেকে
: আগস্ট ৬, ২০১৭
কুমিল্লার পথে প্রান্তরে
আগস্ট ৬, ২০১৭
কুমিল্লার পথ প্রান্তর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের আমি উচ্চ মাধ্যমিক ক্লাসের ছাত্র
দুটো বছর দাপিয়ে শহরের অলিগলি ঘুরে বেড়িয়েছে
প্রায় সব [...]
একান্নবর্তী বা যৌথ পরিবারের বিষয়টি বর্তমান প্রজন্মের অনেকের কাছেই অজানা
কেননা, সময়ের বিবর্তনে একে একে একান্নবর্তী পরিবারের ভাঙন বহু আগে থেকেই শুরু হয়েছিল
এখন অবশিষ্ট যা আছে, তা অতি নগণ্য
বাস্তবে শহর, গ্রাম, মফস্বল কোথাও একান্নবর্তী পরিবারের দেখা পাওয়া যায় না
সর্বত্র পরিবারমাত্রই স্বামী-স্ত্রী এবং তাদের সন্তানরা
এর বাইরে পরিবারভুক্ত হিসেবে কাউকে গণ্যও করা হয় না
যদি বৃদ্ধ বাবা-মা বেঁচে থাকেন, তাদের নিয়েও ভাইয়ে-ভাইয়ে নানা টানাপোড়েন দেখা দেয়
বাবা-মায়ের দায়িত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রেও অনীহা দেখায় অনেক সন্তান
তবে নিম্ন-মধ্যবিত্ত এবং নিম্নশ্রেণির পরিবারে শত কষ্টে হলেও বাবা-মাকে ত্যাগ না করে সন্তানরা সঙ্গেই রাখে
শহরের উচ্চ ও মধ্যবিত্তদের ক্ষেত্রে এটি এখন প্রায় শূন্যের কোঠায়
একান্নবর্তী পরিবার ভেঙে যাওয়ার মূল কারণ অর্থনৈতিক বৈষম্য তো বটেই, পাশাপাশি সমাজের রল্প্রেব্দ-রল্প্রেব্দ যে আত্মকেন্দ্রিকতা ক্রমাগত তীব্র আকার ধারণ করে চলেছে, তার প্রভাবই মূলত দায়ী
মানুষের সমষ্টিগত ভাবনার জগৎ বলে বাস্তবে এখন আর কিছু নেই
সবাই যার যার-তার তার
এ জন্য ব্যক্তিকে অবশ্য এককভাবে দায়ী করা যাবে না
সমস্যার মূলে ব্যবস্থা
আমরা কোন ব্যবস্থার অধীনে- সেটা অনুধাবন করতে না পারলে সমাধানের পথ কিন্তু খুঁজে পাব না
তাই ব্যবস্থাটাকে চিহ্নিত করে তা পরিবর্তন করা ব্যতীত আমাদের সামনে সমষ্টিগত আকাক্সক্ষা পূরণের কোনো দিশা নেই
একান্নবর্তী পরিবার মানেই যে আদর্শ পরিবার, সেটা কিন্তু নয়
একান্নবর্তী পরিবারে নিপীড়ন, যন্ত্রণা, হতাশা, বৈষম্য ইত্যাদি খুবই পরিচিত বিষয়
একই পরিবারের সব সদস্যের আয়-উপার্জন সমান হয় না
কারও বেশি কারও কম
এই আয়ের কমবেশিতে শ্রেণি অসমতা বৈষম্যের জন্ম দেয়
পরিবারের কর্তৃত্ব সে-ই লাভ করে যে সর্বোচ্চ আয় করে
তারই বশবর্তী হতে হয় অন্যদের
এ ছাড়া পরিবারে যদি কোনো বিধবা মা ও বোন থাকে তবে তাদের গৃহকর্মীর মতো সংসারের সব কাজের ভার বহন করতে হয়
সবচেয়ে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হয় সেসব নারীর, যাদের স্বামীর আয়-উপার্জন স্বল্প
সংসারে তাদের অত্যন্ত অমর্যাদাকর পরিস্থিতির শিকার হতে হয়
কেবল নারীদেরই নয়, সেসব পুরুষ সদস্যেরও, যাদের আয়-রোজগার স্বল্প
একই পরিবারভুক্ত হওয়ার পরও নানা ক্ষেত্রে পরিবারের ধনী-নির্ধন বৈষম্য প্রকাশ পায়
একান্নবর্তী পরিবারের সংস্কৃতি সুদীর্ঘকাল আমাদের বঙ্গদেশে বলবৎ ছিল
পরিবার থেকে পৃথক হওয়াকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হতো
তাই বৈষম্যপূর্ণ হলেও একান্নবর্তী পরিবার দীর্ঘ মেয়াদে টিকে ছিল
খাওয়া-দাওয়ার ভিন্নতার পাশাপাশি আয়েশ-বিলাস, পোশাক-পরিচ্ছদ, সন্তানদের শিক্ষাঙ্গনের ভিন্নতাও অতি সাধারণ বিষয়
এখনও যদি কোনো একান্নবর্তী পরিবার থেকে থাকে, তবে সেখানেও একই চিত্র দেখা যাবে
শ্রেণি-বৈষম্য আমাদের সমাজে যেমন বিদ্যমান, একইভাবে যৌথ পরিবারেও সেটা বিলক্ষণ দেখা যায়
যৌথ পরিবারের কর্তার স্ত্রীর পক্ষের আত্মীয়রা যেভাবে আপ্যায়িত ও সম্মানিত হয়; অন্যদের ক্ষেত্রে অর্থাৎ ওই পরিবারের স্বল্প আয়ের সদস্যদের ক্ষেত্রে সেটা হয় সম্পূূর্ণ বিপরীত
নিজেরাই যেখানে সম্মান ও মর্যাদাহীন, সেখানে স্ত্রীর আত্মীয়স্বজনের সম্মান-মর্যাদার বিষয়টি তো ভাবারই অবকাশ নেই
আমার দেখা একটি যৌথ পরিবারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরছি
আমি তখন কিশোর
আমাদের পার্শ্ববর্তী একটি পরিবারে সাত ভাই, চার বোন এবং তাদের বাবা-মা
ছোট তিন ভাই স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী
বড় বোনের বিয়ে হয়েছে
অপর তিন বোন স্কুল-কলেজগামী
যে চার ভাই চাকরি করতেন তাদের দেখতাম সামর্থ্যানুযায়ী প্রতিদিন হাতে করে পরিবারের সব সদস্যের জন্য ফলমূল, নানা পদের খাবার নিয়ে বাসায় ফিরতেন
পরিমাণেও ছিল যথেষ্ট
অথচ ওই পরিবারের ছেলেরা একে একে বিয়ে করার পর যৌথ ওই সংসারে বৈষম্যের সূত্রপাত ঘটে
চাকরিজীবী চার ভাই কর্মস্থল থেকে ফেরার সময় প্রতিদিন হাতে করে খাবারের প্যাকেট আনতেন বটে তবে পরিমাণে এতই নগণ্য, সে খাবার দু-তিনজনের অতিরিক্ত নয়
অর্থাৎ বিয়ের পর ভাইয়েরা সামষ্টিক ভাবনা থেকে একে একে সরে এসে আত্মকেন্দ্রিকতার বৃত্তে আবদ্ধ হয়ে পড়ে
যৌথ পরিবারে থাকলেও একান্নবর্তী রান্না তাদের কাছে যথেষ্ট মনে হতো না
তাই উপার্জনকারী ওই চার ভাই এবং তাদের স্ত্রীরা মাছ-মাংস আলাদাভাবে রান্না করে নিজেদের ঘরে তুলে রাখত এবং স্বামী-স্ত্রী ও নিজ সন্তানদের নিয়ে সেই পৃথক রান্না খেত
এতে পরিবারটির ভেতরে নানা ক্ষোভ-হতাশার কথা শুনতাম