content
stringlengths
0
129k
: ( ). : . : . : .
:- -99 ( ) -1212. :() 01792 55 55 52. : 24@.,.24@.
কালিয়াকৈরে ভাইয়ের নির্বাচনে পুলিশ ভাইয়ের প্রভাব, অন্য প্রার্থীরা আতঙ্কে সুনামগঞ্জে স্বাক্ষরতার হার র্দূভাগ্য জনক - বিভাগীয় কমিশনার রেললাইন ঘেষে ফের বসছে পুরাতন গরম কাপড়ের দোকান মাগুরায় যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ বিরামপুরের ৫নং বিনাইন ইউপিতে সবাই স্বতন্ত্রঃ নেই কোনো নৌকা প্রতীক আলটিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা জনপ্রিয়তার শীর্ষে মেম্বার প্রার্থী সিরাজুল হক আইএস খোরাসানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সৈন্য পাঠাল তালেবান স্কুলে ভর্তির আবেদন শুরু, মানতে হবে যেসব শর্ত বিশ্বে আরও সাড়ে ৭ হাজারের বেশি প্রাণহানি
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি © © 2011 24
বড়লেখায় পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ভবন নির্মাণে অনিয়ম, কাজ বন্ধ - জৈন্তাপুর প্রতিদিন বড়লেখায় পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ভবন নির্মাণে অনিয়ম, কাজ বন্ধ - জৈন্তাপুর প্রতিদিন
আন্তজার্তিক
তথ্য প্রযুক্তি
এক্সক্লুসিভ নিউজ
প্রবাসের খরর
সাক্ষাৎকার
সাহিত্যের আসর
বাংলাদেশে, সিলেট
বড়লেখায় পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ভবন নির্মাণে অনিয়ম, কাজ বন্ধ
বড়লেখায় পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ভবন নির্মাণে অনিয়ম, কাজ বন্ধ
আপডেট টাইম : , 15, 2021
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বর্ণি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ভবন নির্মাণ কাজে নানা অনিয়ম ধরা পড়েছে
স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে নির্মাণাধীন এই ভবনে সিডিউলে বর্ণিত মান অনুযায়ী যথাযথভাবে রড ব্যবহার করা হয়নি
এছাড়া ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় রডের মান নিশ্চিত হওয়া ছাড়াই ভবনের অধিকাংশ কাজে বিভিন্ন কোম্পানির রড (নন-গ্রেড) ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে
১৪ ফেব্রুয়ারি রবিবার ভবনের দ্বিতীয় তলায় ছাদ ঢালাইয়ের প্রস্তুতিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম আল ইমরান সরেজমিনে ভবন পরিদর্শন করেন
অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন তিনি
এ সময় বড়লেখা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. উবায়েদ উল্লাহ খান, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মৌলভীবাজারের সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুল হক, বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিন, ঠিকাদারের প্রতিনিধি ইকবাল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন
জানা গেছে, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে বড়লেখার বর্ণি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের চারতলা ভবনের ভিত্তির ওপর দুইতলা ভবন নির্মাণ কাজ হচ্ছে
প্রায় এক কোটি ৪৪ লাখ টাকার কাজটি করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এইচ কন্সট্রাকশন
গত বছরের ৬ ডিসেম্বর উদ্বোধনের পর ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ভবন নির্মাণের শুরু থেকেই নিম্নমানের রড, সিমেন্ট, ইট, বালু ও সুরকি ব্যবহার করা হয়েছে
স্থানীয়রা কয়বার আপত্তি করলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তাদের কাজ চালিয়ে যায়
সরেজমিনে দেখা গেছে, স্বাস্থ্য কেন্দ্রটির নির্মাণাধীন ভবনের দ্বিতীয় তলার ছাদে তিনটি কোম্পানির রড (নন-গ্রেড) ব্যবহার করা হয়েছে
যার সবগুলোই ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় রডের মান নিশ্চিত হওয়া ছাড়াই ব্যবহার করা হয়
যেখানে ভবনে ভালো মানের ৬০ গ্রেডের রড ব্যবহার কথা
এছাড়া গ্রেড ভীমের টপ থেকে পিএল লেভেল পর্যন্ত ১০ ইঞ্চি গাঁথুনিতে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হয়েছে
ভবনের বিভিন্ন অংশে লোকাল রড (নন-গ্রেড), সিলেটসেন্ডের পরিবর্তে সম্পূর্ণ লোকাল বালু ব্যবহার করা হয়েছে
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের তথ্যমতে এখানে কাজের জন্য ৬০ গ্রেডের বিএসআই রড পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে
কিন্তু বাস্তবে ছাদে অন্য তিনটি কোম্পানির রড (নন-গ্রেড) বাঁধাইকরা পাওয়া যায়
আলাপকালে ল্যাবরেটরি পরীক্ষা ছাড়াই রড ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন বলেন, করোনার কারণে রিপোর্ট পাইনি
তবে দ্রুত শেষ করার জন্য কাজ শুরু করি
বিএসআই কোম্পানির রড পরীক্ষার জন্য পাঠাই
তবে যে দোকান থেকে মাল কিনেছি তারা কিছু মাল অন্য কোম্পানির পাঠিয়েছে
সব রড খারাপ না
৪০ শতাংশের মতো অন্য রড হয়তো ব্যবহার হয়েছে
এগুলো সংশোধন করা হবে
কাজ তদারকির দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মৌলভীবাজারের সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুল হক ঢালাইয়ের জন্য প্রস্তুত হওয়া ছাদের সব জায়গায় বিএসআই রড ব্যবহারের দাবি করলেও এই রড সব জায়গায় দেখাতে পারেননি
রডের ল্যাবরেটরি পরীক্ষার প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো রিপোর্ট আসেনি
সব কিছুতো রিপোর্টে হয়না
অভিজ্ঞতার আলোকেই করতে হয়
এই কর্মকর্তা নির্মাণ কাজের গুনগত মান নিয়ন্ত্রণের চেয়ে ঠিকাদারের পক্ষেই সাফাই গাইতে থাকেন
স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম পাঠান বলেন, রবিবার স্বাস্থ্য কেন্দ্রটির দ্বিতীয় তলার ছাদ ঢালাইয়ের কথা ছিল
কিছু অনিয়মের অভিযোগ উঠায় ছাদ ঢালাই বন্ধ করেছি আমরা
স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিদর্শন করেছেন
কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না
ত্রুটি থাকলে ঠিকাদারকে অবশ্যই কাজ করে দিতে হবে
বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শামীম আল ইমরান বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজের রডসহ অন্যান্য মালামালে অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়ায় ঢলাই কাজ বন্ধ রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে
বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হবে
প্লিজ সেয়ার করুন
আরো ক্যাটাগরি
আমেরিকা প্রবাসী রোটারিয়ান খসরু সাথে ফ্রেন্ডশীপ পাবলিক স্কুলের মতবিনিময়
বালুপাথরের দুই লটেরা জামাই সুমন আলিম উদ্দিন সামনা সামনি
জৈন্তাপুরে যৌতুক মামলার আসামী আটক
জৈন্তাপুরে ধর্ষণ মামলার আসামী আটক
পুলিশের অভিযানে আন্তঃ জেলা ডাকাত দলের সদস্য সহ আটক ৪
কানাইঘাটে বিধবা নারীকে যৌন হেনস্তা : দুই আসামি গ্রেফতার
. *
, , .
আমাদের পেইজ লাইক করুন
জৈন্তাপুর প্রতিদিন একটি অনলাইন ভিত্তিক পত্রিকা
আমরা আপনাদের নিকট সবার আগে সর্বশেষ সংবাদটি পৌছে দিচ্ছি এবং ভবিষ্যৎ তে ও দিতে চাই
সর্বদা আপনাদের সহযোগিতা কাম্য
মনে রাখবেন আপনাদের সুনির্দিষ্ট তথ্য আমাদের এগিয়ে যেতে সহায়ত করবে। কোন সংবাদ প্রকাশের জন্য আমাদের মেইল করুন অথবা নিমুক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করুন
উপদেস্টা ঃকামাল আহমদ, চেয়ারম্যান জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদ । মোঃ খায়রুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক, ইমরান আহমদ সরকারী মহিলা কলেজ। নূরুল ইসলাম,দৈনিক সিলেটের ডাক । আবুল হোসেন মোঃ হানিফ দৈনিক ইত্তেফাক । সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ রেজওয়ান করিম সাব্বির
যোগাযোগর ঠিকানাঃ চুনাহাটি মসজিদ মার্কেট (২য় তলা) এশিয়ান হাইওয়ে রোড়, জৈন্তাপুর সিলেট। মোবাইল: 01714336088-01914336088 মেইলঃঃ@.
ওসলো ইউনিভার্সিটির বৈজ্ঞানিক ও মাতৃস্তন্যদুগ্ধ গবেষণায় বিশেষজ্ঞ ডঃ হেডভিক নরডেং বলেছিলেন, "' , , ' " অর্থাৎ, আমাদের মাতৃ প্রকৃতির তৈরি এই মায়ের দুধ হোল শিশুদের প্রথম ভ্যাকসিন
ডঃ ওসলো দীর্ঘদিন মায়ের দুধের উপর বিভিন্ন মেডিসিনের কি প্রভাব, তা নিয়ে গবেষণা করেছেন
তাঁর এই মন্তব্য যথার্থ
শিশুর শরীরের মায়ের প্রথম দুধ (যাকে চিকিৎসার পরিভাষায় 'কলোস্ট্রাম' বলে) তার থেকে শিশু পায় মায়ের শরীরে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডি বা ইমিউনোগ্লোবিউলিন , , . এর থেকে শিশুর শরীরে তৈরি হয় প্রথম অনাক্রম্যতা বা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা
বিশেষ করে দুধে থাকা অ্যান্টিবডি রোগসংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম হয়
চিকিৎসকদের মতে শিশুর জন্মের প্রথম ৬ মাস তাই মায়ের দুধই শিশুদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় খাদ্য
সাম্প্রতিক করোনা পরিস্থিতিতে সারা বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে ভ্যাকসিনেশান কর্মসূচী
সন্তানের জন্মের পরেই অনেক মায়েরা ভ্যাকসিন নিচ্ছেন
তাদের মনে প্রশ্ন জাগছে, ভ্যাকসিন নেবার পরে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো কতোটা নিরাপদ? এই একই প্রশ্ন চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীদের
তারা উৎসাহী ভ্যাকসিন পরবর্তী সময়ে মায়ের দুধের কোন পরিবর্তন হচ্ছে কিনা বা শিশুদের শরীরে তার প্রভাব কতখানি তা জানতে
তাই শুরু হয়েছে বিভিন্ন গবেষণা ও পরীক্ষা
করোনা ভ্যাকসিন ও মায়ের দুধ নিয়ে মূল প্রশ্নগুলি কি কি?
গবেষণায় পাওয়া যাচ্ছে, গর্ভাবস্থায় করোনা হলে বা শিশুর জন্মের অনতি পরেই যদি মায়েরা করোনায় আক্রান্ত হন, তবে তাদের অসুস্থতার পরিমান বেশী হয়
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের হাসপাতালে দিতে হয় সাথে সাপোর্টিং অক্সিজেন লাগে
কিন্তু, যারা গর্ভবতী নন, করোনা আক্রান্ত এমন মহিলাদের অসুস্থতা ততটা বাড়াবাড়ির পর্যায় যায় না
তবে ভ্যাকসিন নেবার পরে কিছু প্রশ্ন স্বাভাবিক ভাবেই উঠে আসছে, যেমন-
সদ্য সন্তানের জন্ম দেওয়া মায়েদের উপর করোনা ভ্যাকসিনের কি প্রভাব?
যেহেতু অ্যাস্পিরিন জাতীয় ওষুধ মায়ের দুধের সাথে মিশে শিশুর শরীরে প্রবেশ করে ক্ষতি করে, তাই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগছে অপ্রতক্ষ্য ভাবে করোনা ভ্যাকসিন কি মায়ের দুধে এসে শিশুর কোন ক্ষতি করতে পারে?
আবার অনেকে ভাবছেন, মা করোনা ভ্যাকসিন নিলে কি শিশুও করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকবে? যদি তাই হয়, ঠিক কতোটা ইমিউনিটি শিশুর শরীরে তৈরি হবে?
://..
এই বিষয়ে গবেষণা কি বলছে?
ব্রিগহ্যাম এবং বোস্টনের উমেন্স হসপিটালের ম্যাটারনাল-ফিটাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডঃ ক্যাথলিন গ্রে তার গবেষকদলের সাহায্যে মোট ১৩১ জনের উপর একটি বিশেষ পরীক্ষা করেন
এতে গর্ভবতী ও সদ্য সন্তানের জন্ম দেওয়া মায়েরা ও অন্যান্য মহিলারা যারা ফাইজার-এনবায়োটেক এবং মডার্নার ভ্যাকসিন নিয়েছেন কনট্রোল গ্রুপের সাপেক্ষে তাদের শরীরে করোনার বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডি রেস্পন্স মেপে দেখা হোল
মজার ব্যাপার, এতে ভ্যাকসিন নেওয়া সবার মধ্যেই একই পরিমান অ্যান্টিবডি তৈরি হতে দেখা গেল
বিজ্ঞানীরা ভ্যাকসিন নেওয়া মায়ের দুধের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করলেন, তাতে পাওয়া গেল করোনা প্রতিহতকারী প্রচুর অ্যান্টিবডি! অনেক সময়ে ক্যাফিন বা অ্যালকোহলের মতো ছোট আনবিক যৌগ মায়ের দুধে পাওয়া যায়, কারন ছোট আকারের জন্যে তারা সহজেই রক্ত থেকে স্তন্যগ্রন্থিকোষের কোষপর্দার মধ্যে দিয়ে পার হয়ে যেতে পারে
কিন্তু, করোনার অ্যান্টিবডি আকারে অনেক বড় হয়
এই বিষয়ের ব্যাখ্যা দিয়েছেন গবেষকদলের অন্যতম সদস্য ও হাভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের ইমিউনোলজির গবেষক ডঃ গ্যালিট অলটার
তাঁর মতে, ভ্যাকসিনেশানের পরে মায়েদের দুগ্ধনালীর কোষগুলির উপরিভাগে অবস্থিত গ্রাহক বা রিসেপ্টর প্রোটিন শরীরে তৈরি হওয়া করোনা প্রতিরোধী অ্যান্টিবডির সাথে যুক্ত হয়ে তাকে কোষের ভিতরে এক ধরনের তরলপূর্ণ থলি বা 'বাবল' এর ভিতর 'প্যাক' করে দেয়
এই ভাবে বৃহৎ অ্যান্টিবডি বিশেষভাবে প্যাক হয়ে মায়ের দুধে ক্ষরিত হয়