content stringlengths 0 129k |
|---|
কিন্তু সাহস করে এর বিরুদ্ধে কাউকে প্রতিবাদ করতে দেখিনি |
আদর্শিক ওই যৌথ পরিবারটিতে বৈষম্য এতটাই প্রকট হয়ে পড়ে যে, প্রায়ই এ নিয়ে নানা ক্ষোভের কথা শুনতাম |
প্রকৃত গৃহকর্তা পিতা-মাতাও এ নিয়ে মনোকষ্টে ভুগতেন বটে তবে উপার্জনকারী ছেলেদের বৈষম্যপূর্ণ আচার-আচরণ নিয়ে কিছু বলতে সাহস করতেন না |
যে পরিবারে সমষ্টিগত একটি জগৎ তৈরি হয়েছিল, সময়ের বিবর্তনে সেটি একে একে ভেঙে পড়ল |
পরস্পরের হৃদ্য, আন্তরিকতাও পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে গেল |
পরিণতিতে পরিবারের মধ্যে পৃথক দুই পক্ষ গড়ে ওঠে |
এক পক্ষ সুবিধাভোগী অপর পক্ষ সুবিধাবঞ্চিত |
তীব্র টানাপোড়েনের পরও পরিবারটি ভাঙেনি বৃদ্ধ পিতা-মাতার কারণে |
পিতার মৃত্যুর পর অধিক উপার্জনকারী ভাইয়েরা পাশের এলাকায় নতুন আবাসে চলে যায় |
মা-বোনসহ স্বল্প আয়ের ভাই এবং বেকার ভাই পুরোনো আবাসে থেকে যায় |
পূর্বের একান্নবর্তী পরিবারের অর্থনৈতিক জৌলুস ক্রমে ম্লান হয়ে নিম্নবিত্ত শ্রেণিতে পরিণত হয় |
অথচ অবস্থাপন্ন ভাইয়েরা সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত রূপে নিজেদের শ্রেণিগত দৃঢ় অবস্থান নিশ্চিত করেছিল |
এমন নজির আরও অনেক আছে |
যৌথ পরিবার কখনোই বৈষম্যহীন ছিল না |
পরিবারের ভেতরে মন কষাকষি, মনোমালিন্য, ক্ষোভ-বিক্ষোভ, বৈরিতা, বৈষম্য, দুঃখ-হতাশা, অমানবিকতা বিরাজ করত |
শ্রেণি-বৈষম্যপূর্ণ সমাজের প্রভাবমুক্ত ছিল না কোনো যৌথ পরিবার |
পরিবার তো সমাজেরই অধীন |
পরিবারের সদস্যরা যতই নিকটবর্তী হোক না কেন, শ্রেণিগত অবস্থান তাদের দূরবর্তী করে দেয় |
সৃষ্টি করে পরস্পরের মধ্যে বিচ্ছিন্নতার |
এখনকার একক পরিবারগুলোতে সদস্য সংখ্যা তিন-চারজনের অধিক নয় |
অথচ আগে প্রতিটি পিতা-মাতার অধিক সন্তানের কারণে একান্নবর্তী পরিবারের পরিসর ছিল বৃহৎ |
একটি যৌথ পরিবারে ত্রিশ-চল্লিশজন সদস্য থাকাটাও ছিল খুবই স্বাভাবিক বিষয় |
আজ এসব যেন স্মৃতির কাতারভুক্ত হচ্ছে |
অনেকদিন থেকেই ভাবছিলাম যে লিখবো, কিন্তুু এখানে সবকিছুর জন্য এতো মাপা মাপা সময় যে, একটু নিজের মতো করে কিছু করবো, সেই সময়টাই ঠিক হয়ে ওঠে না |
যদিও এরকম একটা জীবনই আমার পছন্দ ছিল, বা ঠিক পছন্দ কিনা জানি না কিন্তুু চাইতাম, ঠিকই এরকম সত্যিকারের একলা থাকতে, কারণ জীবনের বেশিরভাগ সময়ই আমি কাটিয়েছি সবার মধ্যে থেকেও একরকম একলা একলা, এক একটা সময় এক এক জনের জন্য অপেক্ষা, এক এক জনের জন্য কষ্ট পাওয়া |
প্রচণ্ড অভিমান নিয়ে ওই সময়গুলোতে ভাবতাম আমি সবার মধ্যে থেকে না বরং সত্যি সত্যি ই একলা থাকতে চাই যেখানে কেউ থাকবে না |
এখন আমার সংসারে আমিই একমাত্র সদস্য, ঘর থেকে বের হবার সময় পেছন থেকে দরজা লাগানোর জন্য যেমন কেউ থাকে না, তেমনি স্কুল, ল্যাব সব শেষ করে বাসায় ফিরতে প্রায় প্রতিদিনই খানিকটা রাত হয়, আর তখনও নিজেই দরজাটা খুলে বাসায় ঢুকতে হয়, এটাই স্বাভাবিক এখানে |
যদিও আমার মনে হয় এরকম একলা কিছু সময় নিজের মতো করে নিজের সাথে কাটানো, নিজের সাথে কথা বলা, সত্যিই খুব জরুরি, তা নাহলে একদিন হঠাৎ করে দেখবেন জীবনের বেশিরভাগ সময়ই আপনি কাটিয়ে দিয়েছেন শুধু অন্যরা আপনাকে নিয়ে কী ভাবলো সেটা নিয়ে, অন্যদের চোখে আপনি কেমন সেটা নিয়ে, আপনি হয়তো খুব ভালো করে কখনও নিজের দিকে তাকিয়েই দেখেননি যে আপনার চোখে আপনি কতটা সুন্দর, কখনও হয়তো উপলদ্ধি করেননি কতটা সাহসী আপনি! |
যদিও মানুষ নিজে কোন কঠিন পরিস্থিতির মোকাবেলা করার আগ পর্যন্ত সত্যিই বুঝতে পারে না, যে সে আসলে কতটা সাহসী আর শক্তিশালী! |
আমার যখন প্রথম ক্যান্সার ধরা পড়লো সেটা ছিল ২০১৩ সালের প্রথম দিকে, আমি হসপিটালে ভর্তি হলাম আমার থাইরয়েড অপারেশনের জন্য, মজার ব্যাপার হলো অপারেশনের আগে ওরা নিয়ম অনুযায়ি ম্যালিগন্যান্সি (ক্যান্সার) টেস্ট করালো এবং ওই সময় রেজাল্ট আসলো নেগেটিভ |
কিন্তুু অপারেশনের পর যখন আবারো বায়োপসি করা হলো তখন রেজাল্ট হয়ে গেলো পজিটিভ, আরো কয়েক জায়গা থেকে পরীক্ষা করা হলো নিশ্চিত হবার জন্য, এবার সবখানেই রেজাল্ট পজিটিভ |
ডাক্তার আমাকে, আমার মাকে, আর আমার হাজবেন্ডকে একসাথে ডেকে যখন খবরটা দিল, আমার স্পষ্ট মনে আছে আমার যেন গায়েই লাগেনি খবরটা, শুধু মনে মনে বোধ হয় বললাম, সিরিয়াসলি? বরং আমার তো কষ্ট হচ্ছিল আমার মায়ের মুখটা দেখে |
অপারেশনের পর হাজারো জটিলতা শেষ করে যখন হসপিটাল ছাড়লাম, তখন শুরু হলো আবার অপেক্ষা থেরাপি নেবার জন্য, যদিও এই পর্যন্ত কিছুই তেমন মনে হয়নি আমার, সবসময়ই নিজেকে বোঝাচ্ছিলাম ইটস ওকে, ইটস রিয়েলি ওকে, ডোন্ট ওয়ারি |
তারপর থেরাপির জন্য আবারো হসপিটালে ভর্তি হলাম, আমার থেরাপিটা ছিল রেডিও থেরাপি, কিন্তুু সম্পূর্ণ নতুন আর ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, আমাকে সাতদিন হসপিটালের একটা কেবিনে রাখা হয়েছিল, যেখানে কারো ঢোকার অনুমতি ছিল না কারণ আমার শরীরের রেডিয়েশনে অন্যদের খ্খতি হবে তাই এই বিশেষ ব্যবস্থা |
তারপর যখন বাসায় ফিরলাম নিয়ম অনুযায়ি সব আত্মী স্বজন শেষবারের মতো দেখতে আসা শুরু করলো, আমার দাদাবাড়িতে এরকম নিয়ম আছে যে, যখন কোনো মানুষ খুব বয়স্ক হয়ে বা কোনো কঠিন অসুখে প্রায় মারা যাচ্ছে, তখন সবাই তার বাড়িতে খাবার রান্না করে তাকে খাওয়াইতে নিয়ে যাবে, সুতরাং সেইম সিস্টেম শুরু হইলো আমার জন্যও, পুরো সময়গুলো আমি খুব অদ্ভুতভাবে কাটাচ্ছিলাম, ঠিক এই সময়টাতে কিছু লোক আবার ব্যস্ত ছিল নানারকম মন্তব্য নিয়ে, পজিটিভ নেগেটিভ সব ধরনের মন্তব্য, তারপর আস্তে আস্তে সময় যেতে থাকলো, আর আমিও অনেকটা সুস্থ হতে থাকলাম, একইসাথে আত্মীয় স্বজন যারা খাবার দাবার নিয়ে শেষবারের মতো দেখা করতে আসতেছিল, সেটাও আস্তে আস্তে কমে গেল, সবকিছুই কেমন যেন খুব স্বাভাবিক হয়ে গেল |
আমি বাইরে পড়তে আসার চেষ্টা কিছুদিন থেকেই করছিলাম, এতো বিশাল একটা গ্যাপ আর এই এতো কিছু ঘটে যাওয়ার পর কেন জানি চেষ্টাটা আরো বেড়ে গেল, আমি সবকিছু শুরু করলাম আবার নতুনভাবে, ঠিক বড়সড় একটা ঝড়ের পর বৃষ্টি হলে সবকিছু যেমন শীতল শান্ত হয়ে যায় এরকম একটা মন নিয়ে আবারো শুরু করলাম, যেন কিছুই হয়নি, সব ঠিক আছে, আর ওই যে বললাম অসুখটা তো শরীরে, মনের শক্তির কাছে যেটা কিছুই না |
এখন আমি বাইরে প্রায় এক বছর হতে যাচ্ছে, এর মধ্যে আমার নিয়মিত চিকিৎসা তো চলছেই, যেটা চলবে আমৃত্যু |
কিছুদিন ধরে আমি হঠাৎ করে আবারো অসুস্থ হয়ে পড়লাম, এতোটাই ভয় পেয়ে গেছিলাম যে দেশে যাবার সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়ে নিয়েছিলাম |
কিন্তু না, সেই সিদ্ধান্ত বাদ দিয়ে এখানেই চিকিৎসা নিচ্ছি |
গত মাসে একটা অপারেশন করতে হয়েছে যেটার জটিলতাই এখনও শেষ হয়নি, এর মধ্যে ডাক্তার আবার বলেছে, আবারেও থেরাপি নিতে হবে |
কিন্তুু আমি এখনও সিদ্ধান্তই নিতে পারছি না যে, সবকিছু ঠিক করে কখন কিভাবে আবারো হসপিটালে ভর্তি হবো, যদিও আমি জানি একটা উপায় ঠিকই করে ফেলবো, ইটস স্টিল ওকে! |
এইতো যাচ্ছে জীবন, বেশ ভালো! |
জীবনটা সত্যিই সুন্দর, মাঝে মাঝে একটু কঠিন বা কখনো খুব জটিল যখন আপনার কাছে কোন প্রশ্নেরই কোনো জবাব নেই, তারপরও এটা সুন্দর, আর জীবনকে সুন্দর রাখার দায়িত্ব একান্তই আপনার, কোনো কিছুই আসলে জীবনের শেষ না, যতক্ষণ না আপনি নিজে এটা ভাবছেন! |
আরো একটু গভীরভাবে যদি ভাবেন একজন নারীর শক্তি আসলে কতখানি, যে কাজটা কোন পুরুষ করতে পারে না, এমনকি যে কাজটা সৃষ্টিকর্তা নিজেও করেন না, সবচাইতে কঠিন সেই কাজটা একজন নারীই করতে পারে, কারণ তার আছে সেই ক্ষমতা, সেই পারে আরেকটা জীবনকে তার মধ্যে ধারণ করতে, তাকে জন্ম দিতে, যেটার জন্য শুধুমাত্র শরীরের না মনের শক্তি ও সমানভাবে দরকার |
এটা ঠিক আপনি আপনার মনের শক্তি দেখতে পাচ্ছেন না, যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনি এটাকে কাজে লাগাচ্ছেন |
কিন্তু তার মানে এই না যে, আপনার মনের শক্তি নেই |
আপনি জানেন না কীভাবে সমস্যার মোকাবেলা করতে হয়, আপনি জানেন না কিভাবে আবার নতুন করে শুরু করতে হয়, আপনার হাতের শত শত ব্যাকটেরিয়া আপনি দেখতে পাচ্ছেন না, এই মহাবিশ্ব গ্যালাক্সি এসবকিছুই আপনি দেখতে পাচ্ছেন না, কিন্তু তার মানে এই না যে এগুলোর কোন অস্তিত্ব নেই |
নিজের আশির্বাদগুলোকে হিসেব করুন, বেশি বেশি করে ধন্যবাদ জানান সবকিছুর জন্য, প্রাণভরে নিশ্বাস নিন, সুন্দর করে বাচুন!!! |
শেয়ার করুন: |
: "নিজেকে ভালবাসুন, ইতিবাচক চিন্তা করুন, উইমেন চ্যাপ্টার, নিজেকে ভালবাসুন, মনের শক্তিকে কাজে লাগান, মনের শক্তিকে কাজে লাগান", হেলেনা আফরোজ |
অনুভূতির কোনো লিঙ্গ নেই: মেমোরিজ ইন মার্চ |
হ্যাঁ, সুখী বিবাহ বিচ্ছেদ বলেও কিছু হয়! |
সর্বশেষ প্রকাশিত |
আন্দোলনে নারী ফিচারড নিউজ বিবিধ |
শোভা যেন আর হেরে না যায় কখনও! |
ডিসেম্বর ৩, ২০২১, ৭:১২ অপরাহ্ণ |
উইমেন চ্যাপ্টার |
'কেরোসিন আর দিয়াশলাই ছিল আমার সঙ্গী' |
ডিসেম্বর ২, ২০২১, ১:১৬ অপরাহ্ণ |
উইমেন চ্যাপ্টার |
খবরাখবর ফিচারড নিউজ |
বোরকা-হিজাব বনাম বিকিনি সংস্কৃতি: একটি পাঠ প্রতিক্রিয়া |
নভেম্বর ২৪, ২০২১, ৩:১৩ পূর্বাহ্ণ |
উইমেন চ্যাপ্টার |
আন্দোলনে নারী ফিচারড নিউজ |
বেদনার নীল চোখে দেখা রেহানা মরিয়ম নূর: আমার ভাবনা |
নভেম্বর ২২, ২০২১, ৩:৫০ পূর্বাহ্ণ |
উইমেন চ্যাপ্টার |
সর্বাধিক পঠিত |
শোভা যেন আর হেরে না যায় কখনও! |
সাজেকের সৌন্দর্য দেখছেন, কিন্তু কান্নাটা কি শুনেছেন? |
পিনাকী ভট্টাচার্য: বাংলাদেশের এক ভয়ঙ্কর ক্যানিবলের নাম! |
স্বমৈথুন সংক্রান্ত কিছু কথা~ |
'কেরোসিন আর দিয়াশলাই ছিল আমার সঙ্গী' |
অন্যান্য গুলো দেখতে এখানে ক্লিক করুন |
আমাদের সম্পর্কে |
বা পরিবর্তনে নারী |
লেখালেখি হতে পারে আন্দোলনের অন্যতম হাতিয়ার - এই নীতিকে সামনে রেখেই বাংলাদেশে সম্পূর্ণ নারী বিষয়ক প্রথম অনলাইন নিউজ পোর্টাল |
: |
-: |
লেখা পাঠানোর ঠিকানা: |
আপনার লেখা পোর্টালেপ্রকাশ করতে চাইলে বিনা সংকোচে পাঠিয়ে দিন [ ] ইমেইলে| লেখার সাথে একটি প্রকাশযোগ্য ছবি থাকলে ভাল হয়| লেখা পাঠানোর পরে দয়া করে অপেক্ষা করবেন, প্রকাশযোগ্য সকল লেখা পর্যায়ক্রমে প্রকাশিত হবে| ধন্যবাদ| |
ফের নিম্নচাপের ঘনঘটা! জোড়া নিম্নচাপের প্রভাবে প্রবল বৃষ্টিতে ভাসতে পারে রাজ্যের এই জেলাগুলি! জানালো আবহাওয়া দপ্তর! - 24. |
, 5 2021 |
বিমানের মধ্যে মাঝ আকাশেই সন্তানের জন্ম দিলেন ভদ্রমহিলা! নবজাতককে বিনামূল্যে আজীবন বিমান সফরের উপহার দিল এয়ার ইন্ডিগো! |
সদ্য লঞ্চ করলো নতুন দুর্দান্ত ই-সাইকেল! পেয়ে যাবেন স্কুটারের থেকেও কম দামে! এক চার্জে চলবে 100 কিমি রাস্তা! রইল বিস্তারিত |
পুলিশের দ্বারস্থ হলেন ভাইরাল 'বাদাম বাদাম' গানের গায়ক ভুবন বাদ্যকর! কি কারণ? জানুন বিস্তারিত |
প্রচন্ড বেগে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় 'জাওয়াদ'! রাজ্যের কোন কোন জেলাকে সতর্ক করলো আবহাওয়া দপ্তর? জানুন বিস্তারিত |
সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ভাইরাল হওয়া গান 'বাদাম বাদাম' -এর গায়ক ভুবনদা |
কোথায় থাকেন তিনি? পরিবারে আর কে কে আছে? জানুন বিস্তারিত |
, , কে টেক্কা দিতে মাত্র 107 টাকায় 3 মাসের আনলিমিটেড প্ল্যান নিয়ে আসছে ! জানুন বিস্তারিত |
খারাপ খবর কার্ড ব্যবহারকারীদের জন্য! বাড়ছে টাকা তোলার খরচ! জেনে নিন বিস্তারিত |
খালি গলায় অসাধারণ সুরে নেহা কক্করের গান গেয়ে ফের নেট দুনিয়ায় ভাইরাল গৃহবধূ সঞ্জনা! তুমুল ভাইরাল হল ভিডিও |
স্কুলড্রেস পরেই ক্লাসরুমে 'বন্ধু কালাচাঁদ' গানে তুমুল নাচ স্কুলছাত্রীদের! সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়ের বেগে ভাইরাল ভিডিও |
ভাইরাল 'বাদাম বাদাম' গানের গায়ক ভুবনদার সামনেই লাইভ টিকটক করলেন বাংলাদেশি যুবতী! মুহূর্তে ভাইরাল ভিডিও |
প্রথম পাতা |
আন্তর্জাতিক |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.